ইউটিউব চালান কিন্তু সফল হচ্ছেন না? জানুন এই সিক্রেট | YouTube Tips

আপনি কি ইউটিউবে কাজ করছেন কিন্তু সফল হচ্ছেন না? এই ভিডিওতে আমরা দেখাবো ইউটিউবে দ্রুত সফল হওয়ার সেরা কিছু টিপস এবং ট্রিকস।

 

ইউটিউব চালান কিন্তু সফল হচ্ছেন না? জানুন এই সিক্রেট | YouTube Tips

Facebook এবং ইউটিউব এর জন্য ভালো মানের ভিডিও তৈরি করেও ছোট বড় কিছু ভুলার কারণে আপনি একজন ব্যর্থ কনটেন্ট ক্রিয়েটর। আপনার ক্যাটাগরিতে আপনার চেয়ে বাজে ভিডিও আপলোড করেও অনেকেই সফল। কোন ভুল গুলোর কারণে আপনার কনটেন্ট ক্রিয়েশনের এই বাজে অবস্থা? আমি আমার দীর্ঘ ইউটিউব জার্নির আলোকে আপনাদেরকে বলবো যে আসলে কিভাবে আপনারা সেই ভুল গুলোকে শুধরে একজন সফল কনটেন্ট ক্রিয়েটরে পরিণত হবেন। চলুন কথা না বাড়িয়ে মূল ভিডিওটা শুরু করা যাক। নতুন চ্যানেল খোলার পর একটা ভুল কিন্তু মোটামুটি আমরা কমবেশি সবাই করি, যেমন এটা আমিও শুরুর দিকে করেছিলাম।

 যে কাউকেই পেলাম ফ্রেন্ডস, ফ্যামিলি বা আত্মীয় স্বজন যাকেই পেলাম তার ফোনেই কিন্তু আমার চ্যানেলটাকে সাবস্ক্রাইব করে দিচ্ছি। এই যে সাবস্ক্রাইবটা করে দিচ্ছি এটা কিন্তু চরম একটা ভুল। এখন আপনি বলতে পারেন যে না সাবস্ক্রাইবার বাড়ছে, আমার এই সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর কোনো দরকার নেই। কারণ আপনি যার মোবাইল দিয়ে সাবস্ক্রাইব করছেন সে তো আপনার চ্যানেলের ভিডিও কখনোই দেখবে না। সে ইন্টারেস্টেড না। সো দেখা গেল যে আপনি কোন একটা ভিডিও আপলোড করার সাথে সাথেই সেই ভিডিওটা কিন্তু তার কাছে পৌঁছালো Facebook বা YouTube বাট সে তো ইন্টারেস্টেড না সে ভিডিওটা দেখল না। 

আর যখন সে ভিডিওটা দেখল না তখন Facebook বা YouTube এর রোবট ধরে নিল যে আপনার এই ভিডিওটা কোয়ালিটিফুল হয়নি যে কারণে সে ভিডিওটা সে দেখেনি সে সাবস্ক্রাইব করার পরেও। যে কারণে পরবর্তীতে আপনি ভিডিও আপলোড করলেও কিন্তু সে ভিডিওগুলো শুধু তার কাছে পৌঁছাবে না সেটা কিন্তু না Facebook বা YouTube এর রোবট মনে করবে যে এগুলা কোয়ালিটিফুল ভিডিও না। যার ফলে কিন্তু আপনার ভিডিওটার রিচ অনেক কমিয়ে দিবে যার ফলে আপনার ভিউটা একদমই পড়ে যাবে। সো এই ক্ষেত্রে আমি আপনাদেরকে বলবো যে কেউ যদি আপনার চ্যানেল ইন্টারেস্টেড হয়ে ভিডিওতে সাবস্ক্রাইব করে তাহলে সেটাই বেস্ট আপনি কাউকে দিয়ে এভাবে ফোর্স করে আপনি আসলে সাবস্ক্রাইব করতে যাবেন না এতে কিন্তু ফলাফলটা মোটেও ভালো পাবেন না।

 সময়ের সাথে সাথে আমরা কিন্তু অনেক চালাক হয়ে গেছি অর্থাৎ নিজের ভিডিও নিজে দেখিনা বাট ফ্যামিলির অন্য কাউকে দিয়ে দেখাই বা কোন ফ্রেন্ডসদের মোবাইল দিয়ে দেখাই এরকম করি অনেক কিছুই। আর এটা কিন্তু মোটেও ঠিক নয়। কারণ আপনি আপনার ফোন দিয়ে আপনার ভিডিওটা দেখছেন না ঠিক আছে কিন্তু আপনি যে রাউটার ইউজ করছেন বা যে লাইন ইউজ করছেন সেই একই লাইন থেকে যখন কোনো একটা লোক সে ভিডিওটা সম্পূর্ণ দেখবে তখন কিন্তু Facebook বা YouTube এর রোবট সেই ম্যাক আইডিটাকে ট্রেস করে ফেলবে যে এটা একই রাউটার থেকে এই ভিডিওটা দেখছে। তার মানে হচ্ছে এই ভিডিওটা ইনটেনশনালি দেখা হচ্ছে। যার ফলে কিন্তু এটাকে তারা একটা নেগেটিভ মার্কিং হিসেবে ধরে নিবে এবং আপনার ভিডিওতে কিন্তু ভিউজটা অনেক কমিয়ে দিবে। 

সো আপনারা কখনোই এভাবে নিজের ভিডিও নিজে দেখতে যাবেন না স্পেশালি একই রাউটার বা একই কানেকশন থেকে মোটেও দেখা যাবে না। কন্টেন্ট ক্রিয়েশনে ব্যর্থ হওয়ার পেছনে এখন আমি যে কারণটা ব্যাখ্যা করব আমার মনে হয় যে এটা ম্যাক্সিমাম লোকেই করে থাকে এবং আমিও কিন্তু এটা করে এসেছি। ধরেন আমি যে ক্যাটাগরির ভিডিওটা আপলোড করছি আমার কাছে মনে হচ্ছে যে আমার এডিটিং প্রেজেন্টেশন আমার থাম্বনেইল সবকিছুই বেস্ট।


বাট আমি যখন শুরু করেছি তখন আমার কাছে আসলে বেস্ট মনে হচ্ছে বা আপনার কাছে বেস্ট মনে হচ্ছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে আমার আপনার ভিডিওর কোয়ালিটির চেয়ে সেইম কোয়ালিটির অনেক ভালো কোয়ালিটির ভিডিও কিন্তু ইউটিউব বা ফেসবুকের রয়েছে। সো এটা কিন্তু আমরা বুঝতে পারি না কারণ আমরা নতুন নতুন ভিডিও ক্রিয়েট করছি যে কারণে আমার কাছে মনে হচ্ছে বা আপনার কাছে মনে হচ্ছে যে আপনারটাই বেস্ট। সো এই ক্ষেত্রে আমাদেরকে নিরপেক্ষভাবে একটু জাজ করতে হবে আমাদের চেয়ে কে আরো বেশি ভালো কনটেন্ট তৈরি করেছে এবং তার চেয়ে ভালো করার জন্য আমাদেরকে কি কি করতে হবে সেগুলা নিয়ে মূলত কাজ করতে হবে। ওকে তাহলেই আপনি সফল হতে পারবেন। অনেকেই বলতে শুনবেন যে ভিডিওর লেন্থ বেশি হলে ভিডিওতে ভিউজ বেশি আসতে পারে।

 হ্যাঁ আমি এই কথাটার সাথে একমত কিন্তু এটা করতে গিয়ে আমরা যে ভুলটা করে ফেলি সেটা হচ্ছে আমাদের কনটেন্টের আসলে ডিউরেশন হয় চার থেকে পাঁচ মিনিট। বাট আমাদের কাছে মনে হচ্ছে যে না এটা কি যদি আমরা বেশি করতে পারি ভিউজ বেশি আসবে যে কারণে এই পাঁচ মিনিটের কনটেন্টটাকে আমরা টেনে হেঁচড়ে দশ মিনিট বা পনেরো মিনিটে নিয়ে যাই। আর যখন এটাকে পনেরো মিনিটে নিয়ে যাই তখন কিন্তু একটা মানুষের ইনটেনশন থাকে না। ঠিক আছে পাঁচ মিনিটেরটা সে চায় পাঁচ মিনিটের দেখতে পারলে সে চায় এটা তিন মিনিটের মধ্যে শেষ করতে ওকে কারণ অনলাইনে ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে একটা মানুষের বেশি ধৈর্য থাকে না।

 সেই ক্ষেত্রে যখন আমরা এটা পনেরো মিনিটে নিয়ে যাই তখন দেখা যায় যে সেই ভিডিওটা সেই ব্যক্তি হয়তোবা তিন মিনিট বা পাঁচ মিনিট দেখেই কেটে দিচ্ছে। আর এই যে ভিডিওটার পার্সেন্টিজটা কিন্তু Facebook বা YouTube এর রিপোর্ট বিবেচনা করে যে আসলে একটা লোক ভিডিওটা কত পার্সেন্ট দেখল বা কত পার্সেন্ট সময় দেখল। টাইম বিচারের বিশ্লেষণে সে ফাইভ পার্সেন্ট দেখেছে বা টেন পার্সেন্ট দেখেছে বা টোয়েন্টি পার্সেন্ট দেখেছে। সো এটাকে কিন্তু সে ভালো করে নেয় না কারণ ভিডিওর যে লেন্থ রয়েছে সে অনুপাতে কিন্তু এটা তার জন্য পারফেক্ট না। যার ফলে কিন্তু এই ভিডিওটার রিচ কমিয়ে দেয়। হ্যাঁ তবে যদি আপনার দশ মিনিটের ভিডিও আপনি দশ মিনিটে চাড়তে পারেন এবং মানুষের যদি এটেনশনটা ফুল সময় ধরে থাকে তাহলে কিন্তু ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পসিবিলিটি থাকে।

 আমরা Facebook বা YouTube এ চ্যানেল খুলেই দৌড়াতে শুরু করি যে কিভাবে আমাদের সাবস্ক্রাইবার আসবে বাকিভাবে ফলোয়ার আসবে বাকিভাবে আমাদের দ্রুত ভিউ আসবে। আর এটার জন্য দৌড়াতে দৌড়াতে অনেকেই যে কাজটা করে বসি সেটা হচ্ছে ফলোয়ার কিনে ফেলি সাবস্ক্রাইবার কিনে ফেলি এবং অনেকেই কিন্তু ভিউও কিনে ফেলি। আর এটা কিন্তু একটা চ্যানেলের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ। আপনাকে প্রথমে গুরুত্ব দিতে হবে আপনার কোয়ালিটির প্রতি মানে আপনার কনটেন্টের কোয়ালিটির প্রতি তারপর এখানে রেগুলার ভিডিও আপলোড করে যেতে হবে ধৈর্য সহকারে। আর আপনি যদি ঐ সাবস্ক্রাইবার, ফলোয়ার বা ভিউয়ারস এর পিছনে দৌড়ান তাহলে কিন্তু আপনার কোয়ালিটি মোটেও গ্রো করবে না। যার ফলে কিন্তু আপনার চ্যানেলে ভিউসও আসবে না আর আপনি একসময় ব্যর্থ হয়ে ইউটিউবিং বা কনটেন্ট ক্রিয়েশনে এই প্যাটাটুকু ছেড়েই দিবেন। 

ডে বাই ডে Facebook এবং YouTube এ কমিউনিটি গাইডলাইন্স কিন্তু অনেক বেশি জটিল হচ্ছে। সো আমরা কিন্তু এই কমিউনিটি গাইডলাইন্স সম্পর্কে কোন আইডিয়া না রেখেই কনটেন্ট ক্রিয়েশনে চলে আসি। যে কারণে আমরা কিন্তু খুব ভালো কনটেন্ট তৈরি করলেও সাকসেস হতে পারি না। ধরেন আপনি খুব ভালো ফুটবল খেলেন বাট আপনি ফুটবল খেলার নিয়মকানুন সম্পর্কে কিছুই জানেন না আপনাকে কোনো একটা মাঠে নামিয়ে দেওয়া হলো বাট আপনি এই মাঠে যত ভালোই খেলেন আপনি কিন্তু সফল হতে পারবেন না। 

কারণ আপনি তো জানেন না যে কোথায় বল লাগলে আপনার হ্যান্ডবল হতে পারে বা কোথায় গিয়ে আপনাকে গোল দেওয়া যাবে না বা হচ্ছে কাকে ফাউল করা যাবে না এই বিষয়গুলো যদি আপনি না জানেন তাহলে তো অবশ্যই আপনি ভালো খেলোয়ার হলেও আপনি কিন্তু সাকসেস হতে পারবেন না। সো কনটেন্ট ক্রিয়েশনের ক্ষেত্রেও কিন্তু একই জিনিস এরকম কমিউনিটি গাইডলাইন্স আছে যেগুলা অবশ্যই আপনাকে ভালো করে স্টাডি করতে হবে। ধরেন কোন ভিডিওগুলা আপনার আপলোড করা যাবে না। দেখছেন যে অন্য একজন আপলোড করেছে তাকে আসলে কপিরাইট ক্লেইম দিচ্ছে না আপনাকে দিচ্ছে আবার দেখা গেল যে আপনি একটা সাউন্ড ইউজ করেছেন বাট সেই সাউন্ড হচ্ছে কপিরাইট আসতেছে।


আবার দেখা গেল যে আপনার ভিডিওতে কমিউনিটি গাইডলাইন্স ভঙ্গের অভিযোগ আসতেছে কিন্তু অন্যের একটা ভিডিওতে আসছে না। সো এই বিষয়গুলা আপনাকে অবশ্যই স্টাডি করতে হবে। যেহেতু আপনি কনটেন্ট ক্রিয়েশনকে একটা পেশা হিসেবে নিতে চাচ্ছেন অবশ্যই আপনাকে অন্তত দুই থেকে চার দিন এটা নিয়ে স্টাডি করতে হবে। আপনি গুগলে সার্চ দিলেই কিন্তু তাদের কমিউনিটি গাইডলাইন্স সম্পর্কে একটা ধারণা পাবেন আবার যদি আপনি YouTube এ চান যে এখানে আপনি একটু স্টাডি করবেন এখানে স্টাডি করলে ভালো একটা আইডিয়া পাবেন।


আর সেই আইডিয়া নিয়ে যদি আপনি শুরু করতে পারেন তাহলে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি আপনি যদি এই কারণে ব্যর্থ হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই আপনি ব্যর্থতা কাটিয়ে সফলতার মুখ দেখতে পারবেন। আমাকে যদি কেউ প্রশ্ন করে যে সফল কনটেন্ট ক্রিয়েটর হতে হলে আপনাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে কোন বিষয়টার প্রতি? তাহলে আমি বলি যে আসলে অনেক বিষয়ই আছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আপনাকে যে জিনিসটা রাখতে হবে সেটা হচ্ছে ধৈর্য। কারণ আমাদের ম্যাক্সিমাম লোকেরই কিন্তু ধৈর্য থাকে না। দেখা গেল যে আমি খুব ভালো কনটেন্ট তৈরি করছি আমি একাধারে পাঁচটা দশটা বা বিশটা কনটেন্ট তৈরি করেছি তৈরি করার পর আমি দেখি যে না আমার চেয়ে অনেক লো কোয়ালিটির কনটেন্ট তৈরি করেও সে অনেক বেশি ভিউস পাচ্ছে সাবস্ক্রাইবার পাচ্ছে বাট আমি কিন্তু পজিশনে যেতে পারছি না। 

যে কারণে অনেকেই রাগ করে কিন্তু দেখা গেল যে আর কনটেন্ট ক্রিয়েশনটা কন্টিনিউই করে না। এই ক্ষেত্রে আমি আপনাদেরকে বলবো যে কনটেন্ট ক্রিয়েশন বা এই প্রতিযোগিতার যে মার্কেট বলতে পারেন এটাকে Facebook বা YouTube কে এখানে যদি আপনাকে এগিয়ে যেতে হয় বা টিকে থাকতে হয় তাহলে অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য নিয়ে লং টাইম পর্যন্ত কনটেন্ট তৈরি করে যেতে হবে। আর এই লং টাইম পরে গিয়ে কিন্তু আপনি সাকসেসের দেখা পাবেন আর যখন আপনি সাকসেসের দেখা পাবেন তখন শুধু কনটেন্ট ক্রিয়েট করেই যাবেন তখন আপনাকে আর পিছনে যেতে হবে না। জাস্ট আমি আপনাকে শেষ কথাটা বলবো যে এটা হচ্ছে আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য নিয়ে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত কাজ করতে হবে। ভিডিও আপলোডের ক্ষেত্রে আমরা অনেক বড় একটা ভুল করি সেটা হচ্ছে মিক্সড কনটেন্ট আপলোড করে দেই। যেমন কেউ একজন ব্লগ নিয়ে ভিডিও করছে। 

সো সে কোনো একটা প্রাকৃতিক পরিবেশে যাচ্ছে বা হিস্টোরিক্যাল কোনো একটা প্লেসে যাচ্ছে গিয়ে হচ্ছে ভিডিও করছে এবং সে ভালো ভিউজও পাচ্ছে সাবস্ক্রাইবারও পাচ্ছে এখন সে মনে করছে তো ব্লগ ভিডিও বাট এখন আমি চাইলে একটা প্রোডাক্টের ব্লগ করে ফেলতে পারি আবার দেখা গেল যে বাসায় এসে ফ্যামিলি মেম্বারদেরকে নিয়ে একটা ব্লগ করে ফেললাম। এরকম করে সে দেখা গেল যেখানেই যাচ্ছে সেখানেই ব্লগ দিয়ে দিচ্ছে সে মনে করছে যে আসলে ব্লগ তো হলেই হচ্ছে। বাট বিষয়টা কিন্তু সেইরকম না।

 ধরেন যে ব্যক্তি আপনার চ্যানেলটাকে সাবস্ক্রাইব করেছিল যে সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো দেখবে আপনার ব্লগের মাধ্যমে বা হচ্ছে হিস্টোরিক্যাল প্লেসগুলো দেখবে সে কিন্তু এই প্রোডাক্টের ব্লগে ইন্টারেস্টেড না বা আপনার এই ফ্যামিলি ব্লগে সে ইন্টারেস্টেড না। যার ফলে আপনি ভিডিও আপলোড করলে তার কাছে যদি নোটিফিকেশন যায় ও ভিডিওটা সামনে আসে সে কিন্তু দেখতে ইন্টারেস্ট ফিল করবে না। আর তখনই কিন্তু Facebook বা YouTube এর রোবট মনে করবে যে সে সাবস্ক্রাইবার হলেও সে কিন্তু এই ভিডিওগুলো দেখতে ইন্টারেস্টেড না। যার ফলে আপনি যত ভালো ভিডিও আপলোড করেন না কেন আপনার ভিডিওতে কিন্তু খুব বেশি ভিউজ আসবে না।


সো এই ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই মিক্সড কনটেন্ট আপলোড করা যাবে না। এবারে যে বিষয়টা দেখাবো সেটা কিন্তু খুবই ইম্পর্টেন্ট এবং এটা আমি ওয়াইটি স্টুডিও অ্যাপ থেকে দেখাচ্ছি। দেখেন আমার অ্যাপসে আসার পর এখান থেকে কিন্তু সামারিজ দেখাচ্ছে এবং লেটেস্ট পাবলিশড কনটেন্টটা দেখাচ্ছে ওকে। এখান থেকে দেখেন র্যাংকিং বাই ভিউজ এটা হচ্ছে টেন এর মধ্যে থ্রি দেখাচ্ছে মানে হচ্ছে চার ঘন্টা দুই মিনিটে এই ভিডিওগুলা মধ্যে আসলে কোনটা র্যাংকিং এগিয়ে ছিল ঠিক আছে। সো এই ক্ষেত্রে আপনাদেরকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন এই তীর চিহ্নটা উপরে এবং সবুজ দিকে থাকে ঠিক আছে। 

যদি পাশাপাশি তিন থেকে চারটা ভিডিও নিচের দিকে চলে আসে ঠিক আছে র্যাংকিং এ হচ্ছে পাঁচের পরে বা হচ্ছে সাতে আটে দশে চলে আসে তাহলে কিন্তু আপনার ভিডিওতে ভিউজ অনেক কমে যাবে এবং এটা কিন্তু র্যাংকিং এ আপনি আর নিতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে আপনাকে যে কাজটা করতে হবে এই ক্ষেত্রে আপনি যদি দেখেন যে পাশাপাশি দুইটা ভিডিও আপলোড করার পর দুইটাই হচ্ছে র্যাংকিংয়ের নিচের দিকে চলে গেছে তাহলে এই ক্ষেত্রে আপনাকে একটু চিন্তাভাবনা করে ভিডিও আপলোড করতে হবে যে ভিডিওটার ভালো চাহিদা রয়েছে বা ভিউস রয়েছে যেন এই ভিডিওটার র্যাংকিং উপরের দিকে যায় ঠিক আছে। 


ইউটিউব চালান কিন্তু সফল হচ্ছেন না? জানুন এই সিক্রেট | YouTube Tips

আপনি প্রতিদিনই ইউটিউবে ভিডিও দেখছেন অথচ এই হিডেন ট্রিক্সগুলো না জানার কারণে আপনি কিন্তু ইউটিউব ইউজ করেও খুব বেশি মজা পাচ্ছেন না।


আজকের ভিডিওতে ইউটিউব এর পাঁচটি সেরা হিডেন ট্রিকস নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করব। চলুন তাহলে শুরু করা যাক। ইউটিউবে কোন গান প্লে করার সময় আমরা অনেকেই চাই যে একটা গান বারবার রিপিট করুক।


কিন্তু অনেকেই হয়তোবা জানেন না যে এই অপশনটা ইউটিউবে আছে বাট এটাকে অন করে দিলেই কিন্তু একটা গানি বারবার রিপিট হবে।


সো এইটা করার জন্য আপনি যখন সেই ভিডিওটা প্লে করবেন তখন হচ্ছে আপনি উপরের দিকে জাস্ট এই স্ক্রিনের উপর টাচ করবেন, দেন হচ্ছে আপনি সেটিংসের আইকনটাতে চলে যাবেন।


তারপরে এখানে একটা অপশন দেখতে পারবেন সেটা হচ্ছে আপনার এডিশনাল সেটিংস জাস্ট এখানে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর হচ্ছে এখান থেকে লো ভিডিও নামে একটা অপশন রয়েছে জাস্ট এইটাকে আপনি অন করে দিবেন।

এখন কি হবে? আপনি যে ভিডিওটা চালাচ্ছেন এটা শেষ হয়ে যাওয়ার পর অটোমেটিক এই ভিডিওটা আবারো রান হতে থাকবে।


অর্থাৎ এই ভিডিওটা যতবার শেষ হবে ততবারই আবার শুরু হবে। সো এই ফিচারটা আমার অনেক বেশি কাজে লাগে কারণ আমি পিসিতে যখন থাম্বনেইল তৈরি করি তখন আমি গান শুনি।


আর একটা গান রিপিট করতে আমার অনেক ভালো লাগে। আপনি ইউটিউবে কোন একটা ইন্টারন্যাশনাল কন্টেন্ট দেখছেন আর আপনি হয়তোবা ভাবছেন যে ইস যদি এই কন্টেন্টটা আমি বাংলায় দেখতে পারতাম।


বাট অনেক চ্যানেল আছে অনেক পপুলার বড় বড় চ্যানেল আছে যাদের হচ্ছে বাংলায় ডাবিং করা থাকে শুধু বাংলায় না বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় থাকে হিন্দি থাকে ইংলিশ থাকে ফরাসি থাকে এরকম অনেক ভাষায় থাকতে পারে।


সো এটা চেক করার জন্য আপনি দেখেন আমি এখানে একটা চ্যানেলকে চুজ করেছি সেটা হচ্ছে রুহি চানেল। সো রুহি চানেল এর এই ভিডিওটা ধরে ইংলিশে প্লে হচ্ছে।


সো এখন আমি যে কাজটা করব ভিডিওটার উপর একটা টাচ করব তারপর হচ্ছে এখান থেকে সেটিংস আইকনে ক্লিক করব। তারপর এখান থেকে অডিও ট্র্যাক নামে একটা অপশন রয়েছে এই অডিওটাকে ক্লিক করার পর দেখেন এখান থেকে এটার দেখেন বাংলাও রয়েছে।


সো আমি যদি বাংলাটা সিলেক্ট করে দেই এখন সাথে সাথে কিন্তু এই কন্টেন্টটা আমি বাংলায় শুনতে পারবো। ইন্টারেস্টিং না? এটা কিন্তু সব চ্যানেল নেই হাতেগোনা দুই একটা চ্যানেলে কিন্তু রয়েছে।


অনেকেই কমপ্লেন করেন যে ইউটিউবে ভিডিও দেখতে গেলে প্রচুর পরিমাণে অ্যাড আসে। সো অ্যাড থেকে যদি আপনি বাঁচতে চান তাহলে আপনাকে কিছুটা টাকা খরচ করতে হবে।


অর্থাৎ আপনাকে ইউটিউব এর প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন নিতে হবে। প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন নেওয়ার জন্য আপনি যে কাজটা করবেন জাস্ট হচ্ছে এই যে নিচের দিকে দেখেন ইউ নামে একটা অপশন রয়েছে এখানে ক্লিক করবেন।


ক্লিক করার পর আপনি একটু স্ক্রল করে নিচের দিকে আসবেন। এখানে গেট ইউটিউব প্রিমিয়াম জাস্ট এখানে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর হচ্ছে এখান থেকে বাকি স্টেপগুলো ফুলফিল করবেন।


এই ক্ষেত্রে হচ্ছে আপনার ডুয়াল কারেন্সি কার্ড থাকতে হবে সেই কার্ড অ্যাড করে কিন্তু আপনাকে ডলারে টাকাটা পে করতে হবে ঠিক আছে। তাহলে কিন্তু আপনার ইউটিউব এর প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশনটা পাবেন।


সাবস্ক্রিপশনটা পেলে আপনার ভিডিওতে আর কখনোই অ্যাডস আসবে না। পাশাপাশি আপনি যেসব ভিডিও ইউটিউব এর ডাউনলোড করতে পারছিলেন না সেইগুলাও কিন্তু আপনি আপনার ফোনে ডাউনলোড করতে পারবেন।


এই হচ্ছে প্রিমিয়াম এর সুবিধা আরও সুবিধা আছে জাস্ট আমি মেজোর দুইটা সুবিধার কথা বললাম। আপনি ইউটিউবে ভিডিও দেখছেন আপনি চাচ্ছেন সেই এই ভিডিওটা আপনি আপনার বাসার যে স্মার্ট টিভি আছে সেইখানে আপনি নিয়ে যেতে বা শেয়ার করতে।


এক্ষেত্রে জাস্ট হচ্ছে যে ভিডিওটা দেখছেন এটার উপর টাচ করবেন দেন হচ্ছে উপরের দিকে ঠিক এই যে দেখেন এরকম একটা আইকন দেখাবে জাস্ট এই যে আইকনটা এটার উপর ক্লিক করবেন।


ক্লিক করার পর এখান থেকে আপনার টিভির মডেলটা দেখাবে ঠিক আছে? টিভির মডেলটা দেখালে এখান থেকে জাস্ট ওইখানে ক্লিক করে পেয়ার করে নিবেন তাহলে দেখবেন যে আপনার স্ক্রিনটা সরাসরি টিভিতে শেয়ার হয়ে গেছে।


সো এটা অনেকেরই কাজে লাগে। আমি মাঝে মাঝে হচ্ছে ফোন চালাই তখন এটা হচ্ছে আমার টিভিতে শো করে। সো ফেসবুকটা বড় স্ক্রিনে দেখি মাঝে মাঝে আমার কাছে ভালো লাগে।


আবার কিছু কন্টেন্ট আছে যেগুলা আসলে কষ্ট করে আমি এখানে নিতে চাই না সরাসরি এখান থেকে প্লে করতে চাই। সো এইগুলা আমি করে ফেলি। এটা হয়তোবা অনেকেরই অনেক বেশি কাজে লাগবে।


আমরা যখন ইউটিউবে ভিডিও দেখতে শুরু করি তখন কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা চলে যায় আমরা টেরিও পাই না যে আমরা ইউটিউবে ভিডিও দেখছি বাট এটা কিন্তু আমাদের চোখের জন্য যেমন ক্ষতিকর তেমনি আমাদের শরীরের জন্য কিন্তু অবরল ক্ষতিকর।


সো এই ক্ষেত্রে ইউটিউব কিন্তু আপনাকে একটা সলিউশন দিয়েছে অর্থাৎ আপনি চাইলে একটা টাইম সেট করে রাখতে পারেন সেই টাইম এর পর ইউটিউব কিন্তু আপনাকে নোটিফিকেশন দিবে যে আপনার টাইম ওভার মানে আপনি যেটুকু দেখার দেখে ফেলেছেন ওকে।


সো এটা করার জন্য আপনি যে কাজটা করবেন কোন একটা ভিডিও প্লে অবস্থায় আপনি সেটিংস অপশনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর এখান থেকে হচ্ছে স্লিপার টাইম এই অপশনে একটা ক্লিক করবেন।


ক্লিক করার পর এখান থেকে দেখেন 10 মিনিট দেখাচ্ছে 15 মিনিট দেখাচ্ছে 20 মিনিট এরকম বিভিন্ন টাইম দেখাচ্ছে অথবা এন্ড অফ ভিডিও মানে এখান থেকে বলছে যে যদি আপনি এই টাইমটা সেট করে রাখেন তাহলে এই সুনির্দিষ্ট টাইম পর সে আপনাকে নোটিফিকেশন দিবে এবং ভিডিওটা কিন্তু অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে ঠিক আছে।


আবার দেখা গেল যে এই ভিডিওটা শেষ হওয়ার পর যদি আপনি চান যে বন্ধ হয়ে যাক তাহলে জাস্ট হচ্ছে এন্ড অফ ভিডিও এটা দিলে ভিডিওটা শেষ হওয়ার সাথে সাথেই কিন্তু এটা অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে।


সো এই হচ্ছে মূলত বিষয় সো আপনারা চাইলে এটাকে কিন্তু চালু করে রাখলে আপনাদের অনেক বেশি উপকার হবে বিশেষ করে স্বাস্থ্যগত দিক থেকে অনেক বেশি উপকার পাবেন।


আগে যে ফিচারটা নিয়ে কথা বলেছি সেটা শুধুমাত্র একটা স্পেসিফিক ভিডিওর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বাট এখন যেটা নিয়ে কথা বলব সেটা অভারঅল ইউটিউব এর ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য দেখেন।


আপনি নিচের দিকে ইউটিউব এর যে ইউ অপশন রয়েছে এখানে ক্লিক করবেন তারপর হচ্ছে উপরের দিকে থাকা সেটিংস আইকনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর হচ্ছে এখান থেকে আপনি জেনারেল অপশনে ক্লিক করবেন।


এখন এখান থেকে দেখেন ড্রিমাইন টু মি ব্রেক জাস্ট এই অপশনটাতে যদি আপনি ক্লিক দেন ঠিক আছে? তাহলে আপনি প্রতিদিন কত ঘন্টা ভিডিও দেখার পর ইউটিউব নিচ থেকে আপনাকে জানাবে সেটা কিন্তু আপনি সেট করে দিতে পারেন।


এক ঘন্টা দিতে পারেন 45 মিনিট 30 মিনিট অথবা কাস্টমাইজ এ গিয়ে আপনি আপনার নিজের মত করে সেট করে কিন্তু আপনি এখান থেকে দিতে পারেন। এটা গেল একটা অপশন।


আরেকটা হচ্ছে যে আপনার ব্যাট টাইম কখন মানে আপনি কখন ঘুমাতে যান এইটা যদি আপনি জাস্ট অন করে দিয়ে আপনি টাইমটা সেট করে দেন যে কয়টা থেকে আপনি কয়টা পর্যন্ত ঘুমান।


সেই সময় যদি আপনি ইউটিউব অন করতে চান তাহলে ইউটিউব আপনাকে নোটিফিকেশন দেখাবে যে এখন আপনার ব্যাট টাইম এখন আপনাকে ঘুমাতে যেতে হবে সো এখন ইউটিউবে ভিডিও দেখা চলবে না বাট আপনি দেখতে পারবেন বাট সে আপনাকে নোটিফিকেশনটা দিবে।


অনেক সময় আমরা ভুলে যাই। সো এই দুইটা সেটিংস মাস্ট বি আপনারা অন করে রাখবেন আমি অন করে রাখি অলওয়েজ কারণ এটা আমার জন্য অনেক বেশি দরকারি।


সো আপনাদের স্বাস্থ্যগত দিক চিন্তা করলে আপনারা ওইটাকে অন করে রাখবেন। এখন যে টিপ নিয়ে আলোচনা করব এটা কিন্তু ভেরি ভেরি ইম্পর্টেন্ট যদি আপনার বাসায় ছোট বাচ্চা থেকে থাকে।


ধরেন আপনি ফোনটা রেখে চলে গেলেন সে ইউটিউবে ঢুকে উল্টাপাল্টা কোন একটা ভিডিও আসলো দেখে ফেলল। বাট এডাল্ট কন্টেন্ট আপনি বন্ধ করে রাখতে পারেন।


এজন্য আপনি যে কাজটা করবেন নিচে দেখা ইউ অপশনে ক্লিক করবেন তারপর হচ্ছে উপরের দিকে থাকা সেটিং অপশনে ক্লিক করবেন তারপর দেখেন এখানে জেনারেল নামে একটা অপশন রয়েছে জেনারেল ক্লিক করবেন।


তার পর এখান থেকে আপনি নিচের দিকে রেস্ট্রিকটেড মোড নামে একটা অপশন রয়েছে জাস্ট এইটাকে আপনি যদি ক্লিক দিয়ে অন করে দেন তাহলে 18 প্লাস কোন কন্টেন্ট কিন্তু আর কখনোই আপনার ইউটিউব এর টাইমলাইনে কিন্তু আর আসবে না।


ওকে সো আপনি এইটা যদি আপনার বাসায় ছোট বাচ্চা থাকে তাহলে এই কাজটা মাস্ট বি করে রাখবেন। সো গাইজ এই ছিল মূলত আমার আজকের ভিডিও যদি আপনার কাছে ভিডিওটি ভালো লেগে থাকে বা হেল্পফুল মনে হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ভিডিওটি আপনি আপনার ফেসবুকের টাইমলাইন শেয়ার করে দিতে ভুলবেন না।

ইউটিউব চালান কিন্তু সফল হচ্ছেন না? জানুন এই সিক্রেট | YouTube Tips

আজকের মত আমি TAMIM বিদায় নিচ্ছি দেখা হচ্ছে নতুন কোন ভিডিওতে আল্লাহ হাফেজ।


Post a Comment