vivo এই সিরিজটা বেশ জনপ্রিয় সেটা বাংলাদেশ বলেন ইন্ডিয়া বা গ্লোবালি। আমরা কথা বলছি ভিোর ভি সিরিজ নিয়ে।
রাইট নাও আমার হাতে যে দুইটা ডিভাইস দেখছেন Vivo V70 সিরিজের ডিভাইস এটা হচ্ছে V70 এন্ড এটা হচ্ছে V70 এফ। ফ্যান এডিশন বা লাইট ভার্সন কিংবা বলতে পারেন এই সিরিজের ছোট ভাই। মূলত এই ভিডিওতে আমরা কথা বলব V7 এফ নিয়ে।
এটা নিয়ে পরবর্তীতে কথা হবে। বা কি কি নিয়ে আসছে টুকটাক একটু না হয় আমরা একটু পরে আলোচনা করব। বাংলাদেশ মার্কেটে Vivo এই দুইটা ডিভাইস অফিশিয়ালি লঞ্চ করে দিয়েছে। ফোনটার দামটাম অলরেডি হয়তোবা আপনারা জেনে গিয়েছেন। বাট আমরা ফাইন্ড আউট করে দেখবো দাম অনুযায়ী ঠিকঠাক জায়গায় আছে কিনা। আপনি ক্যামেরার ডিভাইস জানেন এটা বাট দামের সাথে ওই রেশিও মেন্টেইন করছে কিনা। চলুন সেটা ফাইন্ড আউট করি। Vivo V7 এফ। ফার্স্ট অফ অল ডিজাইনটা বেশ সলিড একটা ফিল দিবে আপনাকে। না এটা মেটাল বিল্ড না। মানে আই মিন বডি ফ্রেমে মেটাল না। বরং এটার যে দাম সেই জায়গা থেকে মেটাল বডি আমরা আশা করি এটা খুবই স্বাভাবিকভাবে। সো ওটা থাকলে আরো বেশি প্রিমিয়াম ভাই পাওয়া যেত।
রিয়ার প্যানেলটা গ্লাস্টিকি টাইপের একটা ফিল দেবে। এটা প্লাস্টিক গ্লাস এরকম মিক্স টাইপের একটা ফিল ক্রিয়েট করবে। এটা ফ্রস্টেট ফিঙ্গারপ্রিন্ট তো বসে না। তবে স্ক্র্যাচ পড়ার পসিবিলিটি অবশ্যই আছে। আপনারা কেস ব্যবহার করুন। রিয়ার প্যানেলে এক ধরনের প্যাটার্ন লক্ষ্য করবেন। লাইটের রিফ্লেকশনে এই প্যাটার্নটা চেঞ্জ হয়। দেখতে ভালোই লাগে। তবে এই ডিভাইসটার দুইটা কালার ভেরিয়েন্টে বাংলাদেশ মার্কেটে আপনারা এভেলেবেল পাবেন। আমি আশা করছিলাম ভিো এই ডিভাইসটা আরো একটু স্লিম রাখবে। এর থিকনেস 7.59 মিলিমিটার। অনেক মোটা এমন না। আরেকটু স্লিম থাকলে আরো বেশি সুন্দর লাগতো। আইপি রেটিং ভালো। 68 এন্ড 69 এর রেটিং রয়েছে। স্ল্যাশ প্রুফ পানি টেন ঢোকার পসিবিলিটি কম। এমনকি পানির নিচে নিয়ে আন্ডারও ফটোগ্রাফিও করতে পারেন চাইলে। তবে যে বিষয়টা আপনার নজর কাবেই তা হচ্ছে এর ডিসপ্লে সেকশন। ডিসপ্লেটা ওপেন করলেই এর বেজেল এরিয়া আপনি খুবই ন্যারো দেখবেন। সুপার ন্যারো বেজেল রয়েছে। এন্ড অলমোস্ট সিমেট্রিকাল। অলমোস্ট বলছি এ কারণে লোয়ার চিনটা তুলনামূলকভাবে বাকি তিনটার সাথে কম্পেয়ার করতে গেলে একটু মোটা লাগবে। তবে সেটা চোখে ওভাবে পড়ে না। খুব ভালো করে খেয়াল করলেই বোঝা যায়। টপ সেন্টারে পাঞ্চ হোল কাটআপটাই রয়েছে।
এইটা আরেকটু ছোট রাখলে এই ডিসপ্লের সাথে আরো বেশি সুন্দর মানাতো আর কি। বাট ডিসপ্লেটা খুবই ভাইব্রেন্ট কালারফুল। যারা মাল্টিমিডিয়া কনজামশন করবেন, গেমিং করুন কিংবা যেকোন কিছু দেখতে আর কি ডিসপ্লেটা যথেষ্ট কালারফুল হওয়াতে খুবই ভালো লাগছে। আইপিজিং টাইপের একটা কালার দেয়। সাইজ 6.83 ইঞ্চ। সো বুঝতে পারছেন একটু লম্বাটা হিসেবে ফোন। বেশ বড়সর একটা ডিসপ্লে। এটা 1.5 কে রেজলেশন দিচ্ছে। সুতরাং রেজলেশনও ঠিকঠাক জায়গায় আছে। ইভেন এটাও এজ অফিশিয়াল ডিভাইস। যে প্রাইস পয়েন্টের আমি বারবার যে প্রাইস পয়েন্ট বলছি প্রাইসটা বোধহয় আপনাদেরকে ক্লিয়ার করা হয়নি। 8 256 GB ভেরিয়েন্ট 57 কে তে এন্ড 12 256 কে তে পাওয়া যাচ্ছে এই মুহূর্তে। তো আমরা যদি বেস ভেরিয়েন্ট থেকেই ধরি ওই জায়গায় ডিসপ্লের রেজলেশন এন্ড কোয়ালিটি ওয়াইজ ঠিকঠাক মনে হবে। এইচডিআ প্লাস এর সাপোর্ট পাচ্ছেন। 1900 নিটস পিক ব্রাইটনেস। যেটা শুনতে কম মনে হলেও মানে আসলে পিক ব্রাইটনেসের ব্যাপারটা কি? পিক ব্রাইটনেস হচ্ছে নির্দিষ্ট কোন পিক্সেলে নির্দিষ্ট কোন সময়ে হয়তো ওই সর্বোচ্চ ব্রাইটনেসটা দেয়। যেটা আমাদের চোখে ওভাবে আসেও না। সো ওইটা দরকার এইচবিএম এর ক্ষেত্রে 1500 প্লাস প্লাস থাকলে ওইটা খুব ভালোভাবে ইনডোর আউটডোর সব জায়গায় দেখা যায়। সো এইটা মানে নাম্বারের গেমে কম মনে হলেও একচুয়ালি দেখতে সমস্যা হয় না। আপনি আউটডোর ইনডোর সব জায়গায় দেখতে পাবেন। ডিরেক্ট সানলাইটে গিয়ে তো আর মাল্টিমিডিয়া কনজামশন করবেন না।
হ্যা ওটা করলে আপনার কাছে রিফ্লেকশনের কারণে মূলত কম মনে হবে। 449 এর মত রয়েছে। পিপিআই হোয়াইট ভাইন এলওান এর সাপোর্ট রয়েছে। টাচ রেসপন্স ভালো। 120 হ পর্যন্ত আমরা ঠিকঠাকভাবে পুশ করতে দেখছি এই ডিসপ্লেটাকে। কোন ধরনের গ্রিন টিন্ট ব্লু টিন্ট এ জাতীয় প্রবলেম আমি পাইনি। সো আমার দিক থেকে ডিসপ্লেকে আমি বেশ ভালো একটা মার্কিং দিব। বাট প্রটেকশনের ব্যাপারটা নিয়ে একটু সন্ধি হান। আমি ওই ব্যাপারটা ঠিক ক্লিয়ার না। আপনারা একটা ডিসপ্লে গার্ড ব্যবহার কইরেন। সেক্ষেত্রে পুরোটা গেলেও বেঁচে যাবে আরকি। আচ্ছা এবার আসল জায়গায় আসি। স্মার্টফোনটা যে কারণে হয়তো আপনারা কিনবেন। মূলত ক্যামেরা। হ্যাঁ। এটার রিয়ারে দুইটা শুটার আমরা দেখছি। দুইটাই কাজের। 200 মেগাপিক্সেল যেখানে ও আইএস রয়েছে। পরবর্তী শুটার 8 মেগাপিক্সেল যা আল্ট্রা ওয়াইডের ছবি নেবে এবং 120 ডিগ্রি ফিল্ড অফ ভিউ দিতে পারে। আর ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা 32 মেগাপিক্সেলের। এখন অফিশিয়াল ফোন হোক আর আনঅনফিশিয়াল ডিভাইস হোক।
যখন আমি ফোনটা কিনছি মোটামুটি 57 টাকা দিয়ে তখন ডেফিনেটলি এখানে আমি তিনটা লেন্স তো আশা করবই এবং সেক্ষেত্রে একটা টেলিফটো থাকবে সেটা যদি 2.5 এক্স 2.8 আইদারথ এক্স অপটিক্যাল জুম দেয় তাতেও আমি সন্তুষ্ট কিন্তু সেটা থাকা অবশ্যই উচিত ছিল যেটা আপনারা viv এই ডিভাইসটাতে পাচ্ছেন না আবার আমরা আসলে জানি vivভি সিরিজটা ক্যামেরা ডিভাইস তৈরি করে থাকে সেই জায়গা থেকে আমাদের একটা এক্সপেক্টেশন থাকবে এটাই স্বাভাবিক ওটা আমি মিস করছি আচ্ছা ওর বাইরে যা আছে সেগুলোর রেজাল্ট কি vivোর ভি সিরিজের ছবি বড় বইয়ে আপনারা দেখছেন বেশ ক্রিস টাইপের ছবি দেয় ছবিগুলো যথেষ্ট ভাইব্রেন্ট থাকে ওভার স্যাচুলেটেড না ভাইব্রেন্ট থাকে চোখে দেখতে ভালো লাগে ডে লাইটের ছবিগুলোতে শার্টনেস ডিটেল অন পয়েন্টে রাখে। এমনকি আপনি যখন জুম করবেন তখনও দেখবেন ডিটেইল ভালোই ধরে রাখতে পারছে। সে বিষয়গুলো আমরা এখানে বিদ্যমান দেখছি। হেভি হার্স লাইটিং কন্ডিশনে এক্সপোজার কন্ট্রোলিং এ কিছুটা ইস্যু আছে। বাট ম্যাক্সিমাম ক্লিকেই মোটামুটি ভালোভাবে ব্যালেন্স করতে পারে বা প্রসেসিং আপনার প্রসেসিং ছবিগুলোকে বেটার করার ট্রাই করে।
কর্নার এরিয়াতে ডিটেলের পরিমাণ একটু কম পেয়েছি। শ্যাডোর দিকে গিয়ে কিছুটা ডিটেল লস করে। তবে গ্রেন ট্রেনের দেখা ততটা পাওয়া যায়নি। লো লাইটের ডে লাইটের তুলনায় কিছুটা সফট ছবি দেয়। তবে সেগুলো দেখতে ভালো লাগে। আরেকটু কন্ট্রাস্টের পরিমাণ বাড়ে। একটু কালারটাও বেশি বুস্টেড মনে হয় তখন যদিও বা সেগুলো দেখতে ভালোই লাগে আর কিি আর ওইএস থাকাতে একেবারে মানে লকড অবস্থায় ছবি তুলতে হয় ওরকম না আপনার মোটামুটি মানে যেকোন সিচুয়েশনে ছবি তুলতে পারবেন ইভেন লো লাইটের ছবিগুলোতে যে টাইমটা নেয় তখন কিন্তু ওই যে ব্লারি যে ভাবটা ওটা আসছে না এরপরে পোর্ট্রেটে গেলে আপনারা বেশ কয়েকটা ফোকা লেন্থে ছবি তুলতে পারবেন 2350 এন্ড 85 ভাই চার চারটা ফোকালে ছবি তোলার সুযোগ রয়েছে যদিও আমরা এখানে কোন টেলিফোট জুম লেন্সই দেখছি না এমনকি আলাদা কোন ডেপ সেন্সরও নেই তবে হ্যা এই আলাদা আলাদা ফোকালে ছবিগুলো আলাদা আলাদা আলাদাভাবে সুন্দর লাগছে। যদিও বা হাইয়েস্ট ফোকাল লেন্থের ছবি দেখতে তো ভালো লাগছে। কিন্তু আপনি যদি এই ছবিগুলোকে একটু জুম করে দেখতে চান কিংবা একটু বড় ডিসপ্লেতে দেখতে চান তখন বুঝতে পারবেন এখানে ডিটেলের পরিমাণ কম রয়েছে কিংবা একটু সফট করে দিয়ে প্রেজেন্ট করে। কারণ আসলে এটা ডিজিটালি জুম করেই করছে। সেক্ষেত্রে আমি বলব আপনারা 35 টু 50র মধ্যে রাখলে মোটামুটি ভালো ডিটেল ছবি পাবেন।
কিন্তু 85 এ গেলে দেখতে তো সুন্দর লাগছে স্ক্রিনে। বাট বড় করতে গেলে বা একটু জুম করে দেখতে গেলে তখন বোঝা যায় যে ডিটেল লস করছে কিছুটা। ফেসটাকে একটু গ্লো করার প্রবণতা আছে। এন্ড কালারটা একটু টুইক্টেড। আই মিন একটু হালকা ব্রাইট করে দেওয়ার প্রবণতা আছে। তবে এস ডিটেকশন ভালো। ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লারনেসও আর্টিফিশিয়াল লাগে না কিন্তু এখানে। এরপর যদি আমরা আল্ট্রাওয়াই যাই আল্ট্রাওয়াইডটা প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে ভালো আউটপুট দেয়। না এটাকে আমি একদম ওই 30 35 হাজার টাকা আল্ট্রাওয়াইডের সাথে কম্পেয়ার করছি না। বরং আপনারা 40 কে এরাউন্ড 40 কে প্লাস প্লাস যে ফোনগুলোতে আল্ট্রাওয়াইড দেখেন অলমোস্ট সেরকম টাইপের একটা রেজাল্ট দেয়। প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে ভালো শার্নেস ডিজাইন ধরে রাখে। মেইন ক্যামেরার সাথে কালারের প্রায় মিল একই রকম পাবেন।
বাট লো লাইটে গিয়ে এটা অনেক বেশি স্ট্রাগল করে ফেলে। লো লাইটটা ভালো ছবি দিতে পারে না কিন্তু যেখানে মেইন ক্যামেরাটা অনেক বেশি বেটার রেজাল্ট দিচ্ছিল 200 মেগাপিক্সেলের ওই সেন্সরটা সো আপনারা ট্রাই করবেন আল্ট্রা ছবি নিলে একটু প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে নেওয়ার জন্যই ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাটা আবার সুন্দর ছবি দেয় আই মিন সেলফি লাভারদের একদম মন মত ছবি দেয় সোজা বাংলায় বলতে গেলে একটু ফর্সা করে দেবে আপনাকে স্কিনটা হালকা স্মুথ করার প্রবণতা আছে আপনি ইভেন সমস্ত বিউটিফিকেশন অফ করে দিলেও স্মুথসটা লক্ষ করবেন এর মানে এই না চুল টুল বা দাড়ি থাকলে এই সমস্ত জিনিস একদম ডলে ঘষে মিলিয়ে দেয় ব্যাপারটা ঠিক সেরকম না সেগুলোকে ওয়েল ডিটেইলেই রাখে তবে স্কিনটা হালকা একটু সফট করে একটু ব্রাইট করে দেয় দেখতে সুন্দর লাগে আরকি এই প্রপার লাইটিং কন্ডিশন ইভেন ইনডোরে মোটামুটি ভালো লাইটে যথেষ্ট ডিটেইলড ছবি দিতে পারে। তবে মেইন ক্যামেরার মত ডাইনামিক রেঞ্জ এটা ততটা ওয়াইড না। যারা ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরায় 4K কে দিয়ে ভিডিও রেকর্ড করতে চান হ্যাঁ তাদের জন্য এই ডিভাইসটাতে 4K কে 30 এফপিএস এ ভিডিও রেকর্ড করার সুবিধা দিচ্ছে।
আরেকটা জিনিস দেখুন এটা কিন্তু বেশ ওয়াইড যথেষ্ট ওয়াইড। এখানে 0.6 এক্স আমরা এরা আমরা দেখছি। এরপরেও এক্স তারপরে আপনিট এক্সও করতে পারবেন আর কি শুট। এক্সটা বেশ স্ট্যান্ডার্ড। বাট যদি আপনার আল্ট্রাওয়াইড প্রয়োজন পড়ে তখন আপনি এভাবেশুট নিতে পারবেন। এই জিনিসটা অনেকের ক্ষেত্রে কাজে লাগবে। আর ভিডিও কোয়ালিটি আমরা যেমনটা দেখছি এজ এ ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা এটা এজ এ অফিশিয়াল ডিভাইস <unk>7000 ওকে আছে 60 এফপিএস টা ব্যাক ক্যামেরা একমত আমরা 4k 30 এপিএস এ রেকর্ড করতে পারবো এর উপরে যাচ্ছে না 4K 30 এফএস স্টেবিলিটি ভালোভাবে কাজ করছে তবে কিছুটা জিরিং কিন্তু এখানে লক্ষ্য করেছি এর বাইরে মোটামুটি ডিসেন্ট একটা রেজাল্ট পাচ্ছেন এর থেকে vivোর এই ফোনের এআই এর বেশ কিছু ফিচার্স রয়েছে এমনকি এআই ম্যাজিক ওয়েদার ফিচারও ব্যবহার করতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনি ধরুন ছবি তুললেন ছাদে বসে বাট আপনি চলে যেতে পারেন শীতের দেশে কিংবা ধরুন আপনার ব্যাকগ্রাউন্ডে সুন্দর স্কাই দরকার সেটা আপনি এড করতে পারবেন। যেটা আপনি সরাসরি আপনার ডিভাইস থেকে ইনস্ট্যান্ট করতে পারছেন। তো ডিভাইস থেকে ইনস্ট্যান্ট করলে যেটা হয় যে রেজলেশনটা ভালো থাকে। আমরা থার্ড পার্টি বিভিন্ন এআই টুলের মাধ্যমে করতে পারি এগুলো।
বাট সেগুলো অনেক সময় দেখা যায় যে ডিটেল লস করে ফেলে। বাট ভিরো সাথে যেহেতু ইনবিল্ট রয়েছে সেক্ষেত্রে আপনারা কিন্তু মানে রেজলেশন ঠিকঠাকভাবে পাবেন। বাট ওরা যেটা রিকমেন্ড করে ব্যাকগ্রাউন্ডটা একটু ক্লিন অবস্থায় নিলে পরে তখন একদম পারফেক্টলি ম্যাচ করতে পারে। আর এখানে যে ওরা লাইটটা রয়েছে এটা ওয়ার্ম এন্ড কুল করা যায়। এরকম ভিরো বিভিন্ন ডিভাইসে আমরা এই লাইটটা পেয়েছি। হ্যাঁ। Vivoর এই ডিভাইসটা ক্যামেরাটিক ডিভাইস। আমরা মেইন ক্যামেরাটাতে ভালো রেজাল্টই দেখছি। আমরা আল্ট্রাটা একটু ছোট পাচ্ছি। তবে একটা টেলিফটো অবশ্যই মিস করছি। যে দাম সেই জায়গা থেকে টেলিফটোর মিসিং রয়েছে। এর বাহিরে ক্যামেরা যা রেজাল্ট দিচ্ছে সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা যেতে পারে। এসএসসি হিসেবে রয়েছে MediaT ডেন্সিটি 7360 টারবো। আমরা ওর যে প্রিভিয়াস জেনারেশন Vivo V60 Lite নামে এসেছিল বোধহয়।
তো এটাকেও যদি লাইট হিসেবে কনসিডার করি তাহলে কিন্তু আমরা সেইম জায়গায় সেইম এসই দেখছি। ইউএফএস 3.1 হলো স্টোরেজ টাইপ। এটা মোটামুটি ওকে। দুইটা ভেরিয়েন্ট পাচ্ছেন আর 256 এবং 12 256জিবি আর আউট অফ দ বক্স রান করবে অরিজিনাল সক্স অন টপ অফ Android্রয়েড 16 চার চারটা মেজার আপডেট পাওয়া যাবে এজ অফিশিয়াল ডিভাইস চার চারটা মেজ আপডেট ওকে ওকে জায়গাটা ওকে আছে এটাতে কিন্তু ওরা একটা ভিসি কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করছে 4120 এমএম এর এখন মিটেক ডমেন্সিটি 7360 এটাকে আপনি সপড্রগন কার সাথে কম্পেয়ার করতে পারেন যদি কম্পেয়ার করেন অনেকটা কম্পেয়ার করা যেতে পারে 64 এর সাথে সপড্রগন 64 আর এইটা টা প্রায় কাছাকাছি যদিও বা মিডিয়াটেক ডিম সিটি মোটামুটি 17% এগিয়ে থাকে জিপিউর ক্ষেত্রে এবং 9% সিপিইউ ক্লক স্পিডের ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকে। এটা বোধয় 2400 গিগাহ ওটা বোধয় 2300। সো এইতো একটু স্লাইটলি বেটার কিছু আপনি লক্ষ্য করবেন এখানে আর কি।
তবে যে জিনিসটা আপনাকে মজা দেবে তা হচ্ছে ওদের অরিজিন ওয়েস। আগের চাইতে অনেক বেশি রিফাইন। কিছুদিন আগে অরিজিনাল ওয়ে লঞ্চিং ইভেন্টে আমি চায়নাতেও গিয়েছিলাম। দেন আপনাদের সাথে শেয়ার করছিলাম যে ওরা নতুন কি কি নিয়ে আসছে। অলরেডি সবাই জানেন যে আসলে অরিজিনাল ওয়েসে নতুন অরিজিনাল ওয়েসে কি কি রয়েছে বা কেমন কি রেজাল্ট দিচ্ছে। আগের চাইতে আরো বেশি স্মুথ এবং অনেকটা ওই যে গ্লাস লাইক একটা ইউআই এর টাইপের ফিলও দেয়। তাছাড়া প্রয়োজনের সমস্ত ফিচার্স গুলো রয়েছে। যদিও বা এখানে কিছু ব্লট ওয়ার আছে পিএসড অ্যাপ যেগুলো আপনাদের প্রয়োজন হবে না আই গেস। না হলে একটু ইনস্টল করে নিয়েন সেক্ষেত্রে আরো বেশি ক্লিন একটা ভাই পাওয়া যাবে এর থেকে। যদিও বা এই ডিভাইসটা র্যাম ম্যানেজমেন্ট খুবই ভালো। 8 GB র্যামের এই ফোনটাই আপনাকে যথেষ্ট ভালো একটা আউটপুট দেবে। এ টাইম আপনি ছয় সাতটা অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে ইজিলি কাজ করতে পারবেন। যেকোনো অ্যাপ থেকে অ্যাপে সুইচ করা কিংবা প্রত্যেকটা অ্যাপ ওপেনিং এর ক্ষেত্রে আমরা টাইম কম নিতে দেখছি। তাছাড়া কোন ধরনের ল্যাগ হিকাপ কিংবা একেবারে শাটডাউন হয়ে মানে রিবুট নিচ্ছে এ জাতীয় কোন প্রবলেম ফেস করেনি। হ্যাঁ এই ফোনটা হালকা ওয়ার্ম হয়। চার্জিং টাইমে মোটামুটি ভালোই ওয়ার্ম হয়।
এন্ড আপনি যদি হেভি টাস্ক করতে যান এট এ টাইম অনেকগুলো কাজ করেন কিংবা ভিডিও এডিটিং সফটওয়ার ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে এই ফোনটা মোটামুটি হিট জেনারেট করে। তবে এর যে কোলিং সিস্টেম সেটা শুধু শুধুই ঠান্ডা করে ফেলে। কোন ধরনের থার্মাল থ্রোটলিং আমি লক্ষ্য করিনি। এখন এটা যে প্রাইস পয়েন্টের ডিভাইস সেই জায়গা থেকে এসওসিটাকে সত্যিই আমার একটু ছোট মনে হয়। এমনকি আমার মনে হয় এই সেইম জায়গায় যদি Snapdragon এর কোন এসএসসির আসতো সেভেন সিরিজের কোন কিছু থাকতো তাহলে আরো বেশি গ্রহণযোগ্যতার জায়গায় থাকতো তখন গিয়ে আমরা একটু গেমিং টেমি ওইভাবে ফোকাস দিতে পারতাম না এটাতে গেমিং করাই যাবে না ব্যাপারটা এরকম না আপনি গেমিং করতে পারবেন লাইক আমরা পাবজি সিওডিশনা জাতীয় গেমগুলো মোটামুটি ট্রাই করছিলাম এটাতে মোটামুটি বেশ ভালোভাবেই চলছে কিন্তু আপনি এজ এ গেমিং স্মার্টফোন এটাকে কনসিডার করতে পারবেন না যদিও ভি সিরিজটা সেভাবে দাবি করে না স্টিল আমরা আরেকটু বেটার এসসি এই জায়গা থেকে এক্সপেক্ট করি পাবজির ক্ষেত্রে এডি আল্টতে আমরা প্লে করতে পারছিলাম প্লেবল রেজাল্টই দেয় তবে আমি বলব আরেকটু লোয়ার সেটিংস নিয়ে খেলার জন্য।
সেক্ষেত্রে স্মুথ রেজাল্ট পাবেন। কল অফ ডিউরটির ক্ষেত্রে ভেরি হাই ম্যাক্স গ্রাফিক্সে আপনি প্লে করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে এই সুপারস্টেবল গেমটা স্মার্টফোনে কিন্তু একদম সুপার স্টেবল রেজাল্ট দেয়নি। বরং আরেকটু লোয়ার সেটিংস নিলে স্মুথ রেজাল্ট একটু বেটার পাওয়া যায়। হাইয়েস্ট চার্জিং মনে হচ্ছিল ফোনটা একটু ওভারহিট করছে।
এমনিতে যদি ডে টু টু টু টু টু টু টু ডে লাইফের ইউজেসের কথা বলি। সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং ভিডিও ভিডিও দেখছেন, ছবিটবি তুলছেন এই জাতীয় যে কাজগুলো আমরা করি নরমালি। বেসিক এই ধরনের কাজবাজে আপনার কাছে মনে হবে আপনি একটা হাই মেডেন্স প্রাইস পয়েন্ট ডিভাইস ব্যবহার করছেন ওতে কোন সমস্যা নেই। আচ্ছা ব্যাটারিটা আবার বড় দিছে ওরা 7000 এমএইচ এর ব্লু ভোল্ট ব্যাটারি ইউজ করছে এখানে অ্যান্ড 90 ওয়াট এর চার্জিং সিস্টেম সো এই কম্বকে আমি অবশ্যই খুবই ভালো বলব আর এই 7000 এমএইচ এর ব্যাটারিটা আপনাকে দীর্ঘক্ষণ ব্যাকআপ দিতে পারবে এই স্মার্টফোনটা থেকে আপনারা প্রায় নয় ঘন্টার কাছাকাছি একটা এসওটি পাবেন যদি একটু মোটামুটি হেভি ইউজার হয়ে থাকেন দেড় দিনের কাছাকাছি এই ফোন ব্যবহার করা যায় অনায়াসে তবে একেবারে সুপার লেভেলের ইউজার যারা রয়েছেন মানে সারাদিন ফোনের উপরে থাকতে হয় তাদের একদিন খুব ভালোভাবে সন্তুষ্ট করার পরেও দেখবেন যে 15 টু 20% এর মতো অবশিষ্ট আছে আর কি সো ব্যাটারি ব্যাকাপ ভালো স্পিকার কোয়ালিটি ভালো এটা যথেষ্ট লাউড এন্ড ক্লিয়ার সাউন্ড দেয়। ডেপথ আরেকটু বেটার হওয়া উচিত ছিল যা মনে হলো।
তবে সাউন্ড যথেষ্ট ক্লিন এন্ড ক্লিয়ার। এয়ারপিসের সাউন্ড ঠিকঠাক আছে। নেটওয়ার্ক রিসিপশনে কোন ধরনের প্রবলেম আমরা ফেস করিনি। এটার হ্যাপটিক ফিডব্যাকটা মোটামুটি ওকে মনে হয়েছে। খুব স্ট্রং যেমন না। বাট একেবারে ফেলে দেওয়ার মতো না। ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার আছে। এটার পজিশনটা একটু নিচ দিকে লাগতে পারে। ফাস্টের দিকে ইউজ হয়ে গেল আর প্যারা নাই। এটা প্রত্যেকবার একুরেট রেজাল্ট দেয়। তবে একটু স্লো মনে হয় এনিমেশনের কারণে। মূলত এনিমেশনটা একটু ওরকম। আচ্ছা। আচ্ছা তো ফোনটা কেমন কি অবস্থায় আছে সবকিছু তো জেনে ফেললেন। বাট এদিকে তার যে বড় ভাই রয়েছে এইটা কিন্তু আবার খুবই সলিড একটা ফিল দেয় আপনাকে। এটা দেখতেও বেশ সুন্দর। আমার কাছে বরং এটার ডিজাইন আরো বেশি প্রিমিয়াম মনে হয়েছে। বডি ফ্রেমে মেটাল রয়েছে। এটা ধরলেই মনে হয় যে এইটা একটা দারুণ জিনিস।
এখানে আমরা জাইসের লোগো দেখছি। ইভেন ভি7গুলো আমি এখানে হালকা করে লিখে দিলাম। আপনারা একটু দেখে নিতে পারেন। যারা চাচ্ছেন যে আরেকটু আপগ্রেডেবল কিছু কিনবেন তারা চাইলে এই ডিভাইসটাও দেখতে পারেন। আচ্ছা যারা এই দুইটা ডিভাইসে কিনবেন তাদের জন্য Vivo কিন্তু স্পেশাল গিফটস রেখেছে। যদি কিনা আপনি প্রি অর্ডার করেন কিংবা আপনি ফার্স্ট ছেলে কিনেন সেক্ষেত্রে কিন্তু এই গিফটসগুলো পেয়ে যাবেন। যেমন এফর সাথে পাবেন আপনারা ওয়াজ ওই এবং Vভি7 আপনারা পেয়ে যাবেন ওয়াজ সে। তাছাড়া আপনারা ইএমআই এর মাধ্যমে এই ডিভাইসগুলো কিনতে পারেন। বাট ইএমআই এর মাধ্যমে কিনলে আপনারা এই গিফটসগুলো আর কি পাচ্ছেন না। তো এই দুইটা ডিভাইসের মাঝে কোনটা ডিজাইন আপনাদের বেশি ভালো লেগেছে কমেন্ট করে জানাবেন। ভি 170 নিয়ে এতক্ষন কথাবার্তা হলো। আমার কাছে যা মনে হয়েছে দামটা একটু বেশি হয়ে গেছে। বা এই দামেই যদি ওর আরেকটা সেন্সর দিয়ে নিয়ে আসতো একটা টেলিফটো থাকতো তাহলে আমার মনে হয় নাই যে যেগুলো নিয়ে কমপ্লেন করলাম এগুলো নিয়ে কমপ্লেনট করার মধ্যে তেমন কোন সুযোগ থাকতো।


