শুধুমাত্র রিলস ভিডিও আপলোড করে ইনকাম হওয়া এরকম কয়েকটি পেজের আপনাকে ইনকাম প্রুফ দেখাচ্ছি। দেখেন এই পেজে প্রথমে আমি মনিটাইজেশন অপশন আসলাম।
তারপরে কন্টেন্ট মনিটাইজেশনে ক্লিক করলাম। এই পেজ থেকে এই মাসে 163 ডলার ইনকাম হয়েছে।
আমি আপনাকে আরো একটি পেজের ইনকাম প্রুফ দেখাচ্ছি যে পেজ থেকে শুধুমাত্র রিলস ভিডিও আপলোড করে 92 ডলার ইনকাম হয়েছে। সেম ভাবে আমি আরো একটি পেজের কন্টেন্ট মনিটাইজেশনে ক্লিক করলাম। এখানে দেখেন 167 ডলার এবং আরো একটি পেজ দেখাচ্ছি দেখেন এই পেজে 205 ডলার। সর্বমোট এই চারটি পেজ থেকে শুধুমাত্র এক মাসে ইনকাম হয়েছে 627 ডলার। যেটার বাংলা টাকা কনভার্ট করলে পাওয়া যাচ্ছে প্রায় 72 হাজার টাকা। শুধুমাত্র এক মাসে রিলস ভিডিও আপলোড করে। ও ভাই, মারো মুঝে মারো। এই পেজগুলোতে কন্টেন্ট মনিটাইজেশন আছে এবং শুধুমাত্র এই ছোট ছোট শর্ট ভিডিওগুলো আপলোড করে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতেছে। তাও আবার অন্যের ভিডিও আপলোড করে। এখন বিষয় হচ্ছে অন্যের ভিডিও কিভাবে কপি করবেন? এটা এই কারণে শিখাবো, অন্যের ভিডিও কিভাবে সঠিক পদ্ধতিতে কপি করতে হয় এটা আমরা অনেকেই জানি না। অন্যরা ভিডিও আপলোড করে লাখ লাখ টাকা কামিয়ে নিচ্ছে আর সেটার দেখাদেখি আমি নিজেও আপলোড করা শুরু করলাম। আপনারা আমাকে মেসেজ করে বলেন যে ভাই অন্যেরা ভিডিও আপলোড করে ইনকাম করতেছে আর আমি কেন অন্যের ভিডিও আপলোড করলে কন্টেন্ট মনিটাইজেশন পলিসি ইস্যু চলে আসে। আমি বলবো ভাই আপনার আসবেই। কেন আসবে? কারণ আপনি এটার সঠিকটাই জানেন না। সময় কম। শুরু করো।
ওকে ভাই শুরু করতেছি। আমি আপনাকে এই ভিডিওটি ছয়টি পার্টে দেখাবো। প্রথমে দেখাবো ভাইরাল ভিডিও কিভাবে এবং কোথা থেকে সিলেক্ট করবেন এবং সে ভিডিওটি কিভাবে ডাউনলোড করবেন। Facebook এ অন্যের ভিডিও বা রিইউসড কন্টেন্ট কিভাবে পুনরায় আপলোড করবেন এবং তার জন্য Facebook এর দেওয়া কিছু রুলস বা গাইডলাইন যা আপনাকে অবশ্যই মানতে হবে। মানে সে ভিডিওটাকে কপিরাইট ফ্রি করার জন্য আপনাকে জাস্ট তিনটি কাজ মাস্ট করতে হবে। সঠিক পদ্ধতিতে Facebook এ রিলস ভিডিও কিভাবে আপলোড করবেন। ভিডিও ভাইরাল করার জন্য তিনটি পরীক্ষিত উপায় বলবো সেগুলো কি কি ভিডিওটি কন্টিনিউ করুন আমি আপনাকে বলবো। পাঁচটা কমন ভুল যা আমরা সচরাচর সবাই করি এবং যেটার কারণে আমাদের মনিটাইজেশন সমস্যা হয়। এই পাঁচটা ভুল কি কি যেটা আমাদের শুরু থেকে করা যাবে না এবং শেষ পর্যায়ে আমি আপনাকে বলবো প্রথম মাসে যেন আপনার মনিটাইজেশন থেকে ইনকাম হয় বা আপনার ব্যাংকে টাকা ঢুকে। সেটার জন্য আপনাকে একটি সঠিক এবং সুপরামর্শ দিবো যেটা আপনাকে সহজ করে দিবে Facebook থেকে টাকা ইনকাম করার জন্য। মানে প্রথম দিনই আপনি আপনার পেজে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সেটআপ করতে পারবেন। খুবই ইন্টারেস্টিং আপনার লাইফের শ্রেষ্ঠ ইনভেস্ট জাস্ট এই ভিডিওটির কয়েক মিনিট সময়। তাই বলবো সময় নিয়ে ফ্রি হয়ে এই ভিডিওটি দেখুন। আচ্ছা আমি প্রথমে দেখাই এই যে এই পেজগুলো দেখাই দিছিলাম এই পেজগুলোতে তারা কি ধরনের ভিডিও আপলোড করে এবং কি ধরনের ভিডিও থেকে তাদের ইনকাম হচ্ছে সেটাই বলবো।
ওকে তো আমি একটি পেজে চলে আসলাম এখান থেকে আমি রিলসে আসবো। এখান থেকে দেখতে পাচ্ছেন জাস্ট ওর এই যে লাস্ট এই কন্টেন্টটি কিন্তু 4 লাখ 41 হাজার ভিউজ এসেছে এবং এটাতে দেখেন 3.7 মিলিয়ন ভিউজ এসেছে। এটা দেড় মিলিয়ন প্লাস। আমি আরো কয়েকটা পেজ দেখাচ্ছি। এই পেজটা দেখুন ওর প্রত্যেকটা কন্টেন্ট লাখের উপরে ভিউজ আছে হ্যাঁ। প্রত্যেকটা কন্টেন্ট না কয়েকটা কন্টেন্ট হয়তোবা কম কম বেশি থাকতে পারে। দেড় মিলিয়ন এই যে এটা 8 লাখ। অনেকেই অলরেডি হয়তো বুঝে গিয়েছেন আমি কি ধরনের ভিডিও কপি করার কথা বলেছি। অনেকে হয়তো ভিডিওটা না দেখে চলে যাবে বাট আমি বলবো ভাই থামেন। আমরা অনেকে যেটা করি সেটা হচ্ছে ভিডিওর নিচে যে থ্রি ডট আছে সেখানে ক্লিক করে তারপরে রিমিক্সে ক্লিক করে আমরা ভিডিও আপলোড করি। এটি সঠিক পদ্ধতি না। এভাবে ভিডিও আপলোড করলে আপনি কখনো মনিটাইজেশন পাবেন না এবং কখনো পেজ থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন না। আর আপনার ভিডিওটা কিন্তু কখনো ভাইরালও হবে না। আমি বুঝিনা। আপনি বুঝবেন কিভাবে কোনো রুলস না মেনে। এরকম রিলসে ডুয়েট ভিডিও আপলোড করে এই পেজে কন্টেন্ট মনিটাইজেশন পলিসি ইস্যু নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে আমাকে মেসেজ দিচ্ছে শত শত মানুষ। কারণ আমরা 99% লোকই সঠিক তথ্যটা জানি না। সঠিক নিয়ম এবং Facebook এর রিউসড কন্টেন্ট ব্যবহার করার মূল গাইডলাইন এবং রুলসটা না জানার কারণে ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে না। মনিটাইজেশন পলিসি ইস্যু চলে আসতেছে এবং মনিটাইজেশন পাচ্ছে না হাজার হাজার কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা।
আমি যেহেতু শত শত পেজের কন্টেন্ট মনিটাইজেশন পলিসি ইস্যু ঠিক করার সুযোগ পেয়েছি তাই আমি জানি যে আমরা কি ধরনের ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি করি। অন্যের ভিডিও আপলোড করতে গিয়ে ভুল করা এরকম কমন পাঁচটা ভুল লিস্ট করেছি আমি। তার মধ্যে পাঁচ নাম্বার ভুলটা আমরা সকলে করতেছি যার কারণে সচরাচর আমাদের পেজে কন্টেন্ট মনিটাইজেশন পলিসি ইস্যু চলে আসে। এই ভুলগুলি শুধরে নিলে আজকে থেকেই আপনিও Facebook থেকে ইনকাম করতে পারবেন অন্যের ভিডিও আপলোড করে। ভিডিওটা শেষ পর্যন্ত দেখুন অন্যের ভিডিও আপলোড করার জন্য Facebook এর দেওয়া সঠিক তথ্যটা আমি আপনাকে জানাবো। প্রথম স্টেপ কিভাবে ভাইরাল ভিডিও সিলেক্ট হয়। ওকে তো ভাইরাল ভিডিও সিলেক্ট করার জন্য আপনাকে প্রথমে দুইটা প্লাটফর্ম বেছে নিতে হবে। একটা হচ্ছে Facebook আর এটা হচ্ছে YouTube। এই দুইটা প্লাটফর্ম থেকে আপনাকে ভাইরাল ভিডিও সিলেক্ট করতে হবে। ভাইরাল ভিডিও সিলেক্ট করার জন্য আপনাকে থিওরোটিক্যালি কিছু কথা বলি যেটা আপনাকে অবশ্যই পালন করতে হবে। প্রথম বিষয় হচ্ছে আপনি Facebook ফেস খোলার আগে আপনাকে মিনিমাম 20টা ভিডিও আগে থেকে ক্রিয়েট করে নিতে হবে।
কিভাবে ক্রিয়েট করবেন? খুব সহজ। একদিনে 20টা ভিডিও বানাইতে পারবেন। এখানে কোন ঝামেলা নেই। একদম সহজে দেখাচ্ছি বা সহজে বুঝাচ্ছি। প্রথমে আপনাকে Facebook এ যদি হয় অথবা YouTube এ যদি হয় আপনি জাস্ট শর্টস ভিডিওগুলো স্ক্রল করবেন। ধরেন আপনি যদি সার্চ বক্সে ফানি ভিডিও লিখে সার্চ করেন ফানি ভিডিওগুলো আপনাকে মিনিমাম 100টা ফানি ভিডিও আপনাকে স্ক্রল করতে হবে মানে দেখতে হবে। সেটা YouTube এ হতে পারে, Facebook এ হতে পারে। এন্ড সেখান থেকে আপনাকে জাস্ট রিয়েলাইজ করতে হবে এই 100টা রিলস কন্টেন্ট থেকে আপনার কোন কোন ভিডিওতে আপনাকে আটকে রাখতেছে। আপনাকে ভিডিওটা দেখার জন্য বাধ্য করতেছে। আপনি এটা রিয়েলাইজ করবেন এন্ড সেই কন্টেন্টগুলো স্পেসিফিক বেছে বেছে আপনাকে লিংকটা কপি করে এক জায়গায় নোটে আপনাকে সেভ করে রাখতে হবে আপনার ফোনে। এভাবে 100টা কন্টেন্ট থেকে মিনিমাম তো আপনি 20 থেকে 25টা কন্টেন্ট পাবেন যেগুলো খুবই ইন্টারেস্টিং এবং সেগুলো দেখার জন্য আপনাকে বাধ্য করতেছে। যেহেতু আপনাকে দেখার জন্য বাধ্য করতেছে এবং খুবই ইন্টারেস্টিং তাই 90% সিউর দিচ্ছি আপনার এই কন্টেন্টটা ভাইরাল হবে ইনশাআল্লাহ। এখানে আপনাকে জাস্ট দুইটা কথা মাথায় রাখতে হবে সেটা হচ্ছে যদি Facebook থেকে আপনি ভিডিও কপি করতে চান যে ভিডিওটি ডাউনলোড করবেন সে ভিডিওটির ডান পাশে নিচে যে থ্রি ডট আছে সেখানে ক্লিক করার পরে রিমিক্স এই লেখাটা এনাবল আছে কিনা সেটা ক্লিক করলে কাজ করে কিনা।
যদি রিমিক্স এনাবল থাকে তাহলে কেবল আপনি সে ভিডিওটি ডাউনলোড করবেন। অন্যথায় আপনার রিমিক্স এনাবল নাই বাট আপনি ডাউনলোড করলেন সেটা কিন্তু আপনার পেজে মনিটাইজেশন পলিসি ইস্যু চলে আসবে। এটা হচ্ছে Facebook এর ক্ষেত্রে। আর YouTube এর ক্ষেত্রে যেটা হবে সেটা হচ্ছে ভাইরাল কিংবা পপুলার অনেক মিলিয়ন মিলিয়ন সাবস্ক্রাইব হয়ে গেছে। এমন কোন YouTube চ্যানেল থেকে ভিডিও সিলেক্ট করা যাবে না। এই দুইটা বিষয় মাথায় রেখে আপনাকে ভিডিও স্ক্রল করে দেখতে হবে মিনিমাম 100টা এবং সেখান থেকে ইন্টারেস্টিং 20টা অথবা 25টা ভিডিও সিলেক্ট করতে হবে। এন্ড এটার মধ্যে আরো একটি বিষয় অবশ্যই অবশ্যই মাস্ট বি খেয়াল রাখতে হবে সেটা যেন এই ভিডিওগুলো 5 সেকেন্ডের বেশি না হয়। অবশ্যই আপনাকে প্রথম 30 দিন। আমি আপনাকে আজকে চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি যারা চ্যালেঞ্জটা পূরণ করবেন তারাই ভিডিওটি কন্টিনিউ করুন। অন্যথায় আপনার ভিডিওটা দেখার প্রয়োজন নেই। চ্যালেঞ্জটা হচ্ছে আপনাকে 30 দিনে টোটাল সাতটা ভিডিও আপলোড করতে হবে। ডেইলি মিনিমাম দুইটা করে ভিডিও আপলোড করতে হবে এবং এই দুইটা ভিডিও কখন আপলোড করলে আপনার ভিডিওগুলো ভাইরাল হওয়ার চান্স আছে সেই সময়টুকু আমি বলে দিচ্ছি। দিনের কখনোই আপনি ভিডিও আপলোড করবেন না।
দিনের সময়গুলোতে আপনি আপলোড করবেন ঠিক সন্ধ্যার পরে। একটা ভিডিও আপলোড করবেন 7:30টা আরেকটা ভিডিও আপলোড করবেন 9:30টা। ঠিক এই টাইমে এই দুইটা টাইমে ডেইলি অন্তত দুইটা ভিডিও আপলোড করতে হবে আপনাকে। ওকে ভাইরাল ভিডিও সিলেক্ট করার আরো কয়েকটি পদ্ধতি আপনাকে দেখিয়ে দিচ্ছি। আপনাকে Facebook এ অথবা YouTube এ কিছু ভাইরাল কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করতে হবে। যেমন আপনি যদি Facebook এ সাপ রিলেটেড কোনো ভিডিও চান সেটা সাপ লিখে সার্চ করতে পারেন। সাপের ভিডিওগুলো অনেক বেশি ভাইরাল Facebook এ, Facebook এবং ইয়েটা YouTube এ কারণ স্ন্যাকের ভিডিওগুলো অনেক বেশি ভাইরাল। আপনি দেখতে পাচ্ছেন এই পেজগুলোতে এই পেজটাতে দেখেন এখানে যতগুলো স্ন্যাকের ভিডিও আছে সবগুলোই কিন্তু ভাইরাল। আপনি অবশ্যই অবশ্যই এটা Facebook এবং YouTube এ দুই জায়গায় লিখে সার্চ করবেন এবং সেখান থেকে শর্টস কন্টেন্ট অথবা লং ভিডিও থেকে লং ভিডিওগুলো ডাউনলোড করবেন এবং সেখান থেকে এডিটিং করে ছোট ছোট শর্ট ভিডিওগুলো আপনি ইন্টারেস্টিং বিষয়গুলো লং থেকে কেটে কেটে ইন্টারেস্টিং বিষয়টা শুধুমাত্র ক্লিপ আকারে কেটে নিবেন।
সেটা 5 সেকেন্ড হতে পারে, 7 সেকেন্ড হতে পারে। বাট আমি রিকোমেন্ড করবো অবশ্যই যেন সেটা 5 সেকেন্ডের ক্লিপ আপনি কেটে নেন। ওকে ভাইরাল ভিডিওগুলো তো সিলেক্ট করা হয়ে গিয়েছে। এখন Facebook এর ভিডিও কিভাবে আপনি ডাউনলোড করে আপনার গ্যালারিতে নিয়ে এডিট করবেন। ডাউনলোড করা আশা করি সবাই জানেন। যদি না জানেন একটু রিসার্চ করে দেখে নিবেন।
অন্যের ভিডিও অথবা রিইউসড কন্টেন্ট কিভাবে কপিরাইট ফ্রি করতে হবে সেটার জন্য Facebook এর দেওয়া 2025 সালের কিছু নতুন রুলস এবং গাইডলাইন আপনাকে অবশ্যই মানতে হবে। অন্যের ভিডিও কপি করার জন্য আপনাকে প্রথমে ঐ ভিডিওতে আপনার নিজস্ব ভয়েস এড করতে হবে। আপনার নিজস্ব চেহারা দেখানো একটি ফুটেজ এড করতে হবে এবং ঐ ভিডিওতে আগের ঐ অরজিনাল কন্টেন্টের যত ধরনের ইনফরমেশন আছে সেটা একদম জিরো করে দিয়ে আপনার ইনফরমেশন সেখানে এড করতে হবে। এই তিনটি কাজ যদি আপনি করতে পারেন আপনার ঐ ভিডিওতে অন্যের ভিডিওতে তাহলে আপনার ভিডিওটা 100% কপিরাইট ফ্রি হয়ে যাবে। এইগুলো জাস্ট আপনি মনে রাখেন ভয়েস, ফুটেজ এবং ইনফরমেশন এটা আমরা এডিটিং এ দেখাবো। ওকে তো আমরা জানি যেকোনো ভিডিওকে কপিরাইট ফ্রি করার জন্য আপনাকে এই তিনটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। তো এই তিনটি বাকি আপনি একদিনে শিকার করতে পারবেন। সেটা কিভাবে ধরেন আমি যে ভিডিওটি ডাউনলোড করেছি সে ভিডিওটি কি ধরনের তথ্য দেওয়া দরকার বা কি ধরনের গল্প বলা দরকার অথবা কি ধরনের গল্প আমি ক্যামেরার সামনে এসে বললে সে ভিডিওটি সুন্দর হবে।
মূলত সে তথ্যটা অথবা সে গল্পটা আপনাকে ক্যামেরার সামনে এসে বলতে হবে। তাহলে কেবল সেখানে আপনার একটি ফুটেজ এবং আপনার ভয়েস অথবা আপনার একটি ইনফরমেশন এই ভিডিওতে যোগ হয়ে যাবে। এখন জাস্ট এই তিনটি বিষয় মাথায় রেখে আপনাকে জাস্ট ভিডিও এডিটিং করতে হবে। আমি এটা ইনশুট সফটওয়্যারটি ব্যবহার করতেছি খুবই সহজ পদ্ধতিতে এখান থেকে দেখানো যায়। এখানে জাস্ট আমি শর্ট ভিডিওটা যেটা আমি ডাউনলোড করলাম সেটাই ইনপুট করব। ইনপুট করার পরে এখানে যে ইনশুট এর লোগো দেখতে পাচ্ছেন এটা ক্রসে ক্লিক করে এই লোগোটা আগে কেটে দিবেন। ওকে তো আমরা যে ভিডিওটি ইনপুট করেছি এটার ভলিউম একদম 0% করতে হবে সেটার জন্য জাস্ট ভলিউমে ক্লিক করব তারপর এটা একদম 100% থেকে টেনে 0% করে দিব। তারপরে এখানে এই যে দেখতে পাচ্ছেন ফিফ। আমি ফিফে ক্লিক করব ক্লিক করার পরে আমি যে আমার নিজের চেহারা দেখানো যে ভিডিওটা বানাইলাম সেটা আমি এখানে ইনপুট করব। ইনপুট করার পরে জাস্ট প্রথমে আমি এটা ক্রপ করব অপ্রয়োজনীয় অংশটা ক্রফ করে কেটে দিয়ে বাম পাশে অথবা ডান পাশে অথবা উপরে যেকোনো এক জায়গায় আমি এটা বসাই দিব। ওকে তো এই বসানোটা আরো কয়েকভাবে বসানো যায়। প্রথমত হচ্ছে আপনার যে রিলস ভিডিওটা মেইন ভিডিওটা সেটা সিলেক্ট করবেন। সেটা সিলেক্ট করার পর একটু বাম দিকে স্ক্রল করে ক্রপ আইকনে ক্লিক করবেন। ক্রফ আইকনে ক্লিক করে এটাকে একটু রিসাইজ করে নিবেন একটু ছোট করে নিবেন।
উপরে এবং নিচে লম্বা লম্বিতা একটু ছোট করে নিবেন অপ্রয়োজনীয় অংশটা ছোট করে নেওয়ার পর আপনার যে ভিডিওটা আপনি ক্যামেরা দিয়ে যে ভিডিওটা বানিয়েছেন সেটা প্রথমে একটু ছোট করে নিতে হবে তার জন্য এই যে ফিফ বলেন অথবা ফাইল বলেন যে অপশনটা সেখানে ক্লিক করব তারপর আমার যে ভিডিও লেয়ার সেটা সিলেক্ট করে এটা একটু বড় করে দিব। এটা যেন সাইজ মত বসে সেটার জন্য আমি জাস্ট আবার ক্রপ অপশন আসবো ক্রপ অপশনে এসে এটাকে একটু আবার একটু পাশে অথবা সাইডে একটু আরেকটু লম্বা লম্বিভাবে কেটে নিব। আমি আবার এটাকে বড় করে জুম করে দিব। আবার ঠিক রিসাইজ মতো এভাবে আপনি টানা হাচরা করে একটু বসাই দিবেন। দেখবেন এই ভিডিওটা আগের থেকে অনেক বেশি সুন্দর লাগতেছে। আপনি এই দুই পদ্ধতির যেকোনো একটি পদ্ধতিতে বসাতে পারেন আপনার ভিডিওটা অনেক বেশি সুন্দর হবে। তারপরে আপনার ভিডিওতে যদি কোন প্রবলেম থাকে ভয়েসের কোন সমস্যা থাকে তাহলে আপনি আবার নতুন করে ভয়েস দিতে পারবেন। সেটার জন্য আপনার জাস্ট এই যে একটু বামের দিকে স্ক্রল করে যে অডিও অপশন দেখতে পাচ্ছেন অডিওতে ক্লিক করবেন তারপর এখানে রেকর্ড অপশনে ক্লিক করলে তিন সেকেন্ডের একটি টাইমার আসবে টাইম শেষ হয়ে গেলে আপনি এই ভিডিও সম্পর্কে যে ভয়েস দেওয়ার কথা সেই ভয়েসটা এখান থেকেও দিতে পারবেন।
বসায় দেওয়ার পরে জাস্ট এই ভিডিওটার একটু হালকা কালার রেডিং করব যেটার জন্য আমি প্রথমে অ্যাডজাস্টমেন্ট লেয়ারে আসলাম ইনশুটেরই জাস্ট এখান থেকে কালারগুলো একটু ডান বাম পাশ করে একটু ব্রাইটনেস অথবা কন্ট্রাস্ট একটু কমাই বাড়িয়ে দিয়ে আপনাকে একটু কালারটা পরিবর্তন করতে হবে। ব্যাস এইখানে কিন্তু আপনার কন্টেন্টটা এডিটিং হয়ে গেছে। ব্যাস আমাদের এডিটিং করা শেষ এখন চতুর্থ পাঠ। কিভাবে আপনি সঠিক পদ্ধতিতে Facebook এর রিলস ভিডিওটি আপলোড করবেন। ওকে তো ভিডিওটি আপলোড করার জন্য প্রথমে আপনি আপনার পেজে এসে এখানে রিলসে ক্লিক করবেন। তারপর আপনার ভিডিওটি সিলেক্ট করে নেক্সট করবেন। তারপর এখানে আপনার ভিডিও সম্পর্কে কিছু লিখে দিবেন টাইটেল যেটাকে বলা হয়। তারপর এখানে কিছু হ্যাশট্যাগ বসায় দিবেন যে হ্যাশট্যাগগুলোর কারণে আপনার ভিডিওটা ভাইরাল হওয়ার চান্স অনেক বেশি বেশি গুণ বেড়ে যাবে। অবশ্যই এখানে ভাইরাল কিছু হ্যাশট্যাগ দিতে হবে। যেমন এই ভাইরাল এই হ্যাশট্যাগটি 1 বিলিয়ন আশা করা যায় তারপর আরেকটা দেখেন এই রিলস এই হ্যাশট্যাগটা 1.4 বিলিয়ন। এই ভাইরাল কিছু হ্যাশট্যাগ যদি আপনি এখানে বসা দেন তাহলে আপনার ভিডিওটা ভাইরাল হওয়ার চান্স অনেক বেশি বেড়ে যাবে। এখন বলবো টাইটেল এবং হ্যাশট্যাগ বসানোর ক্ষেত্রে আমাদের কিছু ভুল ধারণা। টাইটেল এবং হ্যাশট্যাগ যত বেশি আমাদের পক্ষে সম্ভব তত বেশি আমরা ইউজ করি। আর এটাই হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় মিস্টেক। এটা আমরা কখনোই করব না। টাইটেল হ্যাশট্যাগ যত কম ইউজ করা যায়। এই যে দেখেন আমি কিন্তু প্রমাণ ছাড়া কথা বলি না। এই যে স্ক্রিনশটগুলো দেখেন এখানে কিন্তু এ বড় বড় ক্রিয়েটররা যত ছোট পারা যায় দেখেন ছোট ছোট টাইটেল, অল্প দুই তিনটা হ্যাশট্যাগ। তাদের প্রত্যেকটা ভিডিও দেখেন মাশাআল্লাহ অনেক বেশি ভিউজ। অতএব আমরা যত ছোট টাইটেল এবং হ্যাশট্যাগ ইউজ করা যায়। ভিডিও আপলোড করার ক্ষেত্রে এখানে আরো কয়েকটি অপশন আছে সেগুলো এখন আমি আপনাদেরকে দেখিয়ে দিচ্ছি।
এখানে এড পোল দেখতে পাচ্ছেন এটার কোন কাজ নাই। এখানে আপনাকে কিচ্ছু করার প্রয়োজন নাই। তারপর এখানে নিচের দিকে অনেকগুলো অপশন দেখতে পাচ্ছেন আপনাকে এই অপশনগুলো মোটামুটি কিছুটা শিখে রাখাটা ভালো। যদিও এখানে সবগুলো কাজের না। তারপর দেখতে পাচ্ছি স্টোরি আপনি অবশ্যই স্টোরিতে ক্লিক করে শেয়ার অলওয়েজে ক্লিক করে ডান করে দিবেন। তারপর এখানে দেখতে পাচ্ছেন এনাবল রি মিক্সিং এটা অবশ্যই আপনি চাইলে অন করে দিতে পারেন আবার চাইলে অফ করতে পারেন। অন করলে যেটা হবে আপনার এই ভিডিওটা চাইলে অন্য কেউ ডুয়েট করতে পারে আর যদি অফ থাকে তাহলে কেউ ডুয়েট করতে পারবে না। তারপর এখানে দেখতে পাচ্ছেন ট্যাগ পিপল মূলত আপনি চাইলে আপনার বন্ধুবান্ধবদেরকে এখান থেকে সার্চ করে ট্যাগ করতে পারবেন। তারপরে যেটা দেখতে পাচ্ছেন লোকেশন এটা অবশ্যই যারা লোকেশন ভিত্তিক ভিডিও বানায় তারা লোকেশনটা এড করে দিতে পারে। অন্যথায় এসব ভিডিওতে লোকেশন এড করার কোন প্রয়োজন নেই। তারপরের দেখতে পাচ্ছেন এড এআই লেভেল এটা মূলত যারা এআই কন্টেন্ট তৈরি করে শুধুমাত্র তারাই এনাবল করবেন। অন্যথায় যারা নরমাল কন্টেন্ট ব্যবহার করেন তারা কখনো এটা এনাবল করবেন না। বুস্ট রিল যে অপশনটা মূলত এটা এনাবল করলে আপনি আপনার মাস্টার কার্ড দিয়ে ডলার খরচ করে এই ভিডিওতে বুস্টিং করে ভিউজ আনতে পারবেন। আর যদি আপনার এগুলো না থাকে তাহলে অবশ্যই এটা অফ রাখবেন আমি রিকোমেন্ড করি এটা অফ থাকাটাই ভালো।
ওকে পরবর্তী অপশন ইনভাইট কলোবোরেটর। মূলত আপনার এই ভিডিওটাকে আপনি অনেক বড় বড় যেসব পপুলার পেজগুলো আছে আপনার এডমিন আন্ডারে সেগুলোকে আপনি ইনভাইট করতে পারবেন। এবং সে আপনার এই পেজ ভিডিওটা আপনার এই পেজে আপলোড হবে সেম ভাবে আপনি যখন অন্য কোন পপুলার পেজে ইনভাইট করবেন তখন সে পেজগুলোতে কিন্তু আপনার ভিডিওটা অটো আপলোড হবে। এন্ড সেই পপুলার পেজ থেকে যে ভিউজগুলো আসবে সেটা অটোমেটিক্যালি আপনার এই ভিডিওতে চলে আসবে। অতএব আপনার কোন পপুলার পেজ থাকলে অথবা অন্য কারো পেজ থাকলে সেটা আপনি ইনভাইট কলাবেটর করতে পারবেন। যেটা আপনার ভিডিওটাকে ভাইরাল করার চান্স অনেক বেশি বেড়ে যাবে। ওকে পরবর্তী অপশন দেখতে পাচ্ছেন এখানে শেয়ার টু গ্রুপ মানে আপনার কোন এডমিন আন্ডারে অথবা অন্য কোন গ্রুপ যদি থাকে তাহলে আপনি ঐ গ্রুপে আপনার ভিডিওটা পোস্ট করতে পারেন অথবা শেয়ার করতে পারেন। তারপর দেখতে পাচ্ছেন এড টপিক এখানে মূলত আপনার ভিডিওটা কোন টপিকের কোন ক্যাটাগরি রিলেটেড সে টপিকটা এখান থেকে সিলেক্ট করে দিলে আপনার ভিডিওটা ভাইরাল হওয়ার চান্স অনেক বেশি। কারণ আপনি যে ক্যাটাগরির ভিডিও আপলোড করতেছেন যে ধরনের ভিডিও আপলোড করতেছেন সে টপিকটা যদি এখানে সিলেক্ট করে দেন তাহলে ঐ টপিকের সিমিলার রিলেটেড যে ভাইরাল কন্টেন্টগুলো সেগুলোতে আপনার ভিডিওটা মূলত Facebook সাজেস্ট করবে।
তো অবশ্যই টপিকটা সিলেক্ট করে দিবেন। এই সবগুলো ঠিকঠাক হলে আপনি শেয়ার নাও ক্লিক করে ভিডিওটা পোস্ট করে দিবেন। ওকে আমাদের ভিডিও এখন পোস্ট হয়ে গিয়েছে সঠিক পদ্ধতিতে মূলত Facebook এর রিলস ভিডিও এভাবে আপলোড করতে হয়। এখন ভিডিও ভাইরাল করার জন্য আমি আপনাকে তিনটি পরীক্ষিত উপায় বলবো। তিনটি পরীক্ষিত উপায়ের মধ্যে প্রথম নাম্বার টিপস যেটা সেটা হচ্ছে আমাদের ভিডিও সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে 5 সেকেন্ডের উপরে যেন কোন ভিডিও আমরা সিলেক্ট না করি। সর্বোচ্চ 5 সেকেন্ড এর বেশি যেন আমরা ভিডিও সিলেক্ট না করি। বাট এখানে আরো একটি বিষয় লক্ষণীয় সেটা হচ্ছে আপনি যদি এখনো মনিটাইজেশন না পেয়ে থাকেন। অবশ্যই আপনাকে তাহলে 15 সেকেন্ডের ভিডিও আপলোড করতে হবে। এটা 5 সেকেন্ডের পাশাপাশি 15 সেকেন্ডের ভিডিওগুলো রাখবেন বাট প্রত্যেকদিন প্রতিনিয়ত আপনাকে যে 15 সেকেন্ডের ভিডিও আপলোড করতেই হবে বিষয়টি এমন না। আপনি 5 সেকেন্ডের ভিডিও সবসময় প্রতিদিন প্রতিনিয়ত ডেইলি আপলোড করবেন পাশাপাশি দুই চারটা ভিডিও 15 সেকেন্ড রাখবেন। সেক্ষেত্রে আপনি খুব তাড়াতাড়ি মনিটাইজেশন পেয়ে যাবেন কারণ 2025 সালের নতুন আপডেট অনুযায়ী যদি আপনার পেজে 15 সেকেন্ডের বেশি লং ভিডিও না থাকে তাহলে আপনি কখনোই মনিটাইজেশন পাবেন না। লাস্ট তিন নাম্বার টিপস ভিডিও ভাইরাল করার জন্য সেটা হচ্ছে আপনাকে আপনার পেজে একটি ভিডিও ভাইরাল থাকতে হবে। দেখবেন ঐ ভিডিওটা কেন ভাইরাল হয়েছে? কোন ক্যাটাগরির ভিডিওটা? কেন ভাইরাল হলো? আমি আপনাকে যে প্রিভিয়াস যে পেজগুলো দেখিয়েছিলাম সেগুলোতে দেখেন মেশিনারি কন্টেন্টগুলো ভাইরাল হয়েছে।
স্নাকের যে সাপের কন্টেন্টগুলো সেগুলো ভাইরাল হয়েছে। এন্ড এই ধরনের কোন যদি আপনার ভিডিও ভাইরাল হয় আপনাকে ঠিক ওই ক্যাটাগরিটা ধরে রাখতে হবে। লেটস সে আপনার একটি মেশিনারি অথবা একটি ফানি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে আপনাকে সারা জীবন আপনার ওই পেজে ফানি রিলেটেড কন্টেন্টগুলো ধরে রাখতে হবে। আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রিপস আপনাকে বলে দিচ্ছি। যে ট্রিক্সটি অবলম্বন করে ফপুলার ক্রিয়েটররা তাদের ভিডিওগুলো ভাইরাল করে থাকে। এই যে দেখেন ভিডিওর উপরে এবং নিচে আপনার ভিডিওটা তো এমনে পুরোটা চলবে এবং পুরো ভিডিওটা চলা অবস্থায় একদম উপরে এবং নিচে একটা টাইটেল দিয়ে দিবেন ভিডিও সম্পর্কে অবাক করা কিংবা চমৎকার কিছু টাইটেল কিংবা লেখা দিয়ে দিবেন। সেই টাইটেলটা দেখে মানুষ যেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিউরিওসিটি থেকে দেখে এমন একটা টাইটেল আপনি দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন। এটা অনেক বেশি ফলপ্রসূ এবং 100% ওয়ার্কেবল। এন্ড ভিডিওর প্রথম তিনটে সেকেন্ড। এই টেক্সটটিও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভিডিওর প্রথম তিন সেকেন্ডে এমন কিছু ক্লিপ রাখতে হবে যে ক্লিপগুলো আপনি ইন্টারেস্টিং ভিডিওর মাঝখানে এত আপনি অনেক কিছু দেখান অনেক কিছু উপস্থাপন করেন বাট সেখান থেকে একদম ইন্টারেস্টিং যে ক্লিপগুলো দুই তিন সেকেন্ড কেটে কেটে শুরুতে নিয়ে আসবেন। শুরুতে নিয়ে আসলে দেখা যায় কি মানুষ এই ক্লিপটা দেখার জন্য ভিডিওটা পুরোপুরি ওয়াচ করবে। অতএব আপনি ইন্টারেস্টিং ক্লিপগুলো তিন সেকেন্ডে প্রথম তিন সেকেন্ডে এমন কিছু রাখবেন যেটা যেন মানুষ পুরো ক্লিপটা বা পুরো ভিডিওটা দেখার জন্য বাধ্য করে।
দিন শেষে আপনাকে ভ্যালুয়েবল কন্টেন্ট সিলেক্ট করতে হবে ভাইরাল কন্টেন্ট সিলেক্ট করতে হবে ট্রেন্ডিং মানে কারেন্ট যে নিউজগুলো। কারণ ট্রেন্ডিং নিউজ মানুষ দেখার জন্য অনেক বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে। ওকে আমাদের পরবর্তী পার্ট যেটা সেটা হচ্ছে পাঁচটি কমন ভুল। কি ভুলগুলো যেটা আমাদের অবশ্যই করা যাবে না সেটা হচ্ছে প্রথমে টিপস যেটা সেটা হচ্ছে নিজেদের পিক্সেল দিতে সাবধান। মানে নিজেরা নিজেদের পিকচার দিচ্ছি এবং Facebook কে বলতেছি যে এটা তো আমার নিজের পিকচার কেন কন্টেন্ট মনিটাইজেশন পলিসি ইস্যু আসবে? আমি বলবো ভাই আপনি নিজের পিকচার শুধুমাত্র প্রোফাইলে এমন একটি পিকচার দিন যেটা আপনার সদ্য তোলা মাত্র ক্যামেরা দিয়ে তোলা এমন একটি পিকচার দিন। দ্বিতীয় নাম্বার ভুল রিলসে আমরা মিউজিক ব্যবহার করি। আমরা অনেকেই জানি যে Facebook এর রিলস ভিডিও আপলোড করার সময় Facebook নিজেই সাজেস্ট করে রিলস ভিডিও ইউজ করার জন্য মিউজিক ব্যবহার করার জন্য। এই মিউজিকগুলো আপনি এটলিস্ট মনিটাইজেশনের আগে ইউজ করতে পারবেন না। এটা আপনার মনিটাইজেশন হয়ে গেলে আপনি রিলসে মিউজিক ব্যবহার করতে পারবেন কোন সমস্যা নাই বাট মনিটাইজেশনের আগে এটলিস্ট আপনি রিলসে মিউজিক ব্যবহার করতে পারবেন না। তৃতীয় নাম্বার মিস্টেক যেটা আপনার মনিটাইজেশনের সমস্যা হয় সেটা হচ্ছে ভিডিও আপলোড করার ক্ষেত্রে অন্য কারো লোগো কিংবা ওয়াটারমার্ক আছে কিনা সেটা আপনাকে দেখে নিতে হবে। আপনি ভিডিও আপলোড করা এডিটিং এর ক্ষেত্রে অবশ্যই এই লোগো অথবা ওয়াটারমার্ক মুছে দিতে হবে।
এটা অবশ্যই অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। এন্ড চতুর্থ নাম্বার মিস্টেক যেটা আমাদের পলিসি ইস্যু চলে আসে সেটা হচ্ছে অন্যের পোস্টে আমরা কমেন্ট করি। সেটা হোক আইডি থেকে সেটা হোক পেজ থেকে যে আমার বিষ দে মরে যাব মারবো লাথি দিব জবাই কেটে ফেলব এই ধরনের কোন কমেন্ট যদি আপনি করেন সেক্ষেত্রে আপনার আইডিতে তো প্রবলেম হবেই যদি আপনি সেটা আইডি থেকেও করেন ঐ আইডির এডমিনের আন্ডারে থাকা যে পেজগুলো সেগুলো তো কিন্তু সমস্যা আসবে। এটা আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে অন্যের পোস্টে কমেন্ট করা থেকেও আপনাকে বিরত থাকতে হবে এটলিস্ট খারাপ কমেন্ট থেকে। তারপরে মিস্টেক যেটা সেটা হচ্ছে দড়ি দিয়ে কাউকে বেঁধে রাখা অথবা দড়ির কোন ভিডিও করা এরকম কোন ভিডিও করা যাবে না। তারপরে পাঁচ নাম্বার যেটা ভুল যেটা আমরা সচরাচর সবাই করি এন্ড এটাকে আমরা আসলে কিছুই মনে করি না যে এটাই সবচেয়ে বড় মিস্টেক। সেটা কি? সেটা হচ্ছে বেবিদের ড্রেস ছাড়া কোন পিকচার অথবা ভিডিও বেবিদের ড্রেস ছাড়া উলঙ্গ কোন বেবিদের ভিডিও আপনার পেজে আপনি আপলোড করতে পারবেন না। এটা আমরা যদি কারো সৌভাগ্য হয় অন্য কারো বেবির ছবি দেওয়ার বা ভিডিও আপলোড করার কোন হেজিটেশন কোন প্রবলেম কিংবা কোন কোশ্চেন ছাড়া কিন্তু ফেজে আপলোড করে দিব। কারণ আপনার নিজের কাছে আপনি নিজে কোশ্চেন করবেন যে এই ভিডিওটাতে Facebook এটলিস্ট কিছু করবে না কারণ ও তো বাচ্চা কিন্তু এটাই প্রবলেম। Facebook আপনাকে সেক্সুয়াল কন্টেন্ট হিসেবে একটি ফ্লাগ অথবা মনিটাইজেশন পলিসি ইস্যু অথবা ফার্স্ট নার্স পলিসি ইস্যু আপনার পেজে মেরে দিবে যেটা আপনার মনিটাইজেশন হতে ব্যয়াকাত ঘটবে।
অবশ্যই এটা দেখবেন এন্ড এই আপনাকে এই যে বিষয়গুলো বললাম মিস্টেকগুলো বললাম এটা শুধুমাত্র পেজে না আপনার পেজের আন্ডারে যে এডমিন আইডি আছে সে আইডি অথবা প্রোফাইল থেকেও এই ভুলগুলো করা যাবে না। ওকে আমাদের লাস্ট এবং ফাইনাল টিপস যেটা আমি আপনাকে প্রথমে বলেছিলাম সেটা হচ্ছে প্রথম মাসে যেন আপনি মনিটাইজেশন থেকে ইনকাম করতে পারেন এবং প্রথম মাসে যেন আপনার ব্যাংকে আপনি টাকা ঢুকাইতে পারেন সেটার জন্য বলছি। সেক্ষেত্রে আপনাকে যেটা করতে হবে প্রথম দিন মানে আজকে থেকে যদি আপনি ইনকাম করতে চান আজকে যদি আপনি আপনার ব্যাংক একাউন্ট দিয়ে পে সেটআপ করতে চান সেক্ষেত্রে আপনার একটি মাত্র উপায় আছে সেটা হচ্ছে একটি কন্টেন্ট মনিটাইজেশন অন পেজ নিয়ে আপনাকে কাজ করা। আপনি যদি একটি মনিটাইজেশন অন পেজ নিয়ে কাজ করেন আপনি আজকে নিলে আজকে থেকে ভিডিও আপলোড করলে আপনার আজকে থেকে ইনকাম হবে। আপনি যদি আমার কাছ থেকে পেজ নেন আমি পেজ সেল করে থাকি বাংলাদেশে আরো অনেকে পেজ সেল করে থাকে। আপনি যদি আমার মাধ্যমে নিতে চান সেক্ষেত্রে আমাকে উপর দেওয়া স্ক্রিনে নাম্বারে whatsapp এ যোগাযোগ করবেন। আপনাকে আমি একটি ভালো এবং কন্টেন্ট মনিটাইজেশন অন আছে এমন পেজ দিব সেই সাথে আপনার পেজটাকে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দিয়ে সেটআপ করে পেজ যেন কখনো হ্যাক না হয় নষ্ট না হয়। কোথায় কি কি করা দরকার এভরিথিং ফুললি প্রফেশনালি সেটআপ করে তারপর আপনার কাছে আমরা পেজটা হ্যান্ডওভার করব। এটার জন্য একেকটা পেজ 25 থেকে 30 হাজার বা 40 হাজার টাকা হয়ে থাকে বাট নরমালি আমি ট্রাই করব আপনাদেরকে যত কম প্রাইসে দেওয়া যায়। তো উপরে দেওয়া স্ক্রিনের নাম্বারে যোগাযোগ করবেন।


