৫টি সেটিংস যা আপনার Facebook Account রাখবে ১০০% নিরাপদ | Online Safety Tricks

আপনার Facebook account কি নিরাপদ? এই ভিডিওতে জানুন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস, যা ব্যবহার করলে হ্যাকিং থেকে বাঁচতে পারবেন এবং আপনার ব্যক্তিগত তথ্য থাকবে

 

৫টি সেটিংস যা আপনার Facebook Account রাখবে ১০০% নিরাপদ | Online Safety Tricks

এই পাঁচটি স্টেপ অবলম্বন করে আপনি আপনার ফেসবুক আইডিকে 100% সুরক্ষিত রাখতে পারেন। নাম্বার ওয়ান আপনার ফেসবুক আইডিতে অবশ্যই স্ট্রং পাসওয়ার্ড সেট করবেন।


এখন অনেকেই হয়তোবা বুঝতে পারছেন না যে স্ট্রং পাসওয়ার্ডটা আসলে কি? আপনি ফেসবুক আইডিতে পাসওয়ার্ড দিয়েছেন আপনার ফোন নাম্বারে কোনো একটা অংশ অথবা দেখা গেল যে আপনি


কিছু স্মল লেটার দিয়েছেন, কিছু সংখ্যা দিয়েছেন দিয়ে আপনি আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ডটা দিয়েছেন। বাট আপনি যখন স্ট্রং পাসওয়ার্ড দিবেন তখন কিছু স্মল লেটার হবে, কিছু ক্যাপিটাল লেটার হবে, কিছু সংখ্যা হবে,

কিছু চিহ্ন হবে যেমন এ্যট দ্য রেট অফ থাকতে পারে, এখানে হ্যাশ থাকতে পারে। এরকম বেশ কিছু চিহ্ন দিয়ে আপনি মিনিমাম আট ডিজিটের একটি সংখ্যা দিয়ে আপনি আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ডটুকু দিবেন।


তাহলে এই পাসওয়ার্ডটুকু স্ট্রং হবে আর এই পাসওয়ার্ড খুব সহজেই যে কোনো হ্যাকার হ্যাক করে নিতে পারবে না।


নাম্বার টু আপনার ফেসবুক আইডিতে মাস্ট বি টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন চালু রাখতে হবে। আর এজন্য আপনি আপনার ফেসবুকের প্রোফাইলে চলে যাবেন, দেন সেটিংস আইকনে ক্লিক করবেন।


তারপর হচ্ছে পাসওয়ার্ড এ্যান্ড সিকিউরিটি এই অপশনটাতে ক্লিক করবেন। তারপর আপনি দেখতে পারবেন টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন নামের একটা অপশন রয়েছে। সো এই অপশনে আসার পর আপনি আপনার ফোন নাম্বার দিয়ে এইটাকে জাস্ট ভেরিফাই করে দিবেন।




পরবর্তীতে যখন কেউ আপনার আইডিতে লগইন করতে যাবে তখন অবশ্যই আপনার সিমে একটা কোড আসবে। এই কোড যতক্ষণ পর্যন্ত না দেওয়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত কিন্তু কোনো ব্যক্তি আপনার ফেসবুক আইডিতে প্রবেশ করতে পারবে না।


সো যেহেতু সিম আপনার, ফোন আপনার, আপনার এখানে কোড আসবে। সো যদি হ্যাকার আপনার পাসওয়ার্ড নিয়েও যায় তারপরও কিন্তু সে আপনার আইডিতে লগইন করতে পারবে না। সো আপনার আইডি কিন্তু নিরাপদ থাকবে।



যদি আপনি আপনার ফোনের পিন, প্যাটার্ন বা পাসওয়ার্ড সহ অন্য কোন লক ভুলে গিয়ে থাকেন তাহলে Dr. Fone. Wondershare.com নামের সাইটটিতে চলে যাবেন।


আর এই সফটওয়্যারটিকে ইনষ্টল করার পর আপনি ডাটা ক্যাবল দিয়ে ফোনটাকে কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করবেন। তারপর উপরের দিকে থাকা টুলবক্স নামক মেনুতে ক্লিক করবেন।


এবারে আপনার ফোনটি Android হলে Android, iPhone হলে iOS সিলেক্ট করবেন। তারপর আনলক Android স্ক্রিন সিলেক্ট করবেন। দেন ফোনের ব্রান্ডটি সিলেক্ট করবেন।


এবারে Dr. Fone Wondershare আপনাকে ইনস্ট্রাকশন দিবে, সেই ইনস্ট্রাকশন অনুযায়ী স্টেপ বাই স্টেপ আপনার বাকি প্রসেসগুলো ফলো করলেই আপনার ফোনের লকটাকে কিন্তু আপনি খুব ইজিলি ভেঙ্গে ফেলতে পারবেন।


নাম্বার থ্রী। যখন আমরা নতুন কোনো ওয়েবসাইটে লগইন করতে যাই তখন আমরা দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার জন্য আমরা ফেসবুকের আইডিটা ব্যবহার করি। আর এইটা কিন্তু মারাত্মক একটা ভুল।

৫টি সেটিংস যা আপনার Facebook Account রাখবে ১০০% নিরাপদ | Online Safety Tricks

আর এইখানে কিন্তু হ্যাকাররা অনেক বেশি ফাঁদ পেতে থাকে। সো আমি আপনাদেরকে বলবো যে যে কোনো সাইটে বা হচ্ছে যে কোনো অ্যাাপসে আপনার ফেসবুকের মূল আইডি দিয়ে লগইন করতে যাবেন না।


এই ক্ষেত্রে আপনাদের যদি লগইন করার প্রয়োজন হয় তাহলে অবশ্যই আপনারা ইমেইল আইডি দিয়ে অবশ্যই লগইন করবেন। এতে কিন্তু আপনার ফেসবুক যে আইডিটা রয়েছে সেটা কিন্তু 100% নিরাপদ থাকবে।


আর এই ফিসিং এর ফাঁদে ফেলেই কিন্তু ম্যাক্সিমাম হ্যাকার আমাদের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে নিয়ে যাচ্ছে বাট আমরা কিন্তু সেটা বুঝতে পারছি না।


নাম্বার ফোর অবশ্যই আপনার ফেসবুক আইডিকে নিরাপদ রাখতে হলে এ্যালার্ট অপশনটুকু চালু করতে হবে। এজন্য আপনি প্রোফাইলে ক্লিক করবেন তারপর হচ্ছে সেটিংস আইকনে ক্লিক করবেন।


তারপর এখান থেকে পাসওয়ার্ড এ্যান্ড সিকিউরিটি অপশনে চলে যাবেন। তারপর এখান থেকে আপনি ইয়োর ইমপোর্টেন্ট সিকিউরিটি এই অপশনে ক্লিক করবেন।


দেন আপনি দেখতে পারবেন লগইন এ্যালার্টস আর অন এই অপশনে ক্লিক করে আপনি এইটাকে জাস্ট চালু করে দিবেন। আর চালু করে দিলে যেটা হবে কেউ যদি আপনার আইডিতে প্রবেশ করার চেষ্টা করে বা হচ্ছে ইলিগ্যালি আপনার আইডি হ্যাক করার চেষ্টা করে তাহলে অবশ্যই আপনার এখানে এ্যালার্ট আসবে।


আপনি তখন কিন্তু সতর্ক হয়ে আপনি কিন্তু আপনার আইডিটাকে সেভ করতে পারবেন।


নাম্বার ফাইভ আপনার ফেসবুক আইডিকে নিরাপদ রাখতে হলে অবশ্যই আপনাকে রিকভারি মেইলটাকে এ্যাড করে রাখতে হবে। আর এজন্য আপনি প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করবেন।


তারপর হচ্ছে আপনি এখানে সেটিংস আইকনে ক্লিক করবেন। তারপর আপনি পার্সোনাল এ্যান্ড এ্যাকাউন্ট ইনফরমেশন এখানে ক্লিক করবেন। দেন আপনি কন্টাক্ট ইনোফোতে ক্লিক করবেন।


তারপর আপনি এখানে দেখতে পারবেন যে আপনার মেইল যুক্ত করার অপশন রয়েছে। এইখান থেকে আপনি একটা বা দুইটা মেইল যুক্ত করে দিবেন।


আর মেইল যুক্ত করে দিলে যেটা হয় যদি আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক করে হ্যাকার নিয়েও যায় তারপরেও কিন্তু আপনার মেইলে একটা মেইল আসবে যে এই মুহূর্তে আপনার ফেসবুক আইডিতে আপনার হচ্ছে পাসওয়ার্ড চেঞ্জ হয়েছে।


আপনার এই এই ইনফরমেশনগুলো চেঞ্জ হয়েছে। আপনি যদি মনে করে থাকেন যে এটা আপনি নিজে করেন নাই তাহলে এখানে আপনি অনেক ইনফরমেশন দিয়ে আপনার আইডি ফিরিয়ে আনতে পারবেন।


সো এই মেইল থেকে কিন্তু আপনি অনেক কিছু করতে পারবেন। সো মাস্ট বি আপনাকে এই ইমেইলটা এ্যাড করে রাখতে হবে।


সো গাইজ ফেসবুকের যে পাঁচটা সেটিংস নিয়ে কথা বললাম, এইগুলো যদি আপনার ঠিকঠাক মত সেট করে রাখতে পারেন তাহলে আপনার ফেসবুক আইডি কেউই হ্যাক করতে পারবে না।

৫টি সেটিংস যা আপনার Facebook Account রাখবে ১০০% নিরাপদ | Online Safety Tricks

আর যদি হ্যাক করে নিয়েও যায় তাহলে সর্বশেষ যে অপশনটির কথা বললাম ইমেইল আইডি হ্যাক করে রাখা। এইখানে যে আপনার মেইলটা আসবে সেইখান থেকে আপনি মাস্ট বি আপনার ফেসবুক আইডিটাকে ফিরিয়ে আনতে পারবেন।


আর যদি মেইলটা যুক্ত করা না থাকে তাহলে কিন্তু আপনার সামনে কোনো অপশনই খোলা থাকবে না। যাই হোক গাইজ ভিডিওটি আজকের মত এখানেই শেষ করব।


যদি আপনি আপনার ফেসবুক আইডিকে হ্যাকারার হাত থেকে রক্ষা করতে চান বা নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে চান, তাহলে জাস্ট এই কয়টা স্টেপ ফলো করুন, তাহলে আপনার ফেসবুক আইডি কখনো হ্যাকও হবেনা প্লাস নষ্টও হবেনা।

কোন প্রসেসগুলা কিভাবে করবেন চলুন আপনাদেরকে দেখাচ্ছি। শুরুতেই আপনারা ডান পাশে থাকা ফেসবুকের প্রোফাইল আইকন বা থ্রি লাইনস যেটাই থাকুক এখানে একটা ক্লিক করবেন। তারপর হচ্ছে সেটিংসের যে আইকনটা দেখতে পারবেন, এখানে একটা ক্লিক করবেন।


ক্লিক করার পর আপনার সামনে এরকম একটা ইন্টারফেস চলে আসবে। এইখান থেকে পার্সোনাল ডিটেইলস এখানে একটা ক্লিক করবেন।


পার্সোনাল ডিটেইলস এ ক্লিক করার পর নিচে আবারও পার্সোনাল ডিটেইলস দেখতে পারবেন, এখানে ক্লিক করবেন। এখন দেখেন কন্টাক্ট ইনফো দেখাচ্ছে। তারপর জন্ম তারিখ দেখাচ্ছে, তারপর হচ্ছে আইডেন্টিটি কনফার্মেশন দেখাচ্ছে। ওকে।


সো এখান থেকে আপনার ফোন নাম্বার যেটা দিবেন সেটা সচল ফোন নাম্বার হতে হবে। কারণ এখানে যেন কোড পাঠাইলে সেটা যেন যায়।


ঠিক আছে? যদি ফোন নাম্বার যদি আপনি পুরাতন ইউজ করে থাকেন তাহলে চেঞ্জ করে আপডেট করে নিবেন। সো কন্টাক্ট ইনফোতে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর একটা ফোন নাম্বার আছে আপনি চাইলে আরও একটা যুক্ত করতে পারেন।


আর আপনি মাস্ট বি একটা ইমেইল এড্রেস যুক্ত করবেন। এইজন্য অ্যাড নিউ কন্টাক্ট এখানে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর অ্যাড ইমেইল এখানে ক্লিক করবেন। ওকে।


সো এখন আপনাকে যে কাজটা করতে হবে ইমেইল এড্রেস দিতে হবে। দেওয়ার পর এখান থেকে আপনি নেক্সট এ ক্লিক দিলেই একটা কোড যাবে।


আপনার ইমেইল এড্রেসে। সেই কোডটা এখানে বসিয়ে ভেরিফিকেশন করলেই আপনার ইমেইল এড্রেসটা যুক্ত হয়ে যাবে। ওকে।


সো এটা প্রসেসটা ইজি আমি আর দেখালাম না। জাস্ট আমি এখান থেকে ব্যাক করে চলে আসি। এভাবে আপনার ফোন নাম্বারটাও চাইলে চেঞ্জ করতে পারেন। ওকে। আমি ব্যাক করে চলে আসি।


তারপর এখান থেকে জন্ম তারিখ। এইটা কিন্তু বেশি ইম্পরট্যান্ট। যদি আপনার আইডি নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে চান। কোন কারণে নষ্ট হয়ে গেলে ফিরিয়ে আনতে গেলে এই জন্ম তারিখ লাগবে।


আপনার এনআইডি বা পাসপোর্টের যে জন্ম তারিখটা আছে, সেটাই এখানে হুবহু দিয়ে দিবেন। ঠিক আছে? আচ্ছা।


তারপরের অপশনটা খুবই ইম্পরট্যান্ট সেটা হচ্ছে আইডেন্টিটি কনফার্মেশন। সো আপনার আইডি যদি কখনো নষ্ট হয়ে যায়, কোন কারণে, তাহলে এই আইডেন্টিটি কনফার্মেশনটা যদি আপনার চালু থাকে, তাহলে কিন্তু আপনি আইডিটা ফিরিয়ে আনতে পারবেন।


আদারওয়াইজ সম্ভবই না। এজন্য আপনি আইডেন্টিটি কনফার্মেশন ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর এখান থেকে কনফার্ম ইউর আইডেন্টিটি এখানে ক্লিক করবেন। তারপর হচ্ছে প্রোটেক্ট ইউর অ্যাকাউন্ট এখানে ক্লিক করবেন।


তারপর এখান থেকে আপনাকে পাসওয়ার্ড দিতে হবে। ঠিক আছে? পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর আপনি কন্টিনিউ ক্লিক করবেন।


এখন তারা আপনার হোয়াটস্যাপ এ একটা কোড পাঠাবে। এই নাম্বারে। সো এই কোডটা এখানে বসাতে হবে। ঠিক আছে? আমি আর যাচ্ছি না ঐদিকে।


সো এখানে কোডটা বসানোর পরে আপনাকে আপনার হচ্ছে যদি পাসপোর্ট দিয়ে করতে চান, তাহলে পাসপোর্ট মানে আপনি যদি এনআইডি দিয়ে করতে চান, তাহলে এনআইডি সামনে পিছনে দুই দিকের ছবি তুলতে হবে।


বা পাসপোর্ট দিয়ে করলে পাসপোর্টের ছবি তুলে সাবমিট করতে হবে। তারা যদি দেখে সব ঠিকঠাক আছে তাহলে আইডেন্টিটি কনফার্মেশন চালু করে দিবে। তাহলে আপনার আইডি খুব সহজে নষ্ট হবেনা। ঠিক আছে?


আমি ধরে নিচ্ছি যে আপনার একটু অ্যাডভান্স লেভেলে রয়েছেন। যেহেতু এটা ২০২৫ সাল, সো আর আপনাদেরকে বিস্তারিত আর দেখাচ্ছি না। আমি ব্যাক করে চলে আসছি।


এখান থেকে আমার দুইটা বা তিনটা কাজ কিন্তু হয়ে গেল। তারপরে দেখেন এখান থেকে পাসওয়ার্ড এন্ড সিকিউরিটি নামে একটা অপশন রয়েছে। আমি ব্যাকে আসার পর পাসওয়ার্ড এন্ড সিকিউরিটিতে যাবেন।

৫টি সেটিংস যা আপনার Facebook Account রাখবে ১০০% নিরাপদ | Online Safety Tricks

চেঞ্জ পাসওয়ার্ড। এখানে আপনারা পাসওয়ার্ডটাকে চেঞ্জ করবেন। কেন চেঞ্জ করবেন? একটা স্ট্রং পাসওয়ার্ড দিতে হবে।


যদি আপনারা ইজি পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকেন, ফোন নাম্বার দিয়ে থাকেন অথবা নিজের নাম দিয়ে ওয়ান টু থ্রি দিয়ে থাকেন এই টাইপের। তাহলে কিন্তু হ্যাকার খুব সহজে হ্যাক করে ফেলতে পারে।


এখন স্ট্রং পাসওয়ার্ডটা কিভাবে দিতে হয়? ধরুন কিছু স্মল লেটার দিবেন, কিছু ক্যাপিটাল লেটার দিবেন, কিছু বিভিন্ন নাম্বার দিবেন যেমন ওয়ান টু থ্রি সিক্স সেভেন এইট এই টাইপের কয়েকটা নাম্বার দিবেন।


বিভিন্ন চিহ্ন দিবেন সাংস্কৃতিক চিহ্ন যেমন এট দ্য রেট অফ, হ্যাশ, তারপর হচ্ছে স্টার এই টাইপের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক চিহ্ন ব্যবহার করে আট ডিজিটের মিনিমাম পাসওয়ার্ড দিবেন তাহলে এটা স্ট্রং হবে।


এই পাসওয়ার্ড হ্যাকার সহজেই হ্যাক করতে পারবেনা। তারপরের অপশনটা সবচেয়ে বেশি ইম্পরট্যান্ট সেটা হচ্ছে টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন। এখানে আপনারা ক্লিক দিবেন।


দেয়ার পর আবার আগের মত বাকি স্টেপগুলো ফলো করবেন। টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন এ আপনাকে যে কাজটা করতে হবে, একটা ফোন নাম্বার চাইবে ফোন নাম্বারটা দিবেন।


দেয়ার পর একটা কোড পাঠাবে। এই কোডটা এখানে বসালে টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনটা চালু হয়ে যাবে। সো এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনার আইডি এবং পাসওয়ার্ড যদি কেউ নিয়েও যায়।


মানে আপনার আইডি এবং পাসওয়ার্ডে একজন কি দিয়ে দিলেন যে ভাই নিয়ে যাও তুমি। সে নিয়ে গিয়ে লগইন করতে গেলে আপনার সিমে একটা কোড আসবে। এই কোডটা যতক্ষণ না বসানো যাবে ততক্ষণ সে আপনার ফেসবুকে প্রবেশ করতে পারবেনা।


তার মানে আইডি পাসওয়ার্ড নিয়ে গেলেও আপনার ফেসবুক থাকবে নিরাপদ। ওকে। সো এটা কিন্তু খুবই ইম্পরট্যান্ট।


তারপর দেখেন এখানে আরও একটা অপশন রয়েছে। সেটা হচ্ছে আপনার লগইন এলার্টস। ঠিক আছে? এখানে ক্লিক দিবেন।


দেয়ার পর এই লগইন এলার্টস অপশনটুকু আপনারা এই যে এটা চালু করা আছে এটা বন্ধ করা থাকলে এটা চালু করে দিবেন। ওকে।


সো এই কয়টা সেটিংস যদি আপনারা আপাতত করে রাখেন, ঠিক আছে? তাহলে আপনার ফেসবুক আইডি কিন্তু খুব সহজেই নষ্ট হবেনা। ওকে।


আর একটা জিনিস আপনাদেরকে আরেকবার বলি সেটা হচ্ছে এই যে পাসওয়ার্ড এন্ড সিকিউরিটিতে যাওয়ার পর এখান থেকে আবার হচ্ছে পাসওয়ার্ড এন্ড সিকিউরিটিতে যাবেন।


যাওয়ার পর এই টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনটা যখন চালু করবেন এটার মধ্যে যাওয়ার পর কিছু সিকিউরিটি কোড আপনারা দেখতে পারবেন।


সেই সিকিউরিটি কোডগুলা লিখে রাখবেন। লিখে রাখলে সুবিধা কি? কখনো যদি আপনার ফোনে কোড না আসে, এই প্রবলেমটা কিন্তু অনেকেই ফেস করি।


তখন কিন্তু আপনারা এই সিকিউরিটি কোডগুলা দিয়ে বা ব্যাকআপ কোডগুলা দিয়ে আপনারা কিন্তু আপনাদের ফেসবুক আইডিতে প্রবেশ করতে পারবেন। সো এই হচ্ছে মূলত ফ্যাক্ট।


সো যে কথাগুলো বললাম এগুলা যদি আপনারা মেনে চলেন বা এই সেটিংসগুলো যদি আপনারা করে রাখেন তাহলে আপনার ফেসবুক আইডি কখনোই নষ্ট হবে না।


তো ভিডিও শেষ করার আগে আপনাদেরকে বলছি এই ভিডিওটা হয়তো বা আপনার এখন কাজে না লাগলেও পরবর্তীতে কাজে লাগতে পারে বা আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা অনেকেরই কাজে লাগতে পারে।

৫টি সেটিংস যা আপনার Facebook Account রাখবে ১০০% নিরাপদ | Online Safety Tricks

সো ভিডিওটা আপনি আপনার ফেসবুকে টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখেন। আজকের মত আমি tamimআপনাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছি। দেখা হচ্ছে নতুন কোন ভিডিওতে। আল্লাহ হাফেজ।




Post a Comment