টেলিগ্রাম নাকি হোয়াটসঅ্যাপ কোনটি বেস্ট | WhatsApp vs Telegram

WhatsApp নাকি Telegram — কোন অ্যাপে বেশি ফিচার, সিকিউরিটি ও স্পিড? আজকের ভিডিওতে দেখুন সম্পূর্ণ তুলনা ও সেরা অ্যাপের সত্যটা!

 

টেলিগ্রাম নাকি হোয়াটসঅ্যাপ কোনটি বেস্ট | WhatsApp vs Telegram

আজকালকার দিনে কম বেশি সবাই হোয়াটসঅ্যাপ ইউজ করে। কিন্তু অনেকেই জানে না যে হোয়াটসঅ্যাপ থেকে টেলিগ্রাম এর সুবিধা হাজার গুণ বেশি। আবার কিছু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের সুবিধা রয়েছে। 

যে কারণে আজকের ভিডিওতে চরম যুদ্ধ হবে টেলিগ্রাম ভার্সেস হোয়াটসঅ্যাপ এর মধ্যে। তাহলে দেরি করছি কেন? চলুন শুরু করি। 

নাম্বার ওয়ানে কথা বলব সিকিউরিটি নিয়ে। কারণ মেসেজিং অ্যাপের ক্ষেত্রে সিকিউরিটি কিন্তু সবচেয়ে বেশি ইম্পর্টেন্ট। হোয়াটস এর সমস্ত মেসেজগুলা এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন করা থাকে। যার ফলে আপনি যাকে মেসেজ করছেন সেই মেসেজটা শুধুমাত্র আপনি এবং সেই ব্যক্তি দেখতে পারবে। এছাড়াও WhatsApp কোম্পানির কোন কর্মকর্তারাও আপনার সেই মেসেজটাকে তারা রিড করতে পারবে না। 

বাট টেলিগ্রাম এর ক্ষেত্রে কিন্তু সব মেসেজ ওভারঅল সব মেসেজ কিন্তু এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন হয় না। শুধুমাত্র আপনি যেগুলাতে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন চালু করবেন সেগুলোতে হবে। ঠিক আছে? সো এই কষেত্রে হয়া কিছুটা এগিয়ে থাকবে। তবে আমি খুব বেশি এগিয়ে রাখবো না। কারণ আমার সবচেয়ে এন্ড টু এন্ড এন্ডশনের দরকার হয় না। যেগুললা দরকার হয় আমি করে নিলাম। বাট সবগুলা করে আমার শুধু শুধু দরকার নেই। সো এই কষেত্রে আপনি যদি মনে করেন যে আমার সবগুলাই দরকার বা যেকোন অ্যাপই দরকার তাহলে আপনি অবশ্যই হোয়াট চুজ করেন।

 এই জায়গাটায় হ এগিয়ে থাকছে। নাম্বার টুতে আমরা ফিচারস নিয়ে কথা বলি। হোয়া এ কিন্তু অডিও কল করা যায়, ভিডিও কল করা যায়, চ্যানেল খোলা যায়, গ্রুপ খোলা যায়। বাট WhatsApp গ্রুপে সর্বোচ্চ 1024 মেম্বার এর বেশি নেওয়া যায় না। সেই ক্ষেত্রে আপনারা যদি টেলিগ্রাম এ যান তাহলে অডিও কল করতে পারবেন, ভিডিও কল করতে পারবেন এবং গ্রুপ খুলতে পারবেন এবং এই গ্রুপে আপনি মেম্বার 2 লাখ পর্যন্ত যুক্ত করতে পারবেন। অর্থাৎ এখানে কিন্তু গ্রুপের দিক থেকে এগিয়ে থাকছে টেলিগ্রাম। পাশাপাশি এখানে চ্যানেল খুলতে পারবেন। আর এই চ্যানেলে কিন্তু হিউজ সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। যেটা কিন্তু আপনি নরমাল হোয়াট এ সেভাবে পাবেন না। কেন পাওয়া যায়? স্টেপ বাই স্টেপ ভিডিওটা দেখলেই বুঝতে পারবেন। মোট কথা হচ্ছে ফিচার্সের দিক থেকে অনেক বেশি এগিয়ে থাকছে টেলিগ্রাম। নাম্বার থ্রি এখনকার দিনে কিন্তু ভিডিও কল অনেক বেশি ইম্পর্টেন্ট।

কিন্তু হয়াপ এ আপনি সর্বোচ্চ ভিডিও কলে 32 জন পর্যন্ত অ্যাড করতে পারবেন। অর্থাৎ একসাথে আপনার 32 জলে কলে কথা বলতে পারবেন। বাট আপনি যখন টেলিগ্রামে যাবেন তখন 32 জন কিন্তু একসাথে ভিডিও কলে কথা বলতে পারবেন হ্যাপ এর মতোই। বাট এখানে 1000 পর্যন্ত মেম্বার কিন্তু এড করা যাবে মানে 32 জন একই সাথে কথা বলতে পারবে ভিডিওটা দেখা যাবে বাট বাকিরা হচ্ছে অডিও কলে কথা বলতে পারবে এবং আপনাদের 32 জনকে দেখতে পারবে সো এই ফিচার্সটার জন্য এখানে কিন্তু অনেক বেশি এগিয়ে যাচ্ছে টেলিগ্রাম কারণ এটা দিয়ে আপনি চাইলেই কিন্তু যেকোন অনলাইন ক্লাস বা মিটিং কিন্তু সম্পন্ন করতে পারেন টেলিগ্রাম এর আরেকটা সুবিধা হচ্ছে যে টেলিগ্রাম থেকে সরাসরি টাকা ইনকাম করা যায় অনেক সোর্স আছে টেলিগ্রাম থেকে টাকা ইনকাম করার সেই সেই সোর্সগুলা অনেকটাই মিলে যাবে আপনার WhatsApp এর সাথে। বাট WhatsApp এর সাথে মিলে গেলেও এখানে একটা বড় সুবিধা হচ্ছে যে আপনার যদি Telegram এ একটা চ্যানেল থাকে সেই চ্যানেলে যদি অনেক ফলোয়ার্স থাকে সো এখানে যদি আপনি মনিটাইজেশনটা অন করে নেন তাহলে কিন্তু এখানে এড শো করবে সেখান থেকে কিন্তু আপনি রেভিনিউ আর্ন করতে পারবেন। এই সুবিধাটা কিন্তু একদমই নেই হোয়াট এ। 

সো টাকা ইনকামের যদি চিন্তাটা আপনি করে থাকেন বা ফিউচারে আপনার বড় চ্যানেল অনেক টাকা ইনকাম করবেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে টেলিগ্রাম নিয়েই কাজ করতে হবে। হোয়াটপ এর একটা বড় অসুবিধা হচ্ছে যে মাল্টি ডিভাইস সাপোর্ট করে না। বাট এই জায়গাটায় কিন্তু টেলিগ্রাম অনেক বেশি এগিয়ে থাকছে। মাল্টি ডিভাইস সাপোর্ট করে থাকে। আপনি চাইলে কিন্তু একটা হয়া কে আপনার এন্ড্রয়েড ফোনে ইউজ করতে পারেন। আপনার আইফোনে ইউজ করতে পারেন। আপনার উন্ডোজ পিসিতে ইউজ করতে পারেন। ম্যাকে ইউজ করতে পারেন। অনেক জায়গায় আপনি কিন্তু এটাকে ইউজ করতে পারেন। সো এইটার ফ্লেক্সিবিলিটির জন্য এই জায়গাটায় পার্সোনালি আমার দিক থেকে বলব আমি অনেক বেশি এগিয়ে থাকছি এবং আমার জন্য এটা অনেক বেশি ইউজফুল। এবারে যে টপিকটা নিয়ে আলোচনা করবো এইটা সবচেয়ে বেশি ইম্পর্টেন্ট। কারণ সেটা হচ্ছে ডাটা শেয়ারিং এবং মেমোরির অপশন। এটা খুবই ইম্পর্টেন্ট। আপনি হোয়াটসঅ্যাপ এ সর্বোচ্চ 2 জিবি পর্যন্ত ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবেন। সেখানে আপনি টেলিগ্রাম এও জিবি করতে পারবেন বাট প্রিমিয়ামে গেলে এটা 4জিবি পর্যন্ত করতে পারবেন। কিন্তু মেমোরির ক্ষেত্রে কিন্তু ভাই এখানে অনেক পার্থক্য রয়েছে। কেমন আমি বলি হোয়াটস এর যে স্টোরেজটা আছে সেটা কিন্তু আপনার ফোনের ইন্টারনাল যে মেমোরিটা আছে সেটা দখল করে। 

সো হোয়াট এর কিন্তু নিজস্ব ক্লাউড সার্ভার নেই। আমি আবার বলছি হের এ কিন্তু নিজস্ব কোন ক্লাউড সার্ভার নেই। আপনার ফোনের ইন্টারনাল মেমোরিটা কিন্তু সে দখল করে রাখছে। আপনি যখন ব্যাকআপ নিতে চান তখন গুগল অথবা হচ্ছে আই ক্লাউড এর মাধ্যমে কিন্তু আপনাকে ব্যাকআপ নিতে হয়। এই হচ্ছে ফ্যাক্ট। বাট এই জায়গাটায় ভাই টেলিগ্রাম একদম উড়াইয়া দিছে সব। টেলিগ্রাম এর আই ক্লাউডের সমস্ত তথ্য থাকে। মানে আপনার ফোনের ইন্টারনাল স্টোরেজ সে দখল করছেন না। তার আই ক্লাউডে সমস্ত তথ্য থাকছে এবং এটা আনলিমিটেড। সো আপনার যত টেক্সট মেসেজ আছে, ভিডিও আছে, অডিও আছে, ছবি আছে সব কিন্তু সেখানে থাকছে। সো সেগুলা কিন্তু সেফ। একটা ফোন থেকে আরেকটা ফোনে যখন আপনি শিফট করেন তখনও এই ঝামেলাটা আপনাকে নিতে হয় না। বাট হোয়াট এর ক্ষেত্রে কিন্তু এইটা নিয়ে বহুত প্যারাগাইতে হয়। আমি একটা ফোন চেঞ্জ করার সময় বহুত প্যারাকাই। সো আমি যদি ফাইল ট্রান্সফার বা স্টোরেজের কথা বলি তাহলে ভাই এখানে WhatsApp অনেক বেশি পিছিয়ে থাকছে আর টেলিগ্রাম অনেক বেশি এগিয়ে থাকছে আপনি আননোন কোন পার্সনের সাথে চ্যাট করতে গেলে হয়তোবা আপনি আপনার ফোন নাম্বারটা দিতে চান না বাট এমনিতেই চ্যাট করতে চান এটা কিন্তু অনেকেরই প্রয়োজন হয় প্রাইভেসি জনিত একটা ব্যাপার সেই ক্ষেত্রে হোয়াট এ কিন্তু নাম্বার না দিলে কিন্তু কোন কিছু হচ্ছে না মানে নাম্বার দিবেন নাম্বার দিয়েই তারপরে এড করে কিন্তু আপনার সাথে সে ব্যক্তি মেসেজ আদানপ্রদান করতে পারবে বা কথা বলতে পারবে বাটলি টেলিগ্রামে কিন্তু ইউজারনেম সেট করার সুবিধা আছে। 

টেলিগ্রাম নাকি হোয়াটসঅ্যাপ কোনটি বেস্ট | WhatsApp vs Telegram

সেই ইউজারনেম দিয়ে কিন্তু আপনি তাকে খুঁজে পাবেন। তার নাম্বার টাম্বার কিচ্ছু দরকার নেই। জাস্ট আপনি মেসেজ আদানপ্রদান করতে পারবেন। সো এই দিকটা থেকেও কিন্তু টেলিগ্রাম অনেক বেশি এগিয়ে থাকছে। টেলিগ্রাম এর একটা বিশেষ সুবিধা রয়েছে। যেটা আসলে হোয়াট এ নেই। যেমন বট সুবিধা এই সুবিধাটা হয়া এ টোটালি নেই। বাট এই বড সুবিধার কারণে কিন্তু টেলিগ্রাম অনেক জনপ্রিয় হয়েছে। বিজনেস পারপাস যারা আসলে টেলিগ্রাম ইউজ করেন তাদের জন্য অনেক ইউজফুল একটা জিনিস। কারণ এটি টেলিগ্রাম এর একটি শক্তিশালী ফিচার। আর এটি একটি ছোট্ট প্রোগ্রাম বলতে পারবেন বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন একটা টুলস। যা টেলিগ্রাম অ্যাপের ভিতরেই কাজ করে। আর এটা আপনাকে বিভিন্নভাবে অটোমেশন বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে দেয়। যেমন কোন মেসেজের অটো রিপ্লে করা, স্প্যাম ফিল্টারিং করা। তারপর হচ্ছে ফাইল ডাউনলোড এবং কনভার্টের কাজ করা, পেমেন্ট এবং ই-কমার্সের কাজ করা, ও নোটিফিকেশন সহ আরো অনেক কিছু করা যায় এদিয়ে। সো বিজনেস পারপাস যদি আপনি হোয়াট ইউজ করেন তাহলে আমি বলব ছেড়ে টেলিগ্রামে চলে আসেন। আপনার জন্য অনেক ইউজফুল হবে। সো এবার আসলে ফাইনালি একটু বলি যে আসলে কোনটা আপনার জন্য পারফেক্ট হবে। 

আমি বলব যদি আপনার মনে হয় যে এন্ড টু এনক্রিপশন যেটা রয়েছে অর্থাৎ আপনি একটা মেসেজ কাউকে পাঠালে সে মেসেজটা সে এবং আপনি পড়তে পারবেন। এছাড়া কেউ পড়তে পারবে না। এরকম একটা সিকিউরিটি আপনার দরকার। তাহলে আপনি ভাই হোয়াট এ থেকে যান এবং হ্যা এ সবাইকে পাওয়া যাচ্ছে থেকে যান আর আমি বলব আপনি হোয়াটসঅ্যাপ ইউজ করছেন ঠিক আছে বাট আপনি আস্তে আস্তে করে টেলিগ্রাম এ শিফট করে যান কারণ এখানে অনেক বেশি ফিচার্স রয়েছে এবং সুযোগ সুবিধার দিক থেকেও কিন্তু অনেক অনেক বেশি এগিয়ে থাকছে যেটা আমরা ডে বাই ডে ফিল করব সো একটা সময় না একটা সময় আমাকে যেতে হবে এখন যাদের সাথে আপনি হে মেসেজ করছেন বিজনেস হোক বা আপনার পার্সোনাল হোক আপনি তাদেরকে শিফট করি আস্তে আস্তে করে টেলিগ্রামে নিয়ে যান এটা আপনার অনেক বেশি কাজে লাগবে কারণ এটা ফিউচারে আপনার জন্য অনেক হেল্পফুলও হবে সো তো এই হচ্ছে মূলত আমার আজকের ভিডিও পার্সোনালি আমি এখন থেকে রেগুলার ইউজ করছি টেলিগ্রাম আস্তে আস্তে করে WhatsApp বাদ দিয়ে দিচ্ছি আপনারা চাইলেও কিন্তু টেলিগ্রাম এ চলে আসতে পারেন ভিডিওটা লেন্দি করছি না

টেলিগ্রাম নাকি হোয়াটসঅ্যাপ কোনটি বেস্ট | WhatsApp vs Telegram

এখানে শেষ করছি আজকের মত আমি বিদায় নিচ্ছি দেখা হচ্ছে নতুন কোন ভিডিওতে আল্লাহ হাফেজ আছে।

Post a Comment