Oppo Reno 15 Review Bangla 🔥 | DSLR Feel Camera Phone? 😱

এই ভিডিওতে থাকছে Oppo Reno 15 এর Full Review, Camera Test, Portrait, Zoom, Gaming, Battery Backup ও Performance নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।

 

Oppo Reno 15 Review Bangla 🔥 | DSLR Feel Camera Phone? 😱

এই যে হাতের মাঝে যে ছোট স্মার্টফোনটি দেখছেন এটা হচ্ছে Oppo Reno 15 রিসেন্টলি বাংলাদেশে OPPO তাদের Reno 15 সিরিজ লঞ্চ করে দেয় যেখানে Reno 15 এফ এন্ড Reno 15 দুইটা ডিভাইস আসে।

 Reno 15 মূলত হাই মেটেন্স প্রাইস পয়েন্টের ডিভাইস কিছুটা কম দামে। আর এটা হচ্ছে গিয়ে সেমি ফ্ল্যাগশিপ টাইপের একটা ডিভাইস। 

সিরিজের ফোনগুলো আগে আমরা বেশ কিছুটা কম দামে পেলেও এখন অনেক বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয়। আর রেনো সিরিজটা মূলত ওদের ক্যামেরার জন্যই পপুলার। সেই সাথে ডিজাইন এবং একটা প্রিমিয়াম ফিল দিতে পারে আর কি। বাট এই ডিভাইসটাতে বেশ কিছু জায়গায় আমরা কমতি পেয়েছি। বেশ কিছু জায়গা ভালো রয়েছে। যাদের আসলে নেওয়ার ইচ্ছা আছে আশা করছি ভিডিওটা দেখলে মোটামুটি একটা আইডিয়া পাবেন। তবে রে 15 আমি যতটুকু জানি বাংলাদেশে একদম লিমিটেড কিছু সংখ্যক ফোন পাওয়া যাবে। এনিওয়ে স্মার্টফোনটার একটা ফাস্ট ইমপ্রেশনের ভিডিও আমাদের চ্যানেল থেকে গিয়েছিল। তো আমরা ওদিকে একটু কম যাই। 

ডিজাইনটা সুন্দর। রিয়ারে অরা টাইপের একটা ফিল দিতে পারে এবং এখানে যখন লাইটের রিফ্লেকশন পড়ে বা আলো পড়ে তখন এটা একটু গ্রেডিয়েন্ট টাইপের একটা কালার দেয়। রিয়ার প্যানেলের ক্যামেরাটা আপনাদের খুবই পরিচিত লাগছে। আমি জানি পরিচিত লাগারই কথা। বডি ফ্রেমটাতে মেটাল আছে যার ফলে একটা প্রিমিয়াম ফিল দিতে পারে 3.5 মিলিমিটার হেডফোন জ্যাক যদিও বা এখানে নেই আর ও প্রোজনের দিক থেকে 197 গ্রাম এর মত। তো যতটুকু ওয়েট এটা এক হাতে নিয়ে খুব সহজেই ব্যবহার করা যায় আর কি। আইপি 68 এন্ড 69 এরও রেটিং রয়েছে। দুইটা ন্যানো সিমের স্লট পাবেন। আর ইসিমও ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু এই ডিভাইসটাতে ফর দা ফার্স্ট টাইম বোধহয় রেনো সিরিজে আমরা ইসিমের ব্যবহার দেখছি। এবং এটা ভালো লেগেছে আমার কাছে যে ইসিম। কারণ এখন বাংলাদেশেও চলছে ওভাবেই। 6.59 এর প্যানেলটা মূলত একটা অ্যামোলেট প্যানেল যেখানে আমরাও বিলিয়ন কালার দেখতে পাই। 120 হ পর্যন্ত হাই রিফ্রেশ রেট দেয়। এইচডিআর 10 প্লাস এরও সাপোর্ট রয়েছে এবং 1200 নিটস পর্যন্ত এইচবিএম ব্রাইটনেস দেয়। হোয়াইট ভাইন এলও এর সাপোর্ট পেয়েছি ডিভাইসটাতে। আর এটার ডিসপ্লের যে কর্নার এরিয়াগুলো দেখুন একটু বড় সড় করে রাউন্ডেড। এর ফলে দেখতে আরো বেশি ভালো লাগছে। আর ডিসপ্লেটার কালার রিপ্রোডাকশন খুবই পপ টাইপের। ফেট ফেট টাইপের না অবশ্যই। পাসল কাটফ টপ সেন্টারে আছে। সিমেট্রিকাল বেজেল যার ফলে ওভারঅল এক্সপেরিয়েন্স আপনাদের কাছে ভালো লাগার কথা। রেসপন্স ভালো এবং ইনডোর আউটডোর দুই জায়গায় আমরা চালাতে পারছি। 

ছবি তুলতে গেলে ব্রাইটনেস মানে দেখা যায়। তবে আরেকটু থাকলে পরে ভালো হতো বলে মনে হয়েছে আমার কাছে। আই মিন একদম ডিরেক্ট সানলাইটের কথা বলছি। আর এই ডিসপ্লেটাকে প্রটেকশন করছে কর্নিং গরিলা গ্লাস সে আই। এবার আসা যাক ক্যামেরায়। ক্যামেরায় রিয়ার ইমোট তিনটা শুটার আছে। তিনটা কাজের 50, 50 এবং আট। মেইন 50, 50 টেলিফটো যেখানে 3.5 এক্স জুম দেয়। আর 8 মেগাপিক্সেলটা আল্ট্রাইড। ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাটাও 50 মেগাপিক্সেলের। ফোর কে 60 এপিএস রেকর্ড করা যায় বোথ সাইডের ক্যামেরায়। বাট ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো এটার যে ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাটা এটা মারাত্মক লেভেলের আল্ট্রা ওয়াইড। আল্ট্রা ওয়াইডে যারা সেলফি তুলেন তাদের কাজে লাগবে। যারা ভিডিও করেন ব্লগিং করেন তাদেরও কাজে লাগবে। কারণ ব্লগিং ক্যামেরাগুলো যদি একটু ওয়াইড হয় তাহলে সুবিধা হয়। এই স্মার্টফোনটাতে সেই কাজটা খুব দারুণভাবে করা যায়। খুবই ওয়াইড একটা লেন্স দিয়েছে এখানে। তবে এর মেইন ক্যামেরা ছবি বেশ ভালো। রেনোর ছবি আমরা বরাবরই ভালো পেয়েছি। এইটারও বেশ ভালোই রয়েছে। যেখানে ডায়নামিক হ্যান্ডল কিন্তু যথেষ্ট ওয়াইড। কালার টোন ভালো। কালারটা একেবারে নিউট্রাল বা ন্যাচারাল না। একটু ভাইব্রেন্ড কিন্তু ওভার স্যাচুরেটেড না।

হ্যাঁ। হেভি এক্সপোজার এরিয়াগুলো কন্ট্রোল করতে গিয়ে মাঝেমধ্যে একটু হিমসিম খেলেও মোস্ট অফ দ্যা টাইম এটা ছবি বেশ ভালো দেয়। আপনারা যদি একদম খুবই ক্রিটিক্যাল জায়গায় না তুলেন তাহলে দেখবেন যে ভালো লাইটিং কন্ডিশনে এটার ছবি। মানে প্রত্যেকটা আউটপুটেই কাজে লাগার মতোই আসছে। শার্টনেস, ডিটেইল ভালো। একটু জুম করলে আপনি ডিটেল হারাতে দেখবেন না। কিছুটা জুম করা যায়। টু এক্স পর্যন্ত জুম করলে বেশ ভালোভাবে চালানো যায় সে ছবি। তাছাড়া টেলিফটো তো আছেই। সেটা দিয়ে আপনারা জুম করে ছবি তুলতে পারবেন। টেলিফটো আর মেইন ক্যামেরার ছবির কালার প্রায় কাছাকাছি। হ্যাঁ একটু তফাত আছে কিন্তু অলমোস্ট কাছাকাছি রেজাল্ট দিতে পারছে। আপনারা 3.5 এক্স বা এর উপরে গিয়েও যদি ছবি তুলেন সেই ছবিগুলোতেও ডিটেল কিন্তু ভালোই ধরে রাখতে পারে। মোটামুটি 3.5 এক্স পর্যন্ত তো একদম লসলেস। বাট এর থেকে একটু বেশি করলেও তেমন একটা লস মনে হয় না। কিন্তু একেবারে সর্বোচ্চ জমে গেলে সেটা ওই আইডিয়া প্রসেস করে ঠিকঠাক করার ট্রাই করে। যেটা খুব একটা দারুণ কিছু না। হিউম্যান স্ক্রিন পেলে কিছুটা ব্রাইট করার একটা প্রবণতা রয়েছে নরমাল ক্যামেরাতেও। তবে আপনারা যখন পোর্ট্রেট ব্যবহার করবেন তখন বেশ কিছু ফোকাল লেন্থে ছবি তুলতে পারবেন। পোর্ট্রেট গুলোর এজ ডিটেকশনে টুকটাক কিছু মিসম্যাচ পেয়েছি। তবে সবসময় না একদম ক্রিটিক্যাল জায়গাগুলোতে মূলত কর্নার এরিয়া, চুল এরিয়া এরকম জায়গায়। বাট ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লারনেস আপনার কাছে ন্যাচারাল মনে হবে অনেকটা। স্কিন টোন একটু ব্রাইট করে দেওয়ার প্রবণতা আছে এখানে। একটু সফট করে প্রেজেন্ট করে। 

তবে এ ধরনের ছবি মনে হয় ম্যাক্সিমাম মানুষ পছন্দ করে। বাট যদি একেবারে ন্যাচারাল লাভার হন তাহলে হয়তোবা এখানে আপনার কাছে একটু কমতি লাগবে। এ মেগাপিক্সেল আল্ট্রাইডটা তুলনামূলকভাবে একটু ছোট হয়ে যায় আর কি মানে এই সেটাপের সাথে যেহেতু এই ফোনের দামও মোটামুটি অনেক ৳80,000 বলতে পারেন। তো সেই জায়গা থেকে অবশ্যই আমরা আল্ট্রাইডটা আরেকটু বড় আশা করি। এটা 13 মেগাপিক্সেল বা আশেপাশে কিছু একটা থাকলে মনে হয় আরেকটু হাই রেঞ্জের ছবি তোলা যেত। এটা প্রপার লাইটিং কন্ডিশনে শার্পনেস ডিটেল ভালো দিলেও লো লাইটে কিন্তু স্ট্রাগল করে অন্যান্য মিডরেঞ্জের স্মার্টফোন গুলোর মতোই। কিন্তু ভালো আপনার লাগবে ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরা। যেটা একেবারে সেলফি লাভারদের জন্য রেডি টাইপ ছবি দিচ্ছে। হ্যাঁ। আপনি যদি বিউটিফিকেশন অফ করে রাখেন তাহলে বেশ ন্যাচারাল একটা টোনেই দিতে পারে এবং ডিটেল শার্পনেস কিন্তু ভালো। বোথ কন্ডিশনেই ইনডোর আউটডোর সব জায়গায়। আর তাছাড়া আমি বলছিলাম এটা বেশ আল্ট্রাওয়াইডও ছবি দিতে পারে। ভিডিও রেকর্ড করা যায় বোথ সাইডের ক্যামেরায় 4 কে 60 এফপিএস এ এবং ব্যাক সাইডের ক্যামেরায় আপনারা ওয়াইএসইএস বোথ একসাথে পাবেন। যার ফলে স্টেবিলিটি ভালো কিন্তু হাইলাইট ব্যালেন্স একটু ইস্যু আছে। এছাড়া আমি ওকে পেয়েছি। আর এটা হচ্ছে ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরার ভিডিও যেখানে 4K 60 এপিএস রেকর্ড হচ্ছে এবং দেখুন বেশ কিছু হাইলাইট রয়েছে। তারপরেও কিন্তু বেশ ভালোভাবে কন্ট্রোল করার ট্রাই করে। 

আমরা যদি এখন একটু আল্ট্রাইডে চলে যাই। দেখুন এবারে কোন লেভেলের ওয়াইড একটা ভিডিও দিচ্ছে। জোস না ব্যাপারটা আসলেই জোস। তো যারা আসলে ভ্লগিং করতে চান 4 কে 60 এফপিএস এ এবং আপনি খুবই বড় মানে জায়গা চাচ্ছেন তারা কিন্তু এটা দিয়ে এসে কাজ করতে পারবেন। তাছাড়া এই মুহূর্তে যে সাউন্ডটা পাচ্ছিলেন এটা স্মার্টফোনের রেকর্ড হচ্ছিল। এটার মাইক্রোফোনের কোয়ালিটিও বেশ ভালো। তো ক্যামেরাতে এসে মেইন ক্যামেরা টেলিফটো এবং ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরাটা আমার কাছে মনে হয়েছে যে এটা মানে এজ অফিশিয়াল ডিভাইস যে প্রাইস পয়েন্টে সেই জায়গায় স্ট্যান্ডার্ড আউট করছে ঠিকভাবে। আল্ট্রাওয়াইটটা আরেকটু বড়সড় হলে পরে পারফেক্ট কম্বো হতে পারতো। ক্যামেরায় আরেকটু ইমপ্রুভমেন্টের সুযোগ আসলে ছিল। আইদার দাম কিছুটা কম থাকলে পরে এগুলো নিয়ে কমপ্লেনট করতাম না। রেনোর এবারের এই ফোনটাতে কিন্তু ওরা প্রসেসর হিসেবে দিচ্ছে কোয়ালকম সপড্রগন 74 যা 4 এনmম এর একটি এসওসি এড্রন 722 হচ্ছে গিয়ে এর গ্রাফিক্স সেশনকে পাওয়ার করে। Android্র 16 বেসড এই ডিভাইসটাতে কালারওয়েজ 16 রয়েছে। এবং আমরা বোধহয় প্রিভিয়াস জেনারেশন গুলোতে মিডিয়াটেকের জিবি দেখছিলাম। তো যারা সপড্রাগন লাভার তাদের হয়তো এই ব্যাপারটা ভালো লাগবে।

Oppo Reno 15 Review Bangla 🔥 | DSLR Feel Camera Phone? 😱

 এবং আমার যা মনে হয় এখানে যদি মিডিয়াটেকের ডাইমিসিটি সেভেন সিরিজের কোন এসসি আসতো তার তুলনায় বরং এই সপড্রাগন থাকার ফলে আমরা ছবিতেও কিছুটা বেটার আপটুড দেখছি এটা আমার আর কি মনে হচ্ছে বা আমার অবজারভেশন বলে তো এটাতে আপনারা আলাদা করে কোন কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন না স্টোরেজ যা আছে ওভাবে ব্যবহার করতে হবে এবং ইউএফএস 3.1 হল গিয়ে এর স্টোরেজ [মিউজিক] টাইপ। আর র‍্যামের ক্ষেত্রে 12জিবির পাশাপাশি 12জিবি ভার্চুয়াল রম এন্ড 256 জিবি স্টোরেজ। এই হচ্ছে মোটামুটি এই জায়গার স্পেক। এখন সপড্রগন 74 এটা কিন্তু এর আগেও আমরা বেশ কিছু ডিভাইসে ব্যবহার করেছি এবং আমরা জানি এটা বলতে পারেন একটা হাই মিডেঞ্জ প্রাইস পয়েন্টের একটা চিপ যা800 টাকায় আসলে মানে কোনভাবে মানসইন না। 80000 টাকা প্রাইস ব্রাকেটে আমরা আরেকটু বেটার কিছু আশা করি। এটলিস্ট এইট সিরিজেরই কিছু আশা করি এবং আমার মনে হয় Oppo ওরকম কিছু দিলে পরে সবদিক থেকে ব্যালেন্স করা সম্ভবত ক্যামেরার পাশাপাশি যারা একটু পারফরমেন্স সেন্ট্রিক ফোন খুঁজে আমি অফিশিয়াল ফোনেই কিনবো কিন্তু আমার পারফরমেন্সটা আরেকটু বেটার দরকার আমি গেমিং এর ক্ষেত্রেও একটু বেটার কিছু চাই তখন গিয়ে তাদেরকে সহজে সাজেস্ট করা যেত। বাট এটা হয়ে গেছে এরাউন্ড 50 কে প্রাইস পয়েন্টের একটা এসওসির মতোই বলতে পারেন। মানে [মিউজিক] গ্রে মার্কেট অফিশিয়াল মার্কেট সবকিছু বিবেচনা করে আমরা আরেকটু বেটার চিপা আশা করছিলাম এখানে। 

তাছাড়া স্টোরেজ টাইপেরও একটা ব্যাপার রয়েছে। এতে করে টোটাল স্মার্টফোনের ইউজার এক্সপেরিয়েন্সই আলাদা হয়ে থাকে। ইউএফএস 3.1 আর 4.1 বা 4.0 দুইটার মাঝে ভালোই গ্যাপ রয়েছে। তাই [মিউজিক] না? তো ডে টু ডে কাজগুলো সে ভালোভাবে হ্যান্ডেল করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। অ্যাপ ওপেন ক্লোজ টাইম বেশ ফাস্ট। যথেষ্ট ফাস্টার। এই আপনি মাল্টিটাস্কিং কাজ করতে পারবেন। কারণ 12 GB র‍্যাম আছে। তাছাড়া এই যে কালারওয়েজ। কালার ওয়েজ কিন্তু যথেষ্ট মানে অপটিমাইজড একটা ইউআই এবং বর্তমান সময়ে মানে এন্ড্রয়েডের ইউআই গুলোর মধ্যে ওয়ান অফ দ্যা বেস্ট ইউআই এর মধ্যেই থাকে। যেখানে আমরা প্রয়োজনীয় সমস্ত ফিচার্স গুলো পাই। এবং লং রানেও দেখা যায় যে এই ইউআইটা খুবই ডিসেন্ট একটা আউটপুট দিয়ে থাকে বা রেজাল্টটা দেয় ডে টু ডে টাস্কের ক্ষেত্রে ল্যাগ হ্যাং ট্যাং এই সমস্ত ঝামেলা নেই এবং ওই সবচাইতে বড় বিষয় হচ্ছে গিয়ে হাতি ঘোরার দেখা কম পাওয়া যায় আই মিন বাঘের কথা বলছি তবে oppo আপনাদের জন্য এই ডিভাইসটার মাঝে প্রচুর পরিমাণে ব্লটার রেখেছে যার কোন মানেই ছিল না এগুলো প্রয়োজন হবে না আই গেস আপনারা আনসার করে নিয়েন আর কি আর এটা দিয়ে গেমিং করতে চাইলে আপনারা মোটামুটি মানের একটা গেমিং পাবেন আর কি মিডেন্স প্রাইসের ফোনের মতোই যেমন আপনারা পাবজিও প্লে করতে পারবেন এক্সট্রিমে প্লে করতে পারেন চাইলে অবশ অবশ্যই আউটপুট ভালোই। তবে একটু লং রানে গেলে যতটুকু হিট জেনারেট করে মেটাল ফ্রেম হওয়ার ফলে আপনি হাতে একটু ফিল পাবেন। তেমন কোন ল্যাগ হিবের দেখা আমরা এখানে পাইনি। গেটান ইম্প্যাক্টের ক্ষেত্রে আমরা একেবারে স্টেবল পারফরমেন্স পাইনি। 

বরং এখানে ফ্রেম রেট ফ্লাকচুয়েট করছিল। কোন কোন ক্ষেত্রে সেটা 50 এর নিচেও নেমে আসছিল হাইয়েস্ট সেটিংসে। তবে যারা ফ্রিফায়ার লাভার রয়েছেন পাবজি কিংবা গেশন ইম্প্যাক্টের তুলনায় আপনি অবশ্যই আরো বেটার রেজাল্ট পাবেন এবং যথেষ্ট অপটিমাইজ ভাবেই এটাতে রান করে। ওভারঅল দাম বিবেচনায় পারফরমেন্স সেকশনটা আরো বেটার করার জায়গা ছিল। তবে ভালো লাগবে এর স্পিকার। স্পিকারটা একদমই ব্যালেন্স এবং যথেষ্ট লাউড একটা সাউন্ড দেয়। ডেপথও ভালো আছে। সাউন্ডের ক্লারিটিও যথেষ্ট ভালো। অপটিক্যাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার আছে। এটার পজিশনটা একটু নিচ দিকে লাগতে পারে আমার মত অনেকের কাছেই। কিন্তু এটা ফাস্ট এন্ড একুরেট। নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটিতে কোন ধরনের প্রবলেম আমরা পাইনি বোথ কানেকশনে। আর ব্যাটারি আছে 6500 এমএচ এন্ড 80 ওয়াট চার্জিং সিস্টেম আপনারা বক্সে পেয়ে যাবেন। এই কম্বো ডিসেন্ট কম্বো আমরা বলতে পারি। আর 6500 দিয়েও ফোন অনেক বেশি মোটা করেনি আর কি। ব্যাটারি ব্যাকাপ আপনারা একদিন অনায়াসে পাবেন। প্রায় আট ঘন্টার মত এসটি পাওয়া সম্ভব। Oppo Renো 15 দেখতে এমনিতে বেশ সুন্দর একটা ডিভাইস হ্যান্ডফিলও ভালো। 

এসএসসির জায়গাটা দুর্বল হয়ে গেছে। আর আল্ট্রাভাইটটা আরেকটু বড়সড় করতে পারতো। আর সবকিছুই ঠিকঠাক হয়ে যেত। দাম আরো কিছুটা কম থাকলে আর কি। বাট আপনারা সবাই জানেন স্মার্টফোনের দাম একদম এই লেভেলে বাড়তে শুরু করছে। শুধু স্মার্টফোন না ল্যাপটপ, কম্পিউটার যে সমস্ত জায়গায় র‍্যাম স্টোরেজ ব্যবহার হচ্ছে সব জায়গায় বাড়তে শুরু করছে। বাট আরো বেশ কিছু কারণ রয়েছে। কি কারণে ফোনের দাম বাড়তে চলছে সে বিষয় নিয়ে আমরা একটা ডেডিকেটেড ভিডিওই তৈরি করছি। 

Oppo Reno 15 Review Bangla 🔥 | DSLR Feel Camera Phone? 😱

আপনারা চাইলে দেখে নিতে পারেন। ভিডিও ডেসক্রিপশনে আমি লিংকটা দিয়ে [মিউজিক] দিলাম। সবাই ভালো থাকবেন দেখা হচ্ছে স্যামজুনের নতুন কোন ভিডিওতে

Post a Comment