Gmail Tips & Tricks 2026: জিমেইলের ৯টি Powerful Hidden Features You Must Know!

বাংলায় ২০২৬ সালের সেরা জিমেইল টিপস ও ট্রিকস জেনে নিন। লুকানো ফিচারগুলো শিখুন, কর্মক্ষমতা বাড়ান, দ্রুত ইমেইল পরিচালনা করুন |

 জিমেইল ব্যবহারকারীদের এই নয়টা ট্রিক্স মাস্ট বি জানা দরকার। কারণ এই নয়টা ট্রিক্সেই আপনার জিমেইল ব্যবহারের এক্সপেরিয়েন্সটাকে একদমই পাল্টে দিবে।

Gmail Tips & Tricks 2026: জিমেইলের ৯টি Powerful Hidden Features You Must Know!

 চলেন তাহলে একটা একটা করে শুরু করি। নাম্বার ওয়ান আনডু সেটিংস। 

অর্থাৎ আপনি কাউকে একটা মেইল পাঠিয়েছেন সেটা আপনি ফেরত আনতে পারবেন পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে। বাট পাঁচ সেকেন্ড সময়টা কিন্তু খুব বেশি না। এক্ষেত্রে আপনি এটাকে সর্বোচ্চ 30 সেকেন্ড পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারবেন সেটিংস থেকে। কিভাবে? চলেন দেখাচ্ছি। প্রথমে আপনারা আপনাদের জিমেল এ থাকা অবস্থায় এই যে দেখেন সেটিংস এর একটা আইকন আছে জাস্ট এই সেটিংস এর আইকনে ক্লিক করবেন তারপর সি অল সেটিংস এখানে ক্লিক করবেন তারপরে আনডু সেন্ড অপশনটার দিকে খেয়াল করেন এখান থেকে দেখেন এ ডিফল্টে পাচ সেকেন্ড রয়েছে জাস্ট এইখানে ক্লিক করে এটাকে আপনি 30 সেকেন্ড করে দিতে পারেন ব্যাস কাজ শেষ চলেন পরের টিপসে যাই নাম্বার টু সিগনেচার অর্থাৎ আপনি যখন কাউকে একটা মেইল পাঠান মেইল পাঠানো শেষ দিকে এসে আপনি বেস্ট রিগার্ড লিখেন না। তারপর আপনার নাম দেন, ডেজিগনেশন দেন, তারপর হচ্ছে আপনার ঠিকানা দেন, ইমেইল এড্রেস দেন, ফোন নাম্বার দেন, ওয়েবসাইট দেন। এগুললা দেন। 

তো মানে এটা সবসময় আপনাকে দিতে হয়। তাই বলে কি আপনি সবসময় টাইপ করে দিবেন না কোথাও কপি করে রাখবেন সেটা বারবার পেস্ট করে দিবেন। ভাই এত ঝামেলার দরকার নেই। এটা এখানে সেভ করে রাখতে পারবেন। কিভাবে? চলেন আপনাদেরকে দেখাচ্ছি। এইযে দেখেন আমি যে সেটিংসটাতে ছিলাম না ঠিক সেম জায়গাটাতে আপনারা থাকবেন। স্ক্রল করে জাস্ট নিচের দিকে আসবেন। ওকে? এইখানে দেখেন এই যে সিগনেচার করে একটা অপশন আছে এখান থেকে ক্রিয়েট নিউ এ ক্লিক করবেন তারপর হচ্ছে একটা নাম দিয়ে দিবেন ওকে আমি একটা নাম দিয়ে দিচ্ছি আমি একটা নাম দিয়ে ক্রিয়েটে ক্লিক করলাম তারপরে দেখেন এই অংশটাতে জাস্ট আমি আমার যে ডিজিগনেশন বা যা কিছু লিখতে চাই সবকিছু এখানে দিয়ে দিব আমি জাস্ট আপনাদের বোঝানোর জন্য এটুকু দিলাম আপনারা আপনাদের সমস্ত কিছু দিয়ে দিবেন দিয়ে দেওয়ার পরে এখানে কিন্তু কাজটা মোটামুটি শেষ এখন এইযে দেখেন ফর নিউ মেইল ইউজ এখানে ক্লিক করে আপনি এই যে টেস্ট মানে আমি যেটা দিয়েছিলাম ফাইলের নামটা এটা দিলাম। এখন মোটামুটি এখানে কাজ শেষ। স্ক্রল করে নিচের দিকে আসবো। এখানে সেভ চেঞ্জ এখানে ক্লিক দিব।

 দেওয়ার সাথে সাথে এটা সেভ হয়ে গেল। এখন এটা কিভাবে কাজ করে আপনাদেরকে দেখাচ্ছি। ধরেন আমি যদি কম্পোজে যাই এখন কম্পোজে যাওয়ার সাথে সাথে এই যে দেখেন। ঠিক আছে? টু তারপর সাবজেক্ট। এখানে দেখেন এইযে সবার নিচে এটা রয়েছে। অর্থাৎ আমি মেইলটা যে কম্পোজ করবো করার পরে নিচের দিকে যেটা লিখতাম সেটা অটোমেটিক লিখাই রয়েছে। ইন্টারেস্টিং না। বারবার লিখতে হচ্ছে না। চলেন পরেরটাতে যাই। নাম্বার থ্রি ভ্যাকেশন রেসপন্স। এর মানে হচ্ছে অনেক সময় আমরা কিন্তু ছুটিতে চলে যাই বিভিন্ন কারণে দুইদিন চার দিনের জন্য। এই অবস্থায় যদি কেউ আপনাকে একটা মেইল করে আপনি যদি মেইলের রিপ্লেটা না দিতে পারেন তাহলে সে বুঝবে কি করে যে আসলে আপনার প্রবলেমটা কি? আপনাকে তো নেগেটিভ বিষয় ধরে নিতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি জাস্ট একটা জিনিস সেট করে রাখবেন। আপনি যে কয়দিন ভ্যাকেশনে থাকবেন এই মেইলটা সবার কাছে চলে যাবে। যারা যারা মেইল করবে। তখন তারা বুঝতে পারবে যে আপনি ভ্যাকেশনে আছেন। আপনি লিখেই দিবেন যে আমি এত তারিখ থেকে এক তারিখ পর্যন্ত ভ্যাকেশনে আছি। সো এটা করার জন্য দেখেন আমরা যে সেটিংসটাতে ছিলাম না সেটাতেই থাকবো। 

থাকার পরে আমরা একটু স্ক্রল করে নিচের দিকে আসবো। নিচের দিকে আসার পর এই যে দেখেন ভ্যাকেশন রেসপন্ডার এইটা সাধারণত এরকম আপনাদের হচ্ছে এরকম অফ থাকবে। জাস্ট এটাকে আপনারা অন করবেন। অন করার পর এই যে কত তারিখ থেকে শুরু হবে এবং কত তারিখে আপনাদের শেষ হবে এইটা এখানে আপনারা উল্লেখ করে দিবেন। ঠিক আছে? ধরেন এখান থেকে আমি একটা আমার ভ্যাকেশনের টাইমটা আমি উল্লেখ করে দেই। হ্যাঁ। ধরেন এখান থেকে আমি দিয়ে দিলাম এক তারিখ থেকে। ঠিক আছে? এখান থেকে আমি চাইলে লাস্ট ডেটটা দিতে পারি। তারপর এখানে সাবজেক্টটা দিতে পারি। ঠিক আছে? তারপরে হচ্ছে আমি এখানে কি লিখতে চাই। ঠিক আছে? এখানে ধরেন আমি লিখলাম যে আমি এত তারিখ থেকে এত তারিখ পর্যন্ত ভ্যাকেশনে থাকবো। সো এই সময়ের মধ্যে আপনারা আমাকে পাবেন না বা এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন বা ইমারজেন্সি হলে এই এই মানে আমি যা লিখতে চাই আর কি সেগুললা সব লিখে এই যে সেভ চেঞ্জেস এখানে জাস্ট হচ্ছে আমি জাস্ট ক্লিক দিয়ে দিলাম হ্যাঁ আপনাদের বুঝানোর সুবিধার্থে আপনারা আপনাদের মত করে লিখবেন আর কি আমি জাস্ট আপনাদের বুঝানোর সুবিধার্থে দিয়ে দিলাম এখন যদি এই সময়ের মধ্যে কেউ যদি আমাকে মেইল করে তাহলে এই মেইলটা অটোমেটিক রিপ্লে হবে তার কাছে এইভাবে এবং সে বুঝতে পারবে যে আমি এই মুহূর্তে ভ্যাকেশনে আছি ইন্টারেস্টিং না চলেন পরেরটাতে যাই আরো ভালো কিছু অপেক্ষা করছে অনেক সময় ইন্টারনেট না থাকলেও কিন্তু আপনি মেইলটাকে রিড করতে পারবেন। এটার জন্য আপনাকে জাস্ট একটা অপশন চালু করে রাখতে হবে।

 অর্থাৎ এটাকে বলে হচ্ছে অফলাইন ইমেইল। ঠিক আছে? সো এটা করার জন্য এইযে দেখেন আমরা যে সেটিংসটাতে ছিলাম এখানেই থাকবো। জাস্ট উপরের দিকে যে মেনুবারটা আছে এইখান থেকে একদম সবার শেষের দিকে চলে আসবো। এখানে অফলাইন করে একটা অপশন আছে এখানে ক্লিক করব। ঠিক আছে? এখন এখান থেকে আমার এটা দেখাচ্ছে অফলাইন আনভেলেবল। এটা অনেকেরই দেখাতে পারে। আর যাদের এটা আনভেলেবল দেখাবে না তাদের হচ্ছে এটা অন করে দিলেই তারা এটাকে ব্যাকাপে নিয়ে দিবে। আপনার যে মেইলগুলো আছে সেগুলা ব্যাকাপে নিয়ে নিবে। পরবর্তীতে আপনি চাইলে সেগুলা কিন্তু মানে আপনার ইন্টারনেট না থাকলে বা আপনি এমন কোথাও গেলেন যেখানে ইন্টারনেট পাওয়া যায় না সেখানে বসে বসে আপনি সেগুলা কিন্তু পড়তে পারবেন। এই হচ্ছে মূলত বিষয়ন। চলেন পরেরটাতে যাই। নাম্বার ফাইভ। আপনি কাউকে একটা ইমেইল পাঠাবেন। বাট এই ইমেইলটা আপনি এখন পাঠাতে চাচ্ছেন না। আপনি পরে পাঠাবেন। অর্থাৎ এই মেইলটা হয়তোবা দরকার হচ্ছে যে আপনি হয়তোবা এখন হচ্ছে বাজে হচ্ছে সকাল 7তটা। আপনি হয়তোবা এই মেইলটা পাঠাবেন এমন সময় যখন পাওয়ারই দরকার। যেমন সন্ধ্যাছয়টার দিকে পাঠানো দরকার। তখন আপনি এটাশিডিউলে পাঠিয়ে রাখতে পারবেন। কিভাবে? চল আপনাদেরকে দেখাচ্ছি। 

দেখেন আমি একটা ডেমো ইমেইল কিন্তু এখানে লিখেছি। হ্যাঁ। এখন এটাকে যদি আমি স্ট্যান্ড অপশনে ক্লিক দেই না তাহলে এখনই চলে যাবে। ইনস্ট্যান্ট চলে যাবে। বা আমি তো ইনস্ট্যান্ট পাঠাতে চাচ্ছি না। এক্ষেত্রে দেখেন এই সেন্টের পাশে একটা সুন্দর একটা ড্রপডাউন মেনু আছে। এখানে ক্লিক দিব। ক্লিক দোর পরশিডিউল সেন্ড এখানে ক্লিক দিব। দেয়ার পর আমি যে সময়টাতে পাঠাতে চাচ্ছি সেটা এখান থেকে দিয়ে দিব অথবা পিক টাইমে ক্লিক করে এখানে আমি আমার মত করে টাইম ডেট সবকিছু ফিক্স করতে পারব। ঠিক আছে? করেশিডিউল সেন্ড এখানে ক্লিক করে দিব। এখন কিন্তু কাজ শেষ। এখন এই সময়ের মধ্যে কিন্তু এই মেইলটা অটোমেটিক চলে যাবে। এখন কিন্তু যাচ্ছে না। ইন্টারেস্টিং না এটা অনেকেরই কাজে লাগবে। বিশেষ করে আমার অনেক কাজে লাগে। চলেন পরেরটাতে যাই। নাম্বার সিক্স কনফিডেনশিয়াল মেসেজ। এর মানে হচ্ছে আপনি কাউকে একটা ইমেইল করেছেন সেই ইমেইলটা নির্দিষ্ট একটা সময়ের পর গিয়ে সেটা ভ্যানিশ হয়ে যাবে। অর্থাৎ এটার ডেট এক্সপায়ার হয়ে যাবে। এই মেইলটাকে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনি যদি এইরকমটাই চান তাহলে একটা কাজ করতে পারেন। আপনার আমার স্ক্রিনটার দিকে একটু খেয়াল করেন। দেখেন এখানে আমি একটা মেইল জাস্ট টাইপ করে রেখেছি বা একটা মেইল আমি লিখে রেখেছি ডেমো হিসেবে। এখন এটাকে যদি আমি পাঠিয়ে দিই নরমালি কিন্তু চলে যাবে। 

Gmail Tips & Tricks 2026: জিমেইলের ৯টি Powerful Hidden Features You Must Know!

এটা আর কখনো ডিলিট হবে না। বাট এইখানে যখন একটা আইকন আছে দেখেন। এই যে দেখেন একটা তালার মত একটা আইকন আছে। এখানে বলছে ডগল কনফিডেনশিয়ালস মোড। এটা যদি আমি অন করে দেই। ঠিক আছে? সো এখান থেকে আমি টাইমটা সিলেক্ট করে দিতে পারবো যে এটা কতদিন মেইলটা থাকবে। ঠিক আছে? এইটা ধরেন ডিফল্টে এক সপ্তাহ দেওয়া রয়েছে। এটা আমি একদিন দিয়ে দিলাম। বা আমি আমার মত করে সেট করে দিলাম। দিয়ে হচ্ছে এখান থেকে আমরা যদি চাই যে এখানে পাসকোড দিয়ে দিব। ঠিক আছে? অর্থাৎ এই পাসকোডটা ছাড়া মেইলটা সে খুলতে পারবে না। মানে তাহলে সেটাও কিন্তু আমরা করতে পারব। ওকে? সো মানে মেইলটা অনেক সময় নিরাপত্তার জন্য এই কাজটা অনেক সময় করতে হয়। ঠিক আছে? যে যাকে মেইলটা পাঠাচ্ছি সেই খুলতেছে কিনা। এটা কিন্তু দরকার হয় অনেকের। হ্যা। তো এক্ষেত্রে আমরা এটাও করতে পারি। ওকে। তারপরে হচ্ছে আমরা এখান থেকে এটাকে জাস্ট হচ্ছে সেভ করে দিব। সেভ করে দিয়ে এখন যদি আমরা এটাকে সেন্ড করে দেই তাহলে কিন্তু একদিন পর এই মেসেজটা আর থাকবে না। অর্থাৎ এই মেইলটা পড়লে এটা কিন্তু অটোমেটিক এক্সপায়ার হয়ে যাবে। 

এই হচ্ছে বিষয়। এটা অনেকেরই কাজে লাগবে। পার্সোনালি আমার মাঝে মাঝে কাজে লাগে। যে ট্রিক্সগুলো বললাম এগুলো মধ্যে কোনটা আপনার বেশি ভালো লেগেছে সেটা আপনারা আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। চলেন পরেরটাতে যাই। নাম্বার সেভেন এর বিষয়টা কিন্তু আমার মত একটু ভুলমনা লোক যারা আছেন তাদের জন্য অনেক বেশি ইম্পর্টেন্ট। দেখা গেল আমি একটা মেইল ওপেন করেছি। করার পর দেখলাম যে মেইলটাতে রিপ্লে দিতে গেলে অনেক এনার্জি লাগবে। অর্থাৎ অনেক সময় লাগবে। ভালো করে লিখতে হবে। এখন এটা ভাই রিপ্লাই দিতে পারবো না। এটা পরে দিব। কিন্তু প্রবলেম যেটা হয় সেটা হচ্ছে পরে আর ভাই রিপ্লাই দেওয়া হয় না। মানে মেইলটা একবার পড়ে ফেলেছি। পরে আর রিপ্লাই দেওয়া হয় না। সো ইম্পরটেন্ট এই জিনিসটা কিন্তু আমরা মিস করে যাই।

 এখন আপনি একটা কাজ করতে পারেন যার ফলে এই মেইলটা আপনি আবারও পড়বেন সে আবারও আপনাকে রিমাইন্ড দিয়ে দিবে কিভাবে চলেন দেখাচ্ছি আচ্ছা ধরেন আমি এই মেইলটা ওপেন করলাম ঠিক আছে এটা আমি পড়ে ফেলেছি আচ্ছা এখন এটা আমি চাচ্ছি যে আরো একবার এটা আমাকে রিমাইন্ড করে দিবে সো এইযে মেইলটার উপরে জাস্ট রাইটে ক্লিক করব করার পরে এই যে দেখেন এস এনও ডবলজি সঞ্জ করে একটা অপশন আছে এখানে ক্লিক দিব দেয়ার পর এই যে আমি এইটা আরেকবার কয়টার সময় আমাকে রিমাইন্ড দিবে সেটা কিন্তু আমি এখান থেকে ডেট এবং টাইমটা কিন্তু দিয়ে দিতে পারি। ঠিক আছে? ধরেন আমি দিয়ে দিলাম দুই তারিখে। এটা আটটার সময় দিয়ে আমি সেভ করে দিলাম। ঠিক আছে? এখন এই সময় এসে কিন্তু সে আবারও এই মেইলটা আমাকে জাস্ট পাঠাবে বা আমাকে দেখতে বললে আমি কিন্তু দেখতে পারব। এরকম যদি কারো হয়ে থাকে তাহলে এইটা আপনার সেট করে রাখবেন। মেইলটা পড়ার পর এটা আপনার কিন্তু অনেক বেশি কাজে লাগবে। 

ইন্টারেস্টিং না? চলেন পরেরটাতে যাই। নাম্বার এইট স্মার্ট কম্পোজ অর্থাৎ আপনি যখন একটা মেইল লিখছেন তখন মেইলটা আপনি নিজে সম্পূর্ণ করতে না পারলেও সে কিন্তু আপনাকে কিছু অংশ সাজেস্ট করে দিবে আপনি সেখান থেকে মেইলটা ইজিলি কমপ্লিট করতে পারবেন এই জিনিসটা অনেকেরই কাজে লাগবে সো এইটা কিভাবে সেট করবেন চলেন আপনাদেরকে দেখাচ্ছি আমরা ওইযে সেটিংস অপশনে ছিলাম না আমরা শুরুতে যে সেটিংস অপশনটাতে ছিলাম সেখানে হচ্ছে থাকবো দেন আমরা একটু স্ক্রল করে নিচের দিকে আসবো ওকে এইযে দেখেন স্মার্ট কম্পোজ করে একটা অপশন আছে জাস্ট এইটা জাস্ট আপনি অন করে দিবেন যদি এটা অফ থাকে। ঠিক আছে? তাহলে আপনার কাজটা কিন্তু হয়ে যাবে। সো এইটা কিন্তু অনেকেরই হেল্প করবে। তাই না? চলেন সর্বশেষ ট্রিক্সটাতে যাই। নাম্বার নাইন। আমরা যখন জিমেল এ থাকি তখন ঠিক এইরকম একটা ইন্টারফেস কিন্তু আমাদের সামনে থাকে। ঠিক আছে? সো এখান থেকে প্রাইমারি দেখতে পারি, আমরা প্রমোশনাল দেখতে পারি, আপডেট দেখতে পারি। সো এই অপশনগুলো সব এভাবে থাকবে না। এটাকে আমরা কাস্টমাইজ করব। সেটাও কিন্তু আমরা করতে পারি। এজন্য আমরা আগের মত হচ্ছে এই সেটিংস অপশনে যাব। অল সেটিংসে যাব। তারপরে এখান থেকে দেখেন ইনবক্স করে একটা অপশন আছে। ইনবক্সে যাব। ইনবক্সে আসার পর কোন কোনগুলা ধরেন আমরা প্রমোশনাল রাখতে চাচ্ছি না। এই প্রমোশনটা অনেকের কাছে একটু বিরক্তকর মনে হতে পারে। 

অনেকের কাছে এই সোশালটাও বিরক্তকর মনে হতে পারে। সো এগুলা বাদ দিয়ে দিতে পারেন। দিয়ে জাস্ট হচ্ছে আপনি এই যে সেভ চেঞ্জেস এখানে ক্লিক দিয়ে দিবেন। আপনার বিরক্তিকর কাজগুলা শেষ হয়ে যাচ্ছে। এই হচ্ছে মূলত বিষয়। গাইস ভিডিওটি লেন্দিি করছি না। এখানে শেষ করছি। আজকের মত আমি হিমেল বিদায় নেব। তার আগে আপনাদেরকে বলছি যে এই ট্রিক্সগুলা যেগুলো নিয়ে আলোচনা করলাম সেগুলো মধ্যে কোনটা আপনার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে সেটা আপনারা চাইলে আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। সো আর কথা বাড়াচ্ছি না। 

Gmail Tips & Tricks 2026: জিমেইলের ৯টি Powerful Hidden Features You Must Know!

দেখা হচ্ছে নতুন কোন ভিডিওতে। আল্লাহ হাফেজ

Post a Comment