Windows-এর ৯টি সিক্রেট Tips & Tricks 😱 | 2026 Best Windows Features

Windows-এর ৯টি অসাধারণ Tips & Tricks দেখুন যা আপনার PC কে আরও Fast, Smart এবং Professional করে তুলবে! 🔥

 

Windows-এর ৯টি সিক্রেট Tips & Tricks 😱 | 2026 Best Windows Features

আপনি উইন্ডোজ ইউজ করেন কিন্তু এই নয়টা ট্রিক্স যদি আপনি না জানেন তাহলে আমি বলব বস এতদিন অনেক কিছু মিস করে গেছেন।

 আজকের ভিডিওতে উইন্ডোজ এ নয়টা ইন্টারেস্টিং ট্রিক্স নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো। চলুন একটা করে শুরু করা যাক। নাম্বার ওয়ান ভার্চুয়াল ডেস্কটপ।

 এইটা না উইন্ডোজ এর খুবই ইম্পর্টেন্ট একটা ফিচারস। যেটা আপনারা হয়তোবা এতদিন মনে মনে করছিলেন বাট এখন হয়তোবা আপনারা মিলিয়ে নিবেন যে এইটাই আমার প্রয়োজন। আসলে ভার্চুয়াল ডেস্কটপটা কি? দেখেন আমার একটা পার্সোনাল লাইফ আছে। সো সেখানে আমি আমার পার্সোনাল কাজগুলা করে থাকি। আমি ব্রাউজিং করে থাকি। আমি এমএস ওয়ার্ড এ কাজ করে থাকি। এক্সেল এ কাজ করে থাকি। এরকম আমার পার্সোনাল। আবার আমি যে আরেকটা ইউটিউবিং করি সেইখানে কিন্তু আমার আরেকটা জগত। সেটার জন্য কিন্তু আমাকে আলাদা করে একটা সেটাপ দরকার হয়। তো আমি তো পিসি একটা ইউজ করি। অনেকগুলো ইউজ করা যাবে না। এছাড়াও কিন্তু আমার ধরেন বাইরের কিছু কাজ থাকতে পারে। আদার্স কিছু কাজ থাকতে পারে। সেটার জন্য আলাদা একটা জগৎ থাকতে পারে। এখন আমরা চাইলেই কিন্তু সবগুলাকে আলাদা করতে পারি এই ভার্চুয়াল ডেস্কটপের সাহায্যে। ঠিক আছে? কিভাবে? দেখেন আমি আপনাদেরকে বলছি। আপনারা যদি উইন্ডোজ প্লাস ট্যাব একসাথে চাপেন তাহলে আপনাদের সামনে এরকম একটা উইন্ডোজ ওপেন হবে। 

এইখান থেকে আপনারা যদি প্লাস আইকনের পাশে নিউ ডেস্কটপ বলে একটা অপশন আছে। এখানে যদি ক্লিক দেন তাহলে দেখবেন আরো একটা নতুন ডেস্কটপ আপনার সামনে ওপেন হয়েছে। আপনি এতক্ষণ যেটাতে কাজ করছিলেন অনেক কিছু আপনার ওপেন করা। সো এটাতে কিন্তু কিছুই নাই। একদম ফ্রেশ। এখানে এসে আপনি কিন্তু আরো একটা জিনিস মনের মত করে সাজাতে পারেন। ঠিক আছে? এভাবে আপনি অনেকগুলা উইন্ডো মানে আপনার যতগুলা দরকার হয় সবগুলা ডেস্কটপ আপনি কিন্তু ওপেন করতে পারেন। ওকে? এখন ওপেন করার পর প্রত্যেকটাতে আলাদা করে কাজ করবেন। ঠিক আছে? কাজ করার পর যদি মনে হয় যে না আমি একদম শুরুতে যেটাতে ছিলাম সেটাতে চলে যাব। তো চলে যাওয়ার জন্য আপনি যে কাজটা করবেন উইন্ডোজ প্লাস কন্ট্রোল প্লাস যদি আপনি এরো ডানদিকে দেন তাহলে ডান পাশে যাবে। বাম দিকে দিলে বাম পাশে যাবে। ঠিক আছে? অনেকগুলা যদি আপনার ডেস্কটপ ওপেন থাকে তাহলে আপনি একটাতে শিফট করতে পারবেন। আর এইভাবে আপনি কিন্তু এটা ইউজ করতে পারবেন। 

আর এইটা ইউজ করলে আপনার কাজের স্কিল কিন্তু অনেক বেড়ে যাবে এবং আপনার কাজ কিন্তু অনেক বেশি গোছানো থাকবে। চলেন পরের ট্রিক্সটাতে যাই। নাম্বার টু ক্লিপবোর্ড হিস্ট্রি। এটা না আপনার কাজের গতিকে প্রায় কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিবে। আপনি যখন কম্পিউটারে কোন কাজ করছেন তখন একাধিক জিনিস কিন্তু কপি করার দরকার হয়। দেখবেন একাধিক। সো কপি করলেন। কপি করে সেই জিনিসটা থেকে বেরিয়ে চলে আসলেন। এখন আপনি যেটা কপি করেছিলেন এটা এখন দরকার হলো। তখন আপনি কি করবেন? আবার সেটা কি যেতে হবে ওপেন করতে হবে এত ঝামেলার দরকার নেই ভাই। জাস্ট আপনি আপনার কম্পিউটারের কিবোর্ড থেকে উইন্ডোজ প্লাস ভি চাপ দেন। দেখেন একটা নতুন উইন্ডো ওপেন হয়েছে। এখন দেখেন আপনি যতগুলা কপি করেছিলেন না সবগুলো লিস্ট দেখাচ্ছে। এখন আপনার যেটা প্রয়োজন সেটা জাস্ট এখানে পেস্ট করে দিন। সহজ হয়ে গেল। আপনার কাজের স্পিড বেড়ে গেল। ইন্টারেস্টিং না? চলেন পরের টিপসে যাই। দেখবেন অনেকের পিসি খুব দ্রুত চালু হচ্ছে। বাট আপনারটা চালু করতে গেলে একটু সময় লাগছে। কারণ আপনার পিসি চালু হওয়ার সময় অনেকগুলো প্রোগ্রাম একসাথে নিয়ে এসে কিন্তু চালু হয়।

 এইটার জন্য আপনি একটা কাজ করেন। আপনার কম্পিউটারের কিবোর্ড থেকে কন্ট্রোল শিফট তারপর হচ্ছে এস্কেপ চাপ দেন। দেখেন নতুন একটা উইন্ডো আসছে। আসছে না? এখন আপনি একটা কাজ করেন স্টার্টআপ করে একটা প্রোগ্রাম আছে এখানে ক্লিক দেন। ক্লিক দেওয়ার পর কতগুলো প্রোগ্রাম নিয়ে রান করছে আপনার পিসিটা সেটা শো করছে। এখন যেগুললা আপনার দরকার নেই যে কম্পিউটার রান করার সময় এই সবগুলো যে রান করুক একসাথে বা চালু হোক এটা আপনার দরকার নেই। সেগুললা জাস্ট রাইটে ক্লিক করেন। করে ডিজেবল করে দেন। কাজ কিন্তু শেষ। এখন আপনার প্রয়োজন ছাড়া বাকিগুলা ডিজেবল করে দিলে দেখবেন যে কম্পিউটার যখন চালু হচ্ছে তখন এই দুই একটা প্রোগ্রাম নিয়ে চালু হচ্ছে। যার ফলে খুব দ্রুত কিন্তু চালু হচ্ছে। 

ইন্টারেস্টিং না? চলেন পরের টিপসে যাই। গড মোড এটা শুনে কেমন জানি মনে হচ্ছে যে ভাই এখানে একটা ঈশ্বরের একটা আশীর্বাদ আছে আসলেই আছে কারণ এখানে গেলে আপনি আপনার কম্পিউটারের সমস্ত সেটিংস গুলো যত কিছু আছে এটুজে সব পেয়ে যাবেন এটার জন্য আপনাকে একটা কাজ করতে হবে কি কাজ আমার ডেসক্রিপশন বক্সে দেখেন একটা কোড দিয়ে দিব এই কোডটাকে আপনারা হচ্ছে কপি করবেন কপি করার শেষে আপনার ডেসকটপে যাবেন ডেসকটপে গিয়ে ক্রিয়েট নিউ ফিল্ডারে যাবেন এখানে জাস্টফোল ফোল্ডারের নামের জায়গায় এইটা পেস্ট করে দিবেন। দিয়ে আপনারা এন্টার দিবেন। দেখবেন এবার একটা নতুন একটা আইকন আসছে। এটা কিন্তু ফোল্ডারের মতো না। এটা সফটওয়্যারের একটা আইকনের মতো আসছে। এখন এটাতে যদি আপনারা ডাবল ক্লিক করেন তাহলে দেখতে পারবেন যে আপনার কম্পিউটারে যত সেটিংস আছে সব এখানে কিন্তু শো করছে। এখন আপনি আপনার মত করে সেটিংস গুলা করতে পারবেন। ইন্টারেস্টিং না? এজন্য এটাকে গড মোড বলা হচ্ছে। চলেন পরের টিপসে যাই। স্টোরেজ সেন্স এটা কিন্তু অনেক বেশি ইম্পরটেন্ট। কেন বললাম? স্টোরেজ সেন্স ইম্পর্টেন্ট। 

Windows-এর ৯টি সিক্রেট Tips & Tricks 😱 | 2026 Best Windows Features

আমরা যখন কম্পিউটারের প্রোগ্রামে কোন একটা কাজ করি তখন কিন্তু অপ্রয়োজনীয় অনেক ফাইল তৈরি করে। ঠিক আছে? কাজের সুবিধার্থে। সো পরবর্তীতে এগুললা কিন্তু আমাদের কম্পিউটারে থেকে যায় যার ফলে কিন্তু আমাদের মেমোরিটা ফুল হয়। আমাদের কম্পিউটার স্লো হয়। এখন আমরা কিন্তু এইটাকে জাস্ট ক্লিন করার জন্য কম্পিউটারকে বলে দিতে পারি। ওকে। কিভাবে? চলেন দেখাচ্ছি। প্রথমে আপনারা উইন্ডোজ অপশনে ক্লিক করবেন। তারপর আপনার সেটিংসে চলে যাবেন। তারপর সিস্টেমসে চলে যাবেন। তারপরে স্টোরেজে যাবেন। স্টোরেজ থেকে হচ্ছে এটাকে দেখতে পারবেন। যদি অফ করা থাকে জাস্ট এটাকে আপনারা অন করে দিবেন। এবারে হচ্ছে কনফিগার স্টোরসে সেন্স। এখান থেকে ক্লিন নাও ক্লিক করে এটাকে ক্লিন করে দিবেন। আর এইটা যখন আপনি অন রাখবেন তখন কিন্তু অপ্রয়োজনীয় যে ডাটাগুলা আছে সেগুলা কিন্তু কম্পিউটার নিচ থেকে সবগুলাকে ক্লিন করে দিবে কাজ শেষ হওয়ার পর। যার ফলে কিন্তু আপনার মেমোরি খুব বেশি ফুল হবে না। কম্পিউটারটাও দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ফাস্ট থাকবে। 

এবারের ট্রিক্সটা ক্রোম ব্রাউজার সম্পর্কিত বাট এটাও কিন্তু অনেক বেশি ইম্পর্টেন্ট। দেখবেন অনেক ওয়েবসাইট আছে যেগুলো আমাদেরকে প্রতিদিনই হচ্ছে ভিজিট করতে হয়। যেমন জিমেইল আছে, ফেসবুক আছে, ইউটিউব আছে। এগুলো কিন্তু আমরা রেগুলারই ইউজ করি। বাট কি করতে হয়? আমাদেরকে ব্রাউজারে যেতে হয়। তারপর আমাদেরকে জাস্ট এগুলা টাইপ করতে হয় অথবা দেখা গেল যদি আমরা সেভ করে রাখি এক ক্লিকে হলেও আমাদেরকে চালু করতে হয়। সো এটা যদি আমরা ডেস্কটপ থেকে এক ক্লিকে চালু করতে পারি তাহলে ইন্টারেস্টিং না। চলেন কিভাবে আপনাদেরকে দেখাচ্ছি। ধরেন আপনি ক্রোম ব্রাউজারে রয়েছেন। সো ক্রোমে থাকার পর উপরের দিকে থ্রি ডটস রয়েছে এখানে ক্লিক করবেন। তারপরে নিচের দিকে একটা অপশন দেখতে পারবেন। ক্যাস্ট সেভ এন্ড শেয়ার জাস্ট এখানে ক্লিক দিবেন। দেয়ার পর আপনি অনেকগুলো অপশন দেখতে পারবেন। তার মধ্যে আপনি দেখতে পারবেন ইন্সটল।

 তারপর আপনি যে ওয়েবসাইটটাতে রয়েছেন অর্থাৎ জিমেইল এ থাকলে জিমেইল ফেসবুকে থাকলে ফেসবুক সেটা দেখাবে জাস্ট এখানে ক্লিক দিবেন তারপর ইন্স্টল করে আরেকটা পপআপ আসবে এখানে ক্লিক দেওয়ার পর এটা কিছুক্ষণের মধ্যে ইন্সটল হয়ে যাবে এখন ইন্স্টল হয়ে যাওয়ার পর আপনি ডেসকটপে গেলেই সেটার লোগোটা আপনি দেখতে পারবেন এখন আর আলাদা করে কিছু করতে হচ্ছে না জাস্ট এখানে ডাবল ক্লিক করলেই নতুন উইন্ডোতে এটা ওপেন হচ্ছে অর্থাৎ আপনার কাজটা আরো সহজ হয়ে যাচ্ছে ইন্টারেস্টিং না চলেন পরের ট্রিস্টে যাই এবারে কথা বলব বলব লক স্ক্রিন নিয়ে। ধরেন আপনি কম্পিউটারে একটা কাজ করছেন। আপনার আশেপাশে লোকজনও আছে। বাট আপনার ওয়াশরুমে যাওয়ার দরকার হলো অথবা একটা ফোন আসলো। এই অবস্থায় আপনি উঠে যাবেন। বাট আপনি মনে করছেন যে সেন্সিটিভ একটা কাজ করছেন সেটা এভাবে রেখে যাওয়া নিরাপদ না। এই ক্ষেত্রে আপনাকে যে কাজটা করতে হবে ইনস্ট্যান্ট কম্পিউটারটাকে লক করতে হবে। অথবা লকের যে সময়টা আছে সেটার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এখন লকটা কিভাবে করবেন আমি বলছি আপনাকে। জাস্ট আপনার কম্পিউটারের কিবোর্ড থেকে উইন্ডোজ প্লাস আপনি এল চাপ দেন। দেখবেন সাথে সাথে বা ইনস্ট্যান্ট লক হয়ে গেছে।

 এবারে লক হয়ে যাওয়ার পর তো পাসওয়ার্ড ছাড়া যে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। এখন আপনি যেকোন জায়গায় চলে যান। আপনার কম্পিউটারটা কিন্তু নিরাপদ। এবারে কথা বলব হিডেন স্মার্ট ফিচার নিয়ে। ধরেন আপনার কম্পিউটারের যত প্রয়োজনীয় সেটিংস আছে সবগুলো যদি আপনি একসাথে পেয়ে যান তাহলে কেমন হয়? হ্যাঁ পাবেন। এটার জন্য জাস্ট আপনার কম্পিউটার কিবোর্ড থেকে উইন্ডোজ প্লাস এক্স স্টাপ দেন। সাথে সাথে দেখবেন আপনার কম্পিউটারের যত প্রয়োজনীয় সেটিংস আছে সবগুলো আপনি পেয়ে যাচ্ছেন। পাওয়ার অপশন পেয়ে যাচ্ছেন, ডিসক ম্যানেজমেন্ট পেয়ে যাচ্ছেন, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট পেয়ে যাচ্ছেন, ট্রাক ম্যানেজার পেয়ে যাচ্ছেন, অ্যাপস এন্ড ফিচারস পেয়ে যাচ্ছেন। মানে মোট কথা সবকিছু কিন্তু আপনারা একই জায়গায় পেয়ে যাচ্ছেন। ইন্টারেস্টিং না? সো গাইস এই হচ্ছে উন্ডোজ নিয়ে আমার আজকের ভিডিও। 

Windows-এর ৯টি সিক্রেট Tips & Tricks 😱 | 2026 Best Windows Features

সো ভিডিওতে কোন জিনিসটা আপনার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে সেটা আপনি চাইলে আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আজকের মত আমি হিমেল বিদায় নিচ্ছি। দেখা হচ্ছে নতুন কোন ভিডিওতে।


Post a Comment