আমি কিভাবে হোয়াটসঅ্যাপের প্রতারকচক্রের ফাঁদে পড়লাম আর এই ফাঁদে আপনিও পড়তে পারেন। সো আপনি যদি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তাহলে এক্ষুনি সাবধান হন।
তা না হলে আপনি লক্ষ লক্ষ টাকা হারাতে পারেন এই প্রতারক চক্রের হাতে পড়ে। সো আপনি নিজেও বুঝবেন না যে কিভাবে তারা আপনার কাছ থেকে টাকা নিয়ে যাবে।
আমার মত ব্যক্তি যেখানে আমি তাদের সাথে টিকে থাকাটা মুশকিল হয়ে যাচ্ছিল সো সাধারণ মানুষের জন্য কি হবে সেটা তো বুঝতেই পারছেন।
সো কিভাবে আমি আসলে এই হোয়াটসঅ্যাপ এর প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়েছিলাম সেটাই নিয়ে আলোচনা করব। তবে মূল ভিডিওতে যাওয়ার আগে আপনাদেরকে বলি এই ভিডিওটা আপনি আপনার ফেসবুক অথবা অন্য কোন টাইমলাইনে শেয়ার করে দেন।
কারণ এই ভিডিওটা যত বেশি শেয়ার করবেন তত বেশি প্রতারক চক্রের হাত থেকে মানুষ রক্ষা পাবে। সো যেহেতু ভিডিওটা সচেতনতামূলক সো আমি আপনাকে আবারো রিকোয়েস্ট করছি এই ভিডিওটা শেয়ার করে কন্টিনিউ করেন।
অলরাইট। এখন আমি বলি যে কিভাবে প্রতারকচক্রের ফাঁদে পড়েছিলাম হোয়াটসঅ্যাপে। আচ্ছা, আমাকে দুপুরবেলায় একজন হোয়াটসঅ্যাপ এর প্রতারকচক্র আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে কল দেয়।
কল দিয়ে আমাকে সে বলে যে আমি কুষ্টিয়া থেকে বলছি কুষ্টিয়া সদর আমি হচ্ছি এসআই অমুক বলছি তো একটা নাম বলেছে।
সো বলে সে বলল যে আপনার সাথে আমার একটু কথা আছে। আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে বলেন কোন সমস্যা নাই।
তো তার যে ছবিটা আসলো সেটা দেখলাম একটা পুলিশের ছবি। তারপর তার নামটা যেটা সে বলল সেটা নামটাও আসছে এভাবেই লিখে রাখছে সে হোয়াটসঅ্যাপে।
তারপরে সে আমাকে বলল যে আপনার হোয়াটসঅ্যাপে একটা গ্রুপ খোলা হয়েছে। এইখানে বিভিন্ন অশ্লীল জিনিস পোস্ট করা হচ্ছে এবং সেটার গ্রুপের হচ্ছেন এডমিন আপনি।
আচ্ছা, এখন আমাকে এইটুকু বলল যে গ্রুপের এডমিন আপনি এখানে উল্টাপাল্টা সব পোস্ট করা হচ্ছে। এখন এটা আমাদের নজরে এসেছে আমরা চাচ্ছি এটাকে রিমুভ করে দিতে।
তা না হলে আপনি অনেক বড় বিপদের সম্মুখীন হবেন। কারণ আপনি এই ধরনের গ্রুপ খুলে অনেক বড় বিপদের সম্মুখীন হবেন।
তো আমি তো শুরুতেই বুঝে গেলাম যে ঘটনাটা কি হতে যাচ্ছে। তো আমি তার সাথে সাথে যাওয়ার চেষ্টা করছি যে সে আসলে আমাকে কোথায় নিয়ে যায়।
কারণ তার বিষয়টা আমি না বুঝলে তো আপনাদের সামনে ব্যাখ্যা করতে পারবো না। আমি শুরুতেই বুঝে গেছি যে এটা একটা প্রতারকচক্র।
তখন সেই ভদ্রলোক আমাকে বলল যে আপনি ফোনটাকে লাউড স্পিকারে দেন। ঠিক আছে তখন আমি হোয়াটসঅ্যাপটাকে হোয়াটসঅ্যাপে যে কথা বলছিলাম সেটাকে আমি লাউড স্পিকারে দিলাম।
তো লাউড স্পিকারে দেওয়ার পরে বলতেছে যে আপনি এবারে হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপের মূল ইন্টারফেসটাতে যান। আমি গেলাম।
যাওয়ার পরে বলতেছে যে আপনি উপরে যে থ্রি ডটস দেখতে পাচ্ছেন এখানে ক্লিক দেন। আমি দিলাম।
দেয়ার পরে বলতেছে যে এখান থেকে আপনি হচ্ছে লিংক ডিভাইসেস এখানে ক্লিক দেন। আমি এখানে ক্লিক দিলাম।
দেয়ার পরে তারা বলতেছে যে এখানে আপনি কি দেখতে পাচ্ছেন আমি বললাম কিউআর কোড স্ক্যান করতে বলছে ইউজারলি অন্য কোন যদি আমি অন্য কোন ডিভাইসে লগইন করতে চাই বা পিসিতে গিয়ে লগইন করতে চাই তাহলে সেটা করতে পারবো।
বলতেছে যে না নিচের দিকে একটা অপশন আছে দেখেন সবার নিচে লিংক উইথ পিপল ফোন নাম্বার ইনসার্ট এখানে ক্লিক দেন। আমি এখানে দিলাম।
এখন তারা আমাকে একটা কোড বলতেছিল যে এই কোডটা এখানে বসান। ঠিক আছে। আচ্ছা।
তখন আমি আর কোডটা বসাইনি কোডটা বসালে তো এক্সেসটা তাদের হাতে চলে যাবে আমার হোয়াটসঅ্যাপের। তো আমি যে কাজটা করলাম আমি তাকে বললাম যে ভাই আপনি এইটা কেন চাচ্ছেন?
কোডটা কেন বসাইতে বলছেন আমি যদি কোড বসাই তাহলে তো আমার হোয়াটসঅ্যাপের নিয়ন্ত্রণটা আপনার হাতে চলে যাবে। তখন সে বলল যে আপনি বেশি বুঝেন আমার চেয়ে?
আমাকে একটা ধমক দিয়ে বলল। বেশি বুঝেন কোডটা দিবেন আপনার এক্সেস নিব নিয়ে আমি আপনাকে এখান থেকে এডমিন রিমুভ করে দিব।
আমি বললাম আপনার ক্ষমতা থাকলে আপনি এমনিতেই তো রিমুভ করে দিতে পারেন। তাহলে আমার নিয়ন্ত্রণ কেন নিচ্ছেন?
তখন বলতেছে যে আপনি যখন বিপদে পড়বেন তখন বুঝবেন। পুলিশ যখন আপনাকে এনে জেরা করবে যে আপনি এই ধরনের ব্যবসা শুরু করছেন মানে খারাপ ব্যবসা শুরু করেছেন মেয়েদের নিয়ে তখন আপনি বুঝবেন যে আপনি কত বড় বিপদে পড়ছেন এখন পুলিশের সাথে বার্গেটিং করতেছেন?
তো আমি অবশ্যই তার সাথে অনেকগুলা কথা বললাম। ঠিক আছে। যে আপনি এক্সেস কেন নিবেন আমার?
আপনি এক্সেস কেন নিবেন? আর এরকম কোন গ্রুপ খোলা হয়েছে আমি তো খুলিনি বলছে অন্য কেউ খুলে আপনাকে এডমিন করে দিছে।
আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে যে খুলবে সেই তো এডমিন হবে। এটা তো স্বাভাবিক। আচ্ছা এডমিন আরো করা যায় বাট এডমিন করে দিল। তো চিপ একজন এডমিন থাকবে তাকে আপনি ধরেন।
আর আমার এখানে যদি গ্রুপ খোলা হয় তাহলে আমার এখানে নোটিফিকেশন আসবে যে একটা গ্রুপের এখানে আমাকে যুক্ত করা হয়েছে। তো আমি এরকম কোন নোটিফিকেশন তো পাইনি।
বলতেছে যে না এটা সেভাবেই তারা করেছে যাতে আপনি নোটিফিকেশন না পান। আমি বললাম চ্যাট করলে তো সাথে সাথে আমার এখানে আসবে।
তারা হাইড করলেও আসবে। তো কোন কিছুই আসতেছে না আপনি কি বলতেছেন এগুলা? মানে আমার কথা হচ্ছে যে তার মুখ থেকে তাকে শোনাবো।
তারপর সে একদম রেগে ফায়ার হয়ে গেছে বলে আপনি এত বেশি বুঝেন কেন? আপনি যখন বিপদে পড়বেন তখন আপনাকে কে উদ্ধার করবে?
মানে পারলে এখন মনে করেন আমাকে এসে মারে এরকম একটা অবস্থা সে আমার সাথে উত্তেজিত হয়েছে। আমি বলছি ভাই আপনি পুলিশ মানুষ উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন কেন?
আমি বোকা শুকা মানুষ আমি তো হোয়াটসঅ্যাপ টরসাপ বুঝি না এত কিছু তো এটা আমি কোন মতে চালাই আমাকে একজন খুলে দিয়েছে।
তো আপনি আমাকে একটু বলবেন না বিস্তারিত বলবেন না আমি হোয়াটসঅ্যাপ বুঝি না। তারপর সে ফোন কেটে দেয়।
যাই হোক তো আমি তো অলরেডি বুঝে গিয়েছি যে ঘটনা কি। আচ্ছা। তো এখন এটা কনফার্মেশনটা আমার নেওয়ার জন্য আমার একটা ছোট ভাই আছে সে হচ্ছে পুলিশে চাকরি করে।
সে আছে হচ্ছে সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্টে। তো আমি তাকে ফোন দিলাম যে এই ধরনের কেস তোমরা কি রেগুলার পাচ্ছো কিনা?
কারণ যেহেতু এরা শুরু করেছে সো এখন তোমাদের কাছে রেগুলারই যাবে আর সব লোক তো কম্পলেইন করবেও না। তো পরে বলছে যে হ্যাঁ ভাই পাচ্ছি।
তো এখন আমি আপনাদেরকে বলি কি কাজটা করে তারা? তারা প্রথমেই যে কাজটা করে সেটা হচ্ছে আপনার হোয়াটসঅ্যাপের নিয়ন্ত্রণটা তাদের হাতে নিয়ে নেয়।
সো আপনার এখানেও হোয়াটসঅ্যাপ চালু থাকবে তাদের ফোনেও আপনার হোয়াটসঅ্যাপটা চালু হয়ে যাবে এই কোডটা দেওয়ার পরে। চালু হয়ে যাওয়ার পর তারা আপনার সমস্ত এসএমএসগুলা গেঁটেঘুঁটে দেখবে।
যে আপনার বিশ্বস্ত কে আছে কার সাথে আপনি লেনদেন করেছেন বা কার সাথে এই টাইপের কোন কিছু লেনদেন হয়েছে কিনা।
যদি লেনদেন হয়ে থাকে তখন সেই ব্যক্তিকে ফোন দিয়ে বলে যে আপনি এখানে টাকা পাঠান এক লাখ দুই লাখ মানে প্রিভিয়াস ট্রানজেকশন দেখে হচ্ছে তারা এগুলা হচ্ছে কি বলে তারা আসলে তাদের মেসেজটা ড্রপ করে।
তো ধরেন আমার হোয়াটসঅ্যাপ থেকে যদি আমি যার সাথে রেগুলার লেনদেন করি তাকে যদি বলি যে ভাই আমি বিপদে পড়েছি আমাকে আপনি দুই লাখ টাকা দেন তাহলে সে তো অবশ্যই দিবে।
সো মূলত বিষয় হচ্ছে এটা তখন ওই যে দুই লাখ টাকা পাঠায়া দিল নিয়ে গেল তারপরে আর কোন খোঁজ নাই।
তো এভাবে দেখা গেল যে তারা আপনার হোয়াটসঅ্যাপটা আপনার কাছ থেকেই হ্যাক করে নিয়ে গেল নিয়ে গিয়ে দেখা গেল যে তারা যদি এখান থেকে দুই লাখ 10 লাখ টাকা যদি এখান থেকে নিয়ে ফেলতে পারে তাহলে এটাই তাদের প্রফিট।
ঠিক আছে তখন তো আপনাকে এই টাকাগুলো আবার যার কাছ থেকে নিবে তাকে ফেরত দিতে হবে বা আপনাকে অন্যভাবে ব্ল্যাকমেইল করতে পারে।
আপনার যদি হোয়াটসঅ্যাপে কোন সেন্সিটিভ কোন তথ্য থাকে তাহলে সেইগুলো নিয়ে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করবে যে এই যে আপনার এই ছবি আছে ওই ছবি আছে এই ভিডিও আছে ওই ভিডিও আছে বা আপনি কারো সাথে কনভারসেশন করেছেন সেইগুলা নিয়ে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করলে তখন তো আরো অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যাবে।
তো আমি আপনাদেরকে বলব যদি এই ধরনের কল আসে অবশ্যই আপনারা সতর্ক থাকবেন আর আমাকে যে নাম্বারটা থেকে কল দেওয়া হয়েছিল এই নাম্বারটা আমি ডেসক্রিপশন বক্সে দিয়ে দিব অথবা ফার্স্ট কমেন্টে দিয়ে দিব আপনারা মিলিয়ে নিবেন।
আর কারোর কাছে যদি এই ধরনের কল এসে থাকে তাহলে যে নাম্বারগুলো থেকে আসছে সেই নাম্বারটাও আপনারা কমেন্ট বক্সে দিয়ে দিবেন। ওকে সো ভিডিওটা আমি শেষ করবো শেষ করার আগে বলছি যেহেতু এই ভিডিওটা সচেতনতা তৈরির জন্য করা হয়েছে সো এইটা আপনার ফেসবুকের টাইমলাইনে শেয়ার করে দেন বেশি বেশি করে তাহলে মানুষ প্রতারণার হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে।
গাইজ ভিডিওটি আর লেন্দি করবো না এখানে শেষ করবো আপনাদের সাথে আরো ইন্টারেস্টিং ভিডিও নিয়ে দেখা হবে আল্লাহ হাফেজ।
আপনার স্মার্টফোনটাকে নিরাপদ রাখতে চাইলে Google এর কিছু সেটিংস আছে সেইগুলা করে রাখেন।
তাহলে দেখবেন আপনার স্মার্টফোনের তথ্যগুলো খুব সহজে কিন্তু লিক হবে না বা আপনার স্মার্টফোন থেকে কেউ তথ্য নিতে পারবে না। শুরুতেই আপনারা যে কাজটা করবেন ফোনের সেটিংসে চলে যাবেন। সেটিংসে আসার পর স্ক্রল করে নিচের দিকে আসবেন। এখানে Google নামে একটা অপশন দেখতে পারবেন। এই যে দেখেন Google।
জাস্ট আপনি এই Google এ একটা ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর এখান থেকে আপনি অল সার্ভিস নামে একটা অপশন দেখতে পারবেন। এই অল সার্ভিসে একটা ক্লিক করবেন। তারপরে এখান থেকে আপনি একটু স্ক্রল করে নিচের দিকে আসবেন। নিচের দিকে আসবেন। এখন দেখেন নিচে আসার পর আননোন ট্র্যাকার অ্যালার্টস নামে একটা অপশন রয়েছে। এইখানে আপনি ক্লিক করবেন। এখন দেখেন এখান থেকে তারা কি বলছে।
সো যদি আননোন কোনো অ্যাপস বা ওয়েবসাইট যদি আপনার ফোনটাকে ট্র্যাক করার চেষ্টা করে, ঠিক আছে? সো তখন তারা কিন্তু আপনাকে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে। যদি এটা আপনার চালু করা থাকে। অনেকের এরকম বন্ধ করা থাকতে পারে। বন্ধ করা থাকলে এই অ্যালার্টসটা চালু করে দিবেন। ওকে। সো এইটাকে যদি আপনি চালু করে দেন, তাহলে কিন্তু আপনি কোন ওয়েবসাইট বা অ্যাপস যেগুলা ভিজিট করেন, সেগুলা যদি কন্ট্রোল নিতে চায় তাহলে কিন্তু সেটা আপনি টের পাবেন এই অ্যালার্টসের মাধ্যমে। ওকে। আমরা একটু ব্যাক করে চলে আসি। পরের অপশনটাতে যাই। তারপরের অপশনটা হচ্ছে থিফ প্রোটেকশন।
এখানে যদি আমরা ক্লিক দেই। তাহলে দেখেন এই অপশনটা আমার বন্ধ রয়েছে। এটা চালু করলে কি হবে দেখেন। ধরেন, আপনি ফোনটা নিয়ে আসলে ব্যবহার করছেন এই অবস্থায় কেউ যদি ফোনটা টান দিয়ে নিয়ে যদি দৌড়ে চলে যায়, তাহলে ফোনটা কিন্তু লক হয়ে যাবে। ঠিক আছে? সে কিন্তু ফোনটা নিয়ে গেলে কিন্তু ফোনটা লক হয়ে যাবে। ছবিতে ঠিক যেরকম দেখাচ্ছে এরকম। আপনারা এই কাজটা করবেন কি? এটাকে আপনারা চালু করে রাখবেন, ঠিক আছে? এই অফলাইন ডিভাইসের লকটা ও কিন্তু আপনারা চালু করে রাখবেন। এই দুইটা জিনিস আপনারা মাস্ট বি চালু করে রাখবেন।
ওকে। তারপর আরেকটা অপশন রয়েছে রিমোট লক। এখানে ক্লিক দিয়ে এইটাকেও আপনারা চালু করে দিবেন। ঠিক আছে? তার মানে হচ্ছে যদি চোর ফোন নিয়ে চলেও যায় তারপরে এই অপশনগুলো চালু করে দিবেন অথবা আপনি দূর থেকে কিন্তু ফোনটাকে লকও করতে পারবেন। এই অপশনগুলো যদি আপনারা চালু করে রাখেন। এবং পরবর্তীতে যদি ফোনটা নিয়ে যায় আপনার সেনসিটিভ কোন ডাটা থাকে এই যে দেখেন ফাইন্ড অ্যান্ড ইরেজ ইউর ডিভাইস।
এখানে ক্লিক দিয়ে কিন্তু আপনি ডাটাগুলোকে সব কেটে দিতে পারেন। কারণ হয়তোবা থার্ড পার্টি কারো কাছে পড়লে কিন্তু আপনার সিকিউরিটি ব্যবস্থা বিঘ্নিত হতে পারে। সো, এই জিনিসটা কিন্তু সবার জন্যই অনেক বেশি দরকারই। এই কাজগুলো আপনারা অবশ্যই ফোনে করে রাখবেন। ওকে। তারপর দেখেন আরেকটা অপশন রয়েছে ফাইন্ড মাই ডিভাইস। এটা সম্পর্কে আপনারা মোটামুটি সবাই জানেন। এই ফাইন্ড মাই ডিভাইসের সাহায্যে কিন্তু আপনারা দূর থেকে বসে আপনার ফোনের আইএমইআই নাম্বারটাও কিন্তু বের করতে পারবেন।
তারপর যদি আমরা একটু স্ক্রল করে উপরের দিকে যাই। তারপর এখানে আমরা দেখতে পারবো যে পার্সোনালাইজ ইউজিং শেয়ার ডাটা। ওকে। সো এখানে যদি আমরা ক্লিক দেই তাহলে দেখেন এখান থেকে ম্যাপস, জিমেইল, তারপর হচ্ছে ক্রোম ব্রাউজার, হ্যাঁ। তারপর হচ্ছে এক্সটারনাল মিডিয়া বা ডিভাইস কন্টাক্ট এই অপশনগুলোতে কিন্তু আমরা তাদেরকে অনুমতি দিয়ে রেখেছি। এখন এখানে তারা বলছে কেন এটা দিয়েছি? Google এ যে ডেভেলপার রয়েছে তারা আসলে দেখবে যে আমরা কি কি ব্যবহার করছি বা আমাদের রুচি কি সেইটার অনুপাতে কিন্তু তারা এই ফোনটাকে আরো অনেক কিছু ডেভেলপ করার চেষ্টা করবে। ঠিক আছে? এটা একটা ভালো দিক।
বাট প্রবলেম হচ্ছে তারা অনেক সময় আমাদের ডাটা বিক্রিও করে দিতে পারে। সো আপনি চাইলে এই অপশনগুলোকে বন্ধ রাখতে পারেন। তার মধ্যে আমি এই বলবো ক্রোম ব্রাউজারটাকে শুধু বন্ধ রাখতে। ঠিক আছে? ক্রোমটাকে আর এক্সটারনাল মিডিয়াকে বন্ধ রাখবেন। ওকে। তাহলে দুইটা বন্ধ রাখলেই মোটামুটি হয়ে যাচ্ছে। তারপর আমরা একটু ব্যাক করে চলে আসি। পরের অপশনটা হচ্ছে ইউজ অ্যান্ড ডায়াগনোস্টিক। এখানে যদি আমরা ক্লিক দেই।
সো এখান থেকেও আমরা এই অপশনটা জাস্ট কি করবো? আর এই অপশনটা যদি আপনাদের অন করা থাকে এটাকে আপনারা অফ করে রাখবেন। সো এই অপশনটা দিয়ে Google এক্সপেরিমেন্ট করতে পারে। সো এটাতে আপনার ব্যাটারি লাইফটা একটু বেশি কনজিউম হতে পারে। সো দরকার কি? আপনার সিকিউরিটি ব্যবস্থাটা ও ঠিক থাকলো।
সো এটাকেও আপনি বন্ধ করে রাখবেন। ওকে। সো গাইজ এই হচ্ছে মূলত আমার আজকের ভিডিও। আশা করি ভিডিওটি আপনাদের ভালো লাগবে আর এরকম প্রয়োজনীয় ভিডিওগুলো মাস্ট বি আপনারা আপনাদের Facebook এর টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখবেন।
কারণ এটা আজকে না হোক পাঁচ বছর, দশ বছর পরে হলেও আপনার কাজে লাগবে। বিদায় নিচ্ছি আপনাদের কাছ থেকে আমি tamim। দেখা হচ্ছে নতুন ভিডিওতে। আল্লাহ হাফেজ।


