এই মুহূর্তে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করা পাঁচটি সেরা অ্যাপ নিয়ে আলোচনা করব।
তার মধ্যে কিছু ফ্রি অ্যাপ রয়েছে, কিছু পেইড অ্যাপস রয়েছে।
সো যারা মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করতে চান তাদের জন্য এই আর্টিকেল টি অনেক বেশি হেল্পফুল হবে। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আর্টিকেল টি শুরু করি। আর্টিকেল টিশুরুতেই একটা বিষয় আপনাদেরকে বলি। আমারও যখন মাঝে মাঝে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করার প্রয়োজন হয়, তখন আমি আসলে কোন অ্যাপসটা ইউজ করি? বা আমার দৃষ্টিকোণ থেকে এই পাঁচটি অ্যাপের মধ্যে কোনটি সেরা? সেটা জানাব একদম আর্টিকেল টিশেষ প্রান্তে এসে। তাহলে চলুন এখন মূল আর্টিকেল টি শুরু করি।
মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার জনপ্রিয় অ্যাপস হচ্ছে KineMaster।
এই KineMaster অ্যান্ড্রয়েড এবং iOS দুইটা ভার্সনেই কিন্তু ব্যবহার করা যায়। এই অ্যাপসের আরেকটা সুবিধা হচ্ছে যে লো কনফিগারেশনের মোবাইলেও কিন্তু এটা ইউজ করা যায়। এতে মাল্টি লেয়ার নিয়ে কাজ করার সুবিধা আছে। এতে বিল্ট ইন অনেকগুলা ভিডিও ইফেক্টস আছে, ট্রানজেকশন আছে, ক্রোমা কী আছে, যেটাতে খুব চমৎকার ভাবে গ্রিন স্ক্রিনের সাহায্যে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে পারবেন। এছাড়াও অডিও এডিটের সুযোগ আছে। বলতে পারেন যে ভিডিও এডিট করার জন্য যেসব প্রয়োজনীয় টুলের দরকার হয় ম্যাক্সিমামই বিল্ট ইন এখানে রয়েছে। আর এই অ্যাপটিও কিন্তু আপডেটের মাধ্যমে ডে বাই ডে অনেক ডেভলপ হয়েছে। সো এখন কিন্তু অনেক ফিচারস রয়েছে। যে কারণে এই অ্যাপসটা অনেক আগে থেকেই মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার জন্য একটা জনপ্রিয় অ্যাপস ছিল বাট এখনো স্টিল নাও আছে।
মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার আরেকটি জনপ্রিয় অ্যাপ হচ্ছে InShot। মূলত সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং যারা হচ্ছে ডিজিটাল ব্লগার রয়েছেন এটি কিন্তু তাদের জন্য পারফেক্ট। এর ইন্টারফেসটি কিন্তু বেশ সহজ এবং বৈচিত্র্যময়। মজার ব্যাপার হচ্ছে যে InShot-এর ম্যাক্সিমাম ফিচারসগুলোই হচ্ছে ফ্রি। আর এটিও কিন্তু লো কনফিগারেশনের মোবাইল দিয়ে আপনি চালাতে পারবেন। এর উল্লেখযোগ্য যদি কিছু ফিচারসের কথা বলি তাহলে আমি বলব যে অটো ক্যাপশন রয়েছে, 4K-তে ভিডিও এক্সপোর্ট করার সুবিধা রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফরমেট রয়েছে, যেমন 1:1, 16:9, 9:16, যা আপনারা খুব সহজে সেট করতে পারবেন। এছাড়াও এডিটিং এর মৌলিক ফিচারসের যে টুলসগুলা রয়েছে, সবগুলোই আপনারা কিন্তু এখানে পেয়ে যাবেন। এবং এটার ইন্টারফেসটা কিন্তু খুব সহজ আপনি যদি একবার দেখেন তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজে এটা ইউজ করতে পারবেন।
নাম্বার থ্রি, PowerDirector. বর্তমানে এই মোবাইল অ্যাপসটি আপনাকে ভিডিও এডিটিং এর ক্ষেত্রে অনেক ভালো মানের সাপোর্ট দিতে পারবে। এতে বেশ কিছু AI টুলস যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও মৌলিক সকল ফিচারস এন্ড টুলসগুলা এতে বিদ্যমান রয়েছে। এই অ্যাপসে নিয়মিত নতুন ফিচারস এবং টেম্পলেট যুক্ত হয়, যা একজন এডিটরকে অনেক ভালো মানের এডিট করতে সহায়তা করে। আমার জানা মতে একজন আছে যিনি মোবাইলের রিভিউ এই PowerDirector দিয়ে করে ফেলেন! বাট যদিও এটা আমার কাছে একটু অকল্পনীয় লাগে বাট উনি এই PowerDirector দিয়ে একটা ফোনের রিভিউ বা একটা গ্যাজেটের রিভিউ করে ফেলেন। যদিও এগুলো অনেক বড় মানের জিনিস তারপরেও এটা করে ফেলেন। সো এই কথা থেকে আসলে বোঝা যায় যে এটাও কিন্তু মোটামুটি মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করার ক্ষেত্রে একটা শক্তিশালী মোবাইল অ্যাপ।
নাম্বার ফোর, Filmora। যারা একটু আগে থেকে ভিডিও এডিট শুরু করেছেন তারা হয়তোবা Filmora দিয়েই তাদের জার্নি শুরু করেছেন সেটা পিসিতে। বাট মোবাইলেও যে Filmora রয়েছে সেটাও কিন্তু বেশ সমৃদ্ধ। এখানেও কিন্তু হিউজ ফিচারস আপনি পাচ্ছেন পাশাপাশি ইন্টারফেসটাও কিন্তু বেশ সহজ সরল। আপনারা খুব সহজেই ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ করে কিন্তু এটা ইউজ করতে পারবেন। যদিও এটা ফ্রি অ্যাপস নয় তারপরও এখানে কিন্তু হিউজ ফিচার রয়েছে এবং প্রতিনিয়ত আপডেটের মাধ্যমে তারা নতুন নতুন ফিচারস, ট্রানজেকশন সবকিছুই কিন্তু অ্যাড করছে। মোটকথা আপনার যে চাহিদা রয়েছে সেটার অনেকাংশেই এটা কিন্তু পূরণ করতে সক্ষম। সো যারা এতদিন Filmora পিসি ইউজ করেছেন তারা চাইলে কিন্তু এখন এটা ইউজ করতে পারেন। তো এটা কিন্তু আপনাকে ভালো মানের এডিটিংয়ে হেল্প করবে।
নাম্বার ফাইভ, বর্তমানে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করার সবচেয়ে পাওয়ারফুল এবং জনপ্রিয় অ্যাপ হচ্ছে CapCut। CapCut-এর ইন্টারফেসটি কিন্তু খুবই সহজ সরল এবং এটা দিয়ে কিন্তু আপনি মোটামুটি একটা সেমি প্রফেশনাল টাইপের ভিডিও এডিট করে ফেলতে পারবেন। এখানে আপনি সুন্দর করে কালার গ্রেড করতে পারবেন। এখানে একাধিক লেয়ার নিয়ে আপনি কাজ করতে পারবেন এবং এটা থেকে কিন্তু ডিফল্টে অনেক ফরমেট পাবেন যেটা দিয়ে ইনস্ট্যান্ট আপনারা ভিডিও ফরমেটে কনভার্ট করতে পারেন। যেমন আপনি চাইলে 16:9 অথবা 1:1 যেটা হচ্ছে আমরা Facebook-এর জন্য করে থাকি এবং 9:16 যেটা আমরা TikTok বা Reels-এর জন্য করে থাকি সেটাও আমরা ইনস্ট্যান্ট করতে পারব। এরকম বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং জিনিস ডিফল্টে দেওয়া রয়েছে। এছাড়াও এটাতে আপনারা কিন্তু বেশ ভালো মানের সাউন্ডের কাজ করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনার সাউন্ডে যদি কোন প্রকার নয়েজ থাকে সেটাও কিন্তু বেশ ভালোভাবে রিডাকশন করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি যদি পিছনের ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করতে চান তাহলে কিন্তু কোন প্রকার গ্রিন স্ক্রিন ছাড়াও কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করতে পারবেন। আর এটার বড় বিষয় হচ্ছে এখানে ফ্রিতে বা পেইডে যে ট্রানজেকশনগুলা রয়েছে সেগুলা কিন্তু মোটামুটি একটা প্রফেশনাল গ্রেডের একটা ট্রানজেকশন রয়েছে।
সো এগুলা যদি আপনি মোটামুটি ইউজ করতে পারেন বা এটার যে অল ফিচারসগুলা রয়েছে সেগুলা যদি আপনি মোটামুটিভাবে ইউজ করতে পারেন তাহলে আমি আপনাকে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি যে একটা সেমি প্রফেশনাল লেভেলের এডিটিং আপনি কিন্তু এই মোবাইল দিয়েই করে ফেলতে পারবেন! আবার অনেককে আমি দেখেছি যারা এডিটিং করেছে এই CapCut দিয়ে দেখে মনেই হয়নি যেটা আসলে CapCut দিয়ে করেছে।
আমার কাছে মনে হয়েছে যে এটা বাড়ি কোন পিসি সফটওয়্যার দিয়ে করা হয়েছে। সো এটা সব মিলিয়ে যে ফিচারসগুলা রয়েছে, অসাধারণ আমি এক কথাই বলতে পারি। আচ্ছা আমি আপনাদেরকে একটা কথা বলেছিলাম যে আমি যখন মোবাইল দিয়ে কোন প্রকার ভিডিও এডিট করতে যাই তখন কোনটা ইউজ করি? আমি কিন্তু এই CapCut-ই ইউজ করি। আর এটা আমার কাছে বেস্ট সফটওয়্যার মনে হয়। আর আমার কাছে মনে হয় যে এই মুহূর্তে CapCut-এর আশেপাশে মোবাইল ভিডিও এডিটিং এর কোন সফটওয়্যার নেই। এটা দিয়ে 4K রেন্ডারিংও করা যায় এবং রেন্ডারিংটা কিন্তু খুব দ্রুত হয় অর্থাৎ এক্সপোর্টটা কিন্তু খুব দ্রুত হয়। সো সব মিলিয়ে আপনি যদি আমাকে প্রশ্ন করেন যে পাঁচটা অ্যাপ নিয়ে আপনি কথা বললেন, তার মধ্যে কোনটা আপনার দৃষ্টিতে বেস্ট বা আমি যেকোনো একটা নিয়ে কাজ করতে গেলে কোনটা নিয়ে কাজ করব তাহলে আমি শুধু CapCut-এর কথা আপনাদেরকে বলবো। সো গাইস এই ছিল মূলত আমার আজকের ভিডিও।
যদি আপনার কাছে আর্টিকেল টি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই একটি লাইক করবেন আর এরকম প্রয়োজনীয় আর্টিকেল টি রেগুলার পেতে চাইলে অবশ্যই আমাদের চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব অথবা পেজটিকে ফলো করে রাখবেন। আজকের মত আমি tamim বিদায় নিচ্ছি আল্লাহ হাফেজ।
হ্যালো এভরিওয়ান। আপনি হয়তোবা এই মুহূর্তে খুঁজছেন কম্পিউটার দিয়ে ভিডিও এডিট করার সেরা সফটওয়্যারগুলো। আজকের আর্টিকেলতে মূলত আপনাদের সাথে আলোচনা করব যে এই মুহূর্তে অর্থাৎ ২০২6 সালে এসে কম্পিউটার দিয়ে ভিডিও এডিট করার সেরা সফটওয়্যার কোনগুলো? তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল আর্টিকেলটা শুরু করা যাক।
আপনার লেভেলটা যদি এমন হয় যে আপনি জাস্ট এখন ভিডিও এডিটিংটা পিসি দিয়ে শিখতে চাচ্ছেন বা শুরু করতে চাচ্ছেন, তাহলে আপনার জন্য এই মুহূর্তে বেস্ট সফটওয়্যার হচ্ছে ক্যাপকাট পিসি। ক্যাপকাট পিসিটা আসলে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে একদম বিগেইনারদেরকে টার্গেট করে মূলত ডিজাইনটা করা হয়েছে। আপনি যদি এই সফটওয়্যারের নিজে নিজেও চেষ্টা করেন তাহলে কিন্তু আপনি ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে মোটামুটি একটা ভালো এডিটিং স্কিল নিয়ে আসতে পারবেন। আর যদি একটা বা দুইটা ইউটিউবে ভিডিও দেখে ফেলেন তাহলে কিন্তু আপনার কাছে কনসেপ্টটা একদমই ক্লিয়ার হয়ে যাবে যে কিভাবে এটা দিয়ে এডিট করতে হয়।
আর এখানে কিন্তু হিউজ পরিমাণ টুলস এন্ড ফিচার্স রয়েছে। আপনি যদি এগুলার ম্যাক্সিমাম আপনি ইউজ করতে পারেন তাহলে আমি আপনাকে একটা কথা বলতে পারি বা নিশ্চিত গ্যারান্টি দিতে পারি যে আপনি সেমি প্রফেশনাল লেভেলের একটা এডিটিং কিন্তু আপনি করে ফেলতে পারবেন। এখানে বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং ফিচারস আছে যেমন এক ক্লিকে ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করা যায় ভিডিওর, তারপরে আরো অনেক কিছু অ্যাড করা যায় যেগুলা নরমালি আমরা করতে যদি যাই Adobe প্রিমিয়ার প্রো বা বাই সফটওয়্যার দিয়ে তাহলে কিন্তু আফটার ইফেক্টসের সাহায্য নিতে হয় বা আরো অনেক মেকানিজম করতে হয় বাট এগুলা ছাড়াও কিন্তু আপনি সুন্দরভাবে এডিট করতে পারবেন।
তবে এই ক্যাপকাট পিসির আরেকটা বড় সুবিধা হচ্ছে যে এটা আপনি একদমই নরমাল পিসি দিয়েও কিন্তু রান করতে পারবেন। আর এটা রান করার জন্য কিন্তু হিউজ GPU এরও দরকার হচ্ছে না বা ভারি কোন প্রসেসরও দরকার হচ্ছে না নরমাল প্রসেসর দিয়েও কিন্তু আপনি কাজটা চালিয়ে নিতে পারবেন এটা হচ্ছে একটা সুবিধা। তো বিগিনারদের জন্য এটা একটা পারফেক্ট সফটওয়্যার আপনারা চাইলে কিন্তু এটা দিয়ে শুরু করতে পারেন আপনার এডিটিং।
বর্তমান সময়ে যারা সাকসেস কনটেন্ট ক্রিয়েটর রয়েছেন বাংলাদেশের কথা বলছি তাদের প্রায় আপনি ধরে নিতে পারেন যে ৯০ থেকে ৯৫% লোকই কিন্তু তারা তাদের জার্নিটা শুরু করেছিল ফিল্মোরা দিয়ে। অর্থাৎ ফিল্মোরা ছিল তাদের ভিডিও এডিটিং এর সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। সো এই সফটওয়্যারটা খুবই ইজি। জাস্ট একবার চোখ বুলালেই কিন্তু আপনি এটা ইউজ করতে পারবেন এবং এটা ইউজ করে আপনি মোটামুটি ভালো মানের ভিডিও কিন্তু এডিট করতে পারবেন।
আরেকটা ইন্টারেস্টিং বিষয় হচ্ছে ফিল্মোরার যে সর্বশেষ ভার্সন এসেছে ফিল্মোরা 14 এখানে একটা হিউজ পরিমাণে AI টুলস ব্যবহার করা হয়েছে এবং যে ফিচার্সগুলো আমরা এতদিন মনে মনে খুঁজছিলাম বা আমরা মনে মনে চাইতাম সেই ফিচার্সগুলো কিন্তু ফিল্মোরা 14 এ রয়েছে। আর AI এর এতসব ফিচার্স রয়েছে আপনারা স্ক্রিনে একনজর দেখেন আমি আপনাদেরকে দেখাচ্ছি দেখে আপনাদের মাথা নষ্ট হয়ে যাবে যে একটা ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার বেসিক সফটওয়্যার এখানে এত কিছু দিয়েছে। এক ক্লিকে ভিডিওর ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা যায় টেক্সট থেকে সরাসরি ইমেজ তৈরি করা যায় এরকম অসংখ্য অসংখ্য ফিচারস কিন্তু যুক্ত করা হয়েছে AI এর। AI ছাড়াও কিন্তু বেশ কিছু ট্রানজেকশন ইউজ করা হয়েছে যেগুলা একদম প্রফেশনাল গ্রেডের যেগুলা আমরা প্রিমিয়ার প্রো বা হচ্ছে Davinci Resolve তখন আমরা ইউজ করতে যাই তখন এগুলা কিন্তু আমাদেরকে কিনে ইউজ করতে হয় থার্ড পার্টি থেকে।
ইফেক্টসও রয়েছে অসাধারণ বেশ কিছু হিসাব ইফেক্টস তো সেগুলোও কিন্তু আপনারা চাইলে ইউজ করতে পারেন। আর এই ফিল্মোরা সফটওয়্যারটাও কিন্তু পরিচালনার জন্য আপনাকে কিন্তু খুব বেশি পরিমাণে ব্যাক পেতে হবে না অর্থাৎ নরমাল পিসি দিয়ে আপনি কিন্তু এটা করতে পারবেন। তো ফিল্মোরার বা ক্যাপকাটের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা যেটা সেটা হচ্ছে যে এখানে আপনার থার্ড পার্টি কোন প্রকার প্লাগ-ইন ব্যবহার করতে পারবেন না। অর্থাৎ এই সফটওয়্যারের ভিতরে যা আছে সেগুলাই আপনাকে ইউজ করতে হবে। তবে আমি আপনাদেরকে একটা কথা নিশ্চিত করে বলতে পারি যে ফিল্মোরা 14 ইউজ করার পর আমি যেটা বুঝেছি সেটা হচ্ছে যদি আপনারা এটার সর্বোত্তম ব্যবহারটা করতে পারেন তাহলে একদম সেমি প্রফেশনাল সেমি প্রফেশনালের মধ্যে হাই লেভেলের সেমি প্রফেশনাল এডিট কিন্তু আপনারা এই ফিল্মোরা দিয়েই করে ফেলতে পারেন।
আপনি যদি প্রফেশনাল লেভেলের ভিডিও এডিট করতে চান তাহলে আপনাকে মুভ করতে হবে Adobe প্রিমিয়ার প্রোর দিকে। আমাদের দেশে যত বড় বড় ইউটিউব চ্যানেল আছে বা নাটকগুলা যে এডিট করা হয় সেগুলো কিন্তু Adobe প্রিমিয়ার প্রো দিয়েই করা হয়। Adobe প্রিমিয়ার প্রোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে Adobe এর যত বড় বড় সফটওয়্যার আছে সেগুলা একটার সাথে একটা সিনক্রোনাইজ করা হয়। যেমন Adobe প্রিমিয়ার প্রোতে আপনি কোন কাজ করছেন সেই কাজটা যদি আপনার দরকার হয় যে Adobe আফটার ইফেক্টসে নিয়ে যাবেন তাহলে জাস্ট এইখান থেকে কিন্তু প্রিমিয়ার প্রো থেকে সরাসরি আফটার ইফেক্টসে নিয়ে গিয়ে কাজটা করে এখানে নিয়ে আসতে পারছেন আলাদা করে ফাইল সেভ করার দরকার হচ্ছে না।
আবার ধরেন কোন একটা জায়গায় অডিও এডিট করার প্রয়োজন হলো Adobe ऑडিশন এ চলে গেলেন জাস্ট ওইখান থেকে অডিওটা এডিট করে ফেললেন জাস্ট এখানে হচ্ছে ইওর অডিওটা সেভ হয়ে যাচ্ছে। আবার দেখা গেলো যে ফটোশপেরও যদি দরকার হয় তাহলে সেটাও কিন্তু আপনারা এক ক্লিকে জাস্ট এইখান থেকে এই এডিট করে চলে আসতে পারবেন। এই যে আসলে তাদের যে একটা ইকোসিস্টেম Adobe এর সেটা কিন্তু অসাধারণ। আর এইটার জন্যই Adobe প্রিমিয়ার প্রো এত বেশি জনপ্রিয়। আরো বেশ কিছু কারণ আছে যেমন Adobe প্রিমিয়ার প্রোতে হিউজ পরিমাণে থার্ড পার্টির প্লাগিংস পাওয়া যায় যেগুলা ইউজ করে একদম প্রফেশনাল গ্রেডের ভিডিও এডিটগুলা আপনার করতে পারবেন।
এছাড়াও মোটামুটি ভালো মালের কালার গ্রেডিং করা যায়। সো সব মিলিয়ে আমি বলতে পারি যদি আপনার ভিডিও এডিটিংটা আসল প্রফেশনাল লেভেলে আপনি করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই Adobe প্রিমিয়ার প্রোটাকে আপনার চুজ করতে হবে। যদিও প্রিমিয়ার প্রো চালাতে গেলে আপনার হাই কনফিগারেশনের পিসির দরকার হয় কারণ নরমাল পিসি দিয়ে এটাকে কিন্তু খুব বেশি এডিট করা যায় না। আপনি যত ভালো পরিমাণে এডিট করতে যাবেন আপনার পিসির কনফিগারেশন তত বেশি হতে হবে।
চার নাম্বারে কথা বলি Davinci Resolve নিয়ে এইটা এমন একটা সফটওয়্যার এটা Adobe প্রিমিয়ার প্রোর সাথে এখন কিন্তু পাল্লা দিয়ে আমি বলব যে Adobe প্রিমিয়ার প্রো থেকে মোটেও পিছিয়ে নেই বরং এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ এই সফটওয়্যারে হিউজ কাস্টমাইজেশনের সুযোগ রয়েছে এবং এই সফটওয়্যারটাও কিন্তু বেশ ভারি একটা সফটওয়্যার। তবে সুবিধা হচ্ছে এইটা কিন্তু ফ্রি সফটওয়্যারও বলতে পারেন যে আপনি ফ্রিতে কিন্তু আপনি এইটাকে ইউজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। আর এই সফটওয়্যারে সবচেয়ে বড় যে সুবিধা বা এই সফটওয়্যারটা সবচেয়ে বেশি পপুলার যে কারণে সেটা হচ্ছে কালার গ্রেডিং। অর্থাৎ প্রিমিয়ার প্রোতে আপনি যেটুকু কালার গ্রেড করতে পারবেন বা কালার কারেকশন করতে পারবেন তার থেকে অনেক গুণ বেশি সুন্দর করে কালার এখানে করতে পারবেন। বিশেষ করে এই কালার গ্রেড বা কালার কারেকশনের জন্য কিন্তু এই সফটওয়্যারটার বিশ্বব্যাপী একটা বিশাল খ্যাতি রয়েছে। সো এখন কিন্তু অনেকে Adobe প্রিমিয়ার প্রো থেকে ধীরে ধীরে শিফট করে চলে যাচ্ছে এই Davinci Resolve এর দিকে। সো আমিও কিন্তু আস্তে আস্তে করে ওইদিকেই চলে যাচ্ছি। তো আপনাদের যদি আরো বেশি প্রফেশনাল গ্রেডের এডিটিং দরকার হয় তাহলে আপনার Davinci Resolve এ আপনারা শিফট করতে পারেন।
পাঁচ নাম্বারে কথা বলি ফাইনাল কাট প্রো নিয়ে। এইটা হচ্ছে ম্যাকের একটা সফটওয়্যার। সো যারা হচ্ছে ম্যাক কম্পিউটার ইউজ করে থাকেন তারা কিন্তু এটা ইউজ করতে পারবেন এটা কিন্তু নরমালি উইন্ডোজে ইউজ করা যায় না। এই সফটওয়্যারটাও কিন্তু যথেষ্ট ভালো এবং যথেষ্ট ফাস্ট কাজ করে রেন্ডারের জন্যও কিন্তু খুবই ভালো। আর এইটা কিন্তু Adobe প্রিমিয়ার প্রোর মতো ততটা আসলে ফ্লেক্সিবল না। ফ্লেক্সিবল না হলেও এখানে কিন্তু থার্ড পার্টি অনেক প্লাগিং কিন্তু ইউজ করা যায় মোটামুটি এইটাও কিন্তু খুব ইজি একটা সফটওয়্যার। সো আপনাদের যদি ম্যাক থাকে তাহলে কিন্তু আপনারা এটা ইউজ করতে পারবেন। তবে যদি আপনার মনে হয় যে Final Cut Pro এবং প্রিমিয়ার প্রো বা Davinci Resolve এই তিনটার মধ্যে কোনটা বেস্ট হবে? তাহলে আমি বলব যে যদি আপনার প্রফেশনালে আপনি চান তাহলে আপনার প্রিমিয়ার প্রো অথবা Davinci Resolve এ যেতে হবে। আর যদি আপনাকে মনে হয় যে না এইটার পরে আমি আরেকটু প্রফেশনাল গ্রেডে মানে এই দুইটা সফটওয়্যারের পরে Adobe প্রিমিয়ার প্রো এবং Davinci Resolve এর পরে আমি আরেকটু প্রফেশনাল গ্রেডে এডিট করতে চাই আমি ওই দুইটাতে যেতে চাই না তাহলে আপনি Final Cut Pro টাকে চুজ করতে পারেন। সো এই মুহূর্তে যদি পৃথিবীতে আমরা হিসাব করে থাকি যে পিসি দিয়ে ভিডিও এডিট করার বেস্ট সফটওয়্যার কোনগুলা তাহলে আমি যে পাঁচটা নিয়ে কথা বললাম এই পাঁচটাই বেস্ট হবে। তবে এটা কিন্তু একান্তই আমার মতামত তারপরও যদি আপনাদের কোন ভিন্ন মতামত থাকে সেটা আপনারা চাইলে আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।
আর্টিকেলটি আর লেনদি করব না এখানে শেষ করব আপনাদের সাথে আর নতুন কোন আর্টিকেল নিয়ে কথা হচ্ছে। আজকের মত আমি বিদায় নিচ্ছি আল্লাহ হাফেজ।



