৫টি সেরা AI Tools 2025 | কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য Best Free AI Tools Tutorial in Bangla (Beginner to Advanced Guide)

২০২৫ সালের সেরা ৫টি ফ্রি AI টুলস নিয়ে এই টিউটোরিয়ালে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ব্যবহার, সুবিধা ও গাইড সহজভাবে বাংলায় দেখানো হয়েছে।

 

৫টি সেরা AI Tools 2025 | কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য Best Free AI Tools Tutorial in Bangla (Beginner to Advanced Guide)

আসসালামু আলাইকুম এভরিওয়ান। আজকের ভিডিওতে আমি আপনাদের সাথে ইআই এর পাঁচটা সেরা টুলস নিয়ে আলোচনা করব। যেগুলা আপনার ডেইলি লাইফে অনেক বেশি প্রয়োজন। চলুন তাহলে আর দেরি করছি কেন কথা না বাড়িয়ে মূল ভিডিওটা শুরু করা যাক।


নাম্বার ওয়ানে এআই এর যে টুলসটা নিয়ে কথা বলবো সেটা হচ্ছে চ্যাট জিপিটি। আমার কাছে মনে হয় এই মুহূর্তে এআই এর সবচেয়ে পাওয়ারফুল টুলস হচ্ছে চ্যাট জিপিটি। 

চ্যাটজিপিটি দিয়ে আসলে কি করা যায়? এই প্রশ্নটা না করে আপনি করতে পারেন যে চ্যাটজিপিটির কাছ থেকে কি সমস্যার সমাধানটা পাওয়া যায় না? আমি আমার যে ডেইলি লাইফে মানে যত ধরনের প্রবলেম আমি ফেস করি সমস্ত প্রবলেমের সলিউশনটা কিন্তু আমি চ্যাট জিপিটির কাছ থেকেই পাই বা আমি চাই। আমি ধরেন ইমেইল লিখতে গিয়ে সমস্যা হচ্ছে আমি তাকে বলি যে এই বিষয় আছে তুমি একটা ইমেইল লিখে দাও। আমাকে কেউ একটা ইমেইল করে আমি বলি রিপ্লে করে দাও। আমি ধরেন এখন ডায়েট করছি আমি তাকে বললাম যে ভাই আমি ডায়েট করছি এই এই খাবারগুলা খাচ্ছি এটার কি উপকারিতা ওটার কি অপকারিতা। এটা কতবার খেলে ভালো হবে বা কোন সময় খেতে হবে মানে যা কিছু আছে আমার প্রশ্ন আমি সবকিছুর প্রশ্ন এর উত্তর কিন্তু সেখান থেকেই পাই আমি তাকে প্রশ্ন করি সে প্রপারলি উত্তর কিন্তু দিয়ে দেয়। এটা ছাড়াও আমার অফিসিয়াল যে ওয়ার্কগুলা আছে আমি সেটার সমাধান চাই আমি আমার ডেইলি লাইফে যত প্রবলেম ফেস করি জাস্ট চ্যাট জিপিটিকে লিখি। 

আরেকটা অপশন আছে চ্যাটজিপিটিতে সেটা হচ্ছে সরাসরি ভয়েসে কথাও কিন্তু বলা যায়। আপনারা চাইলে কিন্তু সেখান থেকে কথাও বলতে পারেন। মোট কথা হচ্ছে চ্যাটজিপিটি দিয়ে গবেষণালব্ধ যত ধরনের কাজ আছে ঠিক আছে বা সমস্যা সংক্রান্ত যত ধরনের কাজ আছে আপনি সবকিছু সমাধান চাইতে পারেন। আপনি বলেন না যে একটা সিবি বানিয়ে দেন আমাকে দেখেন কত চমৎকারভাবে একটা সিভি বানিয়ে দেয়। একটা কোডিং লিখে দিতে বলেন দেখেন একটা চমৎকারভাবে কত সুন্দরভাবে কোডিং লিখে দেয়। আপনি গণিতের সমস্যা পড়ে আছেন লেখেন যে ভাই এই হচ্ছে গণিত তুমি এটা সমাধান করে দাও। আপনার একটা ছবির দরকার হলো আপনি বলেন না ভাই এই ছবিটা তুমি আমাকে তৈরি করে দাও দেখবেন আপনাকে একটা সুন্দর ছবিও তৈরি করে দিচ্ছে। মোট কথা হচ্ছে আপনার যত ধরনের প্রবলেম আছে সবগুলার একটা পারফেক্ট সলিউশন কিন্তু চ্যাটজিপিটিতে আপনারা পেয়ে যাবেন। নাম্বার টু তে কথা বলবো জেমিনাই নিয়ে আর এইটাও কিন্তু একটা মোস্ট পাওয়ারফুল এআই টুলস। আমি চ্যাটজিপিটিতে যা করাতে পারি মোটামুটি সবকিছু কিন্তু আমি এই জেমিনাই দিয়ে করাতে পারি।

 তবে চ্যাটজিপিটির মতো এতটা ইকুরেট রেজাল্ট সে দিতে পারে না অলমোস্ট কাছাকাছি একটা রেজাল্ট সে দিতে পারে। তবে জেমিনের কাছে আরেকটা পাওয়ারফুল জিনিস আছে সেটা হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন গুগল আমরা যেটা ইউজ করি সেটা কিন্তু তাদেরই। যে কারণে তার রিসার্চ এর পরিধিটা আরেকটু বেশি। তবে এখানে আরো চমৎকার একটা কাজ করা যায়। একটা না দুইটা চমৎকার কাজ করা যায় প্রথমত হচ্ছে ভাইরাল যে ছবিগুলো দেখেন না জাস্ট আপনি একটা ছবি দিলেন একটা প্রম্পট লিখে দিলেন। সে অনুপাতে আপনার ছবিটাকে এত সুন্দরভাবে তৈরি করে দিল মানে অবিশ্বাস্য মনে হয়। যেটা আসলে নেনোবেনেন আরকি ওই নেনোবেনেনের কাজটা তো আপনারা অনেকেই জানেন কি চমৎকার সে ছবি তৈরি করে দেয়। একটা পুরাতন ছবি আছে আপনার অনেক বছরের পুরাতন আপনি বললে সে এটা এত চমৎকারভাবে ঠিক করে দিবে কালার করে দিবে চিন্তা করতে পারবেন না।

 অর্থাৎ ছবি সংক্রান্ত কাজ লোগো ডিজাইন থেকে শুরু করে সমস্ত কাজ কিন্তু আপনি এত চমৎকারভাবে এই জামিনী দিয়ে করতে পারবেন যেটা নরমালি পসিবলই না। আরেকটা জিনিস হচ্ছে যেটা দিয়ে ভিডিও তৈরি করা যায় গুগলে ভিও 3 বা এখন 3.1 আসছে। সো এটা এত রিয়ালিস্টিক ভিডিও তৈরি করে প্রম্পট লিখে দিলে যেটা আসলে চিন্তার বাইরে। ঠিক আছে এটা প্রাথমিক অবস্থায় এত চমৎকার কাজ করছে। সো সব মিলিয়ে আমি বলতে পারি যে এআই এর যদি শক্তিশালী টুলসের কথা বলি তাহলে জেমিনাই অনেক বেশি এগিয়ে থাকছে যেকোনো প্রকার টুলস থেকে। তবে সেটা কিন্তু রিসার্চের ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে থাকবে বা একুরেট আনসারের ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে থাকবে চ্যাটজিপিটি থেকে।

৫টি সেরা AI Tools 2025 | কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য Best Free AI Tools Tutorial in Bangla (Beginner to Advanced Guide)


নাম্বার থ্রিতে কথা বলবো মিড জানি নিয়ে এইটা কিন্তু ডিজাইন সেকশনের একটা বিপ্লব বলতে পারেন। আপনি জাস্ট একটা প্রম্পট লিখে দিবেন সে এত চমৎকারভাবে ছবি তৈরি করে দিবে যেটা আপনি বিশ্বাসই করতে পারবেন না। হ্যাঁ আপনি বলতে পারেন আমি চ্যাটজিপিটি জেমিনাই দিয়ে কিন্তু আমি সুন্দর করে ছবি লিখাতে বা ছবি বানাতে পারি বাট মিড জানি এর মতো এত চমৎকার বা হাই রেজুলেশনের ছবি কিন্তু তারা পারে না। এআই এর যত টুলস আছে কোনটাই পারে না। আপনি এই মিড জার্নি দিয়ে লোগো তৈরি করতে পারবেন কভার ফটো তৈরি করতে পারবেন। অর্থাৎ ডিজাইন রিলেটেড সমস্ত কাজের একটা প্রপার সলিউশন এটা চমৎকার। তবে এটার একটা সীমাবদ্ধতা বা একটা দুর্বলতা হচ্ছে এইটা আসলে টাকা দিয়ে কিনতে হয় এটা ফ্রি না। প্রতিদিনও যদি এক দুইটা ছবি ফ্রিতে দিত তাও ভালো ছিল বাট এটা প্রফেশনাল লোকদের জন্য এটাই হচ্ছে এটার একটা সীমাবদ্ধতা আদারওয়াইজ এটা কিন্তু ডিজাইনের জন্য একটা চমৎকার এআই টুলস। নাম্বার ফোরে কথা বলবো ইলেভেন ল্যাবস নিয়ে এটা কিন্তু ভয়েস ওভারের জন্য বা ভয়েস তৈরি করার জন্য খুবই চমৎকার একটা এআই টুলস। 

পাশাপাশি কারো ভয়েস ক্লোন করার জন্য খুবই চমৎকার একটা জিনিস। সো আপনারা যদি ভয়েস নিয়ে কাজ করেন তাহলে কিন্তু এটা খুবই চমৎকার একটা জিনিস এক কথায় বলতে পারি। আবার আপনি যদি মনে করেন যে মিউজিক তৈরি করবেন তাহলে কিন্তু আরেকটা সাইড আছে বাট দুইটা আমি একই সাথে বলে দিচ্ছি আরকি ঠিক আছে একটার মধ্যে ফেলে দিচ্ছি। সেটা হচ্ছে সনু ইআই। ওইটা দিয়ে কিন্তু চমৎকার সুন্দর মিউজিক আপনি তৈরি করতে পারবেন ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক তৈরি করতে পারবেন আপনি এটা দিয়ে গান তৈরি করতে পারবেন। জাস্ট আপনি গানটা লিখে দিবেন সে আপনার এই গানটা মানুষের মতো এত চমৎকারভাবে গাইবে সুর করবে পাশাপাশি মিউজিক অ্যাড করবে যেটা দেখে অনেক সময় হয়তো আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না যে এআই এত চমৎকার কাজ করতে পারে। সো ভয়েস বা মিউজিক রিলেটেড কাজের জন্য ইলেভেন ল্যাবস অথবা সনু ইআই এটা আপনারা ইউজ করতে পারেন। নাম্বার ফাইভ এ কথা বলবো নশন এআই বা জেএসপার ইআই নিয়ে বেসিক্যালি আপনার প্রফেশনাল কাজে এটা আপনি ইউজ করতে পারেন। আপনি ব্লগ লিখবেন বা হচ্ছে আপনার প্রোডাক্টের জন্য আপনি ডিসক্রিপশন লিখবেন বা আপনি প্রোডাক্টের কনসেপ্ট তৈরি করবেন এই কাজগুলোর জন্য কিন্তু এই দুইটা ওয়েবসাইটের যেকোনো একটাকে আপনি চুজ করতে পারেন। 

খুবই চমৎকার কাজ করে থাকে বিশেষ করে যারা হচ্ছে প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করে থাকেন বা ব্লগ নিয়ে কাজ করে থাকেন তাদেরকে অনেক বেশি হেল্প করবে এই দুইটা সাইট। সো গাইজ এআই এর যে সাইটগুলো নিয়ে কথা বললাম এছাড়াও কিন্তু আরো প্রচুর এআই সাইট রয়েছে যেগুলা অনেক কার্যকরী সাইট বাট আজকে আমরা টপ ফাইভ নিয়ে আলোচনা করেছি। পরের ভিডিওতে আমরা আরো অনেক বেশি ডিটেলসে আলোচনা করব যেখানে হয়তোবা এই টপ ফাইভ এর পরেও যে সাইটগুলা রয়েছে এআই এর যেগুলা ইউজ করে আপনি আপনার লাইফকে অনেক বেশি ইজি করে ফেলতে পারেন সেই টুলসগুলা নিয়েও আলোচনা হবে। 


ওয়েলকাম ব্যাক। তো আজকে আমরা যে পাঁচটি এআই টুল আপনাদের সাথে শেয়ার করবো তার মধ্যে প্রথমে রয়েছে ক্লেড এআই। ক্রোম ব্রাউজার থেকে ক্লেড এআই লিখে সার্চ করলে আপনারা পেয়ে যাবেন ক্লেড ডট এআই। এই লিংকে চলে যাবেন। দেন প্রথমে আমরা লগইন করে নেব আমাদের জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে। ওকে এটা হচ্ছে ক্লেড এআই এর মূল ইন্টারফেস। এখানে আপনি সাধারণ ক্যামেরা দিয়ে তোলা যেকোনো প্রোডাক্টের ছবি দিয়ে একদম রিয়েলিস্টিক এবং প্রফেশনাল কোয়ালিটির প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি ইমেজ এবং ভিডিও জেনারেট করতে পারবেন। তো আপনি যদি একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে থাকেন অথবা আপনার যদি কোনো ছোটখাটো ইকমার্স বিজনেস থাকে, আপনি যদি আপনার প্রোডাক্টের জন্য একদম রিয়েলিস্টিক এবং প্রোফেশনাল ছবি ও ভিডিও জেনারেট করতে চান, তাহলে ক্লেড এআই আপনার জন্য বেস্ট অপশন হতে পারে। যেমন আমরা যদি এখান থেকে এডিটিং স্টুডিওতে ক্লিক করি, এখানে আপনি অনেকগুলো ফিচার পেয়ে যাবেন। 


যেমন এখানে আপনি যেকোনো ইমেজকে আপস্কেল করতে পারবেন, যেকোনো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে পারবেন, এআই ফটোশুট জেনারেট করতে পারবেন। এআই ফ্যাশন মডেল দিয়ে আপনার যেকোনো ক্লথিং আইটেমের জন্য প্রোফেশনাল এবং রিয়েলিস্টিক ফটোগ্রাফি জেনারেট করতে পারবেন। এছাড়াও ইমেজ টু ভিডিও জেনারেট করতে পারবেন। তো প্রথমে যদি আমরা এখান থেকে যেকোনো ছবি ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করতে চাই, আমি এখান থেকে রিমুভ ব্যাকগ্রাউন্ডে ক্লিক করবো। দেন এখান থেকে আমরা ছবিটাকে আপলোড করে নেব এখানে আপলোড নিউ ইমেজে ক্লিক করে। ফর এক্সাম্পল আমি এখান থেকে এই ব্যাগের ছবিটা নিলাম। দেন এপ্লাই অপারেশনে ক্লিক করলে একদম পারফেক্ট ভাবে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ হয়ে যাবে দেখুন। দেন এখান থেকে আমরা চাইলে ছবিটাকে ডাউনলোড করে ফেলতে পারি যেকোনো ফরমেটে। তো আমি এখান থেকে পিএনজি ফরমেট সিলেক্ট করলাম দেন এপ্লাই। এছাড়াও এখানে রয়েছে এআই ফটোশুট। আমি যদি এখান থেকে এআই ফটোশুটে চলে যাই, এখানে আমরা যেকোনো প্রোডাক্টের রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করে একদম হাই কোয়ালিটি ফটোশুট অর্থাৎ ইমেজ জেনারেট করতে পারবো। ফর এক্সাম্পল আমি চাচ্ছি এই ব্যাগের ছবিটা দিয়ে আমি ফটোশুট করবো। তো প্রথমে আমরা এখানে ব্যাগের ছবিটা নিয়ে আসবো। এই দেখুন চলে আসছে এখানে। অথবা এখান থেকে আপলোডে ক্লিক করে নিয়ে আসতে পারেন। দেন আমরা এখান থেকে অ্যাস্পেক্ট রেশিও সিলেক্ট করবো আমরা কোন অ্যাস্পেক্ট রেশিউতে জেনারেট করতে চাচ্ছি। ফর এক্সাম্পল আমি এখান থেকে 1:1 টা সিলেক্ট করলাম। এবং এখানে অনেকগুলো টেমপ্লেট রয়েছে আমরা চাইলে এগুলো ব্যবহার করতে পারি। অথবা আমরা চাইলে এখানে নিজের মতো করে প্রম্পট লিখতে পারি। আপনি কি ধরনের ব্যাকগ্রাউন্ড চাচ্ছেন, ব্যাগটাকে কোথায় রাখতে চাচ্ছেন। আপনি চাইলে এখানে ডিটেইলস লিখে দিতে পারেন। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখানে লিখি হালকা রঙের কাঠের টেবিলের উপরে রাখা হ্যান্ডব্যাগের একটি প্রোফেশনাল লাইফস্টাইল শট। ব্যাকগ্রাউন্ডে ঝাপসা সাদা গোলাপ থাকবে এবং এখানে সফট ন্যাচারাল লাইটিং থাকবে। তো আমরা এখান থেকে বাংলা প্রম্পটটাকে ইংলিশে ট্রান্সলেট করে নেব যেহেতু এখানে বাংলা প্রম্পটটা খুব ভালোভাবে কাজ করে না। 



আমরা এখানে ইংলিশ প্রম্পটটা ব্যবহার করবো। দেন এখান থেকে আমরা কয়টা ইমেজ চাচ্ছি সেটা সিলেক্ট করতে পারি। ফর এক্সাম্পল আমি দুইটা ইমেজ সিলেক্ট করলাম। দুইটা ইমেজের জন্য আমাদের এখানে আট ক্রেডিট কাটবে। আমি এখান থেকে এপ্লাইতে ক্লিক করবো। এই দেখুন আমাদের এখানে দুইটা ছবি জেনারেট হয়ে গেলো। আমি যদি এগুলো সিলেক্ট করি। অসাধারণ দেখুন ছবিগুলো একদম রিয়েলিস্টিক এবং প্রোফেশনাল। দেন এখান থেকে আমরা ডাউনলোড এ ক্লিক করে ছবিটাকে ডাউনলোড করে ফেলবো জেপিজি ফরমেটে। এভাবে আপনারা যেকোনো সাধারণ ক্যামেরায় তোলা প্রোডাক্টের ছবি দিয়ে একদম হাই কোয়ালিটির ইমেজ জেনারেট করতে পারবেন। এরপর আমি যদি এখান থেকে, এখানে আমরা যেকোনো পোশাকের ছবি দিয়ে একদম রিয়েলিস্টিক এবং প্রোফেশনাল ফ্যাশন ফটোগ্রাফি ইমেজ জেনারেট করতে পারবো। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখানে একটা ছবি নিয়ে আসি। এখান থেকে প্লাসে ক্লিক করে আমরা প্রথমে একটা ছবি নিয়ে আসবো। যেমন আমি এখান থেকে এই জামাটার ছবি দিয়ে একটা ফ্যাশন ফটোগ্রাফি ইমেজ জেনারেট করবো। তো আমরা এখান থেকে ছবিটাকে আপলোড করবো। দেন এখান থেকে আমরা অ্যাড বাটন অথবা অ্যাড টপস। যদি এটা শুধুমাত্র শার্ট বা টি-শার্ট বা টপস হয় তাহলে আমরা অ্যাড টপস ক্লিক করবো। আর যদি প্যান্ট হয় স্কার্ট হয় অর্থাৎ নিচের অংশ হয় তাহলে অ্যাড বাটন ক্লিক করবো। যেহেতু থ্রি পিসের মধ্যে উপরের এবং নিচের অংশ রয়েছে সেজন্য আমরা এখান থেকে নো ক্লিক করবো। দেন কন্টিনিউ। এবং এখানে অনেকগুলো ফিমেল মডেল রয়েছে আমরা চাইলে এগুলো ব্যবহার করতে পারি। আর আপনি যদি নিজের মডেল দিয়ে ছবি জেনারেট করতে চান ফটোগ্রাফি, সেই ক্ষেত্রে মাই মডেলে ক্লিক করে নিজের ছবিটা আপলোড করবেন। ফর এক্সাম্পল আমি চাচ্ছি এই মেয়েটাকে আমি থ্রি পিসটা পড়াবো। সেক্ষেত্রে আমি এটাকে জাস্ট আপলোড করবো। ওকে দেন এখান থেকে সিলেক্ট করবো। এবং এখানে আমরা চাইলে যেকোনো একটা প্রম্পট লিখে দিতে পারি। যেমন ব্যাকগ্রাউন্ডটা কেমন হবে, মেয়েটা কিভাবে থাকবে, ভাইবটা কেমন হবে, স্টাইলটা কেমন হবে যেকোনো প্রম্পট আমরা লিখে দিতে পারি। অথবা সরাসরি এখান থেকে এপ্লাই জেনারেটে ক্লিক করতে পারি। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখানে একটা সিম্পল প্রম্পট লিখে দেই। যেমন আমরা লিখলাম একটা অভিজাত ক্যাফেতে প্রোফেশনাল লাইফস্টাইল ফটোগ্রাফি। দেন এখান থেকে আমরা রেজুলেশন সিলেক্ট করতে পারবো। ফর এক্সাম্পল আমি এখান থেকে 2K টা সিলেক্ট করে দেবো আপনারা চাইলে 4K পর্যন্ত জেনারেট করতে পারেন। এবং এখান থেকে আমরা দুইটা ইমেজ সিলেক্ট করছি। ওকে দেন এপ্লাই জেনারেশন। এই দেখুন আমাদের দুইটা ছবি জেনারেট হয়ে গেলো। আমি যদি এটা সিলেক্ট করি এবং ছবিগুলোর কোয়ালিটি দেখুন। অসাধারণ ছবিগুলোর কোয়ালিটি এবং আমাদের যে অরিজিনাল জামাটা রয়েছে সেই জামার সাথে এই ছবিটার মিল দেখুন। এই জামাটা মিল দেখুন। একদম 100% ওড়না সালোয়ার জামা সবকিছু এবং ছবির টেক্সচার দেখুন অসাধারণ। একদম 100% মিল রয়েছে ডিজাইনটার সাথে। আমি যদি এটা দেখি এটাও একদম পারফেক্ট। অসাধারণ। জামার ডিজাইন জামার কালার সবকিছু আমাদের অরিজিনাল ছবির সাথে হুবহু মিল রয়েছে। এবং আমরা চাইলে এখানে এই ছবিগুলো দিয়ে ভিডিও জেনারেট করতে পারি। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখান থেকে এই ছবিটা দিয়ে ভিডিও জেনারেট করতে চাই, এটা এখানে জাস্ট ক্লিক করবো। অথবা সরাসরি আমরা এখান থেকে ভিডিও ফিচারে চলে যাবো। এখান থেকে ভিডিওতে ক্লিক করে ছবিটা আপলোড করে জেনারেট করতে পারি। অথবা এখান থেকে সরাসরি অ্যানিমেটে ক্লিক করলে ছবিটা এখানে চলে আসবে এবং এখানে রেন্ডমলি একটা প্রম্পট লেখা হয়ে যাবে। আমরা চাইলে এই প্রম্পটটা ব্যবহার করতে পারি অথবা নিজের মতো করে প্রম্পট দিতে পারি। তো আমি এই প্রম্পটটাই ব্যবহার করছি। দেন আমি এখান থেকে এপ্লাই অপারেশনে ক্লিক করবো। এই দেখুন ভিডিওটা জেনারেট হয়ে গেলো। অসাধারণ। পারফেক্ট।


ভিডিওর কোয়ালিটি দেখুন। ঠিক আছে আমরা চাইলে এখান থেকে ভিডিওটাকে ডাউনলোড করতে পারি। এছাড়াও এখানে আরো অনেকগুলো ফিচার রয়েছে। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখান থেকে এআইডিটি ক্লিক করি। যেমন আমি যদি এখানে একটা প্রোডাক্টের ছবি নিয়ে আসি। ফর এক্সাম্পল আমি এখান থেকে এই ব্যাগের ছবিটা নিয়ে আসলাম। যেটা আমরা একটু আগে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করেছিলাম। এবং আমি চাচ্ছি এই ব্যাগটার একটা প্রোডাক্ট ফটোগ্রাফি ইমেজ জেনারেট করবো যেখানে একটি মেয়ে ব্যাগটা কাঁধে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে। তো আমরা এখানে একটা সিম্পল প্রম্পট লিখে দেবো। ওকে দেন আমরা এখান থেকে 2K টা সিলেক্ট করবো। দুইটা ইমেজ জেনারেট করবো। দেন এপ্লাই। এই দেখুন দুইটা ছবি জেনারেট হয়ে গেলো এবং ব্যাগটা দেখুন আমাদের অরিজিনাল যে ব্যাগটা রয়েছে সেটার সাথে একদম হুবহু মিল রয়েছে। এভাবে সাধারণ ক্যামেরা দিয়ে তোলা আপনার যেকোনো প্রোডাক্ট দিয়ে একদম প্রোফেশনাল ফটোগ্রাফি জেনারেট করতে পারবেন। তো এই ফিচারগুলো আপনারা ফ্রিতে ব্যবহার করে দেখবেন যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনারা চাইলে এখান থেকে আপডেটে ক্লিক করে যেকোনো একটা প্ল্যান পারচেস করতে পারেন। যেমন এখান থেকে এসেনশিয়াল প্ল্যানটা নিতে পারেন 9 ডলার পার মান্থ। এবং আপনারা যদি আমাদের টেক বিডি 19 কুপন কোডটা ব্যবহার করেন তাহলে 10% ডিসকাউন্ট পেয়ে যাবেন 9 ডলার থেকে। তো সাইটটির লিংক আমাদের ভিডিও ডেসক্রিপশন বক্সে দেওয়া থাকবে। আপনারা চাইলে সেখান থেকে ক্লিক করে ফিচারগুলো ট্রাই করতে পারেন এবং ভালো লাগলে এই প্লানটি পারচেস করতে পারেন। তো আমাদের লিস্টের দ্বিতীয় টুলটি হচ্ছে গুগল ফ্লো। গুগল ফ্লো সম্পর্কে আপনারা অনেকেই জানেন। আমরা ক্রোম ব্রাউজারে গুগল ফ্লো লিখে সার্চ করলে আমরা পেয়ে যাবো। এখান থেকে আমরা এই সাইটে চলে যাবো। গুগল ফ্লো হচ্ছে গুগলের খুবই পাওয়ারফুল একটা ফ্রি এআই টুল।


এখানে আপনারা ফ্রিতে ভিডিও জেনারেট করতে পারবেন। পাশাপাশি ন্যানো ব্যানানা একদম সম্পূর্ণ ফ্রিতে আনলিমিটেড ব্যবহার করতে পারবেন। আমরা এখান থেকে প্রথমে ক্রিয়েট উইথ ফ্লোতে চলে যাবো। দেন এখান থেকে নিউ প্রজেক্টে চলে যাবো। এখানে আমরা ভিডিও জেনারেট করার জন্য প্রতিদিন কিছু ফ্রি লিমিট পেয়ে যাবো। যেমন 50 ক্রেডিট করে আমরা প্রতিদিন পাবো। যেগুলো দিয়ে আমরা ভিডিও জেনারেট করতে পারবো। এছাড়াও এখানে আমরা ন্যানো ব্যানানা ইমেজ জেনারেট করার জন্য ন্যানো ব্যানানা প্রো এবং ন্যানো ব্যানানা টু এই দুইটা মডেল এবং পাশাপাশি ইমেজ এন্ড ফোর এই মডেলগুলো সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবো। আনলিমিটেড। এবং এখানে আমরা অ্যাস্পেক্ট রেশিওগুলো দেখতে পাচ্ছি ছবি জেনারেট করার জন্য এবং একসাথে আমরা চারটা পর্যন্ত ছবি জেনারেট করতে পারবো। ফর এক্সাম্পল আমরা যদি এখানে একটা ভিডিও জেনারেট করতে চাই, তো আমি এখান থেকে ভিডিওটা সিলেক্ট করলাম এবং ইমেজ টু ভিডিও জেনারেট করার জন্য আমরা এখান থেকে ফ্রেমটা সিলেক্ট করবো। এখানে অ্যাস্পেক্ট রেশিও রয়েছে আমি এখান থেকে 9:16 টা সিলেক্ট করে দিলাম। এবং একটা ভিডিও জেনারেট করবো আমি এখান থেকে 1 সিলেক্ট করলাম। এখান থেকে বিউ 3.1 ফাস্ট সিলেক্ট করলাম।

 ঠিক আছে। আমরা এখানে প্রথমে রেফারেন্স ইমেজটা আপলোড করবো। ফাস্ট ফ্রেমে ক্লিক করে এই জায়গায় আপলোডে ক্লিক করে আমাদের ইমেজটা আপলোড করবো। তো আমি এখান থেকে ফর এক্সাম্পল আমরা একটু আগে যে ছবিটা জেনারেট করেছিলাম এটাকে আমরা আপলোড করছি। এটা দিয়ে আমরা একটা সিনেম্যাটিক ফ্যাশন ভিডিও জেনারেট করবো। ওকে ছবিটা এখানে আপলোড হয়ে গেলো এবং এখানে রেফারেন্সের মধ্যে চলে আসছে। আমরা এখানে একটা সিম্পল প্রম্পট লিখে দেবো। যেমন আমি লিখলাম মেয়েটি ধীরে ধীরে সামনের দিকে হাঁটছে। তার পুরো শরীর দৃশ্যমান। অর্থাৎ যেহেতু এটা ফ্যাশন ভিডিও সেক্ষেত্রে পুরো জামাটা দেখা যেতে হবে। আমি এখানে এটা উল্লেখ করে দিলাম ক্যামেরা ধীরে ধীরে জুম আউট হবে। মেয়েটা সামনের দিকে আসার সাথে সাথে ক্যামেরাটা পেছনের দিকে যাবে এবং স্মুথ সিনেম্যাটিক ফ্যাশন ভিডিও স্টাইল আমরা এখানে ভিডিওটা কেমন হবে সেটা উল্লেখ করে দিলাম। পাশাপাশি সফট লাইটিং রিয়েলিস্টিক মোশন এই বিষয়গুলো উল্লেখ করে দিলাম এবং পোশাকের ডিটেইলস যেন ভালোভাবে পরিষ্কারভাবে ফুটে ওঠে সেটা আমরা এখানে উল্লেখ করে দিলাম। ঠিক আছে দেন এখান থেকে সেন্ডে ক্লিক করবো। ওকে আমাদের ভিডিওটা জেনারেট হয়ে গেলো। আমি যদি একটু প্লে করি। এই দেখুন একদম পারফেক্ট। ফ্যাশন ভিডিওগ্রাফি স্টাইলে ভিডিওটা জেনারেট করা হয়েছে। অসাধারণ। এবং পোশাকের টেক্সচারগুলো খেয়াল করুন।


ওকে এছাড়াও আমরা এখানে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে একদম আনলিমিটেড ফ্রিতে ছবি জেনারেট করতে পারি। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখান থেকে ইমেজটা সিলেক্ট করি। আমি এখানে যেমন আমার সাবজেক্ট রেফারেন্সিয়ে একটা ছবি জেনারেট করতে চাচ্ছি। তো সেক্ষেত্রে প্লাসে ক্লিক করে আমি কি ধরনের ছবি জেনারেট করতে চাচ্ছি। যেমন আমার এই ছবিটা আপলোড করলাম। তাহলে এটা এখানে চলে আসবে রেফারেন্সের মধ্যে। এই জায়গায় আমি কেমন ছবি জেনারেট করতে চাচ্ছি। অর্থাৎ প্রম্পটটা লিখে দেবো। ওকে আমি এখানে একটা প্রম্পট লিখে দিলাম যেমন 200 রঙের পাঞ্জাবি এবং কাঁধে কালো শাল জড়ানো একজন বাংলাদেশী যুবক। দেন এখান থেকে সেন্ডে ক্লিক করবো। এই দেখুন আমাদের ছবিটা জেনারেট হয়ে গেলো এবং একদম পারফেক্ট ভাবে। ছবির কোয়ালিটি দেখুন। ন্যানো ব্যানানার ছবিগুলো সত্যি অসাধারণ। আমরা এখান থেকে এই ছবিটাকে চাইলে ইনস্ট্যান্টলি এডিট করতে পারি। যদি এই ছবির মধ্যে কোনো কিছু পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়। আমরা এখানে ছবিটার শুধুমাত্র সেই অংশটা পরিবর্তন করতে পারি। যেমন ছবির মধ্যে ইনপেইন্ট করা, কোনো কিছু যুক্ত করা অথবা কোনো কিছু রিমুভ করা। আপনি চাইলে এখান থেকে ব্রাশ টুল দিয়ে যেকোনো কিছু সিলেক্ট করতে পারেন। 

যেমন আমি যদি এখানে কোনো কিছু যুক্ত করতে চাই, এই জায়গাটা সিলেক্ট করে দেবো। সিলেক্ট করে দিয়ে জাস্ট এখানে প্রম্পট লিখে দেবো। কী অবজেক্ট যুক্ত করতে চাচ্ছি সেটা এখানে এক্স্যাক্টলি এই জায়গায় অ্যাড হয়ে যাবে। অসাধারণ কাজ করা যায় গুগল ফ্লোতে এবং একইভাবে যদি কোনো কিছু রিমুভ করতে চাই ছবি থেকে, জাস্ট এখানে ব্রাশ টুল দিয়ে আমরা সেই অংশটুকু সিলেক্ট করে দেবো। যেমন আমি যদি ঘড়িটা রিমুভ করতে চাই এটা জাস্ট সিলেক্ট করে দিয়ে রিমুভ ইট লিখে দিলে এই অংশটুকু রিমুভ হয়ে যাবে। ওকে। একইভাবে আমরা এখানে প্লাসে ক্লিক করে নতুন কোনো অবজেক্ট বা নতুন কোনো পার্সনকে অ্যাড করতে চাইলে সেটাকেও আমরা এখানে ছবির মধ্যে অ্যাড করতে পারবো। কোন অংশে অ্যাড করতে চাচ্ছি সেটা করতে পারবো। অর্থাৎ আপনি নিজের মতো করে ছবিতে এডিট করতে পারবেন। একদম ফটোশপে আমরা যেভাবে এডিট করি, গুগল ফ্লোতে নির্দিষ্ট একটা এরিয়া সিলেক্ট করে সেখানে ইনপেইন্ট আউটপেইন্ট সবকিছু করতে পারবেন। এছাড়াও এখানে লেজো টুল রয়েছে, বক্স রয়েছে, যেকোনো কিছু অ্যাড করার জন্য লেজো টুল এবং বক্স দিয়ে সিলেক্ট করতে পারবেন। ঠিক আছে। তো আমি এখান থেকে ব্যাকে চলে যাচ্ছি। একইভাবে আপনি এখানে বাংলা টেক্সট সহ যেকোনো থাম্বনেইল বা পোস্টার ক্রিয়েট করতে পারবেন। ঈদ গ্রিটিংসের জন্য কয়েকটা পোস্টার আমরা এখানে জেনারেট করেছিলাম। যেমন আমি আমার এই ছবিটা দিয়ে একটা পোস্টার জেনারেট করবো। প্রথমে এটা সিলেক্ট করলাম। দেন এখানে আমরা প্রম্পটটা লিখে দেবো। আমরা এখানে ঈদ গ্রিটিংসের জন্য একটা প্রম্পট লিখে দিয়েছি। দেন এখান থেকে 3:4 সিলেক্ট করে এখান থেকে সেন্ডে ক্লিক করবো। এই দেখুন অসাধারণ একটা ডিজাইন আমরা এখানে পেয়ে গেলাম। ঠিক আছে এবং টেক্সটগুলো দেখুন একদম নিঁখুত। তো আমাদের লিস্টের তিন নাম্বার টুল হচ্ছে কো-পাইলট। তো গুগলে আপনারা কো-পাইলট লিখে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন। অথবা এটা মাইক্রোসফট অর্থাৎ উইন্ডোজের সাথে এটা ইনস্টল হয়ে যায়। এই দেখুন কো-পাইলট আমাদের এখানে আছে আপনারা এখানে জাস্ট সার্চগুলো পেয়ে যাবেন কো-পাইলট। আর এখানে যদি আপনারা সফটওয়্যারটা না পান তাহলে মাইক্রোসফট স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিবেন কো-পাইলটটা। তো আমি যদি কো-পাইলট ওপেন করি, এখানে আপনারা জিফিডি 5 একদম ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন। যা আমরা যেরকম চ্যাট জিফিডিতে জিফিডি 5 মডেলটা ব্যবহার করতে পারেন। 

তবে সেখানে লিমিটেশনস খুবই কম। এখানে আপনারা জিফিডি 5 টা দেখুন এই জিফিডি 5 স্মার্ট, এই মডেলটা এখানে ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন। এখানে আপনারা ছবি জেনারেট করা। এরপরে স্ক্রিপ্ট তৈরি করা ভিডিওর জন্য। এরপর ভিডিওর সামারি তৈরি করা প্রম্পট জেনারেট করা। অর্থাৎ চ্যাট জিবিডি দিয়ে যে কাজগুলো করা যায় সবগুলো কাজ আপনারা কো-পাইলট দিয়ে একদম ফ্রিতে করতে পারবেন। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখানে কোনো একটা ভিডিওর সামারি তৈরি করতে চাই, কোনো একটা ভিডিও জাস্ট লিংক কপি করে আমরা এখানে দিয়ে দিলে হবে। যেমন আমি যদি এই ভিডিওটার লিংক কপি করি, জাস্ট কো-পাইলটে দিয়ে দেই। এখানে আমরা পেস্ট করে দেবো। দেন এখানে আমরা লিখে দিতে পারি এই ভিডিওটার সামারি তৈরি করে দাও। সেন্ডে ক্লিক করবো। তাহলে সে ভিডিওটাকে অ্যানালাইজ করে ভিডিওতে কী কী বলা হয়েছে, কী কী নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আপনাকে পুরো ভিডিওটা একটা সামারি তৈরি করে দেবে। এই দেখুন পুরো ভিডিওটা একটা সামারি আমরা এখানে পেয়ে গেলাম। কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ড্রিম লাইক ইফেক্ট, আর জি বি স্প্লিট ইফেক্ট, গ্লিন্ট ইফেক্ট, লুমিট্রি কালার এগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে টোটাল সাতটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। একইভাবে আমরা যেকোনো ভিডিওর জন্য স্ক্রিপ্ট তৈরি করতে পারি। ইমেজ জেনারেট করতে পারি। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখানে কোনো ইমেজ জেনারেট করতে চাই। 

এখানে আপনারা অনেকগুলো মডেল পেয়ে যাবেন। যেমন কোনো জটিল বিষয় নিয়ে যদি আপনি কোনো আলোচনা করতে চান তাহলে থিংক ডিপারটা সিলেক্ট করে দিতে পারেন। স্টাডি পারপাসে যদি আপনি কো-পাইলট ব্যবহার করতে চান তাহলে স্টাডি এন্ড লার্ন মডেলটা সিলেক্ট করতে পারেন। এছাড়াও এখানে আপনি প্লাসে ক্লিক করে যেকোনো ডকুমেন্ট আপলোড করতে পারবেন। যেমন যেকোনো পিডিএফ আপলোড করতে পারবেন ছবি ভিডিও সবকিছু আপলোড করতে পারেন। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখানে একটা থাম্বনেইল জেনারেট করতে চাই কো-পাইলট দিয়ে। তো আমি কী ধরনের থাম্বনেইল জেনারেট করতে চাচ্ছি। আমি চাইলে অন্য কোনো থাম্বনেইলকে কপি করতে পারি অর্থাৎ একইরকম থাম্বনেইল তৈরি করতে পারি। সেক্ষেত্রে আমি যে থাম্বনেইলটাকে কপি করবো অর্থাৎ সিমিলার টাইপের থাম্বনেইল জেনারেট করবো সেটাকে এখানে জাস্ট আপলোড করে সেই থাম্বনেইলের জন্য একইরকম থাম্বনেইল জেনারেট করার জন্য প্রম্পট লিখে নিতে পারি। ফর এক্সাম্পল আমি এখানে আপলোডে ক্লিক করে একটা থাম্বনেইল আপলোড করবো। যেমন আমি এই থাম্বনেইলটা আপলোড করলাম। আমি চাচ্ছি এ ধরনের একটা থাম্বনেইল জেনারেট করবো যেখানে আমাদের সাবজেক্টটা চেঞ্জ হবে লেখাগুলো চেঞ্জ হবে। তো এখানে আমি একটা প্রম্পট লিখে দিতে পারি যে আমি আমার ইমেজ রেফারেন্স দিয়ে এরকম একটি ছবি থাম্বনেইল জেনারেট করতে চাই। তুমি আমাকে একটি ডিটেইল প্রম্পট লিখে দাও। ছবির সাবজেক্ট হিসেবে আমি আমার নিজের ছবি অর্থাৎ ইমেজ রেফারেন্স ব্যবহার করবো তাই সাবজেক্টের মধ্যে শুধু বাংলাদেশী যুবক লিখবে। অর্থাৎ এখানে সে যে প্রম্পটটা আমাকে লিখে দেবে সেখানে সাবজেক্টের মধ্যে শুধু বাংলাদেশের যুবক এই কি-ওয়ার্ডটা থাকবে। আর এই ছবিতে যে টেক্সটগুলো আছে সেগগুলো পরিবর্তন হবে। অর্থাৎ এখানে এই ছবিতে টেক্সটগুলো পরিবর্তন হবে। এখানে কী লেখা থাকবে সেটা আমি উল্লেখ করে দিলাম। এখানে লেখা থাকবে বেস্ট ফ্রি এআই টুল 2026। এরপর সাবজেক্ট ও টেক্সট কোনটা কোন অংশে থাকবে সেটা প্রম্পটে উল্লেখ করবে। তুমি আমাকে এই ডিজাইন একটি থাম্বনেইল জেনারেট করার জন্য প্রম্পট লিখে দাও।



ওকে তো আমি এখান থেকে সেন্ডে ক্লিক করবো। এভাবে আমরা যেকোনো থাম্বনেইলকে কপি করতে পারি অর্থাৎ সিমিলার টাইপের থাম্বনেইল জেনারেট করতে পারি। আমি এখানে সেন্ডে ক্লিক করলাম তাহলে সেইটাকে অ্যানালাইজ করে সাথে সাথে আমাকে একটা প্রম্পট লিখে দিলো দেখুন। অসাধারণ। আমরা জাস্ট এই প্রম্পটটাকে কপি করবো। দেন আমরা এখন থাম্বনেইল জেনারেট করবো। থাম্বনেইল জেনারেট করার জন্য আমরা কো-পাইলট ব্যবহার করতে পারি। আমি এখানে প্লাসে ক্লিক করে আমার ছবিটা আপলোড করবো ইমেজ অর্থাৎ সাবজেক্টটা আপলোড করবো। ফর এক্সাম্পল আমি আমার এই ছবিটা আপলোড করলাম। এটা আমাদের থাম্বনেইলের সাবজেক্ট থাকবে। দেন কপি করা প্রম্পটটাকে এখানে পেস্ট করে দেবো। এখানে সে একদম বিস্তারিত লিখে দিয়েছে। টেক্সটগুলো কী হবে। সাবজেক্ট কী হবে। কোনটা কোথায় থাকবে সবকিছু। আমি এখানে সেন্ডে ক্লিক করবো। তাহলে সে আমাকে একটা ইমেজ জেনারেট করে দেবে থাম্বনেইলের জন্য। আচ্ছা আমরা এখানে থাম্বনেইলের যে সাইজটা সেটা কিন্তু উল্লেখ করিনি। আমরা চাইলে উল্লেখ করে দিতে পারতাম থাম্বনেইলের সাইজ হবে 16:9। ঠিক আছে সেটা আমরা এখানে উল্লেখ করিনি। ওকে আমাদের থাম্বনেইলটা জেনারেট হয়ে গেলো। আমি যদি একটু ওপেন করি। অসাধারণ থাম্বনেইলটা দেখুন একদম পারফেক্ট। আমাদের ওই ডিজাইনের সাথে 100% মিল রয়েছে এবং যেভাবে আমরা টেক্সটগুলো দিয়েছিলাম টেক্সটগুলো ঠিক সেভাবে এখানে লেখা হয়েছে। তো আমি এখান থেকে ডাউনলোডে ক্লিক করে জাস্ট ডাউনলোড করে ফেলবো। কো-পাইলট দিয়ে আপনারা যেকোনো কিছু করতে পারবেন। ছবির মধ্যে এডিট করতে পারবেন ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড চেঞ্জ করা, পোশাক চেঞ্জ করা, ছবির স্টাইল চেঞ্জ করা ছবির ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল চেঞ্জ করা সবকিছু করতে পারবেন।

 অর্থাৎ এককথায় জিফিডি 5 আপনার এখানে একদম আনলিমিটেড ব্যবহার করতে পারবেন। ওকে তো আমাদের লিস্টের চার নাম্বার যে এআই টুল সেটা হচ্ছে ইলিভেন ল্যাবস। আমরা অনেকেই ইলিভেন ল্যাবস সম্পর্কে জানি। আমি যদি এখান থেকে ইলিভেন ল্যাবস লিখে সার্চ করি। ওকে এবং ইলিভেন ল্যাবসের মধ্যে আমরা ফ্রিতে প্রতি মাসে 10000 ক্রেডিট করে পেয়ে যাবো। আমরা এখানে ফ্রিতে টেক্সট টু স্পিচ জেনারেট করতে পারবো একদম রিয়েলিস্টিক মানুষের মতো। ভয়েস চেঞ্জ করতে পারবো। নিজের ভয়েস চেঞ্জ করতে পারবো। চাইলে আমরা নিজের মতো করে ভয়েস ডিজাইন করতে পারবো। অর্থাৎ আপনি আপনার ক্যারেক্টারের জন্য একটা নির্দিষ্ট কণ্ঠ আপনি এখানে জেনারেট করতে পারবেন। এছাড়াও এখানে আরো অনেকগুলো অপশন রয়েছে মিউজিক জেনারেট করা যায়। আপনি চাইলে এখানে ভিডিও থেকে অডিও টু টেক্সট অর্থাৎ ক্যাপশন ফাইল বা এআরটি ফাইল এখান থেকে আপনি তৈরি করতে পারবেন। ফর এক্সাম্পল আমি যদি একটা ভয়েস জেনারেট করতে চাই। যেমন আমি চাচ্ছি একটা ভয়েস প্রোফাইল ক্রিয়েট করতে। তো সেক্ষেত্রে আমি এখান থেকে ভয়েসে চলে যাবো। এখানে আমরা ক্রিয়েট ভয়েসে ক্লিক করে নিজের মতো করে একটা ভয়েস ডিজাইন করতে পারি। যেমন এখান থেকে ভয়েস ডিজাইনে ক্লিক করে আপনি কী ধরনের ক্যারেক্টারের জন্য ভয়েসওভার করবেন। 

যেমন আমরা অনেকেই বিভিন্ন কার্টুন ভিডিও জেনারেট করি। তো সেক্ষেত্রে দেখা যায় আমরা যখন বিউ 3 অথবা অন্য কোনো এআই টুল দিয়ে ফুটেজগুলো জেনারেট করি, ফুটেজগুলোর যে ভয়েসটা ডাইলগগুলো কিন্তু একেকটা ফুটেজে একেক রকম হয়ে যায়। সব গুলো ফুটেজ কিন্তু একেক একেক রকম থাকে না ডাইলগগুলো কণ্ঠটা একেক রকম থাকে না। সেক্ষেত্রে আমরা চাইলে এখানে ভয়েসওভারগুলো জেনারেট করে সেগুলো আমরা সেখানে লিপসিং করাতে পারি অথবা অডিওগুলোকে চেঞ্জ করে এগুলো যুক্ত করে দিতে পারি। অর্থাৎ ডাইলগগুলোকে কনসিস্টেন্স রাখার জন্য আমরা এখানে নিজের মতো করে প্রম্পট লিখে ভয়েস ডিজাইন করতে পারি প্রতিটা ক্যারেক্টারের জন্য। যেমন আমি চাচ্ছি একটা কার্টুন ভিডিও তৈরি করবো যেখানে একটা বিড়াল কথা বলছে। ঠিক আছে। মজার ছলে কথা বলছে। বিড়ালের একটা কার্টুন ভিডিও। তো সেক্ষেত্রে ভয়েস ওভারগুলো আমরা এখান থেকে জেনারেট করতে পারি। ফর এক্সাম্পল আমি বিড়ালের জন্য একটা ভয়েস ডিজাইন করবো। তো এখানে আমি লিখে দিতে পারি এ কিউট। আচ্ছা আমরা যদি এখানে আপনারা যদি নিজে এখানে প্রম্পট লিখতে না পারেন সেক্ষেত্রে আপনি চাইলে চ্যাট জিবিডি দিয়েও প্রম্পটটা লিখে নিতে পারেন। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখান থেকে চ্যাট জিবিডিতে চলে যাই। যেমন আমি এখানে মাইক্রোফোনে ক্লিক করে জাস্ট মুখে বলে দিতে পারি। তুমি আমাকে একটা ভয়েস ডিজাইন করার জন্য প্রম্পট লিখে দাও যেখানে একটা বিড়াল মজার ছলে চিকন সুরে কথা বলছে। এবং তোমার দেয়া ভয়েস ডিজাইন প্রম্পটটা আমি ইলিভেন ল্যাবসের মধ্যে ব্যবহার করবো। ওকে দেন আমি এখান থেকে এ্যাপ্লাইতে ক্লিক করবো। এখানে টাইপটা হয়ে যাবে। ওকে আমি এখান থেকে জাস্ট সেন্ডে ক্লিক করবো। আর অথবা আমরা যদি কোনো কার্টুন ভিডিওর জন্য ভয়েস ডিজাইন প্রম্পট তৈরি করতে চাই।

তো সেক্ষেত্রে যদি আমরা এখানে চাইল্ড লিখি 10 বছর বয়সী বা পাঁচ বছর বয়সী চাইল্ড এই কি-ওয়ার্ডগুলো কিন্তু ইলিভেন ল্যাবসে ব্লক করে দেওয়া হয়। এগুলো ব্যবহার করা যায় না। সেক্ষেত্রে আমরা এ ধরনের বিভিন্ন প্রাণীদের প্রাণীরা কথা বলছে এ ধরনের ভয়েস ডিজাইন করে সেগুলো বাচ্চাদের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করতে পারি। যেমন বিড়াল কথা বলছে একটা ইঁদুর কথা বলছে এ ধরনের যখন আমরা প্রম্পটগুলো দেবো তখন একদম চিকন সুরে বাচ্চারা যেভাবে কথা বলে মজার করে সেভাবে ভয়েসগুলো ডিজাইন করা হবে। সেগুলো আমরা কার্টুন ভিডিওতে যেখানে বাচ্চারা কথা বলবে সেখানেও ব্যবহার করতে পারি। তো দেখুন আমাকে একটা ডিটেইল প্রম্পট লিখে দিলো এ প্লেফুল কিউট কার্টুন ক্যাট ভয়েস উইথ এ থিন হাই পিচ টোন। তো আমি এখান থেকে পুরো প্রম্পটটাকে কপি করবো। ওকে এখানে আমরা জাস্ট পেস্ট করে দেবো। ওকে দেন এখান থেকে জেনারেট ভয়েসে ক্লিক করবো তাহলে আমাদের জন্য একটা ভয়েস ডিজাইন হয়ে যাবে। এই দেখুন জেনারেট হচ্ছে।


আচ্ছা আমি দুই নম্বরটা নিলাম। সিলেক্ট ভয়েস। এবং এখানে আমরা যেকোনো একটা নাম লিখে সেভ করে দিতে পারি। যেমন আমি এখানে ক্যাট লিখলাম। ল্যাঙ্গুয়েজটা বাংলা দিয়ে দেবো এখান থেকে। বেঙ্গলি। ওকে। সেভ ভয়েস। তাহলে আমাদের ভয়েসটা এখানে সেভ হয়ে যাবে একটা প্রোফাইল আকারে। এছাড়াও আমরা যারা এআই দিয়ে ভয়েস জেনারেট করি বিশেষ করে যখন আমরা কোনো ডকুমেন্টারি টাইপের বা ইনফরমেটিভ ভিডিওর জন্য নিজেরা ভয়েস না দিয়ে বিশেষ করে জেমিনি টিটিএস মডেল দিয়ে জেনারেট করি বা ইলিভেন ল্যাবস দিয়ে জেনারেট করি তখন দেখা যায় আমরা একেকবার একেক ধরনের কণ্ঠ ব্যবহার করি। প্রতিটা ভিডিওর কণ্ঠগুলো এক্স্যাক্টলি সেইম হয় না। সেক্ষেত্রে আমরা এখানে নির্দিষ্ট একটা ভয়েস ডিজাইন করে রাখতে পারি। আমাদের প্রতিটা ভিডিওতে সেই ডিজাইনটা ব্যবহার করতে পারি। যেমন আমি যদি এখানে আরেকটা প্রম্পট লিখি। আমি এখানে লিখবো হচ্ছে। আচ্ছা তুমি আমাকে আরেকটা ভয়েস ডিজাইন প্রম্পট লিখে দাও যেখানে একজন প্রোফেশনাল ভয়েস আর্টিস্ট ভয়েস ওভার করবে যাতে করে সেটা ডকুমেন্টারি ভিডিওতে ব্যবহার করা যায়। তার কথাগুলো হবে একটু মোটা। বাংলাদেশের একজন যুবক যেভাবে কথা বলে। তার কণ্ঠগুলো অবশ্যই এনার্জিটিভ হবে। প্রম্পটটা তুমি বাংলাতে লিখে দিবে। আমি এখান থেকে সেন্ডে ক্লিক করবো। তাহলে সে আমাকে ইলিভেন ল্যাবস ব্যবহার করার জন্য একটা ভয়েস ডিজাইনের জন্য প্রম্পট লিখে দেবে। এই দেখুন। অসাধারণ। আমরা এখান থেকে এই প্রম্পটটাকে কপি করে আরেকটা ডিজাইন এখানে তৈরি করবো। ক্রিয়েট ভয়েস। ভয়েস ডিজাইন। 

এখানে আমরা পেস্ট করে দেবো প্রম্পটটাকে। দেন জেনারেট। আপনাদের স্বাগতম জানাই আমাদের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে। আজ আমরা কথা বলবো বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং নানা ধরনের ঐতিহ্য নিয়ে। ওকে আমি এখান থেকে তিন নম্বরটা সিলেক্ট করলাম। দেন সিলেক্ট ভয়েস। এখানে একটা নাম লিখে দেবো। ফারহান। ওকে। দেন এখান থেকে আমরা বাংলাটা সিলেক্ট করে। বেঙ্গলি। সেভ ভয়েস। ওকে তাহলে আমরা দুইটা ভয়েস ডিজাইন করে ফেললাম। দেন আমরা এখন এই কণ্ঠগুলোকে ব্যবহার করে টেক্সট টু স্পিচ বা টেক্সট টু ভয়েসওভার জেনারেট করতে পারি। আমরা এখান থেকে এই টেক্সট টু স্পিচে চলে যাবো। এখান থেকে আমরা জাস্ট আমাদের স্ক্রিপ্টটা দিয়ে দেবো। এখানে কী ভয়েস কী কথাগুলো বলবে। দেন এখান থেকে আমরা ইলিভেন ভার্সন থ্রি মডেলটা সিলেক্ট করতে পারি। ওকে। এবং এখান থেকে আমরা ভয়েসগুলোকে আমাদের সেভ করা যে ভয়েসগুলো সেগুলো এখানে পেয়ে যাবো। মাই ভয়েসের মধ্যে। যেমন আমি এখান থেকে ফারহান ভয়েসটা সিলেক্ট করি। যেটা প্রোফেশনাল ভয়েস আর্টিস্ট। এটা সিলেক্ট করলাম। এই জায়গায় আমাদের স্ক্রিপ্টটা দিয়ে দেবো। যেমন আমি এখানে একটা ছোট একটা স্ক্রিপ্ট দিচ্ছি। ওকে দেন জেনারেট স্পিচ। তাহলে আমাদের প্রতিবার আমাদের যখন আমরা যখন টেক্সট টু ভয়েসওভার জেনারেট করবো তখন আমাদের কণ্ঠটা একে রকম থাকবে না। বাংলাদেশের প্রকৃতি তার নিজস্ব এক রহস্যময় সৌন্দর্য বহন করে। নদী পাহাড় আর সবুজ বন। এই সবকিছু মিলেই তৈরি হয়েছে এক অনন্য পরিবেশ।

ওকে আমরা এভাবে কার্টুন ভিডিওর জন্য নির্দিষ্ট একটা কণ্ঠে ভয়েসগুলো জেনারেট করতে পারি। অথবা ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে আমরা এগুলো ব্যবহার করতে পারি। ঠিক আছে। আচ্ছা। এছাড়াও আমরা ইলিভেন ল্যাবসের মধ্যে যেকোনো ভিডিওর জন্য ক্যাপশন ফাইল অর্থাৎ এআরটি ফাইল জেনারেট করতে পারি। আমরা জানি যে আমাদের শর্ট ভিডিও হোক বা লং ভিডিও আমরা অনেক সময় আমাদের কি সাবটাইটেল ব্যবহার করতে হয়। ঠিক আছে। তো সেক্ষেত্রে টেক্সটগুলো টাইপ করে করে সাবটাইটেল অ্যাড করা কিন্তু অনেক সময়ের ব্যাপার। তো সেক্ষেত্রে আমরা চাইলে অডিও থেকে সাবটাইটেলটা এখানে এক ক্লিকে জেনারেট করে ফেলতে পারি। সেজন্য আমরা এখান থেকে চলে যাবো স্পিচ টু টেক্সট ফিচারের মধ্যে। এখানে আমরা ট্রান্সক্রাইব ফাইলে ক্লিক করে আমাদের ফাইলটা আপলোড করবো। যেমন আমি ট্রান্সক্রাইব ফাইলে ক্লিক করে এখান থেকে ল্যাঙ্গুয়েজটা সিলেক্ট করে দেবো হচ্ছে বেঙ্গলি। ফাইলটা এখানে ফাইল অথবা যেকোনো ইউটিউব ভিডিও অথবা যেকোনো ভিডিওর ইউআরএল এখানে পেস্ট করলেই হবে। তো আমি এখান থেকে ভিডিওটা আপলোড করছি। এখানে সর্বোচ্চ 100 এমবির মধ্যে আপনি ফাইলটা আপলোড করতে পারবেন। ফর এক্সাম্পল আমাদের এখান থেকে এই ভিডিওটা এটা 40 এমবি। আমি এই ভিডিওটা আপলোড করছি। ওকে এটা প্রসেসিং কমপ্লিট আমরা এখান থেকে ফাইলটা সিলেক্ট করবো।


এই দেখুন একদম পারফেক্ট ভাবে আমাদের এখানে ডিউরেশন সহ সাবটাইটেল জেনারেট হয়ে গেলো। আমি যদি একটু প্লে করি। আসসালামু আলাইকুম। স্বাগতম জানাচ্ছি টেক বিডি 19 এর আজকের টিউটোরিয়ালে। শুরুতে আপনারা যে কার্টুন ভিডিওটি দেখেছেন এবং আপনি চাইলে এখানে নিজের মতো করে কাস্টমাইজ করতে পারবেন। যেমন এখানে দুইটা লাইন দেওয়া হয়েছে প্রথমে। আপনি চাইলে একটা লাইন করে এখানে শব্দ প্রতিটা সাবটাইটেলের মধ্যে শব্দগুলোকে ওয়ার্ডগুলোকে কম বেশি করতে পারবেন। ফর এক্সাম্পল আমি চাইলে প্রথম আসসালামু আলাইকুম থাকবে এরপর এটা থাকবে। তো আমি এখানে আসসালামু আলাইকুম যেখানে শেষ এখানে কারসরটা জাস্ট ক্লিক করে কারসরটা রেখে এন্টার ক্লিক করবো। তাহলে এটা পরের লাইনে চলে আসবে। স্বাগতম জানাচ্ছি টেক বিডি 19 এর আজকের টিউটোরিয়ালে। এতোটুকু থাকবে দেন আবার নিচে নিয়ে আসবো। ঠিক আছে। শুরুতেই আপনারা যে কার্টুন ভিডিওটি দেখেছেন। আমরা এখানে আপনারা এই জায়গায় এটাকে উপরে উঠিয়ে দেবো। ঠিক এই ধরনের প্রোফেশনাল কার্টুন ভিডিও। এটাকে জাস্ট উপরের লাইনে নিয়ে আসবো। ওকে। কিভাবে এআই দিয়ে তৈরি করতে হয়। একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। এভাবে আমরা নিজের মতো করে এন্টার করে অথবা ব্যাকস্পেস দিয়ে লাইনগুলোকে নিজের মতো করে কাস্টমাইজ করে নিতে পারি। 

এবং এখানে ডিউরেশনগুলো অটোমেটিক্যালি সেট হয়ে যাবে। কোন কোন শব্দটা কোন জায়গায় বলা হয়েছে সেটা অটোমেটিক্যালি এখানে টাইম কোডগুলো চলে আসবে। এভাবে আপনি নিজের মতো করে সাজিয়ে এই ফাইলটাকে অর্থাৎ এআরটি ফাইলটাকে আপনি চাইলে এখান থেকে এক্সপোর্ট করতে পারবেন। এক্সপোর্ট করার জন্য এখানে এক্সপোর্টে ক্লিক করে আপনি চাইলে টেক্সট, পিডিএফ, জেসন অথবা এআরটি, বিটিটি ফাইল সেভ করতে পারবেন। তো আমি এখান থেকে এআরটি ক্লিক করলাম। তাহলে একটা ক্যাপশন এআরটি ফাইল এক্সপোর্ট হয়ে যাবে। এটা এটাকে আমরা ক্যাপকাটে অথবা অ্যাডোবি প্রিমিয়ার যে কোনো সফটওয়্যারে এনেই অ্যাড করতে পারবো। ফর এক্সাম্পল আমি যদি এখান থেকে ক্যাপকাটে চলে যাই। যেমন আমি ভিডিওটাকে নিয়ে আসলাম। দেন এআরটি ফাইলটাকে আমরা এখানে ইনপোর্ট করবো। টেক্সট থেকে চলে যাবো। অটো ক্যাপশন। সরি অটো ক্যাপশন না। লোড ক্যাপশন। ইম্পোর্ট ফাইল। এখান থেকে আমরা সেভ করা এআরটি ফাইলটাকে জাস্ট ইম্পোর্ট করবো। 

প্রথমে ভিডিওটাকে বসিয়ে দিচ্ছি টাইমলাইনে। এরপর কারসরটাকে একদম শুরুতে রেখে এআরটি ফাইলটাকে নিয়ে আসবো শুরু থেকে। এই দেখুন আমাদের সাবটাইটেল রেডি। এখন আমরা এখান থেকে চাইলে যেকোনো ইফেক্ট, কালার, টেক্সট, ফন্ট সবকিছু চেঞ্জ করতে পারি। তো আমাদের লিস্টের পাঁচ নাম্বার যে এআই টুল সেটা হচ্ছে অ্যাডোবি পডকাস্ট এআই। এটা সম্পর্কে আপনারা অনেকেই জানেন। আমি যদি অ্যাডোবি পডকাস্ট এআই লিখে সার্চ করি। এখানে আমরা একদম পারফেক্ট ভাবে যেকোনো নয়েজি এনভাইরনমেন্টে রেকর্ড করা অডিও ফাইলকে 100% পারফেক্ট ভাবে আমরা ইনহেন্স করতে পারি। নয়েজ রিমুভ করতে পারি। যদি অপ্রয়োজনীয় কোনো সাউন্ড থাকে ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড থাকে সেগগুলো একসাথে রিমুভ হয়ে যাবে। তো ফর এক্সাম্পল আমি এখান থেকে ইনহেন্সিং এ চলে যাবো।

৫টি সেরা AI Tools 2025 | কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য Best Free AI Tools Tutorial in Bangla (Beginner to Advanced Guide)


আগের মতন আমি বিদায় নিচ্ছি আমি এমডি তামিম এতক্ষণ আর্টিকেল দিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ

Post a Comment