১০টি সেরা Android Apps যা আপনার জীবন সহজ করে দিবে

এই পোস্টে ১০টি সেরা Android অ্যাপ শেয়ার করা হয়েছে যা আপনার দৈনন্দিন কাজ সহজ করবে, সময় বাঁচাবে এবং স্মার্টফোন ব্যবহারকে আরও কার্যকর করে তুলবে।

 

১০টি সেরা Android Apps যা আপনার জীবন সহজ করে দিবে

আপনি এন্ড্রয়েড ফোন চালান অথচ আপনি এই পাঁচটা অ্যাপ সম্পর্কে জানেন না তাহলে আমি বলবো বস এন্ড্রয়েড ফোন চালানো ছেড়ে দিন। 

হ্যালো এভরিওয়ান আজকের ভিডিওতে আমি আপনাদেরকে এন্ড্রয়েড ফোনে এমনই পাঁচটি সেরা অ্যাপ নিয়ে আলোচনা করব যেগুলো জানার পর আপনি শুধু মনে মনে বলবেন এতদিন তো ভাই এটাই করছিলাম। তাহলে আর দেরি করছি কেন চলুন শুরু করা যাক।

নাম্বার ওয়ান আপনি খেয়াল করেন আমার ফোনে একটা জাস্ট ক্যালকুলেটর আছে এখন আমি কিছু সংখ্যা টাইপ করবো করার পরে দেখেন না এখানে কিন্তু হিসাব নিকাশ হচ্ছে না সরাসরি আমরা একটা ফাইলে ঢুকে গিয়েছি। কারণ হচ্ছে এইটা দিয়ে আমি আমার যেকোন প্রকার ফাইল বা ফোল্ডার কিন্তু আমি লুকিয়ে রাখতে পারি। কেউ বুঝতে পারবে না সবাই মনে করবে ক্যালকুলেটর এবং সবাই চাইলে এটা দিয়ে যখন কোন কিছু করতে যাবে তখন সে কিন্তু ইউজুয়ালি সে কিন্তু ক্যালকুলেটরের মত কাজ করতে পারবে বাট আমি যখন সেই গোপন সংখ্যাটা বসাবো তখনই কিন্তু আমি এখানে প্রবেশ করতে পারব। সো ইন্টারেস্টিং না এটা ইন্সটল করার জন্য আপনারা গুগল প্লে স্টোরে চলে যাবেন এবং গিয়ে লিখবেন হাইড ইউ। হাইড ইউ লিখে সার্চ করার পর হাইড ইউ ক্যালকুলেটর লক এটা আসবে এইটা আপনার ফোনে ইন্সটল করে এটাকে জাস্ট হচ্ছে আপনারা সেটিংসটা করে নিবেন। তারপরই কিন্তু আপনারা এইরকম ভাবে ইউজ করতে পারবেন এবং আপনার যেকোন প্রকার ছবি ভিডিও লুকিয়ে রাখতে পারবেন কেউ বুঝতে পারবে না ইন্টারেস্টিং না চলুন পরেরটাতে যাই আরো কি দারুণ অপেক্ষা করছে। আমার হাতের এই ফোনটা আইফোন আর এটা হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড ফোন এবং আমার সামনে আরেকটা উইন্ডোজ পিসি রয়েছে। এখন যদি আমি এইটা থেকে কোন প্রকার ছবি ভিডিও বা যেকোন প্রকার ফাইল এইটাতে আইফোনে পাঠাতে চাই তাহলে তো ভাই খবরই আছে। আবার উইন্ডোজেও নিব খবর আছে এক তো তারের প্যারা লাগবে দ্বিতীয়ত হচ্ছে আমি আইফোন বা ম্যাক এই টাইপের ডিভাইসগুলোতে যদি সেন্ড করতে চাই তাহলে তো ভাই খবরের শেষ নেই। 

এই ক্ষেত্রে আপনাদের জন্য একটা দারুণ একটা অ্যাপস আছে সেইটা যদি আপনি আপনার ফোনে ইন্সটল করে নেন তাহলে সব সমস্যার সমাধান একেবারে হাই স্পিডে আপনারা যেকোন প্রকার ডাটা পাঠাতে পারবেন এটা ম্যাক হোক, আইফোন হোক, সেটা উইন্ডোজ হোক, অ্যান্ড্রয়েড হোক, যেকোন ফোনে। ইন্টারেস্টিং না চলেন দেখাচ্ছি। প্রথমেই আপনারা আপনাদের স্মার্টফোন থেকে গুগল প্লে স্টোরে যাবেন অথবা অ্যাপ স্টোরে যাবেন গিয়ে হচ্ছে আপনারা লিখবেন লোকাল সেন্ড। অ্যাপসটুকু আসবে ইন্সটল করে নিবেন এটা যদি আপনার কম্পিউটারের সাথে করতে চান কম্পিউটারে কিন্তু সেম অ্যাপসটা বা সফটওয়্যারটা পেয়ে যাবেন সেটাকে আপনারা ইন্সটল করে নিবেন দ্যাটস ইট। তারপর এটাকে আপনারা ইন্সটল করার পর আপনার যে ডিভাইসটা আছে সেটা এখানে শো করব এবং আপনার পাশাপাশি যে ডিভাইসটা আছে সেটাও কিন্তু এখান থেকে দেখাবে।

 আপনি যখন কোন কিছু পাঠাতে চান তখন এই সেন্ড অপশনে ক্লিক দিবেন ক্লিক দেওয়ার পর কিন্তু আপনি আপনার পাশের যে ডিভাইসটা সেটা দেখতে পারবেন তার আগে আপনি মিডিয়া অপশনে ক্লিক করবেন ক্লিক করে আপনি যা যা পাঠাতে চান সেটা আপনি সিলেক্ট করবেন। সিলেক্ট করার পর আপনি নিচে কনফার্ম অপশনে ক্লিক করবেন ক্লিক করার পর এখন আপনার এই ডিভাইসটা দেখতে পারবেন জাস্ট এই ডিভাইসটার উপর একটা ক্লিক করবেন। সো এখান থেকে কাজ শেষ আপনি যে ডিভাইসে পাঠাচ্ছেন সেই ডিভাইসটাতে জাস্ট একসেপ্ট করে দিলেই দেখবেন সাথে সাথে যাওয়া শুরু করছি অনেক বড় ফাইল হলেও কিন্তু খুব দ্রুত কিন্তু সেগুলা চলে যাবে। ইন্টারেস্টিং না চলেন আরো অনেক কিছু অপেক্ষা করছে পরের টিক্সটাতে যাই।


নাম্বার থ্রি তে চমৎকার একটা অ্যাপস নিয়ে আলোচনা করব এইটা সম্পর্কে অনেকেই জানেন না বাট এইটা কিন্তু বস অনেক কাজের জিনিস মাইক্রোসফট ককপিট। এইটাও কিন্তু আপনারা চলে যাবেন গুগল প্লে স্টোরে প্লে স্টোরে আসার পর এখান থেকে আপনারা যদি মাইক্রোসফট ককপিট লিখে সার্চ করেন পেয়ে যাবেন জাস্ট এটাকে ইন্সটল করার পর ওপেন করবেন। এবং এইটাকে আপনারা একটা ইমেইল দিয়ে বা জিমেইল দিয়ে এটাকে হচ্ছে সাইনআপটা সম্পূর্ণ করে নিবেন তাহলে ফুল ফিচারসগুলো আপনারা উপভোগ করতে পারবেন। এইটা দিয়ে আপনি চার জিবিটির সমস্ত কাজ করতে পারবেন ইমেইল লেখা থেকে শুরু করে বা কোন কন্টেন্ট রাইটিং থেকে শুরু করে বা কোন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সমস্ত কাজ করতে পারবেন। তার বাইরেও কিন্তু বস এটার অনেক কাজ আছে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কাজগুলা করতে পারবেন এক্সেলের কাজগুলা করতে পারবেন পাওয়ার পয়েন্টের কাজগুলাও কিন্তু আপনারা এ দিয়ে করতে পারবেন। বিষয়টা যে এখানেই সীমাবদ্ধ সেটা কিন্তু না এটা দিয়ে আপনারা ইমেজ তৈরি করতে পারবেন নোট তৈরি করতে পারবেন।


মোট কথা হচ্ছে আপনারা অসংখ্য কাজ কিন্তু এই একটা অ্যাপস দিয়ে ছাড়তে পারবেন সো আপনারা সবাই চেষ্টা করবেন এই অ্যাপসটা আপনার ফোনে মাস্ট বি রাখার জন্য অনেক কাজের জিনিস বস অনেক কাজের জিনিস। চলুন এবার পরের ট্রিক্সটাতে যাই।


আপনাকে এসে কেউ বলল বস আপনার বিজনেস কার্ডটা দেন আপনি কি করলেন তাকে এরকম মানি ব্যাগ থেকে কার্ডটা বের করে তাকে দিলেন। সে কার্ডটা নিল নেয়ার পর সে কি করবে তার ফোনের মধ্যে এই নাম্বারটা জাস্ট টাইপ করবে আপনাকে কল দিবে অথবা দেখা গেল যে এটা সেভ করে রাখবে। কোন একটা দরকার হলো এই কার্ড আবার সে খুঁজে খুঁজে বের করবে বের করে আপনার ইমেইল এড্রেস ইমেইল করবে অথবা ওয়েবসাইটে যাবে এরকম নানান কিছু ভাই প্যারা কিন্তু। আবার আপনার একটা ছবিও খুঁজবে প্রোফাইলে সেট করার জন্য ভাই এত কিছু দরকার কি এইসব কাট না ফেলে দেন ছুড়ে ফেলে দেন। জাস্ট আপনারা চলে যান গুগল প্লে স্টোরে প্লে স্টোরে আসার পর এখানে জাস্ট আপনারা লেখেন ডিজিটাল বিজনেস কার্ড। লেখার পর আপনার সামনে এই অ্যাপসটুকু চলে আসবে আপনারা খেয়াল রাখেন ডিজিটাল বিজনেস কার্ড এইটাকে আপনারা জাস্ট ইন্সটল করবেন ইন্সটল করার পর হচ্ছে আপনারা এইটা জাস্ট ওপেন করবেন।

 ওপেন করার পর আপনারা স্টেপ বাই স্টেপ এখানে আপনাদের ছবিটা আপনারা সেট করে ফেলবেন ঠিক আছে জাস্ট ছবিটা দিবেন নামটা দিবেন তারপর যত ইনফরমেশন আছে সমস্ত ইনফরমেশন দিয়ে এখান থেকে জাস্ট আপনারা একটা কিউআর কোড আপনারা তৈরি করে ফেলবেন। কিউআর কোড দেখেন তৈরি হয়ে গেল তৈরি হয়ে যাওয়ার পর এখন এই কিউআর কোডটা আপনি জাস্ট একটা স্ক্রিনশট নেন নিয়ে এটা জাস্ট সেভ করে আপনার ফোনে রেখে দেন। এখন কেউ একজন চাইল জাস্ট আপনি যে কাজটা করবেন সেটা হচ্ছে আপনার ফোন দিয়ে কিউআর কোডটাকে স্ক্যান করবেন সাথে সাথে দেখবেন সমস্ত ইনফরমেশন গুলা কি করছে তার ফোনে শো করছে। এখন সে জাস্ট এক ক্লিকেই কিন্তু সেভ করে ফেলতে পারছে তার ফোনে সেভ করে ফেললে যে শুধুমাত্র নামটা বা নাম্বারটা সেভ হচ্ছে বিষয়টা কিন্তু সেইরকম না মানে আপনার যাবতীয় ডিটেইলস অর্থাৎ ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে সবকিছু কিন্তু রেকর্ড হয়ে থাকবে পাশাপাশি ছবিটাও থাকবে সো ইন্টারেস্টিং না। সো এখন আর এই যে এই ধরনের বিজনেস কার্ড নিয়ে ঘোরার কোন দরকার নেই জাস্ট এক ক্লিকেই সব সেভ করা যাচ্ছে ইন্টারেস্টিং না চলেন আরো ভালো কিছু অপেক্ষা করছে পরের টিক্সে যাই। 

নাম্বার ফাইভ এ যে অ্যাপসটা নিয়ে কথা বলব সেটা তাদের জন্যই অনেক বেশি ইম্পরট্যান্ট যারা অনেক বেশি ছবি এডিট করতে পছন্দ করেন। ধরেন এই অ্যাপসটা দিয়ে আপনি এমন একটা কাজ করতে পারবেন যেটা খুব ইন্টারেস্টিং আপনি অনলাইনে কোথাও একটা জামা দেখেছেন জাস্ট সেই জামাটা পড়ে আপনি ছবিটা তুলতে চান। কিছু করতে হবে না জাস্ট এই জামার ছবিটাকে আপনি আপনার ফোনে জাস্ট সেভ করে ফেলেন ক্যাপচার করে ফেলেন যেকোন ভাবে হোক তারপর এই অ্যাপস থেকে আপনি কিন্তু খুব সহজেই সেটাকে আপনার বডিতে প্লেস করে দিতে পারবেন বুঝাই যাবে না একদম ন্যাচারালি কিন্তু সেই কাজটা করে দেয়। আর এইটার জন্য আপনাকে চলে যেতে হবে গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে লিখতে হবে ফিটরুম ফিটরুম অ্যাপসটুকু আসবে এটাকে ইন্সটল করার পর আপনারা জাস্ট হচ্ছে ওপেন করবেন ওপেন করার পর এখানে প্রিসেটে অনেকগুলা জামা রয়েছে আপনারা চাইলে সেগুলা ইউজ করতে পারেন অথবা এখান থেকে আপনি আপনার ছবিটা এড করে তারপর এখান থেকে জামার ছবিটা এড করলেই কিন্তু খুব সুন্দরভাবে সে এই কাজটুকু আপনাকে করে দিবে। এছাড়াও কিন্তু এই অ্যাপসের অনেক কাজ আছে বস এইটা দিয়ে অসাধারণ সব ছবি এডিট করতে পারবেন জাস্ট আমি আপনাদেরকে একটুখানি দেখালাম আর কি এই। সো এই হচ্ছে মূলত বিষয় আজকের ভিডিওতে কথা বলার ছিল পাঁচটি সেরা অ্যাপ নিয়ে এই বছরের শেষের দিকে সো আমি বলে ফেললাম। আপনাদের কাছে কোন অ্যাপটি ভালো লেগেছে সেটা আপনারা চাইলে আমাকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন 



আপনার এন্ড্রয়েড ফোনকে পুরোপুরি উইন্ডোজ 11 এ কনভার্ট করে ফেলতে পারবেন। খেয়াল করুন স্টার্ট মেনু থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা জিনিস এখানে সার্চ আছে সে যদি আমরা ফাইল এক্সপ্লোরারে যাই এটাও কিন্তু উইন্ডোজ 11 এর মতই।

সেই সাথে আমরা যদি সেটিংস মেনুতে যাই এখানে দেখতে পাচ্ছেন পুরা সেটিংসগুলো উইন্ডোজ 11 এর মত ব্লুটুথ ডিভাইস পার্সোনালাইজেশন থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা জিনিস।

ইভেন এখানে যে উইন্ডো ক্লোজ করা মিনিমাইজ এবং ম্যাক্সিমাইজেশন অপশন প্রত্যেকটাই সেম টু সেম ইভেন আপনি যদি নোটিফিকেশন সেন্টারে যান এটাও কিন্তু উইন্ডোজ 11 এর মতোই।

হাইপারড্রাইড নামের একটা অ্যাপ দিয়ে খুব সহজেই আপনারা এভাবে এন্ড্রয়েডকে উইন্ডোজ 11 এ কনভার্ট করে ফেলতে পারবেন।

ওয়েল যদিও এটা একটা লঞ্চার বাট এটা জাস্ট টিপিক্যাল লঞ্চারের মত লুক চেঞ্জ করে না পুরা ফাংশনালিটিটাকেই চেঞ্জ করে দিয়ে উইন্ডোজ 11 এর একটা ফিল আপনাকে দিবে।

আমি ব্যক্তিগতভাবে অ্যাপটা খুব এনজয় করি আপনারাও যদি কেউ এই ফিলটা নিতে চান তাহলে ভিডিও ডেসক্রিপশন থেকে অ্যাপটা ডাউনলোড করে নিজেরাই দেখতে পারেন।

ওয়েল এরকমই টোটাল 10 টা অ্যাপ নিয়ে সাজানো হয়েছে আমাদের আজকের ভিডিও সো পুরো ভিডিওটা দেখতে একদমই ভুলবেন না।

দ্বিতীয় অ্যাপে যাওয়ার আগে আমাদের লিস্টের বাইরের একটা অ্যাপ নিয়ে কথা বলতে চাই যেটাও বেশ ইউজফুল।

এটা হচ্ছে ট্যাপ ট্যাপ সেন্ড আপনারা যদি কেউ দেশের বাইরে থেকে বাংলাদেশে ঈদ উপলক্ষে আপনার প্রিয়জনের কাছে টাকা পাঠাতে চান খুব ফাস্ট সেফ এবং সিকিউরলি তাহলে ট্যাপ ট্যাপ সেন্ড আপনার জন্য বেস্ট অপশন হতে পারে।

ইউএস, ইউকে, কানাডা, ইউরোপ, ইউএই এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে আপনারা এখন বাংলাদেশে ট্যাপ ট্যাপ সেন্টারের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন এবং ট্যাপ ট্যাপ সেন্টারের বেশ কিছু ফেসিলিটি আছে।

ফর এক্সাম্পল ট্যাপ ট্যাপ সেন্টারে টাকা পাঠালে কোন ধরনের চার্জ কাটে না সরকারের যে 2.5% ইনসেন্টিভ আছে সেটা অটোমেটিক্যালি যুক্ত হয়ে যায় এবং কম্পিটিটিভলি ট্যাপ ট্যাপ সেন্টারে একটু বেটার এক্সচেঞ্জ রেট পাওয়া যায়।

এছাড়া বিকাশ নগদ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ক্যাশ পিকআপের মত অপশনে আপনি দেশে টাকা পাঠাতে পারবেন।

আর আপনারা যদি ট্যাপ ট্যাপ সেন্টারে নতুন হয়ে থাকেন তাহলে প্রথম ট্রানজেকশনের সময় আমাদের কুপন কোড সোহাগ 360 ব্যবহার করবেন তাহলে আপনাদের নিজস্ব কারেন্সিতে 10 ক্রেডিট এক্সট্রা বোনাস পেয়ে যাবেন।

সেটা হচ্ছে ইউএস হলে 10 ইউএস ডলার অস্ট্রেলিয়া হলে 10 অস্ট্রেলিয়ান ডলার বাট আপনি যদি ইউএই থেকে বাংলাদেশে টাকা পাঠান তাহলে 50 দিরহাম এক্সট্রা পেয়ে যাবেন ভিডিও ডেসক্রিপশনে লিংক দেয়া আছে ডাউনলোড করে এক্ষুনি ইউজ করতে পারেন।

আমাদের লিস্টে থাকা সেকেন্ড অ্যাপটার নাম হচ্ছে লোকাল শেয়ার যেটা এই পুরো লিস্টের মধ্যে আমার পার্সোনাল ফেভারিট এটা হচ্ছে একটা ক্রস প্ল্যাটফর্ম ফাইল শেয়ারিং অ্যাপ যেটা একই সাথে উইন্ডোজ আইওএস ম্যাকবুক লিনাক্স সহ সব ধরনের প্ল্যাটফর্মে সাপোর্ট করে।

এবং আমরা এমন অনেক সময় হয় যখন আইফোন থেকে উইন্ডোজ ল্যাপটপে কিংবা ম্যাকবুক থেকে এন্ড্রয়েড ফোনে ফাইল ট্রান্সফার করতে গিয়ে মাথার চুল ছিড়ে ফেলি সে সাথে এন্ড্রয়েড থেকে আইফোনে কিংবা আইফোন থেকে এন্ড্রয়েডে ফাইল ট্রান্সফার করাও কিন্তু অনেক প্যারা দায়ক।

বাট এই লোকাল শেয়ার এত ইজিলি এবং এত দ্রুত ফাইল শেয়ার করে যে এটা আমার পার্সোনাল ফেভারিট হয়ে গিয়েছে ইভেন উইন্ডোজের টপ সফট নিয়ে আমরা একটা ভিডিও বানিয়েছিলাম সেখানেও আমি এই অ্যাপটা রিকমেন্ড করেছি উইন্ডোজের জন্য।

আপনারা এন্ড্রয়েড ইউজ করে দেখতে পারেন সুপার ইউজফুল তিন নাম্বার অ্যাপটার নাম হচ্ছে টুল এটা একটা সুইচ আর্মি নাইফ বলতে পারেন।
১০টি সেরা Android Apps যা আপনার জীবন সহজ করে দিবে

এই অ্যাপের ভেতরে অনেকগুলো ইউজফুল ফিচার আছে ফর এক্সাম্পল ইমেজ টুলসের ভেতরে ইমেজের যে বেসিক এডিটিং এর অপশন আছে সেই প্রত্যেকটাই পেয়ে যাবেন।

টেক্সট টুলসের ভেতরে আমার বেশ কিছু পছন্দের জিনিস আছে যেমন ফন্টকে আপনি যদি স্টাইলাইজ করতে চান সেই সাথে কোন টেক্সটকে রিপিট করতে চান অথবা টেক্সট কাউন্টার টেক্সটকে বিভিন্নভাবে সর্টিং করা ফাইন্ড এন্ড রিপ্লেস থেকে শুরু করে স্পেশাল ক্যারেক্টার দিয়ে কোন টেক্সট ডিজাইন করা এই ধরনের আরো অনেক ইউজফুল ফিচার আছে।

একই সাথে ক্যালকুলেশন টুলসের ভেতরে বিভিন্ন ধরনের ক্যালকুলেশনের অপশন আছে সেই সাথে ইউনিট কনভার্টার কালার টুলস জেনারেটর টুলস রেন্ডমাইজার টুলস হেলথ টুলস এবং জেনারেল টুলসের ভেতরে আরো বেশ কিছু অপশন।

এই প্রত্যেকটা জিনিসই ইউজফুল আপনারা নিজেরাই একটু দেখে নিতে পারেন সবগুলো নিয়ে কথা বলতে গেলে ভিডিও অনেক লম্বা হয়ে যাবে।

আইম সিওর এখান থেকে কোন না কোন একটা ফিচার আপনার অবশ্যই কাজে লাগবে ভিডিও ডেসক্রিপশন থেকে অ্যাপটা অবশ্যই ডাউনলোড করে ফোনে রাখবেন।

চার নাম্বার অ্যাপটা যারা মাল্টিটাস্কিং পছন্দ করেন তাদের জন্য বেস্ট এটার নাম হচ্ছে ফ্লোটিং উইন্ডো নামেই এটার পরিচয়।


আপনি যেকোনো উইন্ডোকে ফ্লোট করতে পারবেন এবং মাল্টিপল উইন্ডো একসাথে ইউজ করতে পারবেন যেটা আমরা একটু এক্সপেন্সিভ ফোনগুলোতে দেখি যেমন ওয়ান ইউআইতে আছে স্যামসাং এর এর বাইরেও আরো কিছু ইউআইতে আছে।

বাট চিপ ফোনগুলোতে কিন্তু আমরা এই মাল্টিটাস্কিং এর ফেসিলিটিটা পাই না বাট এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি সেটা পাবেন।

লেটস সে আপনি ইউটিউবে ভিডিও দেখতেছেন সাথে সাথে আপনি কোন কিছু একটা নোট নিতে চান সো এন্ড্রয়েডে কিন্তু এটা পসিবল হয় না আপনাকে বারবার ক্লোজ করে নোট অ্যাপে যেতে হবে তারপরে আবার মানে ইউটিউব এর ভিডিওতে আসতে হবে।

আপনি চাইলে এটার মাধ্যমে একসাথে ভিডিও দেখতে পারবেন এবং নোটও নিতে পারবেন একসাথে ভিডিও দেখতে দেখতে কোন কিছু ক্যালকুলেট করতে চাইলে ক্যালকুলেটর ওপেন করতে পারেন বা অন্য কোন অ্যাপ যেমন ব্রাউজারের উপরে আপনি হচ্ছে একটা ভিডিও প্লেব্যাক করে রাখতে চান ইউটিউব এর সেটার জন্য আপনি এখানে এই পপআপের অপশন পেয়ে যাবেন।

একই সাথে এই উইন্ডো গুলোকে মিনিমাইজ করা ম্যাক্সিমাইজ করা বিভিন্ন জায়গায় স্ন্যাপ করা থেকে শুরু করে আরো অনেক ফিচার আছে এই অ্যাপটার লিংক ভিডিও ডেসক্রিপশনে দেয়া আছে আপনারা ডাউনলোড করে ইউজ করেন।

আই বিলিভ যারা মাল্টিটাস্কিং পছন্দ করে তারা এই অ্যাপটা কখনোই আর আনইন্সটল করবে না।

পাঁচ নাম্বার অ্যাপটার নাম হচ্ছে শেলফ এটা হচ্ছে একটা অ্যাপ কিউরেটর ঠিক যেরকম আমাদের এই ভিডিওটাতে আমি আপনাকে বেশ কিছু ইউজফুল অ্যাপের ইনফরমেশন দিচ্ছি।

আপনার যদি শেলফ অ্যাপটা ডাউনলোড করেন তাহলে সেটার ভেতরে এরকম ইউজফুল বেশ কিছু অ্যাপের লিস্ট পেয়ে যাবেন সেখানে ইউজাররাও অ্যাপ রিকমেন্ড করে পাশাপাশি ওখানে যে অ্যাপ ডেভেলপার আছে তারাও বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ সেখানে অ্যাড করে।

সো আপনারা যদি এরকম কেউ হন যারা রেগুলারলি অ্যাপ এক্সপ্লোর করতে পছন্দ করেন তাহলে এই শেলফ অ্যাপটা আপনার ফোনে থাকতে পারে এবং এটা দিয়ে আপনারা অনেক ইউজফুল অ্যাপ পাবেন ইভেন এই ভিডিও থেকেও দুই একটা অ্যাপ আমরা ওই শেলফ থেকেই বের করেছি।

ছয় নাম্বারটা নাম হচ্ছে টাইম ওয়াইজ এটা আমার খুবই পছন্দের একটা অ্যাপ এইটার মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনের সারা বছরে কি কি করেছেন সেটার একটা স্ট্যাটিস্টিক্স পেয়ে যাবেন।

ফর এক্সাম্পল গত বছর আপনি কোন অ্যাপটা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেছেন বা কোন অ্যাপগুলো আপনি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেছেন সেটার একটা লিস্ট আপনার ফোন দিনে আপনি কয়বার আনলক করেন অথবা এভারেজে কতবার আপনার ফোন আনলক হয়েছে এই ধরনের নানান রকমের ইউজফুল স্ট্যাটিস্টিকস পাওয়া যায়।

এবং এটা আপনার ফোনের যে ইউজিং বিহেভিয়ারটা সেটা সম্পর্কে আপনাকে একটা ধারণা দেয় পাশাপাশি এই ধারণাটা নিয়ে কিন্তু আপনি আপনার যদি স্ক্রিন টাইম কমাতে চান তাহলে সেই প্র্যাকটিসটা করতে পারবেন।

আমার ফোন যেমন দিনে 50 বারের মত এভারেজে আনলক হয় এবং এটা দেখে আমার মনে হচ্ছে যে অনেক বেশি এটা হয়তো একটু কমিয়ে নিয়ে আসতে হবে ঠিক সেরকম ভাবে গত বছর অনেকগুলো গেমিং অ্যাপ আমার ফোনে বেশি ইউজ হয়েছে সো গেম খেলা একটু কমাইতে হবে।

এই ধরনের স্ট্যাটিস্টিক্স গুলো পেয়ে কিন্তু আপনি চাইলে নিজেকে একটু রিওয়ার করে নিতে পারবেন অ্যাপটা অনেক ইউজফুল ডেসক্রিপশনে ডাউনলোড লিংক দেয়া থাকলো।

সাত নাম্বার অ্যাপটা হচ্ছে একটা সিকিউরিটি অ্যাপ যেটার নাম হচ্ছে হাইড ইউ ক্যালকুলেটর ওয়েল এটা একটা সাধারণ ক্যালকুলেটরের মত দেখতে অ্যাপ বাট এটা মোটেও ক্যালকুলেটর না।

এখানে আপনি একটা পিন সেট করবেন সেট করার পরে যখনই সেই পিনটা টাইপ করে ইকুয়ালে ক্লিক করবেন তখন আপনার একটা আলাদা উইন্ডো ওপেন হয়ে যাবে আলাদা একটা স্পেস ওপেন হয়ে যাবে যেটার ভেতরে আপনি আপনার যে প্রাইভেট ফটোজ ভিডিওস প্রাইভেট অ্যাপ সবগুলো রাখতে পারবেন।

এবং সাধারণ মানুষ এটা ইউজ করলে ক্যালকুলেটরের মনে করবে সে নরমাল ক্যালকুলেটরের মত ইউজও করতে পারবে এটাকে বাট যখনই আপনার পিন কোডটা দেওয়া হবে যেটা সিক্রেট পিন অবসলি সেটা দিয়ে ইকুয়াল সাইন প্রেস করা হবে তখনই কিন্তু সিক্রেট যে স্পেসটা আছে সেটা ওপেন হয়ে যাবে।

সো যারা এরকম ফাইল অ্যাপ এবং বিভিন্ন জিনিসপত্র হাইড করে রাখতে চান তাদের জন্য এই অ্যাপটা বেশ ইউজফুল।

আট নাম্বার অ্যাপটা আমি স্মার্টফোন যত বছর ধরে আমার লাইফে ইউজ করি ঠিক তত বছর ধরেই আমার ফোনে থাকে এটা হচ্ছে একটা ফাইল ম্যানেজার অ্যাপ যেটার নাম হচ্ছে এক্সপ্লোর ফাইল ম্যানেজার।

আই হোপ অনেকেই এই অ্যাপটা চেনেন বেশ পপুলার একটা অ্যাপ এবং আমি যখন সিমবিয়ান ফোন ইউজ করতাম তখন থেকেই এই অ্যাপটা আমি ব্যবহার করি।

এটা হচ্ছে একটা ফাইল ডিরেক্টরি টাইপের ফাইল এক্সপ্লোরার যেটাতে দুইটা উইন্ডো থাকে এখানে ফাইল মুভ করা কপি পেস্ট করা অনেক ইজি এর বাইরে অনেক অ্যাডভান্স ফিচার আছে আপনি চাইলে সেগুলো ইউজ করতে পারেন অথবা আপনি চাইলে সিম্পলি যে ফাইল এক্সপ্লোরার আছে সেটা ইউজ করতে পারেন।

এখানে ফাইল ম্যানেজ করা অনেক ইজি মনে হয় আমার কাছে সেই সাথে আপনি যদি একটু অ্যাডভান্সড ইউজার হন তাহলে এখানে এফটিপি সার্ভার অ্যাড করতে পারবেন আপনার ফোন রুট করা থাকলে রুট এক্সেস এখানে পেয়ে যাবেন।

এর বাইরে আরো অনেক ফিচার আছে ফাইল হাইড করা ওপেন করা নানান রকমের ফিচার আছে আপনারা চাইলে এই এক্সপ্লোর ফাইল ম্যানেজারটাকে এক্সপ্লোর করতে পারেন।

আমার মনে হয় আপনাদের অনেকেরই পছন্দ হবে। নয় নাম্বার অ্যাপটা স্ক্রিনশট লাভারদের জন্য খুবই ইউজফুল এটা একটা এআই স্ক্রিনশট অর্গানাইজার।

আমরা অনেকেই আছি যারা বিভিন্ন সময় প্রচুর পরিমাণে স্ক্রিনশট নিই কিন্তু যখন দরকারি কোন একটা স্ক্রিনশট খুঁজতে যাই তখন সেটা আর খুঁজে পাই না বা খুঁজে পেতেও অনেক বেশি সময় লেগে যায়।

বাট এই পিক্সেল শট এর মাধ্যমে আপনি স্ক্রিনশটকে সার্চ করতে পারবেন আপনার স্ক্রিনশটে যদি কোন টেক্সট থাকে অথবা স্ক্রিনশটটাকে ডিস্ক্রাইব করে যখন আপনি কোন কিছু লিখবেন লিখে যখন সার্চ করবেন তখন এই পিক্সেল শট এআই এর মাধ্যমে আপনার সেই স্ক্রিনশটটাকে খুঁজে বের করে নিয়ে আসবে।

এবং এটা বেশ একিউরেটলি কাজ করে আমি ইউজ করে দেখেছি সো আপনার ফোনে যদি অনেক বেশি স্ক্রিনশট থাকে এবং সেগুলো খুঁজে পেতে যদি প্রবলেম হয় তাহলে এই অ্যাপটা আপনার জন্য বেশ ইউজফুল হবে।

লাস্ট বাট নট দ্যা লিস্ট 10 নাম্বার অ্যাপ এটার নাম হচ্ছে আইএফটিটিটি এই অ্যাপটা যদিও এর আগেও আমি তিন চার বছর আগে কোন একটা ভিডিওতে রিকমেন্ড করেছিলাম বাট আমার মনে হয় অনেকেই এখন আরো নতুন দর্শক হয়েছেন তারা এই অ্যাপটা সম্পর্কে জানতে পারবেন এটা কতটা ইউজফুল একটা অ্যাপ।

এটা মূলত একটা অটোমেশন অ্যাপ যেটার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন টাস্কে অটোমেট বা অটোমেশন করতে পারবেন।

ইফ দিস দেন দ্যাট এটা হচ্ছে আইএফটিটি এর ফুল ফর্ম এটার মাধ্যমে আপনি কোন একটা অ্যাকশনকে ট্রিগার করতে পারবেন।

যেমন আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটাকে আপনি প্রত্যেকদিন রাত 12:00 টার সময় মিউট করে দিতে চান কারণ আপনি প্রত্যেকদিন রাত 12:00 টার সময় ঘুমাতে যান কিন্তু ঘুমাতে যাওয়ার সময় প্রত্যেকদিন আপনার মিউট করতে মনে থাকে না যেই কারণে হয়তোবা ঘুমের মধ্যে আপনার ডিস্টার্ব হয়।

সো এই আইএফটিটি দিয়ে আপনি এই ট্রিগারটা এনেবল করতে পারবেন যেন প্রত্যেকদিন এটা রিপিট হয়।

সেই সাথে আপনি যদি কাউকে কোন একটা এসএমএস শিডিউল করে রাখতে চান ফর এক্সাম্পল কারো বার্থডেতে আপনি চান অটোমেটিক্যালি তার ফোনে একটা এসএমএস চলে যাক সেটাও আপনারা আইএফটিটিটির মাধ্যমে অটোমেট করতে পারবেন নির্দিষ্ট ডেট দিয়ে।

ইয়ারলি একবার মান্থলি একবার ডেইলি একবার এইভাবে বিভিন্নভাবে আপনারা এসএমএস অটোমেশন করতে পারবেন এর বাইরে আমি জাস্ট দুই একটা নাম বলতেছি আনলিমিটেড অপশন আছে এটার ভেতরে আপনার অ্যাপের ভেতরে ঢুকলে অন্যদের ক্রিয়েট করা এগুলোকে অ্যাপলেট বলে মানে এই যে পুরা ফর্মুলাটা এটাকে অ্যাপলেট বলে।

আপনারা এখানে ঢুকলে প্রচুর পরিমাণে অ্যাপলেট পাবেন যেগুলো অন্যরা বানিয়ে রেখেছে সেই ফর্মুলাগুলো আপনারা এনেবল করে কিন্তু এইরকম অটোমেশন ফিচার এনজয় করতে পারেন।

মজার ব্যাপার হচ্ছে এই আইএফটিটিটি নিয়ে আমাদের চ্যানেলে একটা ডেডিকেটেড ভিডিও আছে আমি ডেসক্রিপশনে লিংক দিয়ে দেব যদি কেউ এখনো পর্যন্ত এটার সাথে পরিচিত না হন তাহলে সেই ভিডিওটা দেখে নিবেন যদিও পুরনো ভিডিও বাট এখনো পর্যন্ত সেমই আছে মোটামুটি সিস্টেমটা।

সো আপনার সেই ভিডিওটা দেখে নিলে আইএফটিটিটি সম্পর্কে পুরা আইডিয়া পেয়ে যাবেন সো এই ছিল টোটাল 10 টা ইউজফুল এন্ড্রয়েড অ্যাপ যেগুলো আপনার ফোনে অবশ্যই থাকা উচিত আশা করি এখান থেকে কোন না কোন একটা আপনার অবশ্যই কাজে আসবে।

আপনারা এখান থেকে কোন অ্যাপ যদি রেগুলারলি ব্যবহার করে থাকেন অলরেডি সেটাও কমেন্টে জানান এবং যদি এখান থেকে কোন অ্যাপ আপনার পছন্দ হয়ে থাকে সেটা কোনটা আমাদেরকে কমেন্টে জানাতে পারেন ফিউচারে আমরা এরকম ভিডিও আরো নিয়ে আসবো।

এই ছিল আমাদের আজকের ভিডিও আশা করি ভিডিওটি আপনাদের ভালো লেগেছে যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে ভিডিওতে একটা লাইক দিবেন কমেন্ট করে জানাবেন কেমন লাগলো আপনার ফ্রেন্ডদের সাথে শেয়ার করতে একদমই ভুলবেন না আমাদের পেইজে ফলো এবং চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব মাস্ট দেখা হবে 

১০টি সেরা Android Apps যা আপনার জীবন সহজ করে দিবে



পরবর্তী ভিডিওতে টিল দেন টেক কেয়ার আসসালামু আলাইকুম।




Post a Comment