এই মুহূর্তে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করা পাঁচটি সেরা অ্যাপ নিয়ে আলোচনা করব। তার মধ্যে কিছু ফ্রি অ্যাপ রয়েছে, কিছু পেইড অ্যাপস রয়েছে।
সো যারা মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করতে চান, তাদের জন্য এই ভিডিওটি অনেক বেশি হেল্পফুল হবে। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল ভিডিওটা শুরু করি।
ভিডিওর শুরুতেই একটা বিষয় আপনাদেরকে বলি। আমারও যখন মাঝে মাঝে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করার প্রয়োজন হয় তখন আমি আসলে কোন অ্যাপসটা ইউজ করি।
বা আমার দৃষ্টিকোণ থেকে এই পাঁচটি অ্যাপের মধ্যে কোনটি সেরা সেটা জানাব একদম ভিডিওর শেষ প্রান্তে এসে। তাহলে চলুন এখন মূল ভিডিওটা শুরু করি।
মোবাইলে ভিডিও এডিটিং করার জনপ্রিয় অ্যাপস হচ্ছে কাইনমাস্টার। এই কাইনমাস্টার অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস দুইটা ভার্সনেই কিন্তু ব্যবহার করা যায়।
এই অ্যাপসের আরেকটা সুবিধা হচ্ছে যে লো কনফিগারেশনের মোবাইলেও কিন্তু এটা ইউজ করা যায়। এতে মাল্টিলেয়ার নিয়ে কাজ করার সুবিধা আছে।
এতে বিল্ট ইন অনেকগুলো ভিডিও ইফেক্টস আছে, ট্রানজেকশন আছে, ক্রোমোকি আছে, যেটাতে খুব চমৎকার ভাবে গ্রিন স্ক্রিনের সাহায্যে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে পারবেন।
এছাড়াও অডিও এডিটের সুযোগ আছে। বলতে পারেন যে ভিডিও এডিট করার জন্য যেসব প্রয়োজনীয় টুলসের দরকার হয়, ম্যাক্সিমামই বিল্টইন এখানে রয়েছে।
আর এই অ্যাপটিও কিন্তু আপডেটের মাধ্যমে ডে বাই ডে অনেক ডেভলপ হয়েছে। সো এখন কিন্তু অনেক ফিচারস রয়েছে।
যে কারণে এই অ্যাপসটা অনেক আগে থেকেই মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার জন্য একটা জনপ্রিয় অ্যাপস ছিল, বাট এখনো স্টিল নাও আছে।
মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং করার আরেকটি জনপ্রিয় অ্যাপ হচ্ছে ইনশটস। মূলত সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এবং যারা হচ্ছে ডিজিটাল ব্লগার রয়েছেন, এটি কিন্তু তাদের জন্য পারফেক্ট।
এর ইন্টারফেসটি কিন্তু বেশ সহজ এবং বৈচিত্র্যময়। মজার ব্যাপার হচ্ছে যে ইনশর্টসের ম্যাক্সিমাম ফিচারসই হচ্ছে ফ্রি।
আর এটিও কিন্তু লো কনফিগারেশনের মোবাইল দিয়ে আপনি চালাতে পারবেন।
এর উল্লেখযোগ্য যদি কিছু ফিচারসের কথা বলি তাহলে আমি বলব যে অটো ক্যাপশন রয়েছে, 4K তে ভিডিও এক্সপোর্ট করার সুবিধা রয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফরমেট রয়েছে যেমন 1:1, 16:9, 9:16 যা আপনারা খুব সহজে সেট করতে পারবেন।
এছাড়াও এডিটিং এর মৌলিক ফিচারসের যে টুলসগুলো রয়েছে সবগুলোই আপনারা কিন্তু এখানে পেয়ে যাবেন।
এবং এটির ইন্টারফেসটাও কিন্তু খুব সহজ। আপনি যদি একবার দেখেন তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজে এটা ইউজ করতে পারবেন।
নাম্বার থ্রি পাওয়ার ডিরেক্টর। বর্তমানে এই মোবাইল অ্যাপসটি আপনাকে ভিডিও এডিটিং এর ক্ষেত্রে অনেক ভালো মানের সাপোর্ট দিতে পারবে।
এতে বেশ কিছু AI টুলস যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও মৌলিক সকল ফিচারস এন্ড টুলসগুলো এতে বিদ্যমান রয়েছে।
এই অ্যাপসে নিয়মিত নতুন ফিচারস এবং টেমপ্লেট যুক্ত হয়। যা একজন এডিটরকে অনেক ভালো মানের এডিট করতে সহায়তা করে।
আমার জানামতে একজন আছে যিনি মোবাইলের রিভিউ এই পাওয়ার ডিরেক্টর দিয়ে করে ফেলেন।
বাট যদিও এটা আমার কাছে একটু অকল্পনীয় লাগে বাট উনি এই পাওয়ার ডিরেক্টর দিয়ে একটা ফোনের রিভিউ বা একটা গ্যাজেটের রিভিউ করে ফেলেন।
যদিও এগুলো অনেক বড় মানের জিনিস, তারপরও এটা করে ফেলেন। সো এই কথা থেকে আসলে বোঝা যায় যে এটাও কিন্তু মোটামুটি মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করার ক্ষেত্রে একটা শক্তিশালী মোবাইল অ্যাপ।
নাম্বার ফোর ফিল্মোরা। যারা একটু আগে থেকে ভিডিও এডিট শুরু করেছেন তারা হয়তোবা ফিল্মোরা দিয়েই তাদের জার্নি শুরু করেছেন সেটা পিসিতে।
বাট মোবাইলেও যে ফিল্মোরা রয়েছে সেটাও কিন্তু বেশ সমৃদ্ধ। এখানেও কিন্তু হিউজ ফিচারস আপনি পাচ্ছেন।
পাশাপাশি এটির ইন্টারফেসটাও কিন্তু বেশ সহজ সরল। আপনারা খুব সহজেই ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ করে কিন্তু এটা ইউজ করতে পারবেন।
যদিও এটা ফ্রি অ্যাপস নয়, তারপরেও এখানে কিন্তু হিউজ ফিচার রয়েছে এবং প্রতিনিয়ত আপডেটের মাধ্যমে তারা নতুন নতুন ফিচারস, ট্রানজেকশন সবকিছুই কিন্তু অ্যাড করছে।
মোটকথা, আপনার যে চাহিদা রয়েছে সেটার অনেকাংশেই এটা কিন্তু পূরণ করতে সক্ষম।
সো যারা এতদিন ফিল্মোরা পিসি ইউজ করেছেন তারা চাইলে কিন্তু এখন এইটা ইউজ করতে পারেন। তো এটা কিন্তু আপনাকে ভালো মানের এডিটিং এ হেল্প করবে।
নাম্বার ফাইভ, বর্তমানে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিট করার সবচেয়ে পাওয়ারফুল এবং জনপ্রিয় অ্যাপ হচ্ছে ক্যাপকাট।
ক্যাপকাটের ইন্টারফেসটি কিন্তু খুবই সহজ সরল এবং এইটা দিয়ে কিন্তু আপনি মোটামুটি একটা সেমি প্রফেশনাল টাইপের ভিডিও এডিট করে ফেলতে পারবেন।
এখানে আপনি সুন্দর করে কালার গ্রেড করতে পারবেন। এখানে একাধিক লেয়ার নিয়ে আপনি কাজ করতে পারবেন।
এবং এটা থেকে কিন্তু ডিফল্টে অনেক ফরম্যাট পাবেন যেটা দিয়ে ইনস্ট্যান্ট আপনারা ভিডিও ফরমেটে কনভার্ট করতে পারেন।
যেমন আপনি চাইলে 16:9 অথবা 1:1 যেটা হচ্ছে আমরা ফেসবুকের জন্য করে থাকি এবং 9:16 যেটা আমরা টিকটক বা রিলসের জন্য করে থাকি সেটাও আমরা ইনস্ট্যান্ট করতে পারব।
এরকম বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং জিনিস ডিফল্টে দেওয়া রয়েছে। এছাড়াও এইটাতে আপনারা কিন্তু বেশ ভালো মানের সাউন্ডের কাজ করতে পারবেন।
অর্থাৎ আপনার সাউন্ডে যদি কোন প্রকার নয়েজ থাকে সেটাও কিন্তু বেশ ভালোভাবে রিডাকশন করতে পারবেন।
এছাড়াও আপনি যদি পিছনের ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করতে চান তাহলে কিন্তু কোন প্রকার গ্রিন স্ক্রিন ছাড়াও কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করতে পারবেন।
আর এটার বড় বিষয় হচ্ছে এখানে ফ্রিতে বা পেইডে যে ট্রানজেকশনগুলো রয়েছে সেইগুলা কিন্তু মোটামুটি একটা প্রফেশনাল গ্রেডের একটা ট্রানজেকশন রয়েছে।
সো এগুলো যদি আপনি মোটামুটি ইউজ করতে পারেন বা এটার যে অল ফিচারসগুলো রয়েছে সেগুলো যদি আপনি মোটামুটিভাবে ইউজ করতে পারেন।
তাহলে আমি আপনাকে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি যে একটা সেমি প্রফেশনাল লেভেলের এডিটিং আপনি কিন্তু এই মোবাইল দিয়ে করে ফেলতে পারবেন।
আবার অনেককে আমি দেখেছি যারা এডিটিং করেছে এই ক্যাপকাট দিয়ে দেখে মনেই হয়নি যে এটা আসলে ক্যাপকাট দিয়ে করেছে।
আমার কাছে মনে হয়েছে যে এটা ভারি কোন পিসি সফটওয়্যার দিয়ে করা হয়েছে। সো এটার সব মিলিয়ে যে ফিচারসগুলো রয়েছে, অসাধারণ।
আমি এককথায় বলতে পারি। আচ্ছা আমি আপনাদেরকে একটা কথা বলেছিলাম যে আমি যখন মোবাইল দিয়ে কোন প্রকার ভিডিও এডিট করতে যাই তখন কোনটা ইউজ করি?
আমি কিন্তু এই ক্যাপকাডই ইউজ করি। আর এইটা আমার কাছে বেস্ট সফটওয়্যার মনে হয়।
আর আমার কাছে মনে হয় যে এই মুহূর্তে ক্যাপকাটের আশেপাশে মোবাইল ভিডিও এডিটিংয়ের কোন সফটওয়্যার নেই।
এটা দিয়ে 4K রেন্ডারিংও করা যায় এবং রেন্ডারিংটা কিন্তু খুব দ্রুত হয় অর্থাৎ এক্সপোর্টটা কিন্তু খুব দ্রুত হয়।
সো সব মিলিয়ে আপনি যদি আমাকে প্রশ্ন করেন যে পাঁচটা অ্যাপ নিয়ে আপনি কথা বললেন, তার মধ্যে কোনটা আপনার দৃষ্টিতে বেস্ট বা আমি যেকোনো একটা নিয়ে কাজ করতে গেলে কোনটা নিয়ে কাজ করব? তাহলে আমি শুধু ক্যাপকাটের কথা আপনাদেরকে বলবো।
আসসালামু আলাইকুম এভরিওয়ান। এই মুহূর্তে মোবাইল দিয়ে ভিডিও এডিটিং এর সবচেয়ে পপুলার অ্যাপ হচ্ছে CapCut. আপনি যদি একদমই নতুন করে ভিডিও এডিট করা শিখতে চান তাহলে CapCut অ্যাপসটুকু ইউজ করতে পারেন। অথবা আপনি যদি বেশ কিছুদিন ধরে CapCut ইউজ করে ভিডিও তৈরি করছেন বাট এডভান্স লেভেলের কিছু জানার দরকার তাহলে আপনিও এই ভিডিওটা ফলো করুন।
আজকের এই ভিডিওতে আমি আপনাদেরকে একদম বেসিক থেকে এডভান্স লেভেলের ভিডিও এডিটিং শিখিয়ে দিব CapCut এর সাহায্যে। চলুন তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে মূল ভিডিও শুরু করা যাক। অলরাইট আমরা চলে আসলাম আমাদের মোবাইল স্ক্রিনে।
এবারে আমরা প্রথমে চলে যাবো হচ্ছে গুগল প্লে স্টোরে, মানে প্লে স্টোরে যাওয়ার পর আমাদেরকে হচ্ছে সার্চ বারে গিয়ে এখানে লিখতে হবে CapCut. সি এ পি সি ইউ টি লিখে সার্চ করার পর CapCut এর অ্যাপসটুকু চলে আসবে এটাকে জাস্ট আপনি আপনার ফোনে ইন্সটল করে জাস্ট হচ্ছে ওপেন করবেন।
এখন দেখতে পাচ্ছেন এখান থেকে নিউ প্রজেক্ট বলে একটা অপশন আসছে সো আমরা নিউ প্রজেক্টে ক্লিক করবো। ক্লিক করার পর এখান থেকে আমাদের ফোনে থাকা সমস্ত ভিডিওগুলো দেখাবে অর্থাৎ আমরা যে ভিডিওটা নিয়ে কাজ করতে চাই সেটা প্রথমে সিলেক্ট করতে হবে। ধরেন আমি এই ভিডিওটা নিয়ে কাজ করবো নিচের এই ভিডিওটা সো এই ভিডিওটার উপরে আমি একটা ক্লিক করছি। ক্লিক করার পর এটা সিলেক্ট হলো তারপর হচ্ছে নিচে অ্যাড রয়েছে জাস্ট এখানে ক্লিক করছি। ক্লিক করার পর এখন আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে যে এই ভিডিওর এক্সপেক্ট রেশিওটা আগে সিলেক্ট করা। ওকে সো আমরা একটু স্ক্রল করে এইদিকে নিয়ে আসবো এটাকে বাম দিকে নিয়ে আসবো। এখানে দেখেন একটা অপশন রয়েছে সেটা হচ্ছে এক্সপেক্ট রেশিও জাস্ট এখানে ক্লিক দেই। এখন দেখেন এখানে দেখাচ্ছে টিকটকের আইকনটা এটা হচ্ছে 9:16 আরেকটা হচ্ছে 16:9 আরেকটা হচ্ছে দেখেন এখানে 1:1 এই তিনটা দেখেন এখান থেকে দেখাচ্ছে।
TikTok এর ভিডিও গুলো সাধারণত এরকম লম্বা লম্বা হয়ে থাকে এটা হচ্ছে 9:16। আর যখন আমরা YouTube এর জন্য ফুল লেন্থ ভিডিও আপলোড করতে চাই তখন কিন্তু এই ভিডিওটা এরকম হয়ে থাকে। এটা হচ্ছে 16:9। আর যখন আমরা Facebook বা হচ্ছে Instagram এর জন্য কোন ভিডিও আপলোড করতে চাই তখন সেটার এক্সপেক্ট রেশিও হচ্ছে 1:1 এই তিনটা জিনিস মাথায় রাখবেন।
সো আপনি দেখবেন যে আসলে আপনি কোন প্লাটফর্মের জন্য ভিডিওটা তৈরি করছেন। আপনি যদি TikTok এর জন্য ভিডিও তৈরি করতে চান তাহলে হচ্ছে 9:16 দিবেন YouTube এর ফুল লেন্থ ভিডিও হলে এটা দিবেন। আবার যদি আপনি Facebook এর জন্য চান তাহলে হচ্ছে 1:1 এ দিবেন। আর যদি আপনার সবগুলো ভিডিও যদি আপনার শর্টস ভিডিও হয় অর্থাৎ আপনি যদি রিলসে আপলোড করতে চান বা আপনি যদি শর্টসে আপলোড করতে চান বা TikTok এ আপলোড করতে চান তাহলে 9:16 চুজ করবেন ওকে। সো আমি যেহেতু YouTube এর জন্য ফুল লেন্থ ভিডিও আপলোড করব সো এটা 16:9 টাকে আমি সিলেক্ট করে নিচের দিকে দেখেন আমি ক্লিক করে দিচ্ছি। এখন এখানে আমার এক্সপেক্ট রেশিওটা হয়ে গেল।
এখন আমার কাজ হচ্ছে এডিট করা। প্রথমেই আমরা যে কাজটা করবো সবচেয়ে পপুলার যে জিনিস আমরা যখন একটা ভিডিও শুট করি তখন সামনের দিকের কিছু অংশ থাকতে পারে আবার পিছনের দিকে যখন আমরা ক্যামেরাটা বন্ধ করছি তখন কিছু অংশ থাকতে পারে। আবার মাঝখানে কোন কিছু ভুল হয়ে যেতে পারে তখন এই অংশগুলো কেটে ফেলে দিতে হয় আমাদেরকে। কিভাবে কেটে ফেলে দিবেন দেখাচ্ছি আপনাদেরকে। ধরেন আমার ভিডিওটা আমি স্টার্ট করবো এখান থেকে বা এখান থেকে পারফেক্ট হয়েছে ওকে। সো আমি এই যায়গায় নিয়ে আসলাম ভিডিওটাকে টেনে ধরে। এখন আমি যে কাজটা করবো জাস্ট ভিডিওটার উপর একটা ক্লিক করবো। ক্লিক করার পর ভিডিওটা সিলেক্ট হয়েছে এখন স্প্লিট বলে একটা অপশন আছে নিচের দিকে জাস্ট এখানে একটা ক্লিক করবো। ক্লিক করার পর এখন কি হয়েছে আমার ডান পাশের অংশটা সিলেক্ট হয়েছে আমি ফেলে দিবো কোনটা বাম পাশেরটা সো এই বাম পাশেরটার উপরে ক্লিক করছি।
এখন বাম পাশেরটা সিলেক্ট হয়েছে নিচে দেখেন ডিলিট অপশন আছে আমি ডিলিটে ক্লিক দিচ্ছি চলে যাচ্ছে দেখেন এখানে এখান থেকে ভিডিওটা শুরু হচ্ছে ওকে। সো আমি যদি একদম মাঝখানে যাই ধরেন কিছু অংশ আমার ফেলে দেওয়ার দরকার ধরেন এই অংশটা আমার ফেলে দেওয়ার দরকার। সো আমি এইখানে আনলাম আনার পর আবারও ভিডিওটার উপরে একটা মানে টাইমলাইনের উপরে ক্লিক করলাম স্প্লিটে ক্লিক করলাম আবার যেটুকু অংশ ফেলে দিতে চাই ওকে। ধরেন আমি এইটুকু অংশ ফেলে দিতে চাই সো এখন এখানে আনার পর স্প্লিটে ক্লিক করলাম ক্লিক করার পর যেতো মাঝখানের অংশটা ফেলে দিবো সো মাঝখানের অংশটাতে ক্লিক করলাম এটা সিলেক্ট হলো আবার ডিলিটে দিলাম চলে গেল দেখেন এখন যদি আমি এটাকে প্লে দেই প্লে এর জন্য এই যে উপরের দিকে দেখেন একটা প্লে এর একটা বাটন রয়েছে প্লে দেই। এই যে দেখেন এটা কিন্তু চলে গেল।
অথবা যদি আমরা লাস্টে কোন অংশ ডিলিট করতে চাই তাহলে এটা সেইম একইভাবে সিলেক্ট করে এখান থেকে স্প্লিট দিলাম দেওয়ার পর হচ্ছে ডিলিট দিলাম। সো এখন আমরা কিন্তু আমাদের ভিডিওটা যে অংশগুলো দরকার ছিল না সেগুলো কেটে ফেলে দিয়েছি।
দেখবেন যে পুরো ভিডিওটার উপর আরও একটা ক্লিপ চলে আসছে পরে আবার দেখা গেল যে পূর্বের ভিডিওটা চলে আসছে। সো কিভাবে আপনারা এই ভিডিওগুলো সেট করবেন চলুন আপনাদেরকে সেটাই দেখাই। ধরেন এটা হচ্ছে আমার মেইন ফুটেজ। এইটার উপরে আমি ছোট করে একটা ক্লিপ দিতে চাচ্ছি সে ক্ষেত্রে আমি যে কাজটা করবো এই যে দেখেন নিচের দিকে ওভারলি করে একটা অপশন আছে এখানে ক্লিক করবো এড ওভারলিতে ক্লিক করবো। তারপর হচ্ছে আমি একটা ভিডিও বা অন্য কিছু একটা ক্লিপ ছবিও বসাতে পারি ঠিক আছে এড করতে পারি। ধরেন আমি এটা সিলেক্ট করে আমি এড দিলাম এখন দেখেন এটা জাস্ট ছোট করে এখানে চলে আসছে আমার ভিডিওর মাঝখানে ছোট করে চলে আসছে।
এখন যদি আমি এইখানটা প্লে দেই দেখেন ওই ভিডিও থেকে মাঝখানে কিন্তু এটা চলে আসলো। এখন আমি যদি সম্পূর্ণ ভিডিওটা ডেকে আরও একটা ভিডিও আনতে চাই তাহলে আবারও একইভাবে আমাকে যে কাজটা করতে হবে জাস্ট দেখেন বাইরে একটা ক্লিক দেই এড ওভারলিতে ক্লিক দেই ক্লিক দেওয়ার পর আমি ধরেন একটা ফুটেজ নেই। আমি এই ফুটেজটা নিলাম নেয়ার পর এড অপশনে ক্লিক দেই। এখন দেখেন এই ভিডিওটা সম্পূর্ণ ফ্রেমে কিন্তু আসে নাই জাস্ট এটাকে আমি একটু বড় করে দেই এখন সম্পূর্ণ ফ্রেমে চলে আসছে। দেখেন এখন আমি যদি প্লে দেই তাহলে কিন্তু এই ভিডিওটার উপরে ওই ভিডিওটা চলে আসলো।
এটা চলে আসলো এখন এটাকে যদি আমি কমাতে চাই এই যে এই যে অংশটা আছে নিচে জাস্ট এখানে ধরে আমি যদি টান দেই এটা কিন্তু কমবে আমি কোথা থেকে দিতে চাই সেটা সিলেক্ট করতে পারবো। দেখেন এখন আমি প্লে দেই দেখেন ওই ভিডিওটা চলে আসছে সম্পূর্ণ ভিডিওর উপরে ছোট করে কর্নারে চলে আসছে আবার দেখেন এটা কিছুক্ষণ চলার পর আবার পুরো ভিডিওটা ঢেকে যাবে এই যে পুরো ভিডিওটা ঢেকে যাচ্ছে। এখন ঢেকে গিয়ে যদি আমি চাই যে না আবারও হচ্ছে আমার অরিজিনাল ভিডিওটা আসবে তাহলে জাস্ট এটার উপর ক্লিক দিয়ে স্প্লিটে ক্লিক দিয়ে জাস্ট এটা ডিলিট করে দিলে কিন্তু এইটুকু অংশ থাকছে এখন দেখেন আমি যদি প্লে দেই তাহলে দেখেন এই যে ভিডিওটা প্লে হচ্ছে ওই ভিডিওটা উপরে চলে আসছে ঠিক আছে এখন আবার এটাও চলে গেল ওকে।
সাউন্ড এড করা সো কিভাবে এড করবো খুবই সহজ এইজন্য দেখেন নিচের দিকে অডিও নামে একটা অপশন রয়েছে জাস্ট এই অডিওতে ক্লিক করবো। ক্লিক করার পর হচ্ছে সাউন্ডসে ক্লিক করবো সাউন্ডসে ক্লিক করার পর এখান থেকে দেখেন আমার ফাইলের একটা আইকন দেখাচ্ছে এই ফাইলের আইকনটাতে ক্লিক করবো। ক্লিক করার পর এখান থেকে হচ্ছে ডিভাইসে ক্লিক দিবো ঠিক আছে ডিভাইসে ক্লিক দেওয়ার পর এখন আমার ডিভাইসে যত অডিও রয়েছে সবগুলো অডিও কিন্তু শো করছে দেখেন সব অডিও শো করছে ওকে। জাস্ট এখান থেকে আমি যেটা নিতে চাই সেটা আমি আমার পছন্দ মতো সেটা কিন্তু নিয়ে নিতে পারবো ওকে।
এই যে ধরেন এই অডিওটা আমি নিতে চাই যেটা নিতে চাই সেটার পাশে প্লাস আইকনে ক্লিক দিলাম সাথে সাথে কিন্তু অডিওটা চলে আসছে। কপিরাইটের সমস্যার কারণে বেশিক্ষণ বাজাতে পারবো না জাস্ট একটু আপনাদের শুনাচ্ছি দেখেন এই যে আমি প্লে দেই। দেখছেন এটা কিন্তু আমার ব্যাকগ্রাউন্ডটা এখন বাজছে ওকে। এখন আপনারা হয়তো অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন যে আমার যে অরিজিনাল ভিডিও রয়েছে সেটা কিন্তু একটা সাউন্ড রয়েছে আমি সেটাকে টোটালি বন্ধ করে দিতে চাই কিভাবে করবো শুধু আমার ব্যাকগ্রাউন্ডে শুধু মিউজিক বাজবে আমি যেটা আমার ফোনের গ্যালারি থেকে নিয়ে আসলাম বা আমার ফোনের মধ্যে যেটা আগে থেকে ডাউনলোড করা ছিল সেটা। এখন যদি আপনার ভিডিওর অরিজিনাল সাউন্ডটাকে আপনি টোটালি বন্ধ করে দিতে চান বা কমিয়ে দিতে চান বা আরো বাড়িয়ে দিতে চান কিভাবে করবেন দেখাচ্ছি।
ধরেন এটা হচ্ছে আমার অরিজিনাল ফুটেজ সো এটার উপরে ক্লিক দিচ্ছি ক্লিক দেওয়ার পর এখন স্ক্রল করে এদিকে আসি আসার পর এই যে ভলিউম নামে একটা অপশন আছে এখানে ক্লিক দেই এখন যদি এটাকে একদমই জিরো করে দেই আমার অরিজিনাল ভিডিওর যে সাউন্ড ছিল সেটা কিন্তু টোটালি বন্ধ হয়ে গেল। আবার যদি একটু রাখি যতটুক রাখবো ততটুক সাউন্ড কিন্তু বাজবে ওকে। এখন আমি চাইলে এটাকে কিন্তু বাড়াতেও পারি কমাতেও পারি ঠিক আছে আমরা এটাকে একদমই জিরো করে দিয়ে ওকে করে দিলাম। এখন কিন্তু আমার শুধুমাত্র ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকটা বাজবে।
অডিও নিয়ে অনেক কাজ আছে সব দেখাবো না জাস্ট আপনাদেরকে দুই একটা দেখাই ইম্পরট্যান্ট দেখে। ধরেন অনেকে আছে ডকুমেন্টারি তৈরি করে জাস্ট ভিডিওটা প্লে হতে থাকবে পিছনের দিকে সে কথা বলবে। সো এরকম কিছু করতে চাইলে আপনি যে কাজটা করবেন অডিও অপশনে ক্লিক করবেন তারপর হচ্ছে স্ক্রল করে এদিকে আসবেন রেকর্ড অপশনে ক্লিক করবেন। এখন আপনি জাস্ট এই যে মাইক্রোফোনের আইকনটা রয়েছে এখানে যদি আপনি প্রেস করেন তাহলে এটা কিছুক্ষণের মধ্যে স্টার্ট হয়ে যাবে এই যে দেখেন অলরেডি স্টার্ট হয়ে গেছে এখন আমি যা বলছি সেটা কিন্তু রেকর্ড হচ্ছে ওকে। সেটাই কিন্তু রেকর্ড হচ্ছে দেখেন আমি এখানে আবারও মাইক্রোফোনের আইকনটাতে ক্লিক দিয়ে স্টপ হয়ে গেছে। এখন আমি যদি এই যে দেখেন এই যে দেখাই এইটুকু অংশ কিন্তু আমার রেকর্ড হয়েছে ঠিক আছে আমার আগের অডিওটা আমি ফেলে দেই ডিলিট করে দেই তাহলে বুঝতে পারবেন এই যে এখন যদি আমি প্লে দেই দেখতে পারবেন। সো এইভাবে আপনারা যদি ভিডিওর সাথে অডিও নিজের ভয়েস দেন তাহলে সেই ভিডিওতে এডিটিং করার কোন দরকারই হবে না।
সো বাড়াতে হলে কি করতে হবে এই যে দেখেন সাউন্ডের যে আইকনটা রয়েছে এখানে ক্লিক দিয়ে হচ্ছে ভলিউমে দিতে হবে দেওয়ার পর হচ্ছে এখানে জাস্ট এটাকে যদি আপনি বাড়ান তাহলে কিন্তু এটা বাড়বে আর যদি কমান তাহলে কিন্তু এটা কমবে সো সিম্পল ট্রিক্স ওকে। তার পরের অপশনটা হচ্ছে স্পিড অনেক সময় অডিওর সাউন্ডটাকে একটু বেশি হচ্ছে ফাস্ট করতে হয় সো এখানে আপনি স্পিডে ক্লিক দেওয়ার পর এটা ওয়ান এক্স রয়েছে ডিফল্টে সিলেক্ট করে আপনি যদি বেশি বাড়াতে চান তাহলে টু এক্স দিতে পারেন। ঠিক আছে দেখেন এখন কিন্তু বেড়ে গেল আবার যদি পিছনের দিয়ে দেন তাহলে কিন্তু অডিওর সাউন্ডটা কমে যাবে মানে আরো স্লো হয়ে যাবে ওকে। আরেকটা হচ্ছে রিডিউস নয়েজ ধরেন আপনি বাইরে কোথাও একটা শুট করেছেন সেখানে অনেক নয়েজ ছিল। সো আপনি যদি এই রিডিউস নয়েসে ক্লিক দিয়ে যদি এটা অন করে দেন তাহলে কিন্তু আপনার অডিওতে যে নয়েজগুলো থাকবে সেগুলো কিন্তু রিডিউস হয়ে যাবে অটোমেটিক ওকে।
অনেক ভিডিও অনেক ফাস্ট চলে সো এটা কিভাবে করবেন দেখাচ্ছি দেখেন ধরেন আমি এই অংশটুকু কিছুটা অংশ আমি এখান থেকে ফাস্ট করবো সো এটা আমি স্প্লিটে ক্লিক দিবো দেওয়ার পর এইটুকু অংশ এই যে আবার স্প্লিটে ক্লিক দিলাম এইটুকু অংশ আমার হচ্ছে ফাস্ট চলবে ঠিক আছে। সো এটুকু আমি সিলেক্ট করলাম সিলেক্ট করার পর হচ্ছে স্পিডে ক্লিক করলাম ক্লিক করার পর হচ্ছে নরমালে গেলাম এখান থেকে ধরেন এটাকে আমি থ্রি এক্স দিয়ে দিলাম দিয়ে আমি ওকে করে দিলাম এখন এটা কিন্তু ফাস্ট হয়ে গেল দেখেন অন্যান্য ভিডিওর তুলনায় এটা কিন্তু ফাস্ট চলবে এই যে দেখেন এটা কিন্তু ফাস্ট চলছে ওকে।
তারপরে এই অংশটুকু ধরেন আমি খুব স্লো চালাবো সো এইখানে আমি ক্লিক দিয়ে এটাকে স্প্লিট করলাম করার পর মাঝখানের অংশটা সিলেক্ট করলাম আমি যেটুকু স্লো করবো ওকে। তো এটা সিলেক্ট করে আবার স্পিডে দিলাম স্পিডে দেওয়ার পর হচ্ছে নরমালে গেলাম নরমাল থেকে হচ্ছে এটাকে আমি একদমই পয়েন্ট ওয়ান করে দিলাম দিয়ে ওকে করে দিলাম এখন দেখেন জাস্ট দেখেন আমি ভিডিওটা প্লে দেই এইটুকু হচ্ছে নরমাল নরমাল এই যে দেখেন মাঝখানে কতটুকু ফাস্ট চললো এখন দেখেন আবার একদমই স্লো হয়ে গেল আমরা স্লো মোশন যেটাকে বলি আর কি যে এখন দেখেন ভিডিওটা কিন্তু খুবই স্লো হয়ে গেল ওকে। সো এভাবে আপনারা TikTok ভিডিও বা হচ্ছে আপনারা যদি রিলস ভিডিও তৈরি করেন তাহলে কিন্তু এভাবে আপনারা কখনো কখনো ফাস্ট কখনো কখনো স্লো করতে পারেন।
একটা ভিডিওতে কিন্তু জুম ইন এবং জুম আউটটা বেশি ইম্পরট্যান্ট দেখবেন যে হঠাৎ করে এটা কোন একটা অংশ বড় হচ্ছে আবার সেটাকে আবার ছোট হয়ে যাচ্ছে। কিভাবে দেখেন আপনাদেরকে দেখাচ্ছি ধরেন এই ফুটেজটার আমি কোন একটা অংশ এটাকে জাস্ট হচ্ছে জুম করবো জুম করার জন্য জাস্ট এটার উপরে ক্লিক করবো। আমার টাইমলাইনের উপরে ক্লিক করবো ক্লিক করার পর উপরের দিকে দেখেন একটা আইকন রয়েছে এটা হচ্ছে জাস্ট আমি আপনাদেরকে তীর চিহ্ন দিয়ে দেখাচ্ছি বা এটাকে মার্ক করে দেখাচ্ছি জাস্ট এটার উপর একটা ক্লিক করবেন ক্লিক করার পর এটা এই অংশটুকু শুরু হলো যে আপনি কোত্থেকে জুমইনটা করতে যাচ্ছেন তারপর কতটুকু অংশ জুমইন করবেন। ধরেন আমি এইটুকু অংশ জুমইন করবো সো এখানে আনার পর আবারও উপরে এই অংশটাতে একটা ক্লিক দিবো ক্লিক দেওয়ার পর এখন আমি যে কাজটা করবো এই যে ধরেন আমি এই অংশটা জুম করতে চাচ্ছিলাম এই যে জুম করলাম এটাকে কিন্তু আমি জুম করলাম এখন কিন্তু আমার জুম করা কাজ শেষ দেখেন আমি যদি এখন পিছনের দিকে নিয়ে যাই টাইমলাইনটাকে আবার প্লে করি দেখেন।
এই যে দেখেন এই অংশটা এসে জুম হয়ে গেল ঠিক আছে এখন কিন্তু এটা জুমই থাকবে আমি যতক্ষণ পর্যন্ত জুম আউট না করছি সো এখন আমার মনে হলো যে কিছুক্ষণ চললো এখন আমি এটাকে জুম আউট করবো সো আবারও আগের মতো এই অংশটাতে ক্লিক করবো আবার কতটুকু অংশে গিয়ে এটা জুম আউট হবে এটা আমি সিলেক্ট করার পর আবারও এখানে ক্লিক দিলাম দেওয়ার পর এখন আমি আবারও এটাকে জুম আউট করে দিলাম এই যে দেখেন জুম আউট করে দিলাম সো এখন কিন্তু কাজ শেষ এখন দেখেন আমি একদম শুরু থেকে প্লে দেই তাহলে কি দাঁড়ায়। এই যে দেখেন হঠাৎ করে জুম হলো ঠিক আছে জুম হওয়ার পর এখন দেখবেন এইখানে আসার পর পর কিন্তু জুম আউট হতে শুরু করবে এই যে জুম আউট হতে শুরু করলো সো এভাবে কিন্তু আপনারা খুব সহজেই জুম করবেন।
কালার নিয়ে কাজ করার বেশ কিছু সুযোগ আছে কিভাবে দেখেন আমার এই ফুটেজটা দেখেন ঠিক আছে আমি এটা যদি প্লে দেই দেখেন এই যে ফুটেজ এটা একটা ফুটেজ আমি জাহাজে দাঁড়িয়ে আছি সো এখানে দেখেন অন্ধকার হয়ে আছে এবং কালারটা কিন্তু একটু ফেক আসে এটাকে আমি একটু সুন্দর করবো সো আমি স্ক্রল করে এটাকে বাম দিকে নিয়ে আসবো এখন এখান থেকে এডজাস্ট অপশনে ক্লিক করবো। এখানে বেশ কিছু ফিচারস আছে যেগুলো হচ্ছে প্রো ভার্সনের বাট এই ফিচারসগুলো যদি আমরা ফ্রিতে ইউজ করতে পারতাম আই হোপ খুবই ভালো একটা রেজাল্ট পেতে পারতাম ওকে। যাই হোক আমরা এখন একটু ম্যানুয়ালি করে দেখাই ব্রাইটনেসটা ফ্রি আছে সো এখান থেকে যেহেতু আমার এটা একটু অন্ধকার সো আমি একটু ব্রাইটনেসটা একটু বাড়িয়ে দেই বেশি বাড়ালে আবার সবকিছু দেখা গেল যে ওয়াশ আউট হয়ে যাচ্ছে বেশি বাড়ানো যাবে না প্রয়োজন মতো বাড়াতে হবে তারপর হচ্ছে এটার কন্ট্রাস্টটা একটু কম আছে বাড়িয়ে দেই সেচুরেশনটাও কম আছে একটু বাড়িয়ে দেই।
তারপরে এখান থেকে আমরা প্রিলিয়েন্সটা একটু বাড়িয়ে দেই শার্পনেসটা একটু বাড়িয়ে দেই ঠিক আছে ক্লারিটিটা এইটাও আমরা একটু বাড়িয়ে দেই ওকে। তারপরে হচ্ছে এইচ এস এল এইখানে একটা বিষয় আছে এখানে কিন্তু কালার নিয়ে কাজ করার বেশ কিছু সুযোগ আছে ধরেন এখানে যে কালারগুলো আছে ধরেন এখানে সবুজটা আমি যদি সবুজটা সিলেক্ট করি এইটা এখানে যতগুলো সবুজ আছে সবগুলো কিন্তু আমি বাড়াতে বা কমাতে পারবো দেখেন সবুজটা সিলেক্ট করার পর সবুজও না এটা আসলে একপ্রকার গ্রিনের চেয়ে হচ্ছে একটু লাইট গ্রিন সো এখন যদি আমি এটাকে একটু বাড়াই সেচুরেশনটা দেখেন এইখানে যত এই অংশটা যা আছে সবগুলো কিন্তু বাড়তে শুরু করবে এই যে দেখেন বাড়তে শুরু করছে সো এই যে বাড়লো তারপরে দেখেন এখান থেকে চেয়ারের যে একটা কালার রয়েছে সো আমরা যদি এটা সিলেক্ট করি সিলেক্ট করে যদি এটা বাড়াই এটা কিন্তু বাড়বে ঠিক আছে সো এখানে বেশি কালার নাই থাকলে আপনারা হয়তো বুঝতে পারতেন সো এখান থেকে আমরা এটাকে টিক চিহ্ন দিয়ে দেই।
তারপরে আমরা এখান থেকে যাই সেটা হচ্ছে আপনার হাইলাইট আমরা হাইলাইটটা একটু কমিয়ে দেই ঠিক আছে এখানে যেহেতু রোদ বেশি ছিল সো হাইলাইটটা একটু বেশি হয়ে আছে এখানে শ্যাডোটা আমরা একটু বাড়াতে পারি দেখেন শ্যাডোটা যদি আমরা একটু বাড়াই ভালো লাগবে দেখেন এখানে কিন্তু আমার ফেসটা অন্ধকার হয়ে আছে এজন্য একটু শেডোটা বাড়িয়ে দিলাম তারপরে হচ্ছে এখান থেকে আমরা হোয়াইট যদি বাড়াই তাহলে সব দেখেন ওয়াশ আউট হয়ে যাচ্ছে হোয়াইটটা আমরা একটু কমিয়ে দিবো বরং আর ব্ল্যাকটা আমরা একটু হালকা বাড়াতে পারি টেম্পারেচার বাড়ালে দেখেন কেমন হয় টেম্পারেচার এটা আপনি আপনার প্রয়োজন মতো বাড়াতে বা কমাতে পারেন। আচ্ছা তারপরে এখান থেকে হুকটা একটু বাড়িয়ে নিলাম ওকে সো এইভাবে যদি আপনারা প্রয়োজন মতো এটাকে বাড়িয়ে কমিয়ে দেখেন যে আসলে কোনটা আপনার প্রয়োজন তাহলে কিন্তু আপনি একটা ভালো একটা কালার কিন্তু পেয়ে যাবেন জাস্ট আমি আপনাদেরকে প্রসেসটা দেখিয়ে দিলাম এই কালার নিয়ে কাজ করাটা কিন্তু অনেক জটিল বিষয় এবং দীর্ঘ সময় কাজ করলে আপনি
হয় স্টিল ছবি দিয়েছে না হয় আর একটা ভিডিও চালিয়ে দিয়েছে কিভাবে আপনি সেটা করবেন এজন্য আপনি নিউ প্রজেক্টে ক্লিক করার পর প্রথমেই আপনার ব্যাকগ্রাউন্ডে অর্থাৎ পিছনের দিকে যে ছবি বা ফুটেজটা থাকবে সেটাকে সিলেক্ট করবেন ঠিক আছে ধরেন আমার এটা ব্যাকগ্রাউন্ডে রাখবো সো এটা সিলেক্ট করার পর অ্যাড করে দিলাম এখন কিন্তু এটা আমার পিছনের দিকে এখন আমার হচ্ছে মূল ভিডিওটা নিয়ে আসতে হবে এজন্য ওভারলিতে ক্লিক করতে হবে এড ওভারলিতে ক্লিক করতে হবে তারপরে হচ্ছে আমাকে এটাকে এড করতে হবে ওকে।
সো দেখেন আমি এটাকে অ্যাড করতে চাই সো এটা সিলেক্ট করলাম এড করে দিলাম এখন কিন্তু এটা চলে আসলো জাস্ট এটাকে আমি একটু বড় করে নেই একটু বড় করে নিলাম এই যে বড় করে নিলাম একটু বড় করে নিলাম আমার প্রয়োজন মাফিক নেয়ার পর আমি যেটা করবো এই দিকে স্ক্রল করে আসবো এইদিকে আসবো আসার পর এই যে দেখেন রিমুভ বিজী রিমুভ বিজী নামে একটা অপশন আছে এখানে আমি ক্লিক দেই ক্লিক দেওয়ার পর অটো রিমুভাল এটা কিন্তু আগে ছিল এখন কিন্তু Facebook প্রো ভার্সনে নিয়ে গেছে প্রো ভার্সনে নিলে যেটা হয় আর কি টাকা দিয়ে কিনতে হয় সো আমরা এটা করবো না আমরা হচ্ছে কাস্টম রিমুভাল এখানে ক্লিক করবো ক্লিক করার পর এই যে আমাদের ছবিটা জাস্ট ছবিটার উপরে একটা দাগ দিয়ে দিবো তাহলে আমাদের ছবিটা সিলেক্ট করে ফেলবো অটোমেটিক এই যে সিলেক্ট করে ফেলেছে ওকে সো কিছুক্ষণের মধ্যে ব্যাকগ্রাউন্ডটা রিমুভ হয়ে যাবে দেখতে পাচ্ছেন রিমুভ হচ্ছে রিমুভ হচ্ছে সো ভিডিও থেকে ব্যাকগ্রাউন্ড কিন্তু রিমুভ হয়ে গেল এখন আমি হচ্ছে ওকেতে প্রেস করে দেই এই যে দেখেন চলে আসছে ঠিক আছে এখন যদি আমি প্লে দেই তাহলে দেখেন পিছনে কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ড আরেকটা বাট আমার কিন্তু সামনে ফেস হচ্ছে আরেকটা এটাকে আরেকটু ছোট করে দিলে আপনারা বুঝতে পারবেন সহজে এই যে দেখেন জাস্ট এটা এখন ম্যাচ হচ্ছে না বাট আপনাদের বুঝানোর সুবিধার্থে জাস্ট আপনাদেরকে দেখাচ্ছি।
তাহলে সেই ভিডিওতে এডিটিং করার কোন দরকারই হবে না সো কিভাবে টেক্সট অ্যাড করবেন এজন্য আপনি একটা কাজ করবেন নিচের দিকে টেক্সট একটা অপশন রয়েছে জাস্ট এখানে একটা ক্লিক করবেন ক্লিক করার পর এড টেক্সটে একটা ক্লিক করবেন ক্লিক করার পর এখান থেকে ইন্টার টেক্সট এখান থেকে আপনি লিখে দিবেন ঠিক আছে এখান থেকে আমি ইংলিশে লিখে দেই ধরেন হচ্ছে লিখে দেই এ এফ আর এ এফ আর লিখে দিলাম দেওয়ার পর এখানে কর্নারে ধরে এটাকে আমি ইচ্ছামতো বড় বা ছোট করতে পারবো এটাকে হচ্ছে আমি এখান থেকে ঘুরাতে পারবো কোন দিকে রাখবো ঠিক আছে ধরেন এটা আমি কর্নারে রাখলাম ওকে।
এখন এখান থেকে কিন্তু ফ্রন্ট চেঞ্জ করার একটা সুযোগ আছে ঠিক আছে ইন্টারনেট কানেকশন কিন্তু মাস্ট লাগবে এই যে দেখেন এখন কিন্তু আমরা এখান থেকে অনেক ধরনের ফ্রন্ট ইউজ করতে পারবো দেখেন। যদিও ভালো ফ্রন্টগুলো তারা প্রো ভার্সনে দিয়ে রেখেছে এই ফ্রন্টটা চমৎকার এখান থেকে ফ্রন্ট আপনি চুজ করতে পারবেন আবার স্টাইল চেঞ্জ করতে পারবেন এখান থেকে এই যে দেখেন স্টাইল চেঞ্জ করা যাচ্ছে তারপরে এখান থেকে ইফেক্ট চেঞ্জ করতে পারবেন দেখেন এখান থেকে ইফেক্ট চেঞ্জ করা যাচ্ছে তারপরে এখান থেকে এনিমেশন চেঞ্জ করতে পারবেন ভিডিওতে দেখবেন যে আপনার কোন টেক্সট এনিমেশন আকারে আসছে এই যে দেখেন ভালো গুলো তারা ফ্রিতে না দিয়ে এখানে প্রো ভার্সনে দিয়ে রেখেছে অনেকের দেখবেন টেক্সটগুলো এভাবে আসতেছে অনেকের দেখবেন এভাবে আসছে আবার অনেকের দেখবেন যে এভাবে আসতেছে এখানে কিছু আছে প্রো ভার্সন এর টেক্সট সো এভাবে কিন্তু আপনার ভিডিওতে টেক্সট অ্যাড করতে পারবেন এখন প্রশ্ন হচ্ছে বাংলা টেক্সট কিভাবে এড করবেন হ্যাঁ বাংলা টেক্সট একইভাবে এড করতে পারেন এই যে দেখেন আমি বাংলা অপশনে যাই যাওয়ার পর এখান থেকে লিখি স্বর আ লিখলাম বা অনেক লিখলাম কিন্তু এটা কিন্তু হচ্ছে না কিন্তু ক্যাপকাডে নরমালি বাংলা লেখা যায় না একটা অন্য ধরনের প্রসেস আছে জাস্ট বাংলা লেখা যায় বাট কিভাবে লিখতে হয় সেটা কিন্তু একটা ভিডিও আছে আমার সেটা আপনারা দেখে নিবেন ওই ভিডিওর লিঙ্কটা এই ভিডিও ডেসক্রিপশন বক্সে আপনাদেরকে দিয়ে দিব তাহলে এখানে আপনারা কিন্তু বাংলাও লিখতে পারবেন |
সো গাইস এতক্ষণ আমি আপনাদেরকে দেখালাম যে আসলে CapCut দিয়ে কিভাবে ভিডিও এডিট করতে হয় সো এখানে ক্যাপকাডের যে পরিমাণ ফিচারস আছে টোটাল ফিচারস থেকে মেইন ফিচারস গুলো আপনাদেরকে দেখিয়েছি আর এখানে একটা জিনিস আপনাদেরকে বলতে পারি যে টোটাল ফিচারস থেকে মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ দেখিয়েছি আরও চার ভাগ বাকি আছে সো সেইগুলো আপনারা যদি চান তাহলে আমি স্টেপ বাই স্টেপ সেই ভিডিওগুলো দিবো পার্ট ওয়ান পার্ট টু পার্ট থ্রি পার্ট ফোর পার্ট ফাইভ এভাবে দিবো আর কি তো আপনারা চাইলে কমেন্ট করেন মিনিমাম পাঁচ হাজার কমেন্ট যদি হয় ঠিক আছে এক মাসের মধ্যে তাহলে অবশ্যই আমি সেকেন্ড পার্ট নিয়ে আসবো আর এভাবে একটা একটা করে সমস্ত পার্টগুলো দিয়ে দিবো


