Windows 11 Tips & Tricks Bangla | 15 Powerful Features You Must Know

গতি বাড়াতে, পারফরম্যান্স উন্নত করতে এবং লুকানো ফিচারগুলো আনলক করতে উইন্ডোজ ১১-এর ১৫টি শক্তিশালী টিপস ও ট্রিকস শিখুন।

 

Windows 11 Tips & Tricks Bangla | 15 Powerful Features You Must Know

আসসালামু আলাইকুম, ওয়েলকাম টু তানভীর একাডেমি। আজকের এই ভিডিওটিতে আমরা উইন্ডোজ ইলেভেন এর পনেরোটি দারুন টিপস এন্ড ট্রিকস শিখব।

যেগুলো আমরা যারা বর্তমান সময়ে কম্পিউটার ব্যবহার করি,

 প্রত্যেকেই তো দেখা যাচ্ছে যে উইন্ডোজ ব্যবহার করি এবং সেখানে ইলেভেনটি কিন্তু আমাদের থাকে। তো আশা করি আপনাদের অনেক অনেক কাজে আসবে। তো ভিডিওর মূল টপিকে যাওয়ার আগে আপনাদের কাছে রিকোয়েস্ট, আপনি যদি আমাদের এই চ্যানেলে নতুন হয়ে থাকেন, প্লিজ হিট দা সাবস্ক্রাইব বাটন। কেন সাবস্ক্রাইব করবেন? কারণ আমাদের এই চ্যানেলে কিন্তু আমরা অফিসের যে সমস্ত সফটওয়্যারগুলো নিয়ে আমরা কাজ করে থাকি, যেমন এক্সেল, ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট, পাওয়ার বিআই, এসকিউএল এবং এই যে কম্পিউটারের টিপস এন্ড ট্রিকস এগুলোর উপরেই কিন্তু আমরা ভিডিও দিয়ে থাকি, যেগুলো আপনার প্রফেশনাল লাইফের জন্য খুবই খুবই উপকারে আসবে। আমাদের যে ডেটা অ্যানালাইসিস রিলেটেড যেই ভিডিওগুলো আছে সেগুলো দেখবেন, অনেক অনেক কাজে আসবে। তা চলুন আজকের টিপসগুলো দেখি।

 ওকে, তো দেখুন প্রথম যে টিপসটি আমরা দেখব সেটা হলো যে ডিফল্ট ব্রাউজার। যেমন আমরা কখনো যদি কোন কিছু ব্রাউজ করি, দেখা যায় যে আমাদের ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে আপনারা যদি একটু নিচের দিকে তাকান এখানে কিন্তু আমার মাইক্রোসফট এইজ আছে, তারপরে গুগল ক্রোম আছে এবং মজিলা আছে। তো এই যে তিনটা আছে দেখা যায় যে আপনার গুগল ক্রোম ব্রাউজার ওপেন হচ্ছে বা মাইক্রোসফট এইজ হচ্ছে বা মজিলা ফায়ারফক্স হচ্ছে। আপনি চাচ্ছেন গুগল ক্রোমটি যেন ডিফল্ট হিসেবে থাকে। তো এটা কিভাবে সেট করবেন? তো এজন্য আমরা যে কাজটি করব, আমাদের কিপ্যাডের যে উইন্ডোজ এবং আই বাটনটি আছে, এটা চাপ দিবেন। যখনই আপনি উইন্ডোজ এবং আই বাটনে চাপ দিবেন, দেখতে পারবেন আপনার সামনে এই ইন্টারফেসটি আসবে। একটু যদি দেখি যে এই যে অ্যাপস লেখা আছে, এই অ্যাপসে আপনি ক্লিক করবেন। যখনই অ্যাপসে ক্লিক করবেন ডানপাশে দেখতে পারবেন এখানে ডিফল্টস অ্যাপস আছে। তো আমরা এখন এটাই ক্লিক করব। যখন এটা ক্লিক করব স্ক্রল করে নিচে আসবেন। যেমন আপনি ব্রাউজের জন্য কোনটা কে ডিফল্ট হিসেবে ব্যবহার করতে চাচ্ছেন সেট ডিফল্ট ফর অ্যাপ্লিকেশন। 

এখানে কিন্তু আমরা যদি স্ক্রল করে নিচে আসি, যেমন এখানে মজিলা আছে, মজিলা এই অ্যারোতে যদি যান, মজিলা আসলে কোন কোন ক্ষেত্রে আপনার ডিফল্ট হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে, এখানে কিন্তু আপনি দেখতে পারতেছেন। এখানে দেখুন এই যে পিডিএফ আমাদের এক্সটেনশন যেটা আছে এই পিডিএফ ফাইলটা যখনই আমরা কোন পিডিএফ ফাইল হবে এটা যদি ওপেন করি, মাইক্রোসফট এইজে ওপেন হবে। তখন আমরা কি করব, এটা ক্লিক করতে পারি। এটা যখন ক্লিক করব, ক্লিক করলে কিন্তু আমাদের সামনে দেখতে পারবেন আসলে ডিফল্ট হিসেবে আপনি কাকে সেট করবেন। যেমন এখন থেকে পিডিএফ এ যদি ক্লিক করেন, তাহলে কি আপনি গুগল ক্রোমে ওপেন হবে? নাকি ফায়ারফক্স ওপেন হবে? কোনটা ওপেন করতে চাচ্ছেন, এখান থেকে সিলেক্ট করে জাস্ট এই ডিফল্ট সেট ডিফল্টে যদি ক্লিক করে দেন, কাজ হয়ে যাবে। তো এই ডিফল্ট অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে আমরা কিন্তু অনেক সমস্যা ফেস করে থাকি, তো আশা করি এই টিপসটি আপনাদের উপকারে আসবে। এরপরে দ্বিতীয় নাম্বার যে টিপসটি আমরা দেখব, আমাদের কম্পিউটারের যে ডার্ক যে মুডটা। আমরা যদি একটু এই এখান থেকে দিস পিসিতে যাই, দিস পিসিতে গেলে আপনারা দেখতে পারতেছেন, এখানে কিন্তু আমার লাইট অপশনটি আছে। অথবা আমরা যদি সিস্টেমেও যাই, সেখানেও দেখতে পারব যে লাইট অপশন থাকে। তো দেখুন এটাকে আমরা ডার্ক করতে পারি কিভাবে।

 তো এজন্য আবার আমি উইন্ডোজ এবং আই বাটনে চাপ দিব। তাহলে হলো কি আমাদের উইন্ডোজ আই বাটনে চাপ দিলেই কিন্তু এই হোম অপশনটি আসবে। তো এখান থেকে আমরা যেখানে যাব সেটা হলো যে পার্সোনালাইজেশন, এইটাই আমরা ক্লিক করব। তো এটা যখন আমরা ক্লিক করব, ক্লিক করার পরে এই অপশনটি আমাদের সামনে চলে আসবে। তো এই জায়গায় আসার পরে আমরা যে কাজটি করব, এখান থেকে আমরা এই কালার আছে, কালারে ক্লিক করব। কালারসে ক্লিক করার পরে আমরা এখানে কিন্তু দেখতে পারব যে চুজ ইউর ডিফল্ট উইন্ডোজ মুড। এখানে কি দেওয়া আছে ডার্ক, আপনি অবশ্য ডার্ক দিয়ে দিবেন। এবং চুজ ইউর ডিফল্ট অ্যাপ মুড। এখানে গিয়ে যদি আমি এখন ডার্ক করে দিই, অথবা এই যে দেখুন সবই কিন্তু ডার্ক হয়ে গেল এবং চুজ ইউর মুড এখান থেকেও যদি আপনি ডার্ক করে দেন, তাহলে কিন্তু দেখবেন যে সব ডার্ক হয়ে যাবে। তো এখন আমরা দেখতে পারতেছি আমাদের স্ক্রিন কিন্তু পুরোপুরি ডার্ক মোডে আছে। তো এখন আপনি যদি এটা ক্লোজও করে দেন, আমরা যদি এই দিস পিসিতেও যাই, দিস পিসিতে এগুলো এখনো কিন্তু এখানেও কিন্তু আমরা ডার্ক মুড দেখতে পাব। তো ডার্কটা ওপেন করে রাখবেন তাহলে হলো কি আপনার চোখটা কিন্তু অনেক সেফ থাকবে। তা আমাদের ডিভাইসে যদি ব্রাইটনেস বেশি থাকে, এটা কিন্তু চোখের ক্ষতি করে। তৃতীয় নাম্বার টিপসটি হল আমরা এখন স্ক্রিনে দেখতে পারতেছি, দেখুন আমাদের যেই ড্রাইভগুলো আছে এখানে সি ড্রাইভ, ডি ড্রাইভ এবং ই ড্রাইভ। এখানে কিন্তু স্পেস অনেক বেশি দেখতে পাই তাই না। তো এই স্পেসগুলো আসলে কেন আমাদের বেশি হয়ে যায়? তো আমরা এটা কিন্তু অনেক সময় বুঝতে পারি না। 

তো এজন্য আপনি সবসময় যে কাজটি করবেন, অলওয়েজ যে কাজটি করবেন, এটা কিন্তু ক্লিন করবেন। তো আমরা যারা উইন্ডোজ ইলেভেন ব্যবহার করি, উইন্ডোজ টেন এ কিন্তু এই সুবিধাটা ছিল সেটা হল যে যেই ড্রাইভটা আপনি ক্লিন করতে চাচ্ছেন, সেটার উপরে এসে যদি রাইট বাটন ক্লিক করেন এবং এখানে শো মোর অপশনে গিয়ে আমরা কি করতে পারি প্রপার্টিসে ক্লিক করলে এখান থেকে এসে কিন্তু আমরা এই যে ডিটেইলসে ক্লিক করলে এটা চলে আসত। 

বাট এখন কিন্তু সেটা আসে না। তো এক্ষেত্রে আসলে কি করবেন? এক্ষেত্রে আমরা যে কাজটি করব, এই যে নিচে যে সার্চ বক্সটি আছে, এই সার্চ বক্সে গিয়ে আপনি ক্লিক করবেন এবং এখানে লিখবেন যে ক্লিন। যখনই আপনি এখানে ক্লিন লিখবেন, এই যে ডিস্ক ক্লিনআপ কিন্তু চলে আসবে। এটা ক্লিক করবেন। এটা ক্লিক করার পরে আপনার সামনে এমন ভাবে আসবে। এখন আপনি এই সি ড্রাইভ আছে, জাস্ট এখানে ওকেতে ক্লিক করবেন। তারপরে দেখতে পারবেন এটা কিন্তু এমন ভাবে আসল। এখন দেখুন এখানে কিন্তু আমার এই এই যে একটা অপশন, এটা আটশ আট এমবি। এটা আমার প্রয়োজন নেই। এটা আমরা এখন ক্লিন করে দেবো। তাহলে এটা সিলেক্ট করলাম, সিলেক্ট করে এই টেম্পোরারি ফাইল এটা সিলেক্ট করলাম এবং করে জাস্ট ওকে দিলাম, তারপরে আবার ডিলিট ফাইল দিলাম। তাহলে দেখতে পারবেন এটা আমার এখন স্পেস কতটুকু আছে যে একশ সাঁইত্রিশ জিবি ফ্রি দুইশ ঊনআশি জিবি কিন্তু আপনার ঊনআশি জিবির ভিতরে একশ সাঁইত্রিশ জিবি ফ্রি আছে।

 তো আমরা আমাদের কিন্তু কাজ এটা হয়ে গেছে আমাদের সম্ভবত মনে হয় হ্যাঁ আমরা এখন যদি এখানে গিয়ে জাস্ট একটা রিফ্রেশ দিই, তাহলে দেখুন একশ আটত্রিশ জিবি কিন্তু ফ্রি হয়ে গেল।


ওকে। এরপরের যেই টিপসটি আমরা দেখব সেটি হল যে আমরা অনেক সময় দেখতে পাই যে আমাদের নিচের যে দেখুন এখানে টাইম আছে। এই নিচে আমরা টাস্কবারে যদি দেখি এখানে আমাদের যে ডেট এবং টাইম আছে আমরা দেখতে পারতেছি দশটা দশ অক্টোবর দুই হাজার পঁচিশ দেখাচ্ছে। তো অনেক সময় দেখা যায় যে এটা আমাদের মাস এখানে প্রথমে থাকে তারপর আমাদের যেই দিন এটা মাঝখানে থাকে, এভাবে কিন্তু আমাদের থাকে। তো এইটা কিভাবে চেঞ্জ করবেন উইন্ডোজ ইলেভেন যারা ব্যবহার করেন। এজন্য আমরা যে কাজটি করব, এখান থেকে আমরা টাইম এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ, উইন্ডোজ আই বাটনে চাপ দেওয়ার পরে এই ইন্টারফেসটি আসবে এবং এখান থেকে টাইম এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ এখানে আসবো। তো এই অপশনটি আসার পরে এখান থেকে আমরা ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড রিজিওন এইটাই সিলেক্ট করব। এটা সিলেক্ট করার পরে স্ক্রল করে একটু নিচে আসবেন। নিচে আসার পরে আমরা যে কাজটি করব, এই যে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ল্যাঙ্গুয়েজ সেটিংস এখানে ক্লিক করবেন। তো আমরা এখন এটা ক্লিক করলাম, এই যে ডায়ালগ বক্সটি আসবে এখান থেকে আপনি ফরমেটসে ক্লিক করবেন। কোথায়? ফরমেটস আবারও বলি। এবং এই জায়গাটা কোন পরিবর্তন করবেন না। 

সতর্ক থাকবেন এখানে পরিবর্তন করলে কিন্তু সর্বনাশ। আমরা পরিবর্তন করব কোথায়? আমরা এই যে নিচে যে অ্যাডিশনাল সেটিংস দেখতে পারতেছি এটা ক্লিক করব। এবং এখন যে ডায়ালগ বক্সটি আসল এখান থেকে আমরা এই প্রথম নাম্বার যেটা থাকবে বাই ডিফল্ট এখানেও কিন্তু চেঞ্জ করব না। আমরা করব কোথায়? এই যে ডেট আর এই যে টাইম এই দুটাই করব। তো আমি এখন যদি ডেটে আসি, ডেটে এসে এই যে শর্ট ডেট আপনি কোন ডেট ফরম্যাট দিবেন। এম ফর মান্থ, ডি ফর ডে, ওয়াই ফর ইয়ার। তো বাই ডিফল্ট আমরা যখন নতুন কোন কম্পিউটার কিনি তখন কিন্তু এই অপশনটা থাকে ওয়াই ওয়াই এম এম ডি ডি। তো আপনি যে কাজটি করবেন এখানে এসে আমি আসলে যেটা চুজ করেছি যে ডি ডি ফর দিন, এম এম ফর মান্থ, ওয়াই ওয়াই আমি এটা দিয়েছি। 

ওকে। তো এভাবে আপনি দিয়ে দিবেন। এবং এখানে কিন্তু আমাদের দেখাচ্ছে যে কেমন দেখাবে অপশনটা কিন্তু দিয়ে দিচ্ছে। এবং আমাদের ক্যালেন্ডারের যেই দিনটা থাকে আমরা যখন এই ক্যালেন্ডার এই নিচ থেকে ওপেন করি দেখা যায় আমি যদি একটু ওপেন করি এখানে কেমন দেখাচ্ছে দেখুন। এখানে কিন্তু সানডে। আমাদের কি হচ্ছে রবিবারটা ক্যালেন্ডারের প্রথম দিন হচ্ছে। যদি আপনি চান যে না রবিবার না শুক্রবারটা ক্যালেন্ডারের প্রথম দিন হবে, এটাও কিন্তু সেট করতে পারবেন। কিভাবে পারবেন? এই যে এখানে যেখানে এসে আমরা তারিখটা চেঞ্জ করলাম, এই জায়গায়টাই দেখতে পারবেন ফার্স্ট ডে অফ উইক্স এখানে আসবেন।


এখানে এসে আমরা যে কাজটি করব, এখন আপনি টাইম ফরম্যাটটা কিভাবে দেখবেন? এই অ্যারোতে আসবেন এখানে এইচ এম এম এভাবে দেওয়া আছে। তো আমার যেটা দেওয়া আছে দেখুন এখানে আমি কিন্তু দশটা চৌত্রিশ পিএম দেওয়া আছে। তো আমরা এখন শর্ট টাইমের ক্ষেত্রে কিভাবে দিবেন? যে আপনি ঘন্টা যেই পার্টটা আছে আওয়ারস পার্টটা কি ফুল দুটা ভ্যালুতে দেখতে চাচ্ছেন কিনা দুটা ডিজিটেই দেখতে চাচ্ছেন কিনা আর মিনিটটা যেভাবে আছে আমি এই অপশনটি চুজ করেছি। তাহলে আপনি এখান থেকে যে অপশনটি নিবেন নিয়ে এপ্লাই করে দেখবেন যে আসলে আপনার টাইমটা কেমন হচ্ছে। ক্লিয়ার লং টাইমের ক্ষেত্রে কিভাবে দিবেন এখান থেকে দিতে পারবেন বা সিম্বল কোন স্টাইলের হবে এএম পিএম এটা যেমন আছে এমনই থাকুক। তারপরে আমরা যে কাজটি করব, জাস্ট এপ্লাই এবং ওকে দিয়ে দেবো। তাহলে দেখতে পারবেন আবার এখানে এপ্লাই এবং ওকে দিয়ে দেবো। আপনার নিচের টাইম ফরম্যাট এবং যে ডেট ফরম্যাট আছে পাশাপাশি ক্যালেন্ডারের যে দিনের ফরম্যাট আছে, এগুলো কিন্তু খুব সুন্দর ভাবে পরিবর্তন হয়ে যাবে। তো আমরা আমাদের নিচের টাস্কবারে যদি আসি দেখুন এই যে টাস্কবারে কত আইকন আমরা দেখতে পারতেছি। আমার যে প্রয়োজনীয় আইকনগুলো আছে এখানে আমরা এক্সেল দেখতে পারতেছি, ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট, এই আইকনগুলো দেখতে পারতেছি। 

এগুলো আসলে আপনি কিভাবে টাস্কবারে আনবেন। আপনি যেকোন সফটওয়্যার যদি ইন্সটল করেন, ইন্সটল করার পরে যেকোন সফটওয়্যার কে কিন্তু আপনি সফটওয়্যারের যে শর্টকাট আইকনটি আছে সেটা কিন্তু টাস্কবারে নিয়ে আসতে পারবেন। তো এজন্য যে কাজটি করতে হবে আপনার এই টাস্কবারের নিচে যে সার্চ যে অপশনটি আছে এইটাই আপনি ক্লিক করবেন। এটা ক্লিক করার পরে এখন আপনি কোনটাকে এখানে আনতে চাচ্ছেন? জাস্ট সেই সফটওয়্যারটি বা সেই প্রোগ্রামটির নাম লিখবেন। আমি যদি যাই এক্সেল, দেখুন আমি এখানে এক্সেল লিখলাম। এখানে কিন্তু আমার এক্সেলটা চলে আসলো। এই এক্সেলের উপরে এসে রাইট বাটন ক্লিক করবেন। দেখুন আমার এটা চলে গিয়েছে আমি হাইলাইট করে দেখিয়েছিলাম এজন্য। আমি এইখানে এসে যদি আবার এক্সেলকে লিখি, এক্সেলকে লেখার পরে যেকোন, যেই সফটওয়্যারই চান আপনি এখানে জাস্ট টাইপ করে লিখবেন। 

লেখার পরে এখানে এসে রাইট বাটন ক্লিক করবেন। রাইট বাটন ক্লিক করার পরে এই জায়গাটায় দেখতে পারবেন যে পিন টু টাস্কবার লেখা থাকবে। তো অলরেডি যেহেতু আমার এক্সেল যে প্রোগ্রামটি আছে সেটা পিন করা আছে এজন্য এখানে আনপিন দেখাচ্ছে। তো আপনি এখানে পিন টু টাস্কবার দেখবেন, তখন কিন্তু এই টাস্কবারে আপনার ওই আইকনটি দেখতে পারবেন। জাস্ট পিন করে দিলেই হয়ে যাবে। এখন কথা হল এই টাস্কবারে যখন আপনার আইকনগুলো আসতেছে, আপনি চাচ্ছেন এটাকে একটু অর্গানাইজড করতে মানে আশেপাশে সরাতে বা কোনটাকে আগে পরে নিবেন এইভাবে করতে। তাহলে যে কাজটি করবেন, যেইটাকে আপনি মুভ করতে চাচ্ছেন সেটার উপর মাউসের কার্সার নিয়ে জাস্ট আপনি যেই জায়গা নিবেন, ডানে বামে কোথায় নিবেন সেভাবে নিয়ে কিন্তু আপনি এটাকে সেট করে দিতে পারেন। আমরা যারা উইন্ডোজ ইলেভেন ব্যবহার করি, তারা কিন্তু আমরা চাইলে যদি কোন লেখালেখির ভিতরে আপনি ইমোজি ব্যবহার করতে চান। যেমন আপনি ডেস্কটপে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতেছেন বা আপনি যখন ফেসবুকে কোন পোস্ট দিবেন। সেই মুহূর্তে কিন্তু আপনি ইমোজিগুলো ব্যবহার করতে পারবেন। কিভাবে করতে পারবেন? ধরুন আমি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড প্রোগ্রামটি যদি ওপেন করি। এখানে আমি ওয়ার্ড প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে দেখাচ্ছি। 

এখানে আমি একটা ব্ল্যাঙ্ক ডকুমেন্ট নিলাম। নেওয়ার পরে এখন আপনি ইমোজিটি যেভাবে ব্যবহার করবেন, উইন্ডোজ ডট বাটনে চাপ দিবেন। যখনই উইন্ডোজ ডট বাটনে চাপ দিবেন, আপনার সামনে কিন্তু ইমোজির গ্যালারি চলে আসবে। এইখানটায় দেখতে পারবেন এই যে ইমোজি আইকন আছে, যদি আপনি এখন এটা ক্লিক করেন, আমার এটা চলে গিয়েছে। আবার যদি উইন্ডোজ ডট দিই, এটা ক্লিক করলে এখানে কিন্তু সব ইমোজি দেখতে পারবেন। যেই টাইপের ইমোজি চান, যেমন আমি এই ইমোজি নিলাম, তারপরে এখানে আমি এই ইমোজি নিলাম। যেটা দিবেন দেখুন উপরে কিন্তু ইমোজিটা চলে আসতেছে। এখানে অনেক ইমোজি আছে। এক একটা ক্লিক করলেই কিন্তু সেই টাইপের ইমোজিগুলো আপনার এখানে চলে আসতেছে। এবং এইটা আপনি কিভাবে ব্যবহার করতে পারবেন? আপনি যদি চান এটাকে দরকার হলে আপনি যখন ফেসবুকে পোস্ট দিবেন বা কোন আর্টিকেল লিখতেছেন সেখানে কিন্তু খুব সুন্দরভাবে ব্যবহার করতে পারেন। ওকে আমাদের যাদের চোখের সমস্যা দেখা যায় যে কম্পিউটারে যে লেখাগুলো আছে, এগুলো খুব ছোট ছোট দেখায়।

 আপনি চাচ্ছেন যে ডিফল্ট ভাবে আসলে এটা চেঞ্জ করা যায় কিনা যে কম্পিউটারের যে লেখাগুলো আছে, এগুলো একটু বড় দেখাবে। তো এটা আসলে কিভাবে করবেন? তো এজন্য আমি আবার উইন্ডোজ আই বাটনে চাপ দিলাম। আমাদের যে সেটিংসটা কিন্তু আমাদের এখানে ওপেন হয়ে গেল। এবং এখান থেকে আমরা যে কাজটি করব, এই জায়গাটাই দেখুন এই যে এক্সিবিটি এইটা আমরা ক্লিক করব। তা যখনই আমি এটা ক্লিক করলাম, এখানে প্রথমে উপরে কিন্তু দেখতে পারবেন টেক্সট সাইজ এটা কিন্তু লেখা আছে। তো আমরা এইটাই যখন ক্লিক করব, এই ডানপাশে দেখুন এখান থেকে আপনি কতটুকু বাড়াতে চান আমার কিন্তু উপরে দেখতে পারতেছি যে এটা কতটুকু দেখাবে। তো আমি যদি এখন এটাকে একশ ধরুন পঁচিশ করে দিচ্ছি এখান থেকে, পঁচিশ করে দিয়ে যদি এখন এপ্লাই করে দিই। তো কিছুটা সময় নিয়ে কিন্তু দেখতে পারবেন যে এটা কিন্তু এপ্লাই হয়ে গিয়েছে এবং সব কিন্তু এখন বড় বড় দেখাচ্ছে। যদি আমি এটা একটু ক্লোজও করে দিই যে এটা কি আসলে সব ক্ষেত্রে বড় বড় দেখাবে কিনা? দেখুন আমি যদি এখন গুগল ক্রোম ব্রাউজারটি ওপেন করি।

 এবং ওপেন করার পরে এখানে যদি আনি দেখুন এটা কিন্তু বড়ই দেখাচ্ছে যথেষ্ট। এবং আমরা যদি এখন এখানে আসি, আসার পরে আমি এখন এখানে ওয়েবসাইট ভিজিট করি যে তানভীর একাডেমি দিলাম আমাদের তানভীর একাডেমি। এটা লিখে যদি সার্চ করি, এখানে কিন্তু ডানপাশে দেখা যাচ্ছে তানভীর একাডেমি দিই। আমি এটা ক্লোজ করে দিই। সবকিছুই কিন্তু বড় বড় দেখাচ্ছে। এবং আপনি যদি এখন এটা ক্লোজও করেন এবং মাইক্রোসফট এক্সেল প্রোগ্রামটি যদি আমরা ওপেন করে দেখি যে আমাদের এক্সেলের ইন্টারফেসটি কেমন দেখায়।


মানে আপনার চোখের যদি প্রবলেম থাকে তাহলে আপনি কিন্তু এটা বড় করে ফন্ট সাইজ বড় করে ব্যবহার করতে পারেন। হ্যাঁ যথেষ্ট কিন্তু বড় দেখাচ্ছে দেখুন সবকিছু আমার উপরে উপরে বড় বড় করে কিন্তু দেখাচ্ছে। তো এই মেথডটি আপনারা ব্যবহার করতে পারেন। এবারের যেই টিপসটি দেখব, এটা কিন্তু দারুন কাজে আসবে। আপনারা যে কাজটি করতে পারেন যে আপনাদের আমরা যারা কম্পিউটার ব্যবহার করি এটা কিন্তু যে ডিভাইসের যে অপশনটি আছে যে আপনি চাচ্ছেন যে ডিভাইস লোকেশন বা এগুলো সার্চ করে দেখতে বা ফাইন ডি ডিভাইস এটা করতে। তো এই অপশনটা কিন্তু আপনি কম্পিউটারে অন করে দিতে পারেন। এটা কিভাবে করবেন দেখুন। আমি উইন্ডোজ আই বাটনে চাপ দিলাম আবার। এখানে আসার পরে এই আমাদের সেটিংস এখানে আসার পরে আমরা নিচে দেখতে পারব প্রাইভেসি এন্ড সিকিউরিটি। এখানে আসবো। 

এখানে এসে যে কাজটি করবেন ফাইন্ড মাই ডিভাইস এটা আসবেন। এখানে এটা ক্লিক করবেন। এবং ক্লিক করে এই যে ফাইন্ড মাই ডিভাইস এটা অবশ্যই অন করে দিবেন, অন করে দিবেন এবং এখানে কি কি কোন কোন একাউন্টগুলো দিয়েছেন। যেমন এই উপরে যদি ম্যানেজ একাউন্টে ক্লিক করি, আপনি দেখতে পারবেন যে আপনার যে একাউন্টগুলো আছে সেগুলো এখানে থাকলেই কিন্তু খুব সহজেই আপনি এটা কিন্তু ফাইন্ড মানে খুঁজে বের করতে পারবেন এখানে এসে অ্যাড একাউন্ট করতে পারবেন।

 তো আমরা অবশ্যই অবশ্যই যে কাজটি করব, এখান থেকে আবার যদি আমি এখানে আসি, ফাইন্ড মাই ডিভাইস এটা অবশ্যই অন করে দিবেন। এটা কিন্তু অনেক কাজে আসবে। সি অল ইওর ডিভাইস লিংকড ইওর একাউন্ট এবং এখানে বসে কিন্তু আপনি দেখতে পারবেন যে আপনার ডিভাইসটি কোথায় আছে, কোথায় কোথায় যাচ্ছে সবকিছু কিন্তু এখানে বসে হ্যান্ডেল করতে পারবেন। আমাদের আরেকটি অপশন আছে সেটা হল ক্লিপবোর্ড। আপনি যদি উইন্ডোজ ইলেভেন ব্যবহার করে থাকেন, অবশ্যই ক্লিপবোর্ডটা অন করে দিবেন। ক্লিপবোর্ডটা কি কি কাজে লাগে? আমরা এই ইন্টারফেসে আসার পরে এখান থেকে সিস্টেমে ক্লিক করব। 

Windows 11 Tips & Tricks Bangla | 15 Powerful Features You Must Know

এখানে দেখুন, সিস্টেমে ক্লিক করব। এবং সিস্টেমে ক্লিক করে স্ক্রল করে নিচে আসবেন। নিচে আসার পরে এখানে দেখতে পারবেন ক্লিপবোর্ড আছে। এই যে ক্লিপবোর্ডটা ক্লিক করবেন। ক্লিপবোর্ডটা যখন ক্লিক করবেন, এখান থেকে কিন্তু অবশ্যই এটা অন করে দিবেন। তাহলে এটার সুবিধাটা কি? দেখুন, আপনি যখন কোন কিছু লিখবেন যেমন আমি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ওপেন করতেছি এবং ব্ল্যাঙ্ক ডকুমেন্টটা আমি আসলাম। আমি যদি এখন ক্লিপবোর্ডটা কিভাবে আসে? উইন্ডোজ ভি বাটনে চাপ দিবেন। উইন্ডোজ ভি বাটনে যখন চাপ দিবেন, তখন কিন্তু দেখতে পারবেন কিছু সময় আগে আপনি যেগুলো কপি করে এসেছেন সব কিন্তু এখানে খুব সুন্দরভাবে আসে দেখুন। এগুলো এখন চাইলেই কিন্তু পেস্ট করতে পারবেন। 

যেমন আমি আবার উইন্ডোজ ভি দিই। যেমন আমি এটাকে পেস্ট করতে চাচ্ছি দিলাম, এন্টার দিলাম। আবার উইন্ডোজ ভি দেন এবং এখানে আমি এটাকে পেস্ট করলাম। অর্থাৎ আপনি যেটা কপি করে আসবেন এখানে কিন্তু উইন্ডোজ ভি দিলে ক্লিপবোর্ড হয়ে থাকবে। চাইলে আপনি এখানে পিন করেও রাখতে পারবেন যে কোন একটা লেখা আপনি চাচ্ছেন যে এটাকে আমি বারবার কপি করা লাগে কিন্তু কপি না করে আমি চাচ্ছি এখানে পিন করে রাখতে। যেমন আমি কিন্তু এখানে দেখুন, স্ক্রল করে যদি নিচে যাই আমি কয়েকটা পিন করে রেখেছি। আমার কেন পিন করে রাখতে হচ্ছে? কারণ হলো কি এই যে আপনার আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ আমাদের এমএস অফিস এটা কিন্তু আমি পিন করে রেখেছি। কারণ এই লিংকটা আমাকে আমার যে শিক্ষার্থীরা আছে বা আমার পেজে যারা নক করে তাদেরকে মাঝে মধ্যে আমার পেস্ট করতে হয়। তো এইটা বারবার কপি করা উইন্ডোজ ভি দিয়া বারবার আমি আনলাম, বারবার কপি করে পেস্ট করা এটা আমার কাছে একটু বিরক্ত লাগে, সময় নিয়ে নেয়। তো এজন্য আমি এখান থেকে কি করেছি? এগুলো জাস্ট এই যে ক্লিক করে পিন করে দিয়েছি। তো আপনারা এগুলো পিন করে দিলে হবে কি, এটা আপনার এখানে থেকে যাবে। 

থাকলে আপনি পরবর্তীতে কিন্তু খুব সুন্দরভাবে এটা পেস্ট করে দিতে পারবেন। ক্লিয়ার তো ক্লিপবোর্ডটা দারুণ একটা ব্যবহার কিন্তু। তো আমরা যারা উইন্ডোজ ইলেভেন ব্যবহার করি তারা আসলে কিভাবে যে স্ক্রিনশট আছে এটা কিভাবে নিবেন? এই স্ক্রিনশট নেওয়ার জন্য আপনাকে যে কাজটি করতে হবে উইন্ডোজ বাটন, শিফট বাটন এবং এস বাটনে চাপ দিবেন। যখন উইন্ডোজ, শিফট এবং এস বাটনে চাপ দিবেন এস, তখন কিন্তু দেখতে পারবেন আপনার সামনে উপরে একটা আইকন আসবে এবং আপনি কিন্তু খুব সুন্দরভাবে স্ক্রিনশট নিতে পারবেন। আমি এখানে দেখাতে পারতেছি না এই কারণেই কারণ আমি ক্যামটেসি দিয়ে রেকর্ডিং করতেছি। এই কিবোর্ড শর্টকাটটি ব্যবহার করলে দেখা যাবে যে আমার রেকর্ডিংটা পজ হয়ে যাবে। তো এজন্য আপনার আবারও বলে দিচ্ছি উইন্ডোজ, শিফট এবং এস বাটনে চাপ দিবেন। তখন আপনি নির্দিষ্ট জায়গাই কিন্তু আপনি চাইলে স্ক্রিনশট নিতে পারবেন। আমরা অনেক সময় চাই যে আমাদের যে নোটিফিকেশনটা, যারা উইন্ডোজ ইলেভেন ব্যবহার করেন দেখা যায় যে নোটিফিকেশনটা অটোমেটিক চলে আসে। তো এই নিচে দেখুন এই নোটিফিকেশন কর্নারে আইকনটি আছে। তো এটা যদি আমি এখন ক্লিক করি, উপরে দেখুন এই নোটিফিকেশন বারটি আছে। আপনি এখানে এই নোটিফিকেশন সেটিংসে যাবেন।

 এটা যখন ক্লিক করবেন, নোটিফিকেশন সেটিংস বা সার্চ বক্সে লিখলেও কিন্তু চলে আসবে। জাস্ট এখান থেকে কি কি কি করবেন? নোটিফিকেশনটা অফ করে দিবেন। ওকে। এখন আমরা যেটা দেখব যে আমরা যারা উইন্ডোজ ইলেভেন ব্যবহার করতেছি তাদের কিন্তু মাইক্রোসফট স্টোর নামে একটা অপশন আছে। এইটা কিন্তু এখান থেকে আপনি আপনার যে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলো আছে সেগুলো কিন্তু ডাউনলোড করতে পারেন। এবং এখান থেকে ডাউনলোড করাটাই কিন্তু বেস্ট। যেমন আমরা যারা অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করি তারা কি করি? প্লে স্টোর থেকে কিন্তু আমরা ইন্সটল করে থাকি। তো আপনি এই নিচে যখন এই যে সার্চ বার্ট যেটা আছে এইটা যদি ক্লিক করেন, এখানে আপনি লিখবেন কি মাইক্রোসফট স্টোর। আমি যদি এখন এখানে মাইক্রোসফট লিখি, মাইক্রোসফট লেখার সাথে সাথে কিন্তু স্টোরটা চলে আসবে। মাইক্রোসফট স্টোর পুরোটা লিখবেন। এটা যখন ক্লিক করবেন, এটা ক্লিক করার পরে এটা কিছুটা সময় নিয়ে এখানে ওপেন হবে লাইক প্লে স্টোরের মতো। এখন এখানে এসে আমরা এই সার্চ বক্সে আপনি কোন টাইপের সফটওয়্যারটা চাচ্ছেন? যেটা চাচ্ছেন এখানে এসে লিখবেন। যেমন আপনি হোয়াটসঅ্যাপ যদি চান, হোয়াটসঅ্যাপ লিখবেন এখানে কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপ চলে আসবে। যেই সফটওয়্যারটি চাচ্ছেন এখানে লিখবেন। 

মাইক্রোসফট স্টোরের যতগুলো আছে সবই কিন্তু এখানে আসবে এবং এখান থেকে যদি আপনি ইন্সটল করেন তাহলে এটা দারুণ হয় কিন্তু। আপনি চাইলে টেলিগ্রাম, ফেসবুক, আমি তারপর যদি লিংকডইন, আমি কিন্তু আমার প্রয়োজনীয় যত সফটওয়্যারগুলো আছে যেমন আমি পাওয়ার বিআই ব্যবহার করি, আমি কিন্তু পাওয়ার বিআইও এখানেও যদি আপনি লিখেন। পাওয়ার বিআই লিখি যে এন্টার দিই। দেখুন এখানে কিন্তু পাওয়ার বিআই চলে আসবে। এই যে পাওয়ার বিআই চলে আসলো অলরেডি আমার এখানে ইন্সটল করা। যদি আমি এখানে অফিস থ্রি সিক্সটি ফাইভ যদি আমি এখানে লিখে যদি এন্টার দিই। দেখুন অফিস থ্রি সিক্সটি ফাইভও কিন্তু আমার এখানে চলে আসবে। আপনি এখান থেকে পারচেজ করে নিতে পারবেন। যেমন আমারটা মাইক্রোসফট থ্রি সিক্সটি ফাইভ ফ্যামিলি এখানে কিন্তু অলরেডি দেওয়া আছে। তো এই জায়গা থেকেই কিন্তু আপনি এগুলো ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে পারবেন। আপনাকে কষ্ট করে সফটওয়্যার গুলো দূর থেকে খুঁজতে হবে না কিন্তু। তো ডিয়ার ভিউয়ার্স আজকের ভিডিওটিতে আমরা পনেরোটি টিপসের কথা বলেছি আমি মনে মনে আপনাদের সাথে বেশিও শেয়ার করে ফেলেছি। তো সামনে আরও যদি আমি টিপস এন্ড ট্রিপসগুলো জানি নতুন কিছু আপনাদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করব। 

Windows 11 Tips & Tricks Bangla | 15 Powerful Features You Must Know

তো যদি এই ভিডিওটি ভালো লেগে থাকে একটি লাইক দিবেন আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করতে ভুলবেন না। সবাই ভালো থাকবেন আসসালামু আলাইকুম।


Post a Comment